বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
401 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (10,983 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (677 পয়েন্ট)

অনিদ্রার সমস্যা আছে অনেকেরই। রাতের পর রাত কোনও কারণ ছাড়াই ঘুম হয় না তাদের। এর পাশাপাশি দিনের বেলায় অতিরিক্ত স্ট্রেস এবং ক্লান্তি অনুভুত হয়। ঘুমের অভাব কমপক্ষে এক মাস ধরে স্থায়ী হলে তবেই তাকে অনিদ্রা বা ইনসমনিয়া বলা যাবে। অনিদ্রায় ভোগার যে কি কষ্ট, সেটা ভুক্তভোগী ছাড়া অন্যরা কমই বুঝবে। রাতের পর রাত ইচ্ছার বিরুদ্ধে জেগে থাকার ফলে মানসিক এবং শারীরিক চাপের পরিমাণ হয় প্রচণ্ড। ইনসমনিয়ার রয়েছে অদ্ভুত কিছু বৈশিষ্ট্য। দেখে নিন এগুলো কি।

image

১) অনিদ্রা হতে পারে বংশগত

হ্যাঁ, রাতের পর রাত যে আপনি জেগে থাকছেন এর পেছনে আপনার বংশধারার হাত থাকতে পারে। ২০০৮ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব তরুণদের পিতামাতার ইনসমনিয়া আছে তারা ঘুমের ওষুধ বেশি ব্যবহার করে এবং তাদের মধ্যে মানসিক সমস্যার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা এবং আত্মঘাতী প্রবনতাও এদের মাঝে দেখা যায়।

২) অন্যান্য প্রাণীরও ইনসমনিয়া হতে পারে

আপনার স্বামী/স্ত্রী যেভাবে অনিদ্রা নিয়ে আপনার কাছে নালিশ দিতে পারে পোকামাকড় তো আর সেটা করতে পারে না। কিন্তু পোকামাকড় এবং কুকুর-বিড়ালেরও অনিদ্রা হতে পারে।

৩) সোশ্যাল জেট ল্যাগ?

শুক্রবার ছুটি কাটানোর পর শনিবার অফিসে যাবার জন্য সকালে উঠতে কষ্ট হয় আপনার? এর মূল কারণ হল আপনি অন্য দিনের চাইতে শুক্রবার সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন। গবেষণাতেই দেখা গেছে যাদের ঘুম থেকে ওঠার সময় এমন এলোমেলো তাদের মাঝে অতিরিক্ত ওজন বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। একে গবেষকরা বলেন সোশ্যাল জেট ল্যাগ কারণ জেট ল্যাগের মতই অনিয়মিত ঘুমের জটিলতা দেখা দেয় এভাবে।

image

৪) নারীদের হরমোন অনিদ্রায় প্রভাব রাখে

পুরুষের চাইতে নারীর অনিদ্রা হবার সম্ভাবনা দ্বিগুণ। গবেষকরা মনে করেন এর পেছনে হরমোনের হাত আছে। রাতে কম ঘুম এবং দিনের বেলায় ক্লান্তির সাথে যোগ আছে গর্ভাবস্থা এবং ঋতুচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ের। এর সাথে আরও রয়েছে দুশ্চিন্তা এবং বিষণ্ণতার যোগ।

৫) দুর্লভ এক ধরণের অনিদ্রা থেকে হতে পারে মৃত্যু!

জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে এক ধরণের অনিদ্রা হয়ে উঠতে পারে মৃত্যুর কারণ। ১৯৮৬ সালের একটি গবেষণা থেকে ৫৩ বছর বয়সী একজন অনিদ্রা রোগীর কথা জানা যায়। দৈনিক তার মাত্র ২/৩ ঘণ্টা ঘুম হত। দুই মাস পরে তার মাত্র এক ঘণ্টা ঘুম হতে থাকে। তিন থেকে ছয় মাস পর ঘুম একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে তার জন্য এবং তিনি প্রচণ্ড ক্লান্তিতে ভুগতে থাকেন। শরীর কাঁপা এবং শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাও দেখা দেয়। আট মাস পরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য একই ভাবে মৃত্যুবরণ করেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
13 নভেম্বর "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন imran molla (14 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
02 নভেম্বর "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
30 এপ্রিল "নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন শিহাবুল হাসান শাহিন (142 পয়েন্ট)
1 উত্তর

359,297 টি প্রশ্ন

454,468 টি উত্তর

142,315 টি মন্তব্য

190,124 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...