বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
159 জন দেখেছেন
21 এপ্রিল "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (260 পয়েন্ট)
21 এপ্রিল পূনঃরায় খোলা করেছেন

2 উত্তর

+2 টি পছন্দ
21 এপ্রিল উত্তর প্রদান করেছেন (4,874 পয়েন্ট)

শবে বরাত এর জন্য কয়টি রোজা থাকতে হবে এবিষয়ে কোন স্পষ্ট হাদিস পাওয়া যায়নি । তবে বিভিন্ন স্কলারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী আমি শুনেছি শাবান মাসের 13, 14, 15 তারিখে অর্থাৎ এই তিনটি নফল রোজা রাখলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায় । 


আমি শবে বরাত সম্পর্কিত দুটি সহীহ হাদীস উল্লেখ করছি ।


1) আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শাবান মাস চাইতে বেশি নফল রোযা অন্য কোন মাসে রাখতেন না। নিঃসন্দেহে তিনি পূর্ণ শাবান মাস রোযা রাখতেন।’

অন্য বর্ণনায় আছে, ‘অল্প কিছুদিন ছাড়া তিনি পূর্ণ শা‘বান মাস রোযা রাখতেন।’


ফুটনোটঃ

(সহীহুল বুখারী ৪৩, ১১৩২, ১১৫১, ১৯৬৯, ১৯৭০, ১৯৮৭, ৬৪৬১, ৬৪৬২, ৬৪৬৪-৬৪৬৭, মুসলিম ৭৪১, ৭৮২, ৭৮৩, ৭৮৫, ১২৫৬, ৭৮২, ১৮১৮, নাসায়ী ৭৬২, ১৬১৬, ১৬৪২, ১৬৫২, ২১৭৭, ২৩৪৭, ২৩৪৯, ২৩৫১, ৫০৩৫, আবূ দাউদ ১৩১৭, ১৩৬৮, ১৩৭০, ২৪৩৪, ইবনু মাজাহ ১৭১০, ৪২৩৮, আহমাদ ২৩৫২৩, ২৩৬০৪, ২৩৬৪২, ২৩৬০৪, ২৩৬৬৯, ২৪০১৯, ২৪১০৭, মুওয়াত্তা মালিক ৪২২, ৬৮৮) 


রিয়াদুস সলেহিন, হাদিস নং ১২৫৫

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস


2)আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে আত্নপ্রকাশ করেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত তাঁর সৃষ্টির সকলকে ক্ষমা করেন।


৩/১৩৯০ (১). আবূ মূসা আশআরী (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। [১৩৯০]


তাহকীক আলবানী : হাসান।


ফুটনোটঃ

[১৩৯০]  হাসান। তাখরীজ আলবানী: জামি সগীর ১৮১৯ হাসান, মিশকাত ১৩০৬ যঈফ, সহীহা ১৫৬৩ সহীহ, মিশকাত ১৩০৬, ১৬০৭, ফিলাল ৫১০, সহীহ আবী দাউদ ১১৪৪, ১৫৬৩। উক্ত হাদিসের রাবী ১. ইবনু লাহীআহ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার হাদিসের ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তার কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ায় হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ায় যে হাদিস বর্ণনা করেছেন তা দুর্বল। ২. দাহহাক বিন আয়মান সম্পর্কে ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি কে? তা অজ্ঞাত। ৩. যুবায়র বিন সুলায়ম সম্পর্কে ইমামগণ বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ৪. আব্দুর রহমান সম্পর্কে ইমামগণ বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। 

সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ১৩৯০

হাদিসের মান: হাসান হাদিস


উজ্জল আহমেদ রবিন প্রকৃতি প্রেমী একজন সাধারণ মানুষ। পছন্দ করেন সাধ্যানুযায়ী অপরকে সাহায্য করতে, নতুন কিছু জানতে ও জানাতে। আলোকিত মানুষ হওয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টায় জ্ঞান অন্বেষণে যুক্ত আছেন বিস্ময়ের সাথে। সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ হওয়াই তার লক্ষ্য। তিনি বিস্ময়ের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসাবে।
0 টি পছন্দ
21 এপ্রিল উত্তর প্রদান করেছেন (7,370 পয়েন্ট)
শবে বরাত বা শাবান মাসের রোযা কতটি তা নির্দিষ্ট নয়। নফল রোযার কোনো সীমা নেই। যে যত বেশি রাখবে, সে তত বেশি সওয়াব লাভ করবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাবান মাসে রোযা রাখতে রাখতে রমযান মাসে পৌঁছতেন।

রবীআহ ইবনুল গায (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশা (রাঃ) এর নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায় গোটা শাবান মাস রোযা রাখতেন, এমনকি এভাবে রমযান মাসে উপনীত হতেন।

(সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস নম্বরঃ ১৬৪৯, সহীহুল বুখারী ১৯৬৯, মুসলিম ৭৪৬, আবূ দাউদ ১৩৪২, হাদিসের মানঃ সহিহ)।

আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) এর নিকট নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, তিনি একাধারে রোযা রেখেই যেতেন। এমনকি আমরা বলতাম, একাধারে রোযা রেখেই যাবেন। আবার তিনি একাধারে রোযাহীন অবস্থায় কাটাতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি রোযাহীন অবস্থায়ই থাকবেন। শাবান মাস ব্যতীত অন্য কোন মাসে আমি তাঁকে এত অধিক রোযা রাখতে দেখিনি। তিনি প্রায় পুরা শাবান মাসই রোযা রাখতেন। তিনি শাবানের অল্প কিছুদিন বাদ দিয়ে পুরা মাসই রোযা রাখতেন।

(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বরঃ ১৭১০ সহীহুল বুখারী ১৯৬৯ হাদিসের মানঃ সহিহ)।

প্রতিমাসে তিন দিন সিয়াম পালন করা। তাই আপনি এই তিন দিন সিয়াম পালন করতে পারবেন। তবে শবে বরাত উদ্দেশ্য করে নয়।

মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছিলেন, হে আবূ যার! প্রতি মাসে যদি তিন দিন সিয়াম পালন করতে চাও তবে তের, চৌদ্দ ও পনের তারিখের সিয়াম পালন করো।

(সূনান তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৫৯ হাদিসের মানঃ হাসান)।

আবূ মামার (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার বন্ধু আমাকে তিনটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতি মাসে তিন দিন করে রোযা পালন করা এবং দুই রাকআত সালাতুয-যুহা এবং ঘুমানোর পূর্বে বিতর সালাত নামায আদায় করা।

(সহীহ বুখারী হাদিস নম্বরঃ ১৮৫৭ হাদিসের মানঃ সহিহ)।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
21 এপ্রিল "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
2 টি উত্তর
0 টি উত্তর
21 এপ্রিল "নোটিশ বোর্ড" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন হিজবুল্লাহ (4,616 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর
21 এপ্রিল "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Rahim Khan (759 পয়েন্ট)

305,594 টি প্রশ্ন

394,425 টি উত্তর

120,171 টি মন্তব্য

169,393 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...