বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
353 জন দেখেছেন
"নবী-রাসূল" বিভাগে করেছেন (91 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

4 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (10,632 পয়েন্ট)

হযরত আদম (আঃ) এর মৃত্যু ও বয়স প্রসঙ্গেঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম দিন হল জুমআর দিন। এ দিনেই আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিনেই তার মৃত্যু হয়েছে এবং এ দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।


আদম (আঃ) কে এক হাজার বছর বয়স দেওয়া হয়েছিল। রূহের জগতে দাঊদ (আঃ) এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি নিজের বয়স থেকে ৪০ বছর তাকে দান করেন। ফলে অবশিষ্ট ৯৬০ বছর তিনি জীবিত ছিলেন।


আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তাআলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তার পিঠ মাসেহ করলেন। এতে তার পিঠ থেকে তার সমস্ত সন্তান বের হলো, যাদের তিনি কিয়ামাত পর্যন্ত সৃষ্টি করবেন। তিনি তাদের প্রত্যেকের দুই চোখের মাঝখানে নূরের ঔজ্জ্বল্য সৃষ্টি করলেন, অতঃপর তাদেরকে আদম (আঃ) এর সামনে পেশ করলেন। আদম (আঃ) বললেন হে প্ৰভু! এরা কারা?


আল্লাহ বললেন, এরা তোমার সন্তান। আদমের দৃষ্টি তার সন্তানদের একজনের উপর পড়লো যার দুই চোখের মাঝখানের ঔজ্জল্যে তিনি বিস্মিত হলেন। তিনি বললেন, হে আমার প্রভু! ইনি কে?


আল্লাহ তাআলা বললেনঃ শেষ যামানার উম্মাতের অন্তর্গত তোমার সন্তানদের একজন। তার নাম দাউদ (আঃ)।


আদম (আঃ) বললেন, হে আমার রব! আপনি তার বয়স কত নির্ধারণ করেছেন?


আল্লাহ বললেন, ৬০ বছর। আদম (আঃ) বললেনঃ পরোয়ারদিগার! আমার বয়স থেকে ৪০ বছর (কেটে) তাকে দিন। আদম (আঃ) এর বয়স শেষ হয়ে গেলে তার নিকট মালাকুল মাওত এসে হাযির হন। আদম (আঃ) বললেনঃ আমার বয়সের কি আরো ৪০ বছর অবশিষ্ট নেই?


তিনি বললেন, আপনি কি তা আপনার সন্তান দাউদকে দান করেননি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আদম (আঃ) অস্বীকার করলেন, তাই তার সন্তানরাও অস্বীকার করে থাকে। আদম (আঃ) ভুলে গিয়েছিলেন, ফলে তার সন্তানরাও ভুলে যায়। আদমের ক্রটি-বিচূতি হয়েছিল, তাই তার সন্তানদেরও ক্রটি-বিচূতি হয়ে থাকে।


রেফারেন্সঃসূনান আত তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৬ সহীহঃ আয যিলাল ২০৬, তাখরীজুত তাহাবীয়াহ ২২০, ২২১।


মুওয়াত্ত্বা, আবুদাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ, মিশকাত হা/১৩৫৯; সনদ সহীহ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১১৮ সনদ সহীহ।


 তিরমিযী হা/৩০৭৬ একই হাদীছ মিশকাত হা/৪৬৬২ যেখানে আদম তার বয়স থেকে ৬০ বছর দান করেন বলা হয়েছে। তিরমিযী হাদীছটিকে ‘হাসান গরীব’ বলেছেন ছাহেবে মিরক্বাত ও ছাহেবে তোহফা উভয়ে বলেন যে, ৪০ বছর দান করার হাদীস অগ্রগণ্য (الأرجح)।


সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।
করেছেন (830 পয়েন্ট)
এর অর্থ সংক্ষেপে বললে ভালো হতো।
করেছেন (10,632 পয়েন্ট)
মন্তব্যটি বুঝিয়ে বলুন।
করেছেন (830 পয়েন্ট)
মানে উত্তর সংক্ষেপে বুঝিয়ে দিন।
করেছেন (10,632 পয়েন্ট)
হযরত আদম (আঃ) ৯৬০ বছর তিনি জীবিত ছিলেন। যা উত্তর কালার অংশে রয়েছে।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (8,168 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

এ বিষয়ে বিভিন্ন বিতর্ক রয়েছে। 

সুপ্রসিদ্ধ কিতাব কাসাসুল আম্বিয়া (আল্লামা ইবনে কাসীর) এর ৬৭ নং পৃষ্ঠায় হযরত আদম(আঃ) এর হায়াত ৯৩০ বছর উল্লেখ করা হয়। 

"নিয়ামুল কোরআন" কিতাবে দুই ধরণের মত পাওয়া গেছে, কেউ বলেছেন ৯৩০ বছর, আবার কেউ বলেছেন ৯৬০ বছর। মিশকাতেও একই কথা উল্লেখ আছে। 

 আবার কেউ কেউ এক হাজার বছরের রেফারেন্স দিয়ে থাকলেও তা যথেষ্ট দুর্বল। 

১০০০ বছরের রেফারেন্সঃ- এখানে।

উইকিপিডিয়াতে রেফারেন্স সহ হযরত আদম(আঃ) এর বয়স ৯৩০ উল্লিখিত আছে। 
রেফারেন্সঃ- এখানে। 
একই কথা আরো একটি সুত্র হতে পাওয়া যায়ঃ-
রেফারেন্সঃ- Wheeler 2002, p. 32,39,43৷ 

করেছেন (8,168 পয়েন্ট)
বিভিন্ন কিতাব ও ওয়েবসাইট থেকে গবেষণা করে প্রাপ্ত। প্রায় প্রতিটি মতই তুলে ধরেছি। কোন প্রশ্ন থাকলে মন্তব্য করুন।
করেছেন (8,168 পয়েন্ট)
সব মিলিয়ে আমার মনে হয় ৯৩০/৯৬০ বছরের রেফারেন্স অধিক শক্তিশালী ।
করেছেন (830 পয়েন্ট)
উইকিপিডিয়ারটাই ঠিক, আমার মতে ওইটাই শক্তিশালি, বাকিগুলো আমার ঠিক মনে হয় না। তিনি ৯৩০ বছরই বেঁচে ছিলেন।
করেছেন (8,168 পয়েন্ট)
আমারও তাই মনে হয়।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (7,453 পয়েন্ট)
  • হযরত আদম (আঃ) ৯৩০/৯৬০/১০০০ বছর বেঁচে ছিলেন। যেহেতু হযরত আদম (আঃ) পৃথিবীর প্রথম মানব ছিলেন। তাই হাজার হাজার বছর পর এসে ওনার হায়াৎ নিয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে, সেটাই স্বাভাবিক। তবে তাঁর হায়াৎ নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। ইসলামী কোনো বিষয়ে বিতর্ক তৈরি না করাই উত্তম। ৯৩০/৯৬০/১০০০ এই তিনটি মতের মধ্যে যার কাছে যেটি গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়, সে সেটি গ্রহণ করবে। তবে মধ‍্যমপন্থা হিসেবে ৯৩০ আর ১০০০ এর মধ‍্যবর্তী ৯৬০ গ্রহণ করাই উত্তম। সুতরাং, হযরত আদম (আঃ) ৯৬০ বছর বেঁচে ছিলেন।
  • সূত্রঃ মুসলিম বিশ্বের ডায়েরী
  • (আবুল কালাম আজাদ)
  • ধন‍্যবাদ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,550 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

হযরত আদম (আঃ) পৃথিবীর প্রথম নবী ও মানুষ ।আল্লাহ্ তাঁর পাঁজর থেকে হাওয়া (আ:) কে সৃষ্টি করেন ।আদম (আ:) দীর্ঘ ৯৬০ বছর বাচেঁন।

হযরত আদম(আঃ) কে এক হাজার বছর দেওয়া হয়েছিল ।রূহের জগতে হযরত দাঊদ (আঃ) এর সৌন্দর্যের প্রতি মুগ্ধ হয়ে তিনি নিজের বছর থেকে ৪০ বছর তাঁকে দান করেন । ফলে অবশিষ্ট ৯৬০ বছর তিনি জীবিত ছিলেন ।

তথ্যসূত্র:নবীদের কাহিনী ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
27 ফেব্রুয়ারি 2018 "নবী-রাসূল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অচেনা আশিফ (63 পয়েন্ট)
1 উত্তর
18 ফেব্রুয়ারি 2016 "নবী-রাসূল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন সংকল্প (197 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
25 জানুয়ারি 2018 "নবী-রাসূল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Maenll (11 পয়েন্ট)
1 উত্তর
05 জুলাই 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃমুহিত (14 পয়েন্ট)

358,495 টি প্রশ্ন

453,497 টি উত্তর

142,025 টি মন্তব্য

189,853 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...