বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
81 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (750 পয়েন্ট)

1 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (10,638 পয়েন্ট)
কুনুত দুই ধরনের একটি হলো সবসময় নামাজের অযিফা হিসাবে পড়া যাকে কুনুতে রাতেবা বলা হয়।

আর অপর হলো কখনো কখনো প্রচন্ড বিপদ মহামাড়ি ও ব্যপক দুর্যোগকালে নামাজে একধরনের কুনুত পড়া হয় যাকে কুনুতে নাজেলা বলা হয়।

এই দুই ধরনের কুনুতের ব্যাপারে ইমামদের মতবিরোধ রয়েছে।

ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন, স্বাভাবিক অবস্থায় সব সময় নামাজের অযিফা হিসাবে ফজরের নামাজে আর রমজান মাসের শেষ অর্ধেকে বিতর নামাজে কুনুতে রাতেবা পড়া হবে। আর প্রচন্ড দুর্যোগ কালে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে কুনুতে নাজেলা পড়া হবে। আবার দুর্যোগ শেষ হয়ে গেলে তা বর্জন করে দিবে।

পক্ষান্তরে হানাফী মাযহাবের উলামায়ে কিরাম বলেন, নামাজের অযিফা হিসাবে শুধু বিতর নামাজে বৎসরের সব সময়-ই কুনুতে রাতেবা পড়বে। অন্য কোন নামাজে নয়। আর প্রচন্ড দুর্যোগকালে শুধু ফজরের নামাজে কুনুতে নাজেলা পড়বে অন্য কোন নামাজে নয়।

তবে আমরা বিতর নামাজের জন্য যেটা পড়ি তা হলোঃ

ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍِﻥَّ ﻧَﺴْﺘَﻌِﻴْﻨُﻚَ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻐْﻔِﺮُﻙَ ﻭَﻧُﺆْﻣِﻦُ ﺑِﻚَ ﻭَﻧَﺘَﻮَﻛَّﻞُ ﻋَﻠَﻴْﻚَ ﻭَﻧُﺜْﻨِﻰْ ﻋَﻠَﻴْﻚَ ﺍﻟْﺨَﻴْﺮَ ﻭَﻧَﺸْﻜُﺮُﻙَ ﻭَﻻَ ﻧَﻜْﻔُﺮُﻙَ ﻭَﻧَﺨْﻠَﻊُ ﻭَﻧَﺘْﺮُﻙُ ﻣَﻦْ ﻳَّﻔْﺠُﺮُﻙَ- ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍِﻳَّﺎﻙَ ﻧَﻌْﺒُﺪُ ﻭَﻟَﻚَ ﻧُﺼَﻠِّﻰْ ﻭَﻧَﺴْﺠُﺪُ ﻭَﺍِﻟَﻴْﻚَ ﻧَﺴْﻌَﻰ ﻭَﻧَﺤْﻔِﺪُ ﻭَﻧَﺮْﺟُﻮْ ﺭَﺣْﻤَﺘَﻚَ ﻭَﻧَﺨْﺸَﻰ ﻋَﺬَﺍﺑَﻚَ ﺍِﻥَّ ﻋَﺬَﺍﺑَﻚَ ﺑِﺎﻟْﻜُﻔَّﺎﺭِ ﻣُﻠْﺤِﻖ

অন্যটি হচ্ছেঃ হাসান ইবনু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ বিতরে পাঠের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কিছু কালেমা শিখিয়েছেনঃ

اللَّهُمَّ اهْدِنِي فِيمَنْ هَدَيْتَ وَعَافِنِي فِيمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِي شَرَّ مَا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضِي وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ وَإِنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ

হে আল্লাহ! যাদের আপনি হিদায়াত করে তাদের সাথে আমাকেও হিদায়াত করুন, যাদের আপনি অকল্যাণ থেকে দূরে রেখেছেন তাদের সাথে আমাকেও অকল্যাণ থেকে দূরে রাখুন, যাদের আপনি আপনার অভিভাবকত্বে রেখেছেন তাদের সাথে আমাকেও আপনসার অভিভাবকত্বে রাখুন। আপনি যা দিয়েছেন তাতে আপনি বরকত দিন। আপনি আমার তাকদিরে যা রেখেছেন এর অসুবিধা থেকে আমাকে রক্ষা করুন, আপনই তো ফয়সালা দেন, আপনার বিপরীত তো ফয়সালা দিতে পারে না কেউ। আপনি যার বন্ধু তাকে তো লাঞ্ছিত করতে পারবে না কেউ। হে আমার রব! আপনি তো বরকতময় এবং সুমহান।’

রেফারেন্সঃ সূনান তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৬৪, ইরওয়া ৪২৯, মিশকাত ১২৭৩, তা'লীক আলা ইবনু খুজাইমাহ ১০৯৫, সহিহ আবু দাউদ ১২৮১, হাদিসের মানঃ সহিহ।
সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
09 জুলাই "দুয়া ও যিকির" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rafi rayhan (58 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর
08 অগাস্ট 2018 "পবিত্রতা ও সালাত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md.Mahi (13 পয়েন্ট)

358,872 টি প্রশ্ন

453,950 টি উত্তর

142,179 টি মন্তব্য

189,993 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...