বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
34 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (385 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (9,036 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
মানুষ যখন থেকে সাবালক হয়, তখন থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক হয় এবং তার পাপ লিপিবদ্ধ হয়। অর্থাৎ বালেগ হওয়ার পর সবার জন্য আল্লাহর হুকুম মানা ফরয হয়ে যায়।

পুরুষ ও নারীর সাবালক হওয়ার বয়স।

ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক সমর অভিযানকালে আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে পেশ করা হয়। তখন আমার বয়স ছিল চৌদ্দ। কিন্তু তিনি আমাকে গ্রহণ করলেন না। সামনের বছর আরেক অভিযানকালে আমাকে তার সামনে পেশ করা হয়। তখন আমার বয়স পনের। এই বার তিনি আমাকে গ্রহণ করলেন। নাফি (রহঃ) বলেন, আমি এই হাদীসটি উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) এর নিকট বর্ণনা করি। তিনি বললেন, এই বয়সটাই হল বালেগ ও নাবালেগের বয়সসীমা।

(সূনান তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ১৩৬৫ হাদিসের মানঃ সহিহ)।

সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমতে তাদের রায় হল, কোন বালকের বয়স পনের বছর পূর্ণ হলে তাকে পুরুষ বলে গণ্য করা হবে। আর পনের বছরের পূর্বে যদি স্বপ্নদোষ হয় তবেও তাকে পুরুষ বলে গণ্য করা হবে।

ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, সাবালকত্বের বিষয় তিনটিঃ পনের বছর বয়স হওয়া অথবা স্বপ্নদোষ হওয়া, যদি বয়স চেনা না যায় বা স্বপ্নদোষও না হয় তবে এর পরিচয় হল নাভির নীচে চুল উঠা।

ইসলামি শরিয়তের বিধান মতে, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের ও সক্ষম নারী ও পুরুষের নামাজ, রোজা সহ শরিয়তের সব হুকুম পালন করা ফরজ।

রোজা ও নামাজ ফরজ হওয়ার জন্য বয়স মুখ্য নয়, কেউ বালেগ হলে বা সাবালকত্ব অর্জন করলেই তার ওপর রোজা ও নামাজ ফরজ হয়ে যায়।

বিজ্ঞজনদের মতে, আমাদের দেশের আবহাওয়া ও পারিপার্শ্বিকতায় এটি সাধারণত ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৩ থেকে ১৫ বছরে এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১১ থেকে ১৩ বছরে হয়ে থাকে। ক্ষেত্রবিশেষে ৯ বছরেও হতে পারে। এ সময় ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে; কণ্ঠস্বর পরিবর্তন হয়, আচরণে পার্থক্য ও নতুনত্ব তৈরি হয়; নারী বা পুরুষসত্তার স্বাতন্ত্র্য স্পষ্ট দৃশ্যমান হয়। এ সময় থেকে রোজা পালন ও নামাজ আদায় করা বাধ্যতামূলক। পালন না করলে কাজা আদায় করতে হয়, রোজা রেখে ভাঙলে কাফফারা দিতে হয়। এ সময় থেকে এদের সওয়াব ও গুনাহ লেখা শুরু হয়। অবহেলা করে রোজা না রাখা অনেক বড় গুনাহ। পিতা, মাতা বা অভিভাবক যদি এদের রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করেন, তবে তারাও গুনাহগার হবেন। (ফাতওয়া শামি)।
করেছেন (479 পয়েন্ট)
মনে বহুত আঘাত পাইলাম.....
করেছেন (9,036 পয়েন্ট)
কেন ভাই কি কারনে?

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
15 নভেম্বর 2017 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
1 উত্তর

332,291 টি প্রশ্ন

423,156 টি উত্তর

131,473 টি মন্তব্য

181,310 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...