বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
206 জন দেখেছেন
"ফাতাওয়া-আরকানুল-ইসলাম" বিভাগে করেছেন (117 পয়েন্ট)
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
এটা আমি জানতে চাচ্ছি।

2 উত্তর

+3 টি পছন্দ
করেছেন (10,638 পয়েন্ট)
একটি বহুল প্রচলিত কথা হলোঃ আঠারো হাজার মাখলুকাত। অর্থাৎ এ মহাবিশ্বে আল্লাহ তায়ালার সৃষ্ট প্রাণীর জাতি-প্রজাতির সংখ্যা হলো ১৮ হাজার।

এ কথাটি একান্তই লোকশ্রুতি ও কোনো কোনো আলিমের মতামত। আল্লাহর অগণিত সৃষ্টির সংখ্যা কত লক্ষ বা কত কোটি সে বিষয়ে কোনো তথ্য কোরআন হাদীস বা কোনো জঈফ হাদীসেও বর্ণিত হয়নি।

উপরের কথাটি লোকমুখে এতই প্রসিদ্ধ যে, অনেকের কাছে তা কুরআন-হাদীসের বাণীর মতো স্বতঃসিদ্ধ। কিন্তু মাখলুকাতের এই নির্দিষ্ট সংখ্যা না আছে কুরআনে, না আছে কোনো সহীহ হাদীসে। বাস্তবতা হলো, আল্লাহ তাআলা অগণিত মাখলুক পয়দা করেছেন। জলে ও স্থলে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির মাখলুক আল্লাহর অসীম কুদরতের প্রমাণ। মানুষের জানার বাইরেও রয়েছে অসংখ্য মাখলুক।

আবারো বলা হচ্ছে যে, আল্লাহ তাআলা কত ধরনের মাখলুক সৃষ্টি করেছেন তার নির্দিষ্ট সংখ্যা সহীহ হাদীসে বলা হয়নি।

অতএব আঠারো হাজার নয়। বরং বলা উচিত যে, আল্লাহ তাআলা অসংখ্য অগণিত মাখলুক পয়দা করেছেন, যা আমরা গুণে ও হিসাব করে শেষ করতে পারব না।

আর যদি বিজ্ঞান বলেই থাকে পৃথিবীতে ১৬ লক্ষের বেশি প্রজাতির আবিষ্কৃত হয়েছে। এটাও ধারনা প্রসুত কথা মাত্র।
সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (4,102 পয়েন্ট)
আপনার বোঝার ভুল আছে। ধর্মীয় ব্যাপারে আমি তেমন জানিনা তাই সে দিক দিয়া বলছিনা, আমি শুধু বলছি আপনি যেটা বুঝতে ভুল করছেন সেইটা।

আপনি কোন বিভাগে পড়েন জানিনা তবে বায়োলজি সম্পর্কে ধারনা থাকলে এটা নিশ্চয় জানেন যে, সমস্ত জীব জগতকে দুটি কিংডমে ভাগ করা হয়।এনিমেলিয়া এবং প্লান্টি। এরপর লিনিয়ার হায়ারার্কি ধারায় ভাগ হয়ে সর্বশেষ স্পিসিস বা প্রজাতিতে শেষ। এই প্রজাতি বিভাগটি সম্পূর্ন আলাদা বৈশিষ্ট্যময় নয়। কোরআনে যে আঠারো হাজারের কথা বলা হয়েছে তা আলাদা বৈশিষ্ট্যময়।  যেমন ধরুন। এভিস বা পাখি। প্রজাতি অনুযায়ী এর বহু বিভাগ রয়েছে।  বক আর শালিক এক নয়। এরা ভিন্ন প্রজাতি। আবার বক বা শালিক নিজেদের ভেতর আবার অনেক প্রজাতি রয়েছে। কিন্তু যতই প্রজাতি থাকুক না কেন এদের সাধারন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা এক। মানে সবার ডানা চঞ্চূ রয়েছে, উড়তে পারে। কোরআনে এদের একটাই ধরা হয়েছে যা বিজ্ঞানে শুধু এভিস।

এভাবে ইউনিক বৈশিষ্ট্য ধরলে ১৬ লক্ষ জীব আবিষ্কার হয়নি। 

আপনি জানেনকি বাঘ এবং সিংহ প্রজাতি আলাদা কিন্তু এরা একই অর্ডের ভুক্ত। বাঘ বা সিংহ প্যানথেরা শ্রেনীর। আর প্রজাতি হিসাবে একটি প্যানথেরা লিও, অপরটি প্যানথেরা টাইগ্রিস। এই দুই জীবের মিলনে কিন্তু সন্তান সৃষ্টি হয়, যদিও বাচ্চাটি প্রজননক্ষম হয়না, বাচেনা কিন্তু সৃষ্টি হয়। তাই এরা একই শ্রেনী ভুক্ত। 

কোরআনে মানুষ, উদ্ভিদ, জিন প্রভুতি আলাদা করা হয়েছে যা স্পষ্ট ই ভিন্ন। এভাবে আঠারো হাজার পুরন হবেইনা। কারন অনাবিষ্কৃত ও বিলুপ্তি হয়েছে অনেক। আর বিজ্ঞানের বিভাগ আলাদা।  মনে হয় কিছুটা ধারনা পাবেন এবার।
করেছেন (117 পয়েন্ট)
আপনি জাতি আর প্রজাতির কথা বলছেন ঠিক কথা কিন্তু জাতি ১৮ হাজার নয় এটা সম্পর্কে তো নিশ্চিত কেননা প্রানি বিলুপ্ত হচ্ছ যার প্রমান হলো ডাইনোসর ,আরো অনেক জাতি আজ বিলুপ্ত।তাহলে কোর আনে এটা এতটা নিদৃষ্ট কেন ?
করেছেন (4,102 পয়েন্ট)
আমি কিন্তু বলেছি এভাবে গ্রুপে ভাগ করলে ১৮ লক্ষ বা ১৬ লক্ষ হবেনা, যা বিলুপ্ত হয়েছে, আবার যা ভবিষতে আসবে তা যে এভাবে আলাদা হবে তা আমরা জানিনা। আমি শুধু এটা বলতে চেয়েছি যে ১৮ হাজার হতে অনেক বাকি আছে। হতে পারে এর ভেতর সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে প্রথমেই এও বলে দিয়েছি ধর্মীয় ব্যাপারে আমার জানা নাই। কাজেই কোরআনে ১৮ হাজার আছে কি নাই তা আমি জানিনা, আমার বক্তব্য মোটেও তার সামর্থনে নয়।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
22 ফেব্রুয়ারি 2014 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোহাম্মাদ শুভ (16,995 পয়েন্ট)
1 উত্তর
07 জানুয়ারি 2016 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Samir Showrov (76 পয়েন্ট)
1 উত্তর
04 ফেব্রুয়ারি 2014 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন M.Sameer (1,778 পয়েন্ট)
1 উত্তর
22 এপ্রিল 2013 "প্রাণীবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন shohan (7,697 পয়েন্ট)

359,103 টি প্রশ্ন

454,239 টি উত্তর

142,248 টি মন্তব্য

190,067 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...