বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
316 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (5,276 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (5,276 পয়েন্ট)
আল্লাহ তাআলার নাম ও সিফাতের শপথ করা।
এটি চার প্রকার।
(ক) শপথের ইচ্ছা ব্যতীত এমনিতেই لا والله ( না, আল্লাহর কসম) بلى والله (হ্যাঁ, আল্লাহর কসম) মুখে উচ্চারণ করা।
এ প্রকারের কসম নিরর্থক। এর কারণে কোন কিছু লাযিম হয় না। তবে আল্লাহর মহত্ত্বের প্রতি লক্ষ্য করে এ থেকেও পরহেয করা উচিৎ।
ইরশাদ হচ্ছে :—
لَا يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَكِنْ يُؤَاخِذُكُمْ بِمَا عَقَّدْتُمُ الْأَيْمَانَ (المائدة:৮৯)
“আল্লাহ তাআলা কসমের ক্ষেত্রে নিরর্থক কসমের জন্য তোমাদের পাকড়াও করবেন না কিন্তু তিনি তোমাদেরকে ঐ কসমসমুহের জন্যে পাকড়াও করবেন যে গুলোকে তোমরা দৃঢ় কর।” (সুরা মায়েদাহ :৮৯)
(খ) অতীতকালীন কোন বিষয়ের ব্যাপারে সত্য মনে করে কসম করা। পরে দেখা গেল বিষয়টি উল্টো। এটি নিরর্থক।
(গ) অতীতের কোন বিষয়ে জেনে শুনে মিথ্যা কসম করা। এটি সম্পূর্ণ হারাম। এটিকে يمين غموس বলা হয়। এ ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। এটি কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমার রা. বলেন : এক ব্যক্তি নবী করীম সা. এর দরবারে এসে জিজ্ঞেস করলেন কবীরা গুনাহসমূহ কি কি ? রাসুল সা. কবীরা গুনাহের বর্ণনা করতে গিয়ে يمين غموس -কে তার মাঝে শামিল করেছেন।
লোকটি يمين غموس সম্পর্কে জানতে চাইলে রাসূল সা. বললেনঃ এটি হচ্ছে মিথ্যা কসম করে অপর মুসলিমের সম্পদ দখল করা।
এ কসমের কোন কাফফারা নেই। এটি এমন অপরাধ যা তওবা ব্যতীত শুধুমাত্র কাফফারার মাধ্যমে মিটে যায় না। যে ব্যক্তি এমন করবে, তাকে তওবা করতে হবে।
(ঘ) ভবিষ্যতের কোন সম্ভাব্য বিষয়ে ইচ্ছকৃতভাবে শপথ করা। একে يمين منعقدة বলা হয়। এ ধরণের শপথের ক্ষেত্রেই কাফফারা ওয়াজিব হয়। তবে তিনটি শর্ত সাপেক্ষেঃ
(১) শপথকারী মুসলমান, বালেগ ও বিবেকসম্পন্ন হওয়া।
(২) নিজ ইচ্ছায় কসম করা। অতএব, বাধ্য হয়ে কসম করলে কাফফারা দিতে হবে না।
(৩) ইচ্ছা করে কসম ভঙ্গ করা। অতএব, বাধ্য হয়ে অথবা ভুলক্রমে কসম ভঙ্গ করলে কাফফারা ওয়াজিব হবে না।
উল্লেখিত তিনটি শর্ত পাওয়া গেলে কাফফারা ওয়াজিব হবে। ইরশাদ হচ্ছে :—
لَا يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَكِنْ يُؤَاخِذُكُمْ بِمَا عَقَّدْتُمُ الْأَيْمَانَ (المائدة:৮৯)
“আল্লাহ তাআলা কসমের ক্ষেত্রে নিরর্থক কসমের জন্য তোমাদের পাকড়াও করবেন না কিন্তু তিনি তোমাদেরকে ঐ কসমসমুহের জন্যে পাকড়াও করবেন যেগুলো তোমরা দৃঢ় কর।” (সুরা মায়েদাহ :৮৯)
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
31 অগাস্ট 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (5,276 পয়েন্ট)
1 উত্তর
31 অগাস্ট 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (5,276 পয়েন্ট)
1 উত্তর
31 অগাস্ট 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (5,276 পয়েন্ট)

300,141 টি প্রশ্ন

387,923 টি উত্তর

117,239 টি মন্তব্য

165,621 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...