566 জন দেখেছেন
"সৌরজগৎ" বিভাগে করেছেন (922 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,821 পয়েন্ট)
ঈশ্বর কণার বৈশিষ্ট্যঃ
যদিও আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান এই কণার ভর কত হওয়া
উচিত, তা সূক্ষ্মভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে
না, তবু মোটামুটিভাবে ধরে নেওয়া হয় যে এর
ভর 114 থেকে 185 GeV (গিগা ইলেকট্রন
ভোল্ট)-এর মধ্যে হওয়া উচিত। বলে রাখা ভালো,
এক গিগা ইলেকট্রন ভোল্ট হলো সেই পরিমাণ
শক্তি, যা 18 কেজির এক কোটি কোটি কোটি
কোটি ভাগের এক ভাগ (1.8× 10-27 Kg)
ভরবিশিষ্ট পদার্থের সমতুল্য। ঈশ্বর কণার বিপরীত
কণা সে নিজেই। আপনি যদি একটি মৌলিক কণা হন এবং
আপনি নিজেকে আয়নায় যেমন দেখেন, সেই
রকম উল্টো চেহারার একটা কণার চার্জ যদি আপনার
চার্জের বিপরীত হয় কিন্তু ভর হয় আপনার সমান,
তাহলে আপনারা একে অন্যের বিপরীত কণা বা
প্রতিকণিকা। তার মানে, ঈশ্বর কণার চেহারা আয়নার
সামনে ওল্টাবে না, আর তার চার্জ শূন্য। কারণ,
কোনো কণার চার্জ ধনাত্মক হলে তার
প্রতিকণিকার চার্জ ঋণাত্মক হতে হবে এবং ঋণাত্মক
হলে হবে ধনাত্মক। ঈশ্বর কণার ঘূর্ণন
কোয়ান্টাম সংখ্যা বা স্পিন শূন্য। কোনো মৌলিক
কণার স্পিন যদি n হয় তবে সেটা কমপক্ষে 1/n
চক্কর দিলে আগের মতো দেখায়। একজন
ব্যালে নাচিয়ে যখন পুরো এক চক্কর (3600)
ঘুরে আসেন, তখন তাঁর শরীর ঠিক সেই দিকে
মুখ করে থাকে, চক্কর শুরুর আগে তিনি যেদিকে
মুখ করে ছিলেন। তাঁর স্পিন ১। পুরো এক চক্কর
না ঘুরে অর্ধেক চক্কর ঘুরলে যদি আগের
অবস্থায় ফিরে আসা যায়, তবে স্পিন ২ হবে। স্পিন
শূন্য মানে, ঈশ্বর কণাকে নিজ অক্ষের ওপর
ঘুরতে দিলে কখনোই আগের অবস্থায় ফিরে
আসে না। ঈশ্বর কণার বৈদ্যুতিক চার্জ যেমন শূন্য,
তেমনি কালার চার্জও শূন্য। কালার চার্জ হলো মৌলিক
কণাগুলোর একটি বিশেষ ধর্ম, যার সঙ্গে
কালারের বা রঙের কোনো সম্পর্ক নেই, বরং
এটি ওই কণাগুলোর নিজেদের মধ্যে ক্রিয়াশীল
সবল বলের (strong interaction) গতিপ্রকৃতি
নির্দেশ করে। এই সবল বলের জন্যই বিভিন্ন কণা
পরস্পরের সঙ্গে আঠার মতো লেগে
থাকতে পারে, যেমন নিউক্লিয়াসের প্রোটন ও
নিউট্রন। ঈশ্বর কণার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য
হলো, এটি অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী। তৈরি হওয়ার পর এর
অর্ধায়ু বড়জোর সেকেন্ডের দশ হাজার কোটি
কোটি কোটি ভাগের এক ভাগের (in the order of
10-25 seconds) শামিল। অর্থাৎ যতগুলো ঈশ্বর কণা
একসঙ্গে তৈরি হয়, ওই সময় পেরোলে তার
অর্ধেকই নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। বাকি অর্ধের নিশ্চিহ্ন
হতে আরও কিছু সময় লাগে, তবে তা-ও
সেকেন্ডের অনেক ছোট ভগ্নাংশমাত্র।
মোটামুটিভাবে এগুলোই হলো ঈশ্বর কণার
বৈশিষ্ট্য। আমাদের জানা অন্যান্য মৌলিক কণা,
যেগুলোর অস্তিত্ব কেবল গণিতে নয়,
পরীক্ষায়ও প্রমাণিত, সেগুলোর বৈশিষ্ট্য
থেকে ঈশ্বর কণার এই বৈশিষ্ট্যগুলো অঙ্ক
কষে বের করা হয়েছে।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
13 এপ্রিল 2015 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অলীক বিন্দু (104 পয়েন্ট)
1 উত্তর
29 মার্চ 2014 "পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন masum1992 (1,870 পয়েন্ট)
1 উত্তর
01 মে 2013 "সৌরজগৎ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আরিফুল (6,244 পয়েন্ট)

283,134 টি প্রশ্ন

367,514 টি উত্তর

110,710 টি মন্তব্য

152,739 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...