বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
307 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (5,382 পয়েন্ট)

2 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (844 পয়েন্ট)
না। বিতরের নামাজ ওয়াজিব।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (10,632 পয়েন্ট)
ইমাম আবু হানীফা (রহ) এর মতে বিতর নামায ওয়াজিব।

ইমাম মালেক, শাফেয়ী ও আহমদ (রহঃ) সহ অধিকাংশ ইমাম, মুহাদ্দিস ও আলেমের মতে বিতর নামায ওয়াজিব নয় বরং তা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ।

ইমাম আবু হানীফা যে সকল হাদীসের আলোকে বিতর নামাযকে ওয়াজিব বলেন, তা অধিকাংশ যঈফ বা দূর্বল অথবা তা দিয়ে এ নামাযকে ওয়াজিব সাব্যস্ত করা যায় না। তাই তার প্রসিদ্ধ দুইজন ছাত্র ইমাম ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান (রহঃ) ইমামের সাথে একমত না হয়ে অধিকাংশ ইমামের ন্যায় এ নামাযকে সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ হিসেবে আখ্যা দেন।

বিতরের নামায ফরয নয় বরং তা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। যা এশার ফরয সালাতের পর হতে ফজর পর্যন্ত সুন্নাত ও নফল সালাত সমূহের শেষে আদায় করতে হয়।

আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ বিতর নামাযকে ওয়াজিব মনে করেন কিন্তু বিতর নামায আসলে সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। ফরজ বা ওয়াজিব নয়।

যে সমস্ত হাদীস ওয়াজিব সাব্যস্ত করার জন্য পেশ করা হয় তা দূর্বল কিংবা অস্পষ্ট। নিম্নোক্ত হাদীসের মত স্পষ্ট নয়।

এছাড়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ফরয সালাত কখনোই সওয়ারীর পিঠে চড়ে পড়তেন না, শুধু নফল সালাত পড়তেন। কিন্তু তিনি বিতর সালাত সওয়ারীর উপর পড়েছেন। এ থেকে প্রমানিত হয় বিতর সালাত ফরয বা ওয়াজিব নয়। (বুখারী, মুসলিম, দারা কুতনীঃ ১৬১৭)

বিতর নামায আদায় করতে মহানবী (সাঃ) উম্মতকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করতেন।

হযরত আলী (রাঃ) বলেন, বিতর ফরয নামাযের মত অবশ্যপালনীয় নয়; তবে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) তাকে সুন্নতের রুপদান করেছেন; তিনি বলেছেন, অবশ্যই আল্লাহ বিতর, তিনি বিতর পছন্দ করেন।

সুতরাং হে কুরআনের বাহকগণ! তোমরা বিতর আদায় কর।

(তিরমিযীঃ ৪৫৩ ইবনে মাজাহঃ ১১৬৯, সহিহ তারগিবঃ ৫৮৮)

বিশেষ দ্রঃ এখানে বিভিন্ন মতালম্বীর সদস্য রয়েছেন। কেউ বিতর নামায ওয়াজিব মনে করেন আবার কেউ সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। কেননা এটি একটি ইখতিলাফি মাসআলা তাই যে যেই মাযহাব মানেন তিনি সেই মাযহাব মতে বিতর নামায ওয়াজিব বা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ বলতে পারেন। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি তর্ক বিতর্ক করবেন না।
সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।
করেছেন (8,168 পয়েন্ট)
সাবিরুল ভাই,"আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ বিতর নামাযকে ওয়াজিব মনে করেন কিন্তু বিতর নামায আসলে সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। ফরজ বা ওয়াজিব নয়।

যে সমস্ত হাদীস ওয়াজিব সাব্যস্ত করার জন্য পেশ করা হয় তা দূর্বল কিংবা অস্পষ্ট। নিম্নোক্ত হাদীসের মত স্পষ্ট নয়।"
কথাটি আপনি উত্তরে লিখে রেখেছেন। আবার আপনি এখানে বলছেন দুটোর রেফারেন্সই শক্তিশালী। এরুপ দ্বিমুখী বক্তব্য অনেকটাই বিভ্রান্তিকর।
করেছেন (830 পয়েন্ট)
আপনি হানাফি, তাই দয়া করে ওয়াজিবই বলুন। অন্য হাদিস যারা লিখেছেন তারা হানাফি নন। তিরমিযি হচ্ছেন শাফেয়ি মতান্তরে হান্বালি। নাসায়ি হচ্ছেন শাফেয়ি মাজহাবের। আপনি উইকিপিডিয়া দেখতে পারেন। আর আপনি হলেন  হানাফি। এখন আপনি কি বলবেন? একেক মাজহাবের একেক ফিকহ, এবং একইসাথে ভিন্নমত। আর যাই বলুন না কেন আমি মনে করি বিতর হচ্ছে ওয়াজিব। আমি এ বিশ্বাস থেকে সরব না আর আশা করি যারা সচেতন তারাও সরবেন না।
করেছেন (10,632 পয়েন্ট)
সাবাহ আজমান নাহিয়ান! আপনি সহিহ হাদিস আগে মানবেন নাকি মাজহাব আগে। যদি সহিহ হাদিস মানেন তাহলে বিতর নামাজ সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ।
করেছেন (8,168 পয়েন্ট)
@সাবাহ, বিতর নামায নিঃসন্দেহে ওয়াজিব।
করেছেন (830 পয়েন্ট)
কে বলেছে হাদিসগুলো সহিহ? কোথা থেকে জোগাড় করেছেন?

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
17 এপ্রিল "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Uzzal Hossain (27 পয়েন্ট)

358,495 টি প্রশ্ন

453,497 টি উত্তর

142,025 টি মন্তব্য

189,853 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...