বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
52 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (4,795 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন

3 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (8,163 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
সিদরাহ আরবী শব্দ এর অর্থ কুলগাছ। আল মুনতাহা অর্থ প্রান্তসীমা বা শেষ সীমা।

সুতরাং সিদরাতুল মুনতাহা অর্থ প্রান্তস্থিত কুলবৃক্ষ।

অথবা, অভিধানে সিদরাহ শব্দের অর্থ বদরিকা বৃক্ষ। মুনতাহা শব্দের অর্থ শেষপ্রান্ত। সপ্তম আকাশে আরশের নিচে এই বদরিকা বৃক্ষ অবস্থিত। মুসলিমের বর্ণনায় একে যষ্ঠ আকাশে বলা হয়েছে।

উভয় বর্ণনার সমন্বয় এভাবে হতে পারে যে, এই বৃক্ষের মূল শিকড় ষষ্ঠ আকাশে এবং শাখা প্রশাখা সপ্তম আকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। সাধারণ ফেরেশতাগণের গমনাগমনের এটাই শেষ সীমা। তাই একে সিদরাতুল মুনতাহা বলা হয়।

এই সিদরাতুল মুনতাহা হলো ষষ্ঠ বা সপ্তম আসমানে অবস্থিত একটি কুল (বরই) গাছ। আর এটাই শেষ সীমা। এর উপরে কোন ফিরিশতা যেতে পারেন না। ফিরিশতাকুল আল্লাহর বিধানাদিও এখান থেকেই গ্রহণ করেন।

জমিন থেকে যা কিছু উত্থিত হয় তা সে পর্যন্ত গিয়ে পৌছে এবং সেখান থেকে তা গ্রহণ করা হয়। তদ্রুপ ঊর্ধ্বলোক থেকে যা কিছু অবতরণ হয় তাও এ পর্যন্ত এসে পৌছে এবং সেখান থেকে তা গ্রহণ করা হয়।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (250 পয়েন্ট)
– সিদরা (سِدْرَةٌ) আরবী শব্দ, অর্থ কুলগাছ।

– আল মুনতাহা (لمُنْتَهَى) অর্থ প্রান্তসীমা বা শেষ সীমা। সুতরাং ‘সিদরাতুল মুনতাহা’ অর্থ প্রান্তস্থিত কুলবৃক্ষ। যা অতীব সুন্দর ও সুসজ্জিত। ফেরেশতাদের গমনাগমনের এটাই শেষ সীমা। এর উপরে আল্লাহর আরশ অবস্থিত। আল্লাহর বিধানাবলী আরশ থেকে প্রথমে এখানে নাযিল করা হয়।

অতঃপর সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট ফেরেশতাগণের মাধ্যমে দুনিয়াতে প্রেরিত হয়। অনুরূপভাবে বান্দাদের আমলনামা সমূহ প্রথমে এখানে নিয়ে আসা হয়। অতঃপর এখান থেকে আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়। ফেরেশতা বা নবী-রাসূল কেউই এই স্থান অতিক্রম করতে পারেননি, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যতীত।

কুরআনে এ শব্দটি উল্লেখিত হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَىٰ -عِندَ سِدْرَةِ الْمُنتَهَىٰ – عِندَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَىٰ

“নিশ্চয় সে তাকে আরেকবার দেখেছিল, সিদরাতুলমুন্তাহার নিকটে, যার কাছে অবস্থিত জান্নাতুল মা’ওয়া বসবাসের জান্নাত। (অর্থাৎ মিরাজের রাতে নবী সা. জিবরাঈলকে সেখানে প্রকৃত রূপে আরেকবার দেখেছিল) (সূরা নাজম: ১৩, ১৪ ও ১৫)”

হাদীসে এসেছে:

মিরাজের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম ফিরে এসে সিদরাতুল মুনতাহা সম্পর্কে বলেছিলেন, “আমি সিদরাতুল মুনতাহা দেখলাম। এর ফল (বড়ই) যেন ‘হাজার’ নামক স্থানের (বড়) মটকার ন্যায়। আর তার পাতা যেন হাতীর কানের মতো বড়। সিদরাতুল মুনতাহার মূল থেকে চারটি ঝরনা প্রবাহিত হয়েছে। দুইটি ঝরণা ভেতরে, আর দুইটি ঝরণা বাইরে। এই (চারটি ঝরণা) সম্পর্কে আমি জিবরাঈলকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, ভেতরের দুইটি ঝরণা জান্নাতে অবস্থিত। আর বাইরের ঝরণা দুইটির একটি হল (ইরাকের) ফুরাত, আর অপরটি হল (মিশরের) নীল নদ। (হিলিয়াতুল আওলিয়া, ৩/৭২ এর সমার্থ বোধক হাদীসকে জামে সাহীহ গ্রন্থে ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন)
+1 টি পছন্দ
করেছেন (480 পয়েন্ট)
সিদরাতুল মুনতাহা হলো সপ্তম আসমানের বিশেষ স্থানে অবস্থিত একটি প্রকান্ড কূল বৃক্ষ যা মহানবী (স) মেরাজের সময় দেখেছিলেন

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

321,584 টি প্রশ্ন

411,853 টি উত্তর

127,531 টি মন্তব্য

177,252 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...