বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
93 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (44 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
আমি একটি বিষয় নিয়ে চিন্তিত। আমাদের বাড়ির সমানে একটি ছোট মসজিদ আছে। যেখানে ওয়াক্কিতিয়া নামাজ পড়া হয়।কোনো জুমার নামাজ পড়া হয় না।কিন্তু মসজিদ টিতে কয়েক মাস ইমাম না থাকায়  কিছু মুরব্বি ইমামতি করতো ।তাদের তেলাওয়াত  সম্পূর্ণ  অশুদ্ধ হওয়ায় আমি আমাদের সমাজের জুমা মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তাম।কিন্তু আমি নিজের বাড়ির মসজিদ ফেলে অন্য মসজিদে যায় বলে অনেকে বলে এতে নাকি আমার গুনাহ হবে।কেননা আমাদের বাড়ির মসজিদটিতে মুসল্লি খুব কম হয়।আবার অনেকে বলে জুমা মসজিদে নামাজ পড়লে নাকি সওয়াব বেশি পাওয়া যায়। এখন আমাদের বাড়ির মসজিদে ইমাম রাখা হয়েছে।আমি এখন সেখানে নামাজ পড়ি।আগের থেকে এখন তুলনামুলক মুসল্লি বেশি হয়। কিন্তু আমার বাড়ির মসজিদটিতে নামাজ পড়তে ইচ্ছে হয় না।দীর্ঘদিন জুমা মসজিদে নামাজ পড়ার কারণে মসজিদের প্রতি একটা টান সৃষ্টি হয়েছে। আগে যখন জুমা মসজিদে নামাজ পড়তাম তখন এক ওয়াক্ত নামাজ মিস হলে অনেক আপসোস লাগতো। কিন্তু এখন আপসোস হয়না।কেমন জানি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। জুমা মসজিদ টি আমাদের বাড়ি থেকে একটু দূরে তবে বেশি না।যেহেতু মসজিদ দূরে সেহেতু একটু তাড়াতাড়ি গিয়ে সুন্নত পড়ার একটা তাগিদ থাকতো।এখন বাড়ির সামনের মসজিদে নামাজ পড়ায় বরাবর টাইমে গিয়ে নামাজ পড়ি যেটা আমার পছন্দ না।মোট কথা আমার জুমা মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে ভালো।কিন্তু বাড়ির সামনের মসজিদে নামাজ পড়তে ভালো লাগে না। কেননা জুমা মসজিদ টি অনেক বড়,খোলামেলা,টাইলস করা,অনেক পরিষ্কার।যেহেতু এটা সমাজের জুমা মসজিদ। জুমা মসজিদটি ও আমাদের কেননা সেখানে আমাদের বেতন দিতে হয়।এখন আমার কথা হচ্ছে আমি যদি জুমা মসজিদে নামাজ পড়ি তাহলে কি আমার সওয়াব বেশি হবে নাকি নিজের বাড়ির মসজিদ ফেলে অন্য মসজিদ মানে আমার জুমা মসজিদে নামাজ পড়ি বলে গুনাহ হবে?

আমার প্রশ্নটি বিস্তারিত পড়ে শরিয়তের আলোকে উওর দিবেন(নিজের মনগড়া উওর দিবেন না)

1 উত্তর

+3 টি পছন্দ
করেছেন (10,638 পয়েন্ট)
মহানবী (সাঃ) বলেন, আর সারা পৃথিবীকে আমার জন্য মসজিদ তথা নামাযের জায়গা) এবং পবিত্রতার উপকরণ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সুতরাং আমার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তির নিকট যে কোন স্থানে নামাযের সময় এসে উপস্থিত হবে, সে যেন সেখানেই নামায পড়ে নেয়। (সহীহ বুখারীঃ ৪৩৮)

অর্থাৎ যে ব্যক্তির নিকট যে কোন স্থানে নামাযের সময় এসে উপস্থিত হলে সে সেখানেই নামায পড়তে পারবে এতে যে নিজ মসজিদেই নামায আদায় করতে হবে বিষয়টা এমন নয়।

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজ মসজিদে নামায আদায় না করে অন্য মসজিদে গিয়ে নামায আদায় করলে এতে মসজিদের হক আদায় হয়না।

যদি কোন মানুষ তার নিজস্ব মহল্লার মসজিদে নামায না পড়ে রেগুলার অন্য মসজিদে নামায পড়লে তার গুনাহ হবেনা কেননা, ঐ মসজিদের ইমামের তেলাওয়াত সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। আর তেলাওয়াত সম্পূর্ণ অশুদ্ধ হলে নামায হবেনা।

তবে অহংকার বশতঃ মসজিদ ত্যাগ করলে গুনাগার হবেন।
সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।
করেছেন (44 পয়েন্ট)
কিন্তু আমাদের বাড়ির মসজিদ টাতে এখন ইমাম রাখা হয়েছে।তাছাড়া দুইটাই আমাদের মসজিদ।জুমা মসজিদ টা হচ্ছে আমাদের সমাজের বড় মসজিদ।এখন আমি কোথায় পড়বো? জুমা মসজিদে নাকি নামাজ পড়লে সওয়াব বেশি?
করেছেন (10,638 পয়েন্ট)
আরেকটা মসাজিদ কেন বানান হলো?

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

358,874 টি প্রশ্ন

453,951 টি উত্তর

142,179 টি মন্তব্য

189,994 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...