1,177 জন দেখেছেন
"সৌরজগৎ" বিভাগে করেছেন (1,015 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,015 পয়েন্ট)
আজ থেকে প্রায় কয়েক'শ বিলিয়ন বছর পূর্বে এক অতি অতিকায় বৃহৎ বস্তু পৃথিবীপিণ্ড থেকে মহাবিশ্বের সকল পদার্থের সৃষ্টি । সৃষ্টি থেকে প্রত্যেক পদার্থই একে অপরের সাথে এক অবিচ্ছেদ্য আকর্ষণ বলে আকর্ষিত । এক পদার্থের সাথে অন্য একটি বস্তুর আকর্ষণকে "মধ্যাকর্ষণ বল" বলে । আর একটি বস্তুর সাথে অন্য একটা বস্তুর টান জনিত force কে "মধ্যাকর্ষণ শক্তি" বলে । একটি বড় বস্তুর সাথে ছোট একটা বস্তুর আকর্ষণ হয় শক্তিমুখী । অর্থ্যাৎ যার শক্তি যতটুকু সে ততটুকুই স্থির থাকার প্রাবল্যতা থাকে । আর অন্যান্যরা বড় বস্তুর সাথে যোগাযোগটা অবিচ্ছিন্ন রাখতে নির্দিষ্ট অরবিটে একটা গোলাকার কক্ষপথে নির্দিষ্ট বেগে ঘুরে চলে । পৃথিবীও তার ব্যতিক্রম নয় । সৃষ্টি থেকেই স্রষ্ট্রা মেনেই প্রতি ৩৬৫ দিনে একবার সূর্য নামের মাঝারি নক্ষত্রটিকে নির্দিষ্ট একটা বেগে ঘুরেয় চলেছে ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (27 পয়েন্ট)
এটা মূলত মাধ্যাকর্ষণের জন্য হয়। সূর্য পৃথিবীর তুলনায় অনেক বড়। তাই তার মাধ্যাকর্ষণের পরিমাণ অনেক। নিউটনের মাধ্যাকর্ষণের সূত্রে আমরা জানতে পারি কোনও বস্তুর আকার ও ভরের সাথে মাধ্যাকর্ষণের সম্পর্কের কথা। যদি পৃথিবী নির্দিষ্ট দুরতে নির্দিষ্ট বেগে না ঘুরত ত সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ তাকে তার ভিতরে টেনে নিত। তাই পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
30 ডিসেম্বর 2017 "বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ শাহীন আহমেদ (9 পয়েন্ট)
1 উত্তর
22 অগাস্ট 2017 "বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আশওয়াত (9 পয়েন্ট)

289,021 টি প্রশ্ন

374,523 টি উত্তর

113,287 টি মন্তব্য

157,563 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...