বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
403 জন দেখেছেন
"ফাতাওয়া-আরকানুল-ইসলাম" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
পূনঃরায় খোলা

1 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (6,445 পয়েন্ট)

খরগোশ খাওয়া হালাল। কেননা, রাসূল (সঃ) খরগোশের গোশত খাওয়ার ব্যাপারে আদেশ দিয়েছেন। হাদীসের এরশাদ হলোঃ "ইবনে সাফওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি দু'টি খরগোশ ধরলাম। কিন্তু তা যবেহ করার মত কিছুই পেলাম না। পরে আমি পাথর দিয়ে তাদের যবেহ করি। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সঃ)-এর নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে তা খাওয়ার আদেশ দেন।" (সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৪৩১৩)

ইসলামী শরীয়তে যে সকল প্রাণী ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত এবং হারাম ঘোষিত, সেগুলো ব্যতীত সমস্ত প্রকার সামুদ্রিক প্রাণী খাওয়া হালাল। সুতরাং - এ দৃষ্টিতে তিমি মাছ, কাঁকড়া, কচ্ছপ, অক্টোপাস, শামকু, ঝিকুন, হাঙ্গর ইত্যাদি সবই হালাল প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। তবে, ব্যাঙ খাওয়া সর্বসম্মতভাবে হারাম। কারণ ব্যাঙ হত্যার ব্যাপারে হাদিসে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে। আর, কুমিরের ব্যাপারটিও দ্বিমত পূর্ণ। জুমহুর বা অধিকাংশ আলেমদের মতে তা হারাম।

সর্বপ্রকার সামুদ্রিক প্রাণী খাওয়া যে হালাল, এ ব্যাপারে কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ "তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও সমুদ্রের খাদ্য হালাল করা হয়েছে তোমাদের উপকারার্থে।" (সূরা মায়িদাহ, আয়াত নং ৯৬)

এ ব্যাপারে হাদীসে রাসূলে করিম (সঃ) বলেনঃ "নদী বা সাগরের পানি পবিত্র, এবং পানিতে বসবাসকারী মৃত প্রাণীও খাওয়া বৈধ।" (তিরমিযী, হাদীস নং ৬৯) (আবু দাউদ, হাদীস নং ৮৩ - হাদিসটি আলবানী রহ. ইরওয়াউল গালীল গ্রন্থে সহীহ বলেছেন)

জনাব! ইসলামের অন্যতম মূলনীতি হলোঃ দুনিয়াবি সকল বস্তুই বৈধ, যতক্ষণ না ইসলামে সে ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া যায়। আর কাঁকড়া, কচ্ছপ, অক্টোপাস, শামুক, হাঙর ইত্যাদি খাওয়ার ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহ-এ কোনো নিষেধাজ্ঞা পাওয়া যায় না। সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে এ কথা প্রতীয়মান হল যে, উপরোক্ত সামুদ্রিক প্রাণী বৈধতার ব্যাপারে কোন বাধা নেই এবং এগুলোকে মাকরূহ বলাও প্রমাণ সাপেক্ষ নয়। তবে, কারও যদি তা খেতে রুচি না হয় তবে সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু এগুলোকে হারাম বা মাকরূহ বলার কোন যৌক্তিকতা নেই। 

করেছেন (2,973 পয়েন্ট)
যদিও উত্তরটা জানাছিল, বিষয়টি নিশ্চিত হতে চাইছিলাম!খুবই যৌক্তিক উত্তর দিয়েছেন!ধন্যবাদ!
করেছেন (4,102 পয়েন্ট)
সামুদ্রিক সকল প্রাণী হালাল এমন বিষয়ে আমি বেশ শুনেছি কিন্তু স্পষ্ট হাদিস বা কোরআনের ব্যাখ্যা জানিনা। কখনো সন্তোষজনক স্পষ্ট ব্যাখ্যাও পাইনি। আমার কথা হচ্ছে সমুদ্র উপকারী অপকারী নানা রকম প্রাণীতে ভরা। প্রচুর সাপও আছে। আমরা জানি স্থলজ সাপের চেয়ে সামুদ্রিক সাপ বেশি বিষধর। তো সাপও কি হালাল? স্কুইড, বিভিন্ন প্রকার ইল, এগুলো কি হালাল?অতি পরিচিত কুইচ্যা এরাও সমুদ্রের তীরের প্রাণী বা নদীর প্রাণী। স্পষ্ট উত্তর চাই যাতে মনের মধ্যে দ্বিধাভদ্বন্দ না থাকে।
করেছেন (253 পয়েন্ট)
অক্টোপাস এবং হাঙ্গর এগুলো হিংস্র এবং কদাকর প্রাণী! আর সব হিংস্র প্রাণীই হারাম, আর যেগুলো হিংস্র নয় কিন্তু নিকৃষ্ট সেই প্রাণীগুলো মাকরুহ। আপনি জায়েযের ফতুয়া কোথায় পান? হানাফি মাজহাবের মূলনীতিগুলো ভালো করে পড়বেন। সতর্ক করার আগে নিজে সতর্ক হোন।
করেছেন (540 পয়েন্ট)
তিমি, অক্টোপাস, হাঙ্গর এগুলো তো হিংস্র। আমাকে একজন বলেছেন কোইচ্যা খাওয়া মাকরুহে তাহরীমি। হিংস্র প্রাণি ও কোইচ্যা এসব বিষয়ে কুরআন-হাদিসের আলোকে মতামত আশা করছি।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
01 মার্চ "ফাতাওয়া-আরকানুল-ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন islampur285 (21 পয়েন্ট)
1 উত্তর
13 জুন 2016 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মহিদুল ইসলাম সেখ (13 পয়েন্ট)

342,816 টি প্রশ্ন

435,892 টি উত্তর

136,350 টি মন্তব্য

184,724 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...