বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
49 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (4,426 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন

1 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (245 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

আরশ শব্দের অর্থ হচ্ছে সিংহাসন 

কুরশি শব্দের অর্থ পা রাখবার জায়গা

লাওহে মাহফুজ;              

ইবনে মানযুর বলেন:
لوح (লাওহ): “কাঠের প্রশস্ত যে কোন পৃষ্ঠকে লাওহ বলে।”

আযহারি বলেন: কাঠের পৃষ্ঠকে লাওহ বলা হয়। কাঁধের হাড়ের ওপর যদি কিছু লেখা হয় সেটাকেও লাওহ বলা হয়।
যেটার উপর কিছু লেখা হয় সেটাই লাওহ।
প্রত্যেক প্রশস্ত হাড্ডিকে লাওহ বলা হয়।
ইবনে কাছির (রহঃ) বলেন:

فِي لَوْحٍ مَحْفُوظ (অর্থ-লাওহে মাহফুযে তথা সুরক্ষিত ফলকে রয়েছে):  অর্থাৎ এটি উচ্চ পরিষদ কর্তৃক সংযোজন, বিয়োজন, বিকৃতি ও পরিবর্তন থেকে সংরক্ষিত।[তাফসিরে ইবনে কাছির (৪/৪৯৭, ৪৯৮]
ইবনুল কাইয়্যেম (রহঃ) বলেন:
আল্লাহ্‌র বাণী: مَحْفُوظ  (সংরক্ষিত): অধিকাংশ ক্বারীগণ শব্দটিকে لوح শব্দের صفة হিসেবে جَرّ দিয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে ইঙ্গিত রয়েছে যে, শয়তানদের পক্ষে কুরআন নিয়ে অবতীর্ণ হওয়া সম্ভব নয়। কারণ কুরআন যে স্থানে রয়েছে সে স্থানটি শয়তান সেখানে পৌঁছা থেকে সংরক্ষিত। এবং কুরআন নিজেও সংরক্ষিত; কোন শয়তান এতে সংযোজন-বিয়োজন করার ক্ষমতা রাখে না।  
তাইতো আল্লাহ্‌ তাআলা তাঁর বাণীতে কুরআনকে সংরক্ষিত উল্লেখ করেছেন: “নিশ্চয় আমরা স্মরণিকাটি নাযিল করেছি। নিশ্চয় আমরা এর হেফাযতকারী”।[সূরা হিজর, আয়াত: ০৯] আর এ সূরাতে আল্লাহ্‌ তাআলা কুরআনে কারীম যে স্থানে রয়েছে সে স্থানকেও সংরক্ষিত উল্লেখ করেছেন।
এভাবে আল্লাহ্‌ তাআলা কুরআন যে আধারে রয়েছে সে আধার সংরক্ষণ করেছেন এবং কুরআনকেও যাবতীয় সংযোজন, বিয়োজন ও পরিবর্তন থেকে হেফাযত করেছেন। কুরআনের শব্দাবলি যেভাবে হেফাযত করেছেন অনুরূপভাবে কুরআনের অর্থকেও বিকৃতি থেকে হেফাযত করেছেন। কুরআনের কল্যাণে এমন কিছু ব্যক্তিকে নিয়োজিত করেছেন যারা কোন প্রকার বাড়তি বা কমতি ছাড়া কুরআনের হরফগুলো মুখস্ত রাখে এবং এমন কিছু ব্যক্তি নিয়োজিত করেছেন যারা কুরআনের অর্থকে বিকৃতি ও পরিবর্তন থেকে হেফাযত করে।”[দেখুন: আত-তিবইয়ান ফি আকসামিল কুরআন, পৃষ্ঠা-৬২]

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত, আল্লাহর কাছে যে লাওহে মাহফুজ রয়েছে, তা সাদা মুক্তা দ্বারা নির্মিত। ৫০০ বছরের দূরত্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এর দুটি মলাট রয়েছে, যার প্রতি আল্লাহ তায়ালা দৈনিক ৩৬০ বার লক্ষ করেন। তাতে যা ইচ্ছা তিনি রহিত করেন, আবার যা ইচ্ছা বহাল রাখেন। হজরত আবুদ দারদা (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, রাতের তিন প্রহর বাকি থাকতেই আল্লাহ তায়ালার দরবারে লাওহে মাহফুজ খোলা হয়। এর প্রথম প্রহরেই তিনি বিশেষ নজর দেন। তাতে যা ইচ্ছা রহিত করেন এবং যা ইচ্ছা বহাল রাখেন।
আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন।


সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
28 ফেব্রুয়ারি 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন gmsabbir (1,583 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
22 জুলাই 2018 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন কায়ছার (11 পয়েন্ট)

312,563 টি প্রশ্ন

402,141 টি উত্তর

123,483 টি মন্তব্য

173,191 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...