বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
19 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
নিজের প্রতি জুলুম করেছি মা সাথে ঝগড়া করেছি এতে করে যে পাপ হয়েছে তাঁর কি আমার শাস্তি হবে আর 

আমি কি করবো পাপের জন্য          

1 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (9,009 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
কোনো মানুষকে বিনা অপরাধে কষ্ট দেওয়া ইসলামী দৃষ্টিতে জঘন্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এটি হীনম্মন্যতা বিশেষ। পবিত্র কোরআনের সূরা আহজাবের ৫৮ নং আয়াতে এ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যারা বিনা অপরাধে মুমিন নর-নারীদের কষ্ট দেয়, তারা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।

আর অহংকার গর্ব করা সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়েছে।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, আমি তো মানুষকে তার মা- বাবার সঙ্গে ভালো আচরণের নির্দেশ দিয়েছি। জননী সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে গর্ভে ধারণ করে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুবছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার মা-বাবর প্রতি কৃতজ্ঞ হও। প্রত্যাবর্তন তো আমারই নিকট। (সুরা লুকমানঃ ১৪)

আল্লাহ তায়ালা বলেন, আর আপনার রব আদেশ দিয়েছেন তিনি ছাড়া অন্য কারো ইবাদাত না করতে ও পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে। তারা একজন বা উভয়ই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদেরকে 'উফ' বল না এবং তাদেরকে ধমক দিও না; তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বল। তাদের জন্য সদয়ভাবে নম্রতার বাহু প্রসারিত করে দাও আর বল, হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া কর যেমনভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন পালন করেছেন। (সুরা বনি ইসরাইলঃ ২৩/২৪)

আপনি মা বাবার সাথে ঝগড়া বা খারাপ ব্যবহার করে বড্ড পাপ করেছেন।

উপরিউক্ত গুনাহের জন্য উলামা সম্প্রদায়ের উক্তি এই যে, প্রত্যেক পাপ থেকে তওবা করা ওয়াজিব তথা অবশ্য-কর্তব্য। তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে।

১। পাপ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে।

২। পাপে লিপ্ত হওয়ার জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে।

৩। ঐ পাপ আগামীতে দ্বিতীয়বার না করার দৃঢ় সঙ্কল্প করতে হবে। সুতরাং যদি এর মধ্যে একটি শর্তও লুপ্ত হয়, তাহলে সেই তওবা বিশুদ্ধ হবে না।

তওবা ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসে প্রচুর প্রমাণ রয়েছে এবং এ ব্যাপারে উম্মতের ঐকমত্যও বিদ্যমান।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা নূরঃ ৩১ আয়াত)

অর্থাৎ তোমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট (পাপের জন্য) ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তাঁর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর। (সূরা হূদঃ ৩)

তিনি আরো বলেছেন, অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর বিশুদ্ধ তওবা। (সূরা তাহরীমঃ ৮)

জনাব! তওবার মধ্যে অটল না থাকতে পারলে খাস দিলে পুনরায় তাওবা করতে হয়। তাই আপনি তওবা ইস্তেগফার করুন! আর এটাই হচ্ছে মুক্তির পথ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
19 জুলাই 2014 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আরিফুল (15,863 পয়েন্ট)
1 উত্তর
03 সেপ্টেম্বর "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

331,940 টি প্রশ্ন

422,808 টি উত্তর

131,362 টি মন্তব্য

181,210 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...