বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
68 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (4,426 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন

4 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (1,437 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

মা হাওয়া (আ.) দুনিয়ার পশ্চিম গোলার্ধে জেদ্দা শহরে অবতরণ করলেন। আর আদম (আ.) পূর্ব গোলার্ধে শ্রীলংকার সন্দীপে।

+1 টি পছন্দ
করেছেন (431 পয়েন্ট)
হযরত আদমকে সরন্দ্বীপ তথা সিংহল দ্বীপ নামক জায়গায় আর হাওয়াকে জিদ্দা শহরে
+1 টি পছন্দ
করেছেন (7,619 পয়েন্ট)
আদম ও হাওয়াকে (আঃ) আসমানে অবস্থিত জান্নাত থেকে নামিয়ে দুনিয়ায় কোথায় রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে মতভেদ রয়েছেঃ

যেমন বলা হয়েছে আদমকে (আঃ) সরনদীপে 'শ্রীলংকা' ও হাওয়াকে (আঃ) জেদ্দায় 'সঊদী আরব' নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

কেউ বলেছেন, আদমকে (আঃ) মক্কার সাফা পাহাড়ে এবং হাওয়াকে (আঃ) মারওয়া পাহাড়ে নামানো হয়েছিল।

এছাড়া আরো বক্তব্য এসেছে। তবে যেহেতু কুরআন ও সহীহ হাদীছে এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি, সেকারণে এ বিষয়ে আমাদের চুপ থাকাই শ্রেয়।

তবে পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছেঃ আমি বললাম, হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর এবং যেথা ইচ্ছা আহার কর, কিন্তু এই বৃক্ষের নিকটবর্তী হয়ো না, হলে তোমরা জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা- বাকারা, আয়াতঃ ৩৫)

আল্লাহ তাআলা একই কথা অন্যত্র বলেনঃ হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর এবং যেখান থেকে ইচ্ছা খাও, কিন্তু এ বৃক্ষের নিকটবর্তী হয়ো না, হলে তোমরা জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা আরাফঃ ১৯)

অতঃপর উভয়ে জান্নাতে বসবাসকালে শয়তানের প্ররোচনায় আল্লাহ তাআলার নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেন।

আল্লাহ তাআলা বলেনঃ অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল তা তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল এবং বলল, তোমরা উভয়ে ফেরেশতা হয়ে যাবে অথবা তোমরা স্থায়ী হয়ে যাবে এজন্যই তোমাদের প্রতিপালক এ বৃক্ষ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন। (সূরা আরাফঃ ২০)

সে শপথ করে তাদের বলল, আমি তোমাদের সত্যিকারের হিতাকাঙ্ক্ষী।

এভাবে সে ধোঁকা দিয়ে তাদের অধঃপতন ঘটিয়ে দিল। যখন তারা গাছের ফলের স্বাদ নিল, তখন তাদের গোপনীয় স্থান পরস্পরের নিকট প্রকাশিত হয়ে গেল, তারা জান্নাতের পাতা দিয়ে নিজেদেরকে ঢাকতে লাগল। তখন তাদের প্রতিপালক তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে নিষেধ করিনি আর বলিনি- শয়ত্বান হচ্ছে তোমাদের উভয়ের খোলাখুলি দুশমন? (সূরা আরাফঃ ২১-২২)

কোন বিশেষ গাছের প্রতি ইংগিত করে বলা হয়েছিল যে, এর ধারে কাছেও যেও না। প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল, সে গাছের ফল না খাওয়া। কিন্তু তাকীদের জন্য বলা হয়েছে, কাছেও যেও না। সেটি কি গাছ ছিল, কুরআনুল কারীমে তা উল্লেখ করা হয়নি। কোন নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ হাদীস দ্বারাও তা নির্দিষ্ট করা হয়নি। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে এ কথা সুস্পষ্ট বুঝা যায় যে, সে বৃক্ষের ফল না খাওয়া ছিল এ নিষেধাজ্ঞার প্রকৃত উদ্দেশ্য। কিন্তু সাবধানতা-সূচক নির্দেশ ছিল এই যে, সে গাছের কাছেও যেও না। এর দ্বারাই ফিকাহশাস্ত্রের কারণ-উপকরণের নিষিদ্ধতার মাসআলাটি প্রমাণিত হয়। অর্থাৎ কোন বস্তু নিজস্বভাবে অবৈধ বা নিষিদ্ধ না হলেও যখন তাতে এমন আশংকা থাকে যে, ঐ বস্তু গ্রহণ করলে অন্য কোন হারাম ও অবৈধ কাজে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে, তখন ঐ বৈধ বস্তুও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। যেমন, গাছের কাছে যাওয়া তার ফল-ফসল খাওয়ার কারণও হতে পারতো। সেজন্য তাও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। একে ফিকাহশাস্ত্রের পরিভাষায় উপকরণের নিষিদ্ধতা বলা হয়।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (405 পয়েন্ট)
নিষিদ্ধ ফল গন্ধম খাওয়ার ফলে আল্লাহ তায়ালা হযরত আদম (আঃ) কে শ্রীলংকায় এবং হযরত হাওয়া (আঃ) কে আরাফা অঞ্চলে পাঠিয়ে দেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর

312,562 টি প্রশ্ন

402,132 টি উত্তর

123,483 টি মন্তব্য

173,190 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...