বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
160 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (19 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন
করেছেন (6,444 পয়েন্ট)
আপনি https://www.bissoy.com/1003554/ -এই উত্তরটি দেখুন৷

1 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (10,638 পয়েন্ট)
দুশ্চরিত্র পুরুষের জন্য দুশ্চরিত্র মহিলা হয় কথাটা একেবারেই এমন নয়।

আয়াতটি হলোঃ দুশ্চরিত্রা নারী দুশ্চরিত্র পুরুষদের জন্য; দুশ্চরিত্র পুরুষ দুশ্চরিত্রা নারীর জন্য; সচ্চরিত্রা নারী সচ্চরিত্র পুরুষের জন্য এবং সচ্চরিত্র পুরুষ সচ্চরিত্রা নারীর জন্য উপযুক্ত। এদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, এরা তা থেকে পবিত্র। এদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।

এ আয়াতে একটি নীতিগত কথা বুঝানো হয়েছে। আল্লাহ তাআলা মানবচরিত্রে স্বাভাবিকভাবে যোগসূত্র রেখেছেন। দুশ্চরিত্রা, ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষের প্রতি এবং দুশ্চরিত্র ও ব্যভিচারী পুরুষ দুশ্চরিত্রা নারীদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। এমনিভাবে সচ্চরিত্রা নারীদের আগ্রহ সচ্চরিত্র পুরুষদের প্রতি এবং সচ্চরিত্র পুরুষদের আগ্রহ সচ্চরিত্রা নারীদের প্রতি হয়ে থাকে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ আগ্রহ অনুযায়ী জীবনসঙ্গী খোঁজ করে নেয় এবং আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সে সেরূপই পায়।

মুনাফিকরা যখন আয়িশাহ (রাঃ) কে মিথ্যা অপবাদ দিল তখন আল্লাহ তাআলা অভিযোগ থেকে মুক্ত করার জন্য সুরা নুরের ২৬ নাম্বার আয়াতটি নাযিল করেন।

উক্ত আয়াতে মূলত বলা হচ্ছে যে, নাবী রাসূলগণ যেমন সৎ ও পূতঃপবিত্র, তাদের স্ত্রীগণও কখনো অসৎ হতে পারে না। সুতরাং তাদের স্ত্রীগণও সৎ ও সতী-সাধ্বী। আর অসৎ স্ত্রীগণ তো অসৎ লোকদের জন্য, কোন সৎ লোকদের জন্য অসৎ স্ত্রী নয়।

তবে কোন পুরুষ যদি আল্লাহর কাছে তওবা করে তাহলে সে পুত-প্রবিত্র মেয়েও বিয়ে করতে পারবে।
সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
আমি জিনা করেছিলাম।আমি আল্লাহর কাছে মনে মনে অনুতপ্ত হয়েছি,ক্ষমা চেয়েছি কিন্তু নামাজ পরে তওবা করিনি।আমি তখন জানতাম না যে এরকম ব্যভিচার করলে পবিত্র কাউকে বিয়ে করা যায়না।আমি আমার স্বামীকে বিয়ের আগে জানিয়েছিলাম যে আমার আগে একজনের সাথে সম্পর্ক ছিল কিন্তু জিনার কথা লজ্জায় বলিনি।বিয়ের কিছুিদন পর সে সব জেনে যায়।এখন সে আমাকে খুব সন্দেহ করে।আমি জানি সেটা তার দোষ না।কিন্তু আমাদের সংসার প্রায় ভেঙ্গে যাওয়ার পথে।আমি ইস্তেগফারের নামাজ পরে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়েছি।আমি আমার স্বামীকে অনেক ভালোবাসি।কিন্তু কিভাবে সব ঠিক হবে বুঝি না।আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ আমাকে মাফ করেন।?
06 জানুয়ারি 2016 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন সিমিন (11 পয়েন্ট)

358,872 টি প্রশ্ন

453,950 টি উত্তর

142,179 টি মন্তব্য

189,994 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...