বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
77 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (4,429 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন

1 উত্তর

+3 টি পছন্দ
করেছেন (17,359 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

বিখ্যাত হাদিসগ্রন্থ তিরমিজি শরিফে বর্ণিত- রোজার মাসে রাসুল সা. মাগরিবের আগে কয়েকটি ভেজা খেজুরের মাধ্যমে ইফতার করতেন। ভেজা খেজুর না থাকলে সাধারণ শুকনো খেজুর। এর ব্যতিক্রম হলে কয়েক ঢোক পানিই ছিল রাসুল সা.-এর ইফতার। হজরত আব্দুল্লাহ বিন আবি আউফা র. সূত্রে বর্ণিত- তিনি বলেন, রোজায় আমরা রাসুল সা.-এর সফরসঙ্গী ছিলাম। সূর্যাস্তের সময় তিনি একজনকে ডেকে বললেন, ছাতু ও পানি মিশিয়ে ইফতার পরিবেশন কর। (মুসলিম শরীফ, ১০৯৯)।বিশ্বনবি মুহাম্মদ সা.-এর ইফতার কত সাদাসিদে ছিল। খেজুর ছাতু আর পানির ইফতার। সাদাসিদে এই ইফতারে রয়েছে তৃপ্তি। আছে অপরকে ইফতার করানোর সওয়াব।

হজরত আনাস বলেন, সেহরির সময় রাসুল সা. বললেন- আমি রোজা রাখব, খাবার দাও। আমি রাসুল সা.-এর সামনে খেজুর ও পানি পরিবেশন করলাম। সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি হজরত আবু হুরাইয়া রা. বলেন, মুমিনের উত্তম সেহরি শুকনো খেজুর। (আবু দাউদ, ২৩৪৫)। রাসুল সা. বলেন, পানি মিশ্রিত এক চুমক দুধ বা একটি শুকনা একটি খেজুর অথবা এক ঢোক পানির মাধ্যমে যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবে। এবং রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব দিবে। আর যে ব্যক্তি রোজাদারকে তৃপ্তিসহ খাবার খাওয়াবে আল্লাহ তাকে হাউজে কাউসার হতে এমন পানীয় খাওয়াবেন সে জান্নাতে প্রবেশ পর্যন্ত তৃষ্ণিত হবে না।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর

311,808 টি প্রশ্ন

401,403 টি উত্তর

123,264 টি মন্তব্য

172,829 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...