বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
141 জন দেখেছেন
"খেলা" বিভাগে করেছেন (6,445 পয়েন্ট)
সম্পূর্ণ ঘটনাটা জানতে চাচ্ছিলাম।   
করেছেন (4,142 পয়েন্ট)
দুই বছর ধরে পরিকল্পনা, লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

সময়ের কণ্ঠস্বর

March 15, 2019

স্পোর্টস্ আপডেট ডেস্ক :: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে ভয়াবহ এই হামলায় হামলাকারীর লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটাররা। হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। আটক ব্যক্তি অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম।

হামলাকারী হামলার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ ভিডিও করেছে। হামলার দুইদিন আগেও তিনি হামলার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানিয়েছিলেন। মুসলিমবিদ্বেষী এই যুবক বৃহস্পতিবার হামলার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে নজরে পড়তে ওই মসজিদে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা নামাজ পড়তে যেতে পারেন এই লক্ষ্য নিয়ে আজ হামলার পরিকল্পনা করেন বলে ধারণা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। নিউজিল্যান্ডের গণমাধ্যম সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় এই গোলাগুলি শুরু হয়। এক বন্দুকধারী জুম্মার আযানের পর স্থানীয় আল নুর মসজিদে হামলা চালায়। হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। ৩ বাংলাদেশিসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

বাংলাদেশ দলের বাস তখন মসজিদের সামনে। ক্রিকেটাররা বাস থেকে নেমে মসজিদে ঢুকবেন, এমন সময় রক্তাক্ত শরীরের একজন মহিলা ভেতর থেকে টলোমলো পায়ে বেরিয়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান। ক্রিকেটাররা তখনো বুঝতে পারেননি ঘটনা কী। তাঁরা হয়তো মসজিদে ঢুকেই যেতেন, যদি না বাসের পাশের একটা গাড়ি থেকে এক ভদ্রমহিলা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বলতেন, ‘ভেতরে গোলাগুলি হয়েছে। আমার গাড়িতেও গুলি লেগেছে। তোমরা ভেতরে ঢোকো না।’

ক্রিকেটাররা তখন বাসেই অবরুদ্ধ হয়ে আটকা পড়ে থাকেন বেশ কিছুক্ষণ। কারণ পুলিশ ততক্ষণে রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। বাসে বসেই তাঁরা দেখতে পান, মসজিদের সামনে অনেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। অনেকে রক্তাক্ত শরীর নিয়ে বেরিয়ে আসছেন মসজিদ থেকে। যা দেখে আতঙ্কে অস্থির হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। কারণ বাসে কোনো নিরাপত্তাকর্মী দূরে থাক, স্থানীয় লিয়াজোঁ অফিসারও ছিলেন না।

বাংলাদেশ দলের মসজিদে ঢোকার কথা ছিল দুপুর দেড়টায়। সংবাদ সম্মেলন শেষ করে যেতে যেতে ১টা ৪০ বেজে যায়। বাংলাদেশ দলের বাস আর ২ মিনিট আগে মসজিদে পৌঁছে গেলে ক্রিকেটাররা সন্ত্রাসী হামলার সময় মসজিদের ভেতরেই থাকতেন। তাহলে কী হতে পারত, আর যা দেখেছেন-দুটি মিলিয়ে মুশফিকুর রহিম হাঁটতে হাঁটতেই অঝোরে কাঁদতে শুরু করেন।

5 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (1,738 পয়েন্ট)
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে হেগলি ওভাল মাঠের খুব কাছে একটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়েরা। লিটন দাস ও নাইম হাসান ছাড়া বাংলাদেশ দলের সবাই মাঠে অনুশীলনে ছিলেন। অনুশীলন শেষে তাঁদের ওই মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে যাওয়ার কথা ছিল।

হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই বেশ কয়েকজন নিহতের আশঙ্কা করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে নিউজিল্যান্ডের একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম স্টাফ ডট কো জানিয়েছে স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৩০ মিনিটে নামাজ শুরুর ঠিক দশ মিনিট পর একজন বন্দুকধারী সেজদায় থাকা মুসল্লিদের ওপর গুলি চালায়। এরপর জানালার কাচ ভেঙে হামলাকারী পালিয়ে যায়। হামলাকারীর হাতে অটোমেটিক রাইফেল ছিল।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (78 পয়েন্ট)
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ৯-২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড জানিয়েছে। ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভাল মাঠে শনিবার বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। তারা সবাই নিরাপদে আছেন। দলের ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, দলের প্রতিটি খেলোয়াড় নিরাপদে আছেন। তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি। সবাই এখন হোটেলে অবস্থান করছেন। দেশটির সাউথ আইল্যান্ডে আল নূর মসজিদে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল দিয়ে অন্তত ৫০টি গুলি করা হয়েছে। মসজিদের ভেতর থেকে সামাজিকমাধ্যমে গোলাগুলির লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করা হয়। স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে যখন এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, তখন শুক্রবারের জুমার নামাজ চলছিল। পার্শ্ববর্তী লিনউড মসজিদেও হামলায় নিহতের ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এক প্রত্যক্ষদর্শী তরুণ বলেন, আমি গুলির শব্দ শুনে যতটা সম্ভব দৌড়ে পালিয়েছি। এ সময় আমি অনবরত শুধু গুলির শব্দ শুনেছি। বন্দুকধারীদের একজনকে আটক করে জেলে রাখা হয়েছে। একজনের দেহ আল নূর মসজিদের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। দ্বিতীয় আরেকজনের দেহ লিনউড মসজিদে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বন্দুকধারীদের মধ্যে একজন অস্ট্রেলিয়ান বলে মনে করা হচ্ছে, তিনি তার ইচ্ছা জানিয়ে একটি লিখিত ইশতেহার পাঠ করছিলেন। তাতে তিনি বলছিলেন, এটি একটি সন্ত্রাসী হামলা। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্দা আরদার্ন এ হামলাকে নিউজিল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে অন্ধকার দিন বলে উল্লেখ করেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,754 পয়েন্ট)
নিউজিল্যান্ডের হোগলি ওভালের স্থানীয় মসজিদে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছে বলে জানাচ্ছে আন্তজাতিক গণমাধ্যমগুলো। যাদের মধ্যে ২ জন বাংলাদেশী বলে জানানো হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা ভালো আছেন। জুম্মার নামাজ আদায় করার জন্য বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা নামাজ আদায় করতে যাচ্ছিলেন। তখনই এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর তামিম ইকবাল তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে জানিয়েছেন যে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা ভালো আছেন। ইতিমধ্যে শেষ টেস্ট বাতিল করা হয়েছে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (273 পয়েন্ট)
মূলত বাংলাদেশের খেলুয়ারদের উদ্দেশ্য করে হামলাটি করা হয় নি।মসজিদে হামলা করা হয়েছে।
করেছেন (4,142 পয়েন্ট)
তাহলে এটা কি লেখা। আপনার উত্তর জানান

দুই বছর ধরে পরিকল্পনা, লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

সময়ের কণ্ঠস্বর

March 15, 2019

স্পোর্টস্ আপডেট ডেস্ক :: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে ভয়াবহ এই হামলায় হামলাকারীর লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটাররা। হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। আটক ব্যক্তি অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম।

হামলাকারী হামলার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ ভিডিও করেছে। হামলার দুইদিন আগেও তিনি হামলার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানিয়েছিলেন। মুসলিমবিদ্বেষী এই যুবক বৃহস্পতিবার হামলার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে নজরে পড়তে ওই মসজিদে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা নামাজ পড়তে যেতে পারেন এই লক্ষ্য নিয়ে আজ হামলার পরিকল্পনা করেন বলে ধারণা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। নিউজিল্যান্ডের গণমাধ্যম সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় এই গোলাগুলি শুরু হয়। এক বন্দুকধারী জুম্মার আযানের পর স্থানীয় আল নুর মসজিদে হামলা চালায়। হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। ৩ বাংলাদেশিসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

বাংলাদেশ দলের বাস তখন মসজিদের সামনে। ক্রিকেটাররা বাস থেকে নেমে মসজিদে ঢুকবেন, এমন সময় রক্তাক্ত শরীরের একজন মহিলা ভেতর থেকে টলোমলো পায়ে বেরিয়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান। ক্রিকেটাররা তখনো বুঝতে পারেননি ঘটনা কী। তাঁরা হয়তো মসজিদে ঢুকেই যেতেন, যদি না বাসের পাশের একটা গাড়ি থেকে এক ভদ্রমহিলা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বলতেন, ‘ভেতরে গোলাগুলি হয়েছে। আমার গাড়িতেও গুলি লেগেছে। তোমরা ভেতরে ঢোকো না।’

ক্রিকেটাররা তখন বাসেই অবরুদ্ধ হয়ে আটকা পড়ে থাকেন বেশ কিছুক্ষণ। কারণ পুলিশ ততক্ষণে রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। বাসে বসেই তাঁরা দেখতে পান, মসজিদের সামনে অনেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। অনেকে রক্তাক্ত শরীর নিয়ে বেরিয়ে আসছেন মসজিদ থেকে। যা দেখে আতঙ্কে অস্থির হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। কারণ বাসে কোনো নিরাপত্তাকর্মী দূরে থাক, স্থানীয় লিয়াজোঁ অফিসারও ছিলেন না।

বাংলাদেশ দলের মসজিদে ঢোকার কথা ছিল দুপুর দেড়টায়। সংবাদ সম্মেলন শেষ করে যেতে যেতে ১টা ৪০ বেজে যায়। বাংলাদেশ দলের বাস আর ২ মিনিট আগে মসজিদে পৌঁছে গেলে ক্রিকেটাররা সন্ত্রাসী হামলার সময় মসজিদের ভেতরেই থাকতেন। তাহলে কী হতে পারত, আর যা দেখেছেন-দুটি মিলিয়ে মুশফিকুর রহিম হাঁটতে হাঁটতেই অঝোরে কাঁদতে শুরু করেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (57 পয়েন্ট)
না,হামলাকারীর উদ্দেশ্য বাংলাদেশের খেলোয়াররা ছিল না।সে শুধু সেই দেশের মুসলিমদের উপর হামলা করতে চেয়েছিল।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

343,251 টি প্রশ্ন

436,367 টি উত্তর

136,562 টি মন্তব্য

184,903 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...