বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
678 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
সম্পাদিত

  • এ প্রশ্নে এপোলো ১১ নিয়ে বিতর্ক না করার অনুরোধ রইলো(চাইলে আলাদা প্রশ্নে করতে পারেন)
  • প্রমানঃ
  • (১) নাসার এপোলো ১১ যদি নাটক হয়ে থাকে তাহলে লুনার লেজার রেন্জিং এক্সপেরিমেন্ট সফল হয় কীভাবে ( উল্লেখ্য নীল আর্মস্ট্রং লেজার রিফ্লেক্টর বসানোর পরেই আমরা চাদের নিখুঁত দুরত্ব জানতে পারি।
  • সূত্র(WikiPedia) - https://en.m.wikipedia.org/wiki/Lunar_Laser_Ranging_experiment
  • এপোলো ১৫ দ্বারা চন্দ্র বিজয়৷ https://www.nasa.gov/mission_pages/LRO/multimedia/lroimages/lroc-20100413-apollo15-LRRR.html (নাসা)
  • (২) এপোলো ১১ মিথ্যা নাটক হলে ৬০ বছর আগে একটা কার্টুন বানাতে হাজার হাজার ছবি তুলে লাখ লাখ টাকা খরচ করা লাগতো আর এরকম নিখুত গ্রাফিক্স বানানো কীভাবে সম্ভব তখন কম্পিউটার মোটেও উন্নত ছিল না যে এরকম গ্রাফিক্স বানাতে পারবে।অতএব এপোলো ১১ যে সাক্সেসফুল মিশন সন্দেহই নেেimage
করেছেন (10,108 পয়েন্ট)
প্রশ্নে উত্তর দেওয়ার পর তা আর সম্পদনা করা যাবেনা।
করেছেন প্রশ্নকর্তা
কিন্তু প্রশাসক এপ্রুভ করেছেন আর আমি বিতর্ক চাই না।

4 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (10,108 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
প্রিয়নবী (সাঃ) চাঁদকে দুই ভাগ করে দিয়েছিলেন এই কথাতে আমাদের কোন সন্দেহ নেই। কেননা, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়ে দুই খণ্ড হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কোরআন হাদিসে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

জুবাইর ইবন মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলের যুগে চাঁদ ফেটে গিয়ে দুভাগে বিভক্ত হয়েছিল। এর এক অংশ ছিল এ পাহাড়ের উপর অপর অংশ অন্য পাহাড়ের উপর। তখন মুশরিকরা বলল, মুহাম্মাদ আমাদেরকে জাদু করেছে। তারপর তারা আবার বলল, যদি তারা আমাদেরকে জাদু করে থাকে তবে সে তো আর দুনিয়াসুদ্ধ সবাইকে জাদু করতে পারবে না। (মুসনাদে আহমাদঃ ৪/৮১-৮২)

আনাস ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু বৰ্ণনা করেনঃ মক্কাবাসীরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে নবুওয়তের কোন নিদর্শন দেখতে চাইলে আল্লাহ তা'আলা চন্দ্রকে দ্বিখণ্ডিত অবস্থায় দেখিয়ে দিলেন। তারা হেরা পর্বতকে উভয় খণ্ডের মাঝখানে দেখতে পেল। (বুখারীঃ ৩৮৬৮, মুসলিমঃ ২৮০২)

আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়া সাল্লামের যুগে চাঁদ ফেটেছিল। (বুখারীঃ ৪৮৬৬)

কিন্তু প্রশ্নের মূল কথা হচ্ছে, নাসার লোকেরা যখন চাঁদে অবতরণ করে তারা কি চাঁদের মাঝে কোনো ফাটল দেখতে পায়?

জবাব! এব্যারে কোরআন হাদিসে স্পষ্ট কোন প্রমাণ নেই। তবে তারীখে ফিরিশতায় যা বর্ণিত হয়েছে না নিম্নরুপ আলোচনা করা হলোঃ

চাঁদ দ্বিখন্ডিত করণের প্রস্তাব সবকিছুতে ব্যর্থ হয়ে সবশেষে ইহূদী পন্ডিতেরা কুরায়েশ নেতাদের একটা বিস্ময়কর কৌশল শিখিয়ে দিল। তারা বলল, মুহাম্মাদ জাদুকর কিনা, যাচাইয়ের একটা প্রকৃষ্ট পন্থা এই যে, জাদুর প্রভাব কেবল যমীনেই সীমাবদ্ধ থাকে। আসমানে এর কোন প্রতিক্রিয়া হয় না। অতএব তোমরা মুহাম্মাদকে বল, সে চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করুক। সম্ভবতঃ হযরত মূসা (আঃ) কর্তৃক লাঠির সাহায্যে নদী বিভক্ত হওয়ার মুজেযা থেকেই চন্দ্র দ্বিখন্ডিত করার চিন্তাটি ইহূদীদের মাথায় এসে থাকবে। অথচ নদী বিভক্ত করার চাইতে চন্দ্র দ্বিখন্ডিত করা কতই না কঠিন বিষয়। কেননা এটি দুনিয়ার এবং অন্যটি আকাশের। কুরায়েশ নেতারা মহা খুশীতে বাগবাগ হয়ে গেল এই ভেবে যে, এবার নির্ঘাত মুহাম্মাদ কুপোকাৎ হবে। তারা দল বেঁধে রাসূল (সাঃ)-এর কাছে গিয়ে এক চন্দ্রোজ্জ্বল রাত্রিতে উক্ত প্রশ্ন করল। ঐ সময় সেখানে হযরত আলী, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ, জুবায়ের ইবনু মুত্ব‘ইম (রাঃ) প্রমুখ সাহাবীগণ উপস্থিত ছিলেন। এতদ্ব্যতীত বহু সাহাবী উক্ত বিষয়ে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

কুরায়েশ নেতাদের দাবী মোতাবেক আল্লাহর হুকুমে রাসূল (সাঃ)-এর উক্ত মুজেযা প্রদর্শিত হল। মুহূর্তের মধ্যে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়ে পূর্ব ও পশ্চিমে ছিটকে পড়ল। উভয় টুকরার মাঝখানে ‘হেরা’ পর্বত আড়াল হয়ে গেল। অতঃপর পুনরায় দুই টুকরা এসে যুক্ত হল। এ সময় আল্লাহর রাসূল (সাঃ) মিনা-তে ছিলেন।

এত বড় ঘটনা চাক্ষুষ দেখা সত্ত্বেও কুরায়েশ নেতারা ঈমান আনলেন না। পরে বিভিন্ন এলাকা হতে আগত লোকদের কাছেও তারা একই ঘটনা শোনেন। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, তারা বললেন, এটা আবু কাবশার পুত্রের (মুহাম্মাদের) জাদু। সে তোমাদের জাদু করেছে। অতএব তোমরা বহিরাগত লোকদের জিজ্ঞেস কর। কেননা মুহাম্মাদ একসঙ্গে সবাইকে জাদু করতে পারবে না। অতএব বহিরাগতরা বললে সেটাই ঠিক। নইলে এটা স্রেফ জাদু মাত্র। অতঃপর চারদিক থেকে আসা মুসাফিরদের জিজ্ঞেস করলেন। তারা সবাই এ দৃশ্য দেখেছেন বলে সাক্ষ্য দেন। কিন্তু যিদ ও অহংকার তাদেরকে ঈমান আনা হতে বিরত রাখলো।

তারীখে ফিরিশতায় বর্ণিত হয়েছে যে, চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হওয়ার এই দৃশ্য ভারতের মালাবারের জনৈক মহারাজা স্বচক্ষে দেখেন এবং তা নিজের রোজনামচায় লিপিবদ্ধ করেন। পরে আরব বণিকদের মুখে ঘটনা শুনে তখনকার রাজা ‘সামেরী’ উক্ত রোজনামচা বের করেন। অতঃপর তাতে ঘটনার সত্যতা দেখে তিনি মুসলমান হয়ে যান। যদিও সামরিক নেতা ও সমাজনেতাদের ভয়ে তিনি ইসলাম গোপন রাখেন।

১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই চন্দ্রে প্রথম পদাপর্ণকারী দলের নেতা নেইল আর্মষ্ট্রং স্বচক্ষে চন্দ্রপৃষ্ঠের বিভক্তি রেখা দেখে বিস্ময়াভিভূত হন এবং ইসলাম কবুল করেন। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের ভয়ে তিনি একথা কয়েক বছর পরে প্রকাশ করেন।
+7 টি পছন্দ
করেছেন (36 পয়েন্ট)

শুনেছি,

চন্দ্র অভিযান-এর অধিনায়ক নীল আর্মস্ট্রং মুসলমান হওয়ার কারণ (যদিও বিজাতীরা এটা গোপন রাখতে চায়) হল, তিনি চন্দ্রের মাঝে ফাটল দেখে তা নিয়ে গবেষণা করে জানতে পারেন যে, এটা ঐ সময়ের ফাটল যখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত করে ছিলেন।
কিন্তু, বিজাতীরা (নিজেদের সম্মানহানির ভয়ে) এটা প্রকাশ না করায় অস্পষ্ট রয়ে গেছে।
করেছেন (483 পয়েন্ট)
তিনি মুসলমান কখন হয়েছেন?এটা তো অস্পষ্ট উত্তর হয়তো ভুল তথ্যবহুল।
+5 টি পছন্দ
করেছেন (116 পয়েন্ট)
মক্কা জীবনে মুহাম্মাদের (স) জীবনে যে তিনটি প্রধান অলৌকিক ঘটনা ঘটে যায়, তাঁর মধ্যে এটা একটা... মিরাজ, সাওর পর্বতের গুহায় মাকড়সার জাল আর এই চন্দ্রদিখন্ডন।
হাদিস মতে, মক্কার কুরাইশরা মুহাম্মাদ (স) কে মানতে চায়নি। তারা মিরাকল দাবি করে। তখন মুহাম্মাদ (স) জিজ্ঞেস করেন, আল্লাহ যদি তাঁকে দিয়ে কোন অলৌকিক কাজ করান তাহলে তারা কি বিশ্বাস করবে? মুসলিম হবে? তারা হ্যাঁ বলল। এরপর রাসুল (স) দু রাকাত নামায আদায় করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন, আর এরপর আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলেন চাঁদের দিকে। চাঁদ দু ভাগ হয়ে গেল এবং এত দূরে অবস্থান করল টুকরোদুটো যে মাঝে নূর পর্বত (হেরা) দেখা যাচ্ছিল... এর পরেই আবার PERFECTLY জোড়া লেগে যায় চাঁদ। কিন্তু কুরাইশরা বলল, “আমরা মানব না। এটা তো স্পষ্ট জাদু।” তখন থেকে মুহাম্মাদ (স)কে জাদুকর বলেও গালি দেয়া হত... পরে, মক্কার আশপাশ থেকে কাফেলা আসলে বেদুইনদের জিজ্ঞেস করা হয়, তারা কি চাঁদ দুভাগ হতে দেখেছে? তারা স্বীকার করে যে, তারা দেখেছে।
ইসলামিক স্কলাররা এ ব্যাপারে একমত না, যে, এটা actual split ছিল নাকি optical illusion দেখানো হয়েছিল, কিন্তু, এটা সিওর একটা অস্বাভাবিক কিছু হয়েছিল। মিরাকল। কিন্তু, মক্কার মানুষ বিশ্বাস করেনি।
কুরআনে এটাকে আসল ঘটনাই বলা হয়েছে... এ ঘটনার পরে সুরা ক্বামার (চাঁদ) নাজিল হয় যার প্রথম ২ আয়াত...
...চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে... তারা যদি কোন নিদর্শন (মিরাকল) দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো ক্ষণিক জাদু।” (ক্বামার, ৫৪:১-২)
POINT MUST BE NOTED, মুহাম্মাদ (স)কে নিজস্ব কোন মুজেজা দেয়া হয়নি। অলৌকিক ক্ষমতা দেয়া হয়নি। তিনি সাধারণ এক মানুষ ছিলেন, আল্লাহ তাঁকে সাধারন থেকে অসাধারণ করে তোলেন। এটাই তাঁর অসাধারণত্ব। মুজেজা বলতে মিন করছি, কোন পাওয়ার যেটা always কোন নবী ইউজ করতে পারতেন। যেমন, ঈসা (আ) সর্বদা অসুস্থকে সুস্থ করে তুলতে পারতেন, আল্লাহর ইচ্ছায়। মুসা (আ) সর্বদা সেই লাঠিকে সাপে পরিণত করতে পারতেন আল্লাহ ইচ্ছায়, তিনি বগলে হাত রেখে বের করে আনলে তাঁর হাত থেকে প্রচণ্ড আলো বিচ্ছুরিত হত, আল্লাহর ইচ্ছায়। এগুলো Past INDEFINITE tense এ, “করতেন”; Past PERFECT tense না, “করেছিলেন” না। কিন্তু, মুহাম্মাদ (স) কে মুজেজা দেয়া হয়নি এই অর্থে যে তাঁর জন্য কোন Past INDEFINITE পাওয়ার ছিল না। তবে Past PERFECT ঘটনা ছিল।
যাই হোক, চন্দ্র-দিখন্ডন এর ঘটনার অনেক প্রুফ দেখানোর চেষ্টা করা হয় নেট-এ, নাসার কিছু ছবি থেকে... এটা নিয়ে অতিরিক্ত ইমোশন দেখানো হয়েছিল... এতে ক্ষতি হয়েছে ইসলামেরই, কারণ ছবির ব্যাখ্যা ভুল ছিল... ছবিটা এমন, এখানে দেখা যাচ্ছে চাঁদের যে জায়গায় দু ভাগ জোড়া লেগেছিল সে জায়গা, এখনও ফাটলের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে... এসব পোস্ট ফেসবুকে ছড়িয়ে পরে।
আসলে যে ছবি আপনারা দেখছেন নাসার, সেটা আসলে Moon Rilles নামে পরিচিত। অর্থাৎ গিরিখাদ।
“যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।” (হুজুরাত, ৪৯:৬)
করেছেন (483 পয়েন্ট)
মূক কথাটা কী?চাদকে কখনোই দুভাগে বিভক্ত করা হয় নি?
করেছেন (116 পয়েন্ট)
চাঁদকে বিভক্ত করা হয়েছিল। তবে তা অলৌকিক।
করেছেন (483 পয়েন্ট)
তাহলে নাসার অফিসিয়াল  ওয়েবসাইট কেনো বলছে এটা চাদ কখনোই অতীতে আলাদা হয়ে পুনরায় জোড়া লাগানো হয় নি,এবং এই মূহুর্তে এমন কোনো এভিডেন্স নেই।
https://sservi.nasa.gov/?question=evidence-moon-having-been-split-two
করেছেন (116 পয়েন্ট)
নাসার বক্তব্য নিয়ে অনেক বিজ্ঞানীর দ্বিমত আছে। নাসার অনুসন্ধান একটি চলমান প্রক্রিয়া। আর চাঁদকে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা দ্বিখন্ডিত করে পুনরায় এমন নির্ভুলভাবে সংযুক্ত করেন যা লৌকিক কোন মাধ্যম দ্বারা এখনো সনাক্ত হয়নি।
তেমনিভাবে নীলনদের বর্তমান অবস্থা দেখে কখনই বোঝা যাবে না যে হযরত মূসা (আঃ) এর সময় এর মাঝখান দিয়ে রাস্তা হয়েছিল।
করেছেন (640 পয়েন্ট)
আপনি যা বলেছেন আরো সরলভাবে বললে ভালো হতো।
করেছেন (483 পয়েন্ট)
কিন্তু বিজ্ঞান বলে চাদ কে ১ সেকেন্ডের জন্যও ২ ভাগ করলে পুরো পৃথীবির ৩০% সমুদ্রতলে ডুবে যাবে।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (714 পয়েন্ট)
বর্তমানে রাশিয়ার বিঙ্গানীরা চাদে যাওয়ার ব্যাপারটিকে সম্পুর্ন গুজব বলেছে

কারন চাদে অবতরনের কোন সঠিক প্রমান তাদের কাছে নেই

তাই ফাটল দেখার বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি
করেছেন (483 পয়েন্ট)
৬ বার যাই হোক বাদ দেন,আমি বললাম তো আমি হেরে গেছি আপনাদের কাছে কারণ আপনারা প্রতিবেদন বাংলা আর্টিকেলই বুঝবেন যুক্তি বুঝবেন না,আমি হেরে গেছি
করেছেন (714 পয়েন্ট)
বুঝলাম অনেক দুরে কিন্তু তাই বলে এতো বছরেও আর একবার কেনো যেতে পারলোনা
করেছেন (483 পয়েন্ট)
হ্যা ২০২২ সালে ভারতের স্পেস এজেন্সি যাবে,আর গত কয়েকদশকে চাদে অনেক যান মনুষ্যবিহীন যান পাঠানো হয়েছে,কারণ মানুষ পাঠানো অত্যন্ত রিস্কি গুগলের তথ্য অনুযায়ী ৯ জন মানুষ বিভিন্ন সময় এসব যানে প্রান হারায়।
করেছেন (6,596 পয়েন্ট)
@জুনায়েদ ভাই, এদের সাথে কথা বলে লাভ নেই। শুধুমাত্র আক্রোশের কারণে আমার উত্তর একযোগে সতর্ক করেছে যেখানে আমি প্রমাণসহ উত্তর দিয়েছিলাম।
করেছেন (483 পয়েন্ট)
ওহ ওটা আপনার শেষ মন্তব্য ছিল না?

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
01 সেপ্টেম্বর 2013 "সৌরজগৎ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন shohan (7,697 পয়েন্ট)
1 উত্তর
30 মার্চ 2013 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আরিফুল (15,859 পয়েন্ট)

341,421 টি প্রশ্ন

434,577 টি উত্তর

135,839 টি মন্তব্য

184,203 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...