475 জন দেখেছেন
"ভূগোল" বিভাগে করেছেন (5,324 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (5,324 পয়েন্ট)
মহাকাশের অন্যতম আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো কোয়েসার।কোয়েসার
আকাশের অসংখ্য তারার মধ্যেও কোয়েসার নিজেকে যুগে যুগে জানান দিয়ে গেছে। কোয়েসার নিয়ে বিজ্ঞানীরা প্রথম সুস্পষ্ট ধারণা পান ১৯৬৩ সালে। এটি প্রথমবারের মতো আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন কোয়েসার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে মহাকাশে বিরাজমান। প্রথম আবিষ্কৃত কোয়েসারটির নাম দেওয়া হয়েছিল ৩সি৪৮। মহাকাশের বহু দূর-দূরান্তের বিন্দু তারার মতো এদের দেখা যায়। কিন্তু যতই শক্তিশালী দুরবিন বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করা হোক এদের কৌণিক আকৃতি বৃদ্ধি পায় না। তাই সহসাই এদের দূরত্ব মাপা প্রায় অসম্ভব। ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত হয় আরেকটি কোয়েসার, যার নাম দেওয়া হয় ৩ঈ২৭৩। এক একটি কোয়েসার এত উজ্জ্বল যে, বেশ কয়েক হাজার কোটি তারা একত্র করলেও এত উজ্জ্বল হবে না। অথচ এটি আকৃতিতে খুব বড় দেখায় না। কোয়েসার সৃষ্টির পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সুস্পষ্ট নয়। তবে এটা জেনে অবাক হতে হয়, কোয়েসার শুধুই অকল্পনীয় আলোর সৃষ্টি করে তা নয়, এরা বেতার তরঙ্গও সৃষ্টি করতে পারে। অবশ্য আকাশের প্রতিটি তারাই কম-বেশি বেতার তরঙ্গ সৃষ্টি করে, কিন্তু কোয়েসারের মতো এত তীব্র বেতার তরঙ্গ অন্য কোনো তারা তৈরি করতে পারে না। পৃথিবী থেকে আমাদের সবচেয়ে কাছের কোয়েসারটি হলো ৩সি২৭৩। এর থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে প্রায় ১৫০,০০,০০,০০০ বছর সময় লাগে। এ পর্যন্ত প্রায় হাজারখানেক কোয়েসার আবিষ্কৃত হয়েছে। তবে এদের প্রকৃত রহস্যটি এখনো উদঘাটিত হয়নি। সবচেয়ে দূরের কোয়েসারটি থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগবে প্রায় এক হাজার কোটি বছর। সে হিসাবে কোয়েসার নিয়ে জানার অনেক বাকি।
0 টি পছন্দ
করেছেন (634 পয়েন্ট)


 

মহাকাশের বিস্ময়: কোয়েসার

বিঞ্জানেরঅনেক কিছু আবিস্কারের পর আমরা এখন জানি যে,মহাবিশ্বরচারপাশের অসংখ্য জ্যেতিস্ক থেকে নানা রকম বিকিরন ছড়িয়ে পরছে। যাদের তরংগ দৈর্ঘ্যকয়েক কিঃমিঃ থেকে শুরু করে এক সেঃমিঃ এর হাজার কোটি ভাগের চেয়ে ও ছোট হতেপারে।এই বিরাট বিস্তারের মাঝখনে যেটুকু বিকিরনের দৈর্ঘ্য 0.4 থেকে 0.7 মাইক্রনমাপের মধ্যে (1micron=1/1000mm)। অনেকজ্যেতিস্ক আছে যার থেকে নির্গত দৃশ্য আলো আমাদের কাছে অতি ক্ষীন ভাবে পৌছায়।

নতুন নতুনযন্ত্রপাতি আবিস্কারের ফলে বর্তমানে এগুলোর মাপ সম্ভব।এর ফলে এদের প্রকৃতিতে এতঅভিনবত্ব ধরা পরেছে যে কল্পনাকে ও হার মানায়।মহাবিশ্বের সব জ্যেতিস্ক গুলিকে দুরত্বেরভিক্তিতে তিন শ্রেনীতে ভাগ করা যায়।

 

এর মধ্যেকাছের হলো আমাদের সৌরজগতের গ্রহ,উপগ্রহ,গ্রহানুইত্যাদি।জ্যের্তিবিদ্যায় এদের দুরত্বের মাপ কে একক বলা হয়।(এটিহলো প্রায় 10 কোটি কিঃমিঃ,),সুর্য থেকেবৃহস্পতির দুরত্ব 5 একক,শনির 9একক,প্লুটোরপ্রায় 38 একক।এর পরে সবচেয়ে কাছের জ্যেতিস্ক হচ্ছে নক্ষএ, জ্যের্তিবিদ্যায়এদের দুরত্বের মাপকাটি হচ্ছে পারসেক এককের চেয়ে 2 লক্ষ গুনবড়।এগুলো হলো মাঝারী দুরত্বের জ্যেতিস্ক।

একটি বিরাটঘূর্নাবর্তের আকারে এদের অবস্হান নিয়ন্ত্রিত। রাতের আকাশে আমরা যে মিলকিওয়েছায়াপথ দেখতে পাই তা হলো এই ঘূর্নাবর্তের একটি পার্শ্বাচিএ,মাঝারীদুরত্বের জ্যেতিস্ক গুলো ছায়াপথের মধ্যেই সীমাবদ্ব নয়।

 

আমাদেরছায়াপথের মধ্যে যে সব কার্যকলাপ লক্ষ্য করা যায় তা অন্যসব ছায়াপথে ও লক্ষ্য করাযায়। এই ছায়াপথ গুলি এত দুরে যে বর্তমানের বৃহৎ দুরবীন দিয়ে ও এগুলোকে আবছাআলোর মত দেখা যায়।মাপের সাধারন একক হলো পারসেক যা 10 লক্ষপারসেকের সমান,একে বলা হয় হাবল দুরত্ব (Hubble distant)। এটি প্রায় 5 হাজার মেগাপারসেকের মত।

জ্যের্তিবিজ্ঞানীরাএই তিন শ্রেনীর জ্যেতিস্কের মধ্যে বেশ কয়েক টি অদ্ভুত বস্তু আবিস্কার করেছেন,এর মধ্যে একটিহলো “কোয়েসার” (Quasar)উপরোক্ত তিনশ্রেনীর জ্যেতিস্কের মধ্যে প্রথমে জ্যের্তিবিজ্ঞানকে নাড়া দিয়ে যে জ্যেতিস্কগুলোদেখা গিয়ে ছিল তা বর্তমানে কোয়েসার নামে পরিচিত।

 

বহুদুরেরতারাজগত থেকে বেতার তরংগের স্রোত আসছিল বেশ জোরে কিন্ত আলো প্রায় নাই বললেইচলে।কিন্ত আমাদের জানা নক্ষএ গুলো এর উল্টো যেমন সূর্য এর আলোর ত্রীবতা খুব বেশীকিন্ত সে তুলনায় বেতার তনংগ খুব ক্ষীন, যেটুকু তরংগের বিকিরন আসছে তা সূর্যের ছটামন্ডলের ইলেকট্রন চাচলের জন্য।

 

কিন্তকোয়াসার গুলো হচ্ছে এক একটি উচ্চ শক্তির বেতার ট্রান্সমিটারের মত।জ্যের্তিবিদরাএর নাম দিয়েছেন নক্ষত্রের মত বেতার উৎস (Quasi stiller radiosources) সংক্ষেপে কোয়েসার।50 এর দশকের শেষের দিকে অন্য আর দশটা রেডিওতরংগের উৎসের মত এদেরও ক্যামব্রিজ ক্যাটালগ অনুযায়ী তালিকাভূক্ত করা হয়েছিলযেমন-3C48,3C273 ইত্যাদি নামে।যদিও এদের থেকে উদ্ভূত বর্ণালী রেখাগুলিকেতখনো ঠিকভাবে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

1963 সালে বেতারতরংগের মাপে প্রথম কোয়াসার আবিস্কার হয়।এর কিছুকাল পরে পালোমোরের 200″ দুরবীনেরসাহায্যে মার্টিন স্মিথ এদের আকৃতি বুঝবার জন্য এদের আলোর বর্নালীপি সংগ্রহ করলেন।কিন্ত এক্সপোজারের পর এতে কয়েকটি অপরিচিত রেখা দেখা গেল।

জ্যোতির্বিদরাতখন বিবেচনা করে স্হির করলেন যে এই রেখাগুলির তরংগ দৈর্ঘ্য যদি সমান ভাবে কমিয়েদেয়া হয়, তাহলে সেঘুলি বহু পরিচিত হাইড্রোজেনের লাইমান (Layman) রেখা শ্রেনীরও জানা অন্যান্য কয়েকটি পর্দাথের রেখার সংগে একেবারে মিলে যায়। এই রেখাগুলিরস্হান সুদুর আলট্রাভায়োলেট অঞ্চলে এর মানে হলো কোয়েসারের ক্ষেত্রে অকল্পনীয় লালসরন ঘটে।

 

লালসরনঃ শব্দ তরংগেরহ্রাস বদ্ধির জন্যই তীক্ষতার তারতম্য ঘটে (একে বলা হয় ডপলার এফেক্ট)।চলমান উৎসথেকে নিঃসৃত যে কোন তরংগ গতি- তা শব্দই হোক বা আলোক তরংগই হোক অভিমুখ অথবা বিপরীতনিরিখে গ্রাহকের কাছে আসলে তরংগ দৈর্ঘ্য থেকে পরিবর্তিত দৈর্ঘ্যে দেখা দেবে।এটিহলো তরংগ গতির একটা মোল র্ধম।ডপলার প্রভাবেবহুদুরের আলো অপসৃত হয়, কিন্ত এতখানি অপসারন এর আগে কখনো দেখা যায়নি। যাকোয়েসারের বেলায় দেখা গেছে।

1929 সালে বিখ্যাতজ্যেতির্বিদ এডুইন হাবল পর্যবেক্ষন এবং পরীক্ষা করে দেখতে পান যে প্রথিবী থেকেদেখা গ্যালাক্সী গুলোর সবারই বর্ণালী অনুক্রমে লাল সরন বিরাজমান।এই লাল সরনক্যালসিয়াম পরমানু থেকে বিচ্ছুরিত H এবং K লাইনেরপরিপ্রেক্ষিতে এই সরন মাপা হয়।

এর থেকে দেখাযায় যে আমাদের ছায়াপথ থেকে যে ছায়াপথ যত দূরে তার লাল সরন তত বেশী।অর্থাৎদূরত্ব যত বেশী তার সরে যাওয়ার গতি বেগ তত বেশী।এর থেকে হাবল মনে করেন এই মহাবিশসস্টির আগে এর সমস্ত ভর বস্তু এক জায়গায় একটি পিন্ডের আকারে জড়ো হয়ে ছিল।এবংকোন এক সময় একটি মহাবিস্ফোরন ঘটে,এই বিস্ফোরনে সেই বিশাল জড়পিন্ডপরবর্তীকালে ছায়াপথের সৃস্টি করে। সেই আদিম বিস্ফোরনের ভর বেগই বর্তমানে এইমহাবিসকে ক্রমাগত সম্প্রসারন করে চলছে।আমাদের পথিবী থেকে যে গ্যালাক্সি যত দূরেথাকবে সেই গ্যালাক্সীর সরে যাওয়ার বেগ তত বেশী হবে এবং এই কারনে সেই গ্যালাক্সীরলাল সরনের পরিমান বেশী হবে। যেমন-বুটিস গ্যালাক্সী পুঞ্জ 1360, হাইড্রা পুঞ্জ210, করোনা পুঞ্জ 74, মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।বর্তমানেদূরবীন দিয়ে এই গ্যালাক্সী পুঞ্

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

এ সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন খুঁজে পাওয়া গেল না

289,109 টি প্রশ্ন

374,619 টি উত্তর

113,323 টি মন্তব্য

157,626 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...