Muhammad Hijbullah (@হিজবুল্লাহ)

→ প্রিয় নবীর জিয়ারতে চলরে মাদীনা

▢ প্রিয় নবীর জিয়ারতে চলরে মাদীনা...

দূনিয়ায় জান্নাত গো গোলজারে মাদীনা...

গোলজারে মাদীনা... (২বার)


▢ এই জমিনে শূয়ে আছেন দ্বীন ইসলামের রবি..

দো'জাহানের মুক্তি দাতা,কুল আলমের নবি (২বার)

আশিক যাঁহার খোদ ইলাহী মালিক রব্বানা... ঐ


▢ রবি, শশী, আলোকিত উজ্জ্বল যেই নূরে...

যে নূর হাসে গ্রহ-তারায়, হাসে জগৎ জুরে (২বার)

চলরে আজি লুটবারে সেই নূরের খাজিনা...ঐ



→ দেখা দাও রাসূলুল্লাহ তুমি

▢ দেখা দাও রাসূলুল্লাহ তুমি, কাদে আশিক তোমার...

আছো শুয়ে মদিনায় তুমি, ডেকে লও রওজা তোমার ||

রাসূলুল্লাহ! কী উপায় হবে আমার...


▢ ওই মদিনার পথের ধুলি, মাখতাম আমি পেলে সুরমা বলি (২ বার)

ফিরে পেত এ নয়নে নুরেরই আধার, ডেকে লও রওজা তোমার... রাসূলুল্লাহ! কী উপায় হবে আমার... ঐ


▢ তোমার দেশে যায় কত আশেকান, এ অধম পরে আছি বাংলায় অতান (২ বার)

যেতে পারলাম না, আমি দেশেতে তোমার, ডেকে লও রওজা তোমার... রাসূলুল্লাহ! কী উপায় হবে আমার... ঐ

এছাড়া, এখন আমার করণীয়-ই বা কী ?

দোয়েল কিসের প্রতীক ?

হিজবুল্লাহ
Dec 18, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখির প্রতীক।
মানে আমি বলতে চাচ্ছি যে— ঠাণ্ডা যাতে না লাগে, এজন্য করণীয় কী কী ?

প্রকৌশল অর্থ কি?

হিজবুল্লাহ
Oct 17, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
প্রকৌশল শব্দের অর্থ হলো প্রযুক্তিবিদ্যা বা শক্তির প্রয়োগ ও নিয়ন্ত্রণসংক্ৰান্ত ফলিত শাস্ত্র।

দূরবা ঘাসের রস খাওয়ার উপকারিকা কি?

হিজবুল্লাহ
Oct 16, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

দূর্বাঘাসের রসের উপকারিতাঃ

 ১. বমি বমি ভাব বন্ধের জন্য দূর্বা ঘাসের রস ২ থেকে ৩ চামচ ১ চা চামচ চিনির সঙ্গে মিশিয়ে ১ ঘণ্টা পর পর খাবেন। বমি ভাব কেটে গেলে খাওয়া বন্ধ করে দিন।

২. আয়ুর্বেদীয় মতে রক্ত পিত্তে দুর্বা ঘাস মহৌষধ। এই রোগে মুখ, নাক ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন অংশ দিয়ে রক্তস্রাব হতে পারে। এক্ষেত্রে দুর্বা ঘাসের রসের সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে খাওয়ালে রোগের উপশম হয়।

৩. আমাশয়ে দূর্বা ঘাসের রস ২ থেকে ৩ চামচ ডালিম পাতা কিংবা ডালিমের ছালের রস ৪ থেকে ৫ চামচ মিশিয়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ বার খান। এভাবে ১০ থেকে ১৫ দিন খেলে আমাশয় ভালো হয়ে যাবে।

৪. দুর্বা ঘাস শরীরের রেচনতন্ত্রের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রস্রাবে কষ্ট হয় অথচ পাথুরী রোগ হয়নি এইরকম ক্ষেত্রে দূর্বার রস দুধ ও পানি মিশিয়ে খেলে ভাল ফল দেয়। তবে অর্শরোগ থাকলে এটা খাওয়া যাবেনা।

৫. দুর্বা ঘাসের রস দিয়ে চুল ওঠা বন্ধ হয়। একটি পাত্রে এক লিটার নারিকেল তেল মৃদু তাপে জ্বাল করে ফেনা ফেলে নিন। তারপর দূর্বার ঘাসের টাটকা রস ২০০ মিলি সম্পূর্ণ তেলে মিশিয়ে ফের জ্বাল দিন। চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে সংরক্ষণ করুন। গোসলের ১ ঘণ্টা আগে ওই তেল চুলে মাখুন। নিয়মিত ২ থেকে ৩ মাস ব্যবহার করলে চুল পড়া বন্ধ হবে।

তথ্যসূত্রঃ এখানে দেখুন

তাবলীগ করা ফরজে কেফায়াহ-এর অন্তর্ভুক্ত। তাবলীগ মুসলিম মিল্লাতের অতি পরিচিত একটি শব্দ। যার অর্থ প্রচার ও প্রসার। কিয়ামত পর্যন্ত আগত সকল বিশ্ব মানবের নিকট দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছাবার যে গুরু দায়িত্ব মুহাম্মদ (সঃ) কর্তৃক সকল উম্মতে মুহাম্মদীর উপর অর্পিত হয়েছে, পরিভাষায় সেটাকেই তাবলীগ বলে। মূলত রাসূল (সঃ) বিশ্ব মানুষের কাছে দ্বীনের এ দাওয়াত পৌঁছাবার ও প্রচার-প্রসারের মহান দায়িত্ব নিয়েই পৃথিবীতে আগমণ করেছিলেন। যেমন আগমণ করেছিলেন রাসূল (সঃ) এর পূর্বে ১ লক্ষ ২৪ হাজার নবী ও রাসূল। রাসূল (সঃ) কে তাবলীগ করার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন- “হে রাসূল! আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আপনার উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তা আপনি প্রচার করুন। যদি আপনি তা না করেন তাহলে আপনি আল্লাহর বার্তা প্রচার করলেন না।” (সূরা মায়েদা, আয়াত নং ৬৭) তাবলীগ যে সারাদেশের মসজিদ থেকেই করতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। তাবলীগ বাইরে থেকেও করা যায়। রাসূল (সঃ) হলেন সর্বশেষ নবী। তার পর পৃথিবীতে আর কোন নবী আসবে না। তাই বিদায় হজ্বের সময় রাসূল (সঃ) বজ্র কণ্ঠের ঘোষণা فليبلغ الشاهد الغائب তথা “পস্থিত লোকেরা যেন দ্বীনের এ দাওয়াত অনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌছে দেয়” এর মাধ্যমে সমস্ত উম্মতে মুহাম্মদীই তাবলীগ তথা দ্বীন প্রচারের ব্যাপারে দায়িত্বশীল হয়ে যায়। যে ব্যক্তি দ্বীন সম্পর্কে যা জানে তা’ই অন্যের কাছে পৌছে দেয়ার দায়িত্বশীল করে রাসূল (সঃ) ইরশাদ করেনঃ ‘আমার পক্ষ থেকে একটি বাণী হলেও মানুষের কাছে পৌঁছে দাও।’ (তাহাবী শরীফ, হাদীস নং ৫৫৭০, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৬২৫৬, সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৬৯)

দুদক এর প্রধান এর নাম?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
মোঃ দেলোয়ার বখত।

পুরুষের জন্য কি রূপার আংটি ব্যবহার করা জায়েয ?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

পুরুষদের জন্য আংটির মধ্যে কেবলমাত্র রূপার আংটি ব্যবহার করা জায়েয আছে। তবে তা এই শর্তে যে, রূপার পরিমাণে এক মিসকালের চেয়ে কম অর্থাৎ সাড়ে চার মাশার চেয়ে কম হতে হবে। গ্রামের হিসাবে এক মিসকালের পরিমাণ হল ৪.৩৭৪ গ্রাম।(ফাতাওয়া কাযী খান ৩/৪১৩)

তাকদীরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনা বিশেষ উদ্দেশ্যে আংটি ব্যবহার যেমনঃ শনির দশা, রাহুর গ্রাস ও কালের দৃষ্টি থেকে রক্ষা; ফাড়া কাটানো, দূর্ভাগ্য দূর করা, সৌভাগ্য আনয়ন করা; এসব উদ্দেশ্যে আংটি ব্যবহার করা হারাম ও শিরিক। (আহসানুল ফাতওয়া, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা নং ৬৯-৭০)

যেসব ধাতু কাফিরদের সঙ্গে কিংবা তাদের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ যেমন শিশা, পিতল, কাঁসা ও লোহার আংটি ব্যবহার করা মুসলমানদের জন্য মাকরূহ। পিতল, কাঁসা ইত্যাদি ধাতব কাফিরদের মূর্তি নির্মাণ ও আসবাবপত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাদের অনেকে লোহাকে বিশেষ পূজা-অর্চনায় ব্যবহার করে- (ইসলাম বনাম বিজাতির অনুকরণ, হাকিমুল উম্মত ক্বারী তৈয়্যব সাহেব (রহ.) পৃ. ১৭১-১৭)। তাছাড়া দোযখীদেরও শাস্তিস্বরূপ লোহার বেড়ী পরানো হবে।

জনাব! পুরুষদের জন্য রূপার আংটি ব্যবহার করা জায়েয আছে। তবে তা এই শর্তে যে, রূপার পরিমাণে এক মিসকালের চেয়ে কম অর্থাৎ সাড়ে চার মাশার চেয়ে কম হতে হবে। উল্লেখ্য, এক মিসকালের পরিমাণ হল ৪.৩৭৪ গ্রাম।

শরীর সুস্থ রাখার কার্যকরি কিছু উপায় বলুন...?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

সুস্থ থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, তা কেবল অসুস্থ হলেই টের পাওয়া যায়। শরীর সুস্থ না থাকলে মনও ভালো থাকবে না। তাই শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য সচেষ্ট হতে হবে আপনাকেই। আর তার জন্য বাড়তি কিছু করার দরকার নেই। প্রতিদিনের কাজগুলো একটু নিয়ম মেনে করলেই আপনার সুস্থ থাকা ঠেকায় কে!

১. সকালে ভোর ৬ টার পর পরই ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করা উচিত। এতে করে সকালের আলো দেহে ভিটামিন ডি তৈরি করে এবং বাতাস মস্তিষ্ক ও চোখকে সতেজ রাখে।

২. সকালে মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করলে সহজে কোন পেটের রোগও হয় না। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম, হাটাহাটি ও জগিং এর অভ্যাস করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। দেহ থাকে সুস্থ।

৩. সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেহের সুস্থতার জন্য। সকালে ২/৩ গ্লাস পানি পান করা উচিত। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। খালি পেটে চা/কফি পান করবেন না একেবারেই। ভারী নাস্তার শেষে চা/কফি পান করুন।

৪. খাবার খাওয়ার মাঝে কখনোই পানি পান করবেন না। খাবার খাওয়ার পূর্বে পানি পান করে নিন। এতে খাবার কম খাবেন যা দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করবে। খাওয়ার মাঝে পানি পান করলে পরিপাকক্রিয়াতে বাঁধা আসে এবং হজমে সমস্যা হয়। খাবার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করবেন।

৫. দুপুরে খাবার সময় ১ টা এবং রাতে খাবার সময় ৮ টার আগে হওয়া উচিত। কারণ দুপুরে দেরি করে খেলে আপনার খাওয়া বেশি হবে ফলে আপনার ওজন বাড়বে এবং বেশি রাতে খাবার খেলে খাবার ঠিকমত হজম হওয়ার সময় পাওয়া যায় না যা আপনার রাতের ঘুমও নষ্ট করে দেবে। রাতে খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিত।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

বসা থেকে উঠে দাড়ালে মাথা ঘুরায় কেন?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

কীভাবে আপনার মাথা ঘোরা শুরু হয়? এটি কি হঠাৎ করে শুরু হয় এবং অল্প সময় থাকে? যদি তাই হয়, তাহলে সম্ভাব্য কারণের মধ্যে রয়েছেঃ

১. অতিরিক্ত পরিশ্রম

২. অন্তঃকর্ণের রক্তবাহী নালির অস্বাভাবিকতা

৩. অন্তঃকর্ণের প্রদাহ

৪. অস্বাভাবিক দৃষ্টিগত সমস্যা। যেমনঃ অতি উঁচুতে উঠে নিচের দিকে তাকালে এবং চলন্ত ট্রেন বা গাড়ি থেকে প্লাটফর্মের দিকে তাকালে মাথা ঘোরা।

যা যা করবেনঃ

ঘাড় সোজা রাখুনঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ঘাড় ঠিকমতো সোজা না রাখার জন্য মাথা ঘোরে। ঘাড়ে স্পনডাইলোসিসের পরিবর্তন হলে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিগুলোর ওপর চাপ পড়তে পারে এবং এর কারণে দফায় দফায় মাথা ঘোরে। ঘাড়ের শক্তিশালী মাংসপেশি ও ঘাড়ের সুন্দর স্থিতি অবস্থা এটিকে প্রতিরোধ করতে পারে।

অতিরিক্ত পরিশ্রম নয়ঃ আপনি অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে মাথা ঘোরার অভিজ্ঞতা হতে পারে। কাজ করবেন পরিকল্পনা মাফিক এবং আপনার সাধ্যের মধ্যে। কখনো সীমা অতিক্রম করবেন না। আগে চিন্তা করে তারপর কাজে হাত দেবেন।

সুগারের মাত্রা কমাবেন নাঃ কাজের চাপে একবেলার খাবার না খেলে এবং রক্তে চিনির মাত্রা কমে গেলে দ্রুত খেয়ে নিন। রক্তে চিনির মাত্রা কমে গেলে আপনার মাথা ব্যথা ও মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পর্যাপ্ত পানি পান করুনঃ বিশেষ করে, গরমের সময় প্রচুর তরল পান করবেন। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দেয়। তাই শরীর যাতে পানিশূন্য হয়ে না পড়ে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। শরীরকে সব সময় পানিপূর্ণ রাখবেন।

সতর্কতার সঙ্গে ওষুধ খানঃ অনেক ওষুধ আমরা সচরাচর গ্রহণ করে থাকি। যেমনঃ অ্যান্টিহিস্টামিন, অ্যান্টিবায়োটিক, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ ও আলসারের ওষুধ। এসব ওষুধ মাথা ঘোরা উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে। কোনো ওষুধ গ্রহণে এমন সমস্যা হলে ডাক্তারকে জানান, তিনি ওষুধ পরিবর্তন করে দেবেন।

আরও বিস্তারিত জানুন এখান—NTV থেকে।

বিপ্রতীপ কোণ কাকে বলে?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
দুইটি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয়, এদের যেকোনো একটিকে তার বিপরীত কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে।

বাস্তব সংখ্যা কাকে বলে ?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
যে সকল সংখ্যাকে সংখ্যারেখা-র মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়, তাদেরকে বাস্তব সংখ্যা বলে।

হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) 
জন্মঃ ২৯ আগস্ট ৫৭০ খ্রিস্টাব্দ
ইন্তেকালঃ ৮ জুন ৬৩২ খ্রিস্টাব্দ (১১ হিজরী)।

আলাহর হুকুমে কে বানর হয়ে গিয়েছিল?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
আল্লাহর হুকুমে ইয়াহুদীরা বানর হয়ে গিয়েছিল। শনিবারের দিন ইয়াহুদীদেরকে মাছ ধরতে এবং অন্যান্য যে কোনও পার্থিব কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছিল; কিন্তু তারা একটি বাহানা বানিয়ে আল্লাহর নির্দেশকে লঙ্ঘন করল। শনিবারের দিন (পরীক্ষা স্বরূপ) মাছ সংখ্যায় অনেক বেশী আসত। তারা খাল কেটে নিল, তাতে মাছগুলো আটকা পড়ে যেত এবং পরদিন রবিবারে সেগুলো ধরে নিত। এরকম করে আল্লাহর আদেশ অমান্য করায় আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে বানর বানিয়ে দেন৷  আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেনঃ “আর তোমাদের মধ্যে যারা শনিবারের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করেছিল, তাদেরকে অবশ্যই তোমরা জান। অতঃপর আমি তাদেরকে বললাম, ‘তোমরা নিকৃষ্ট বানর হয়ে যাও’।” (সুরা বাক্বারা, আয়াত নং ৬৫)

পায়ের নখকুনি সমস্যা দূর করার কার্যকরি উপায় কী?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
হাতে পায়ের নখের যত্ন নেওয়ার সাথে সাথে নখকুনি সারানোর জন্য কিছু ঘরোয়া উপায় কাজে লাগাতে পারেন| দেখে নিন সেগুলি কী কী ও ঠিক কেমন ভাবে আপনি সেগুলি ব্যবহার করবেন|


১. নারকেল তেলঃ নারকেল তেল এই নখকুনি সারিয়ে তোলার সহজ ও কার্যকরী উপায়| নারকেল তেল সাধারণত আমাদের সবার ঘরেই থাকে| তাই আপনার যদি নখকুনি হয়ে থাকে তাহলে কীভাবে নারকেল তেল প্রয়োগ করবেন দেখে নিন|

২. অলিভ অয়েলঃ অলিভ অয়েলও আপনার নখকুনি সারিয়ে তুলতে ও এর যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে| এছাড়া নিয়মিত অলিভ অয়েল নখে ও তার চারপাশে লাগালে এই ধরনের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়|

৩. বেকিং সোডাঃ বেকিং সোডা নখের যত্ন নিতে বা নখকুনি সরিয়ে তোলার ক্ষেত্রে খুব উপকারী একটি ঘরোয়া উপাদান|নখ ও তার চারপাশের যে কোনো রকম ইনফেকশন এই বেকিং সোডার ব্যবহারে খুব তাড়াতাড়ি সেরে ওঠে| দু ভাবে আপনি বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন নখকুনি সারাতে|

৪. অ্যাপল সিডার ভিনিগারঃ এই উপাদানটিও নখকুনি হলে তা সারিয়ে তোলে খুব সহজেই| এছাড়া এর নিয়মিত ব্যবহার আপনার হাত ও পায়ের নখকে সুরক্ষিত রাখে| বাজারে আপনি খুব সহজেই এই উপাদানটি পেয়ে যাবেন। না হলে অনলাইন আপনার মুশকিল আসান করবে|

তথ্যসূত্রঃ এখানে

কাচা বাদাম খাওয়ার উপকারিতা কী?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

বাজারে অনেক রকমের বাদাম কিনতে পাওয়া যায়। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় বাদামটির নাম চিনাবাদাম। অন্যান্য বাদামের তুলনায় চিনাবাদাম সহজলভ্য বলেই হয়তো অনেকে একে তেমন গুরুত্ব দিতে চান না; কিন্তু খাদ্যগুণে চিনাবাদাম কোনো অংশেই কম নয়। সবচেয়ে বেশি উপকার মিলবে ভাজা বাদামের বদলে কাঁচা বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে।

কাঁচা হজম করতে না পারলে পানিতে ভিজিয়ে খাবেন। বাদামের ওপর পাতলা বাদামি বা খয়েরি রঙের আবরণ থাকে। পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলেই খোসাটা উঠে যায়। গর্ভবতী মহিলা, বাড়ন্ত শিশু ও মেনোপোজ হয়ে গেছে এমন নারীদের জন্যও কাঁচা বাদাম ভীষণ জরুরি। কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।

বাদামের প্রোটিন দেহ গঠনে ও মাংসপেশী তৈরিতে সাহায্য করে। কাঁচা বাদাম কোলন ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার ও হার্টের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, যা হাড় গঠনে সাহায্য করে। বাদামে রয়েছে প্রচুর আয়রন, যা রক্তে লোহিতকণিকার কার্যক্রমে সহায়তা করে। বাদামের ভিটামিন ই এবং ক্যারোটিন ত্বক ও চুল সুন্দর রাখে।

ত্বকে বলিরেখা বিলম্বিত করে। বয়স্ক নারী ও পুরুষের জন্যও বাদাম ভীষণ জরুরি। কারণ, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষ করে আমাদের দেশে ৪০ বছরের পর বেশির ভাগ মানুষের অসটিও পোরোসিস হয়, এই অসুখে হাড় দুর্বল হয়ে যায়, যা পুরো শরীরের ওপর ফেলে ক্ষতিকর প্রভাব। এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রয়োজন দেহের ওজন কমানো, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা ও নিয়মিত ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।

মেনোপোজ হয়ে যাওয়া নারীদের হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। তাঁদের দেহে জরুরি অনেক হরমোন তৈরি হয় না এমন অবস্থায়ও কাঁচা বাদাম হতে পারে আপনার বন্ধু। এতে শরীরের জন্য জরুরি অনেক উপকরণ রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ত্বকে জোগায় পুষ্টি, সাহায্য করে বার্ধক্যকে দূরে ঠেলতে। ত্বকের অসুখগুলোকে দূরে রাখে। দাঁত, হাড়, নখ, চুলকে উজ্জ্বল ও সুন্দর করতে এই বাদামের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

তবে সবাই হজম করতে পারে না। অবশ্যই নিজের হজমক্ষমতা বুঝে বাদাম খান ৷

তথ্যসূ্ত্রঃ Jagonews24.com

'খোকা' কার বাল্যনাম ?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

‘খোকা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাল্যনাম।

তথ্যসূত্রঃ এখানে দেখুন.....  

অল্প দিনে ছুলি থেকে মুক্তির জন্য কি করতে পারি?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

খাবারে অ্যালার্জি, নানা ধরনের রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসা, পোকা মাকড়ের কামড়, চুলকানি, কুষ্ঠ রোগ, ঠান্ডা আবহাওয়া ইত্যাদি নানা কারণে চর্মরোগ হতে পারে। আমরা জানি, ত্বকে কোনো সমস্যা হলে খুব সহজেই তা আমাদের চোখে পড়ে। তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। কেননা তা থেকে মুক্তির উপায়ও রয়েছে। আপনি ঘরোয়া উপায়েই এর স্থায়ী সমাধান পেতে পারেন

ঘৃতকুমারীঃ ঘৃতকুমারীর একাধিক গুণ রয়েছে। ত্বকের যেকোনো সমস্যায় এর রস লাগান, সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। অলিভ অয়েল শুষ্ক ত্বকে সমস্যা অনেক বেশি হয়। অলিভ অয়েলে থাকা ভিটামিন ত্বকে মিশে গিয়ে আর্দ্রতা বজায় রাখে। ফলে নিয়মিত মাখলে ত্বক ভালো থাকে।

বেকিং সোডাঃ বেকিং সোডা দিয়েও ত্বকের নানা সমস্যার সমাধান সম্ভব। আক্রান্ত জায়গায় বেকিং সোডা লাগান। সঙ্গে সঙ্গে জ্বালাপোড়া ভাব ও চুলকানি কমে যাবে।

তুলসীঃ তুলসীর হাজারো গুণ রয়েছে। নানা ধরনের ক্ষত, লাল ছোপ, পোড়া, চুলকানিসহ ত্বকের যেকোনো সমস্যায় তুলসী পাতা বেটে রস লাগালে সঙ্গে সঙ্গে উপকার পাওয়া যায়।

নিমঃ নিমে রয়েছে এমন উপাদান যা যেকোনো জ্বালাময়ী ভাব কমিয়ে দিতে সক্ষম। বিশেষ করে চুলকানি বা ত্বকের লাল ছোপ ইত্যাদি কমাতে নিমের পাতা বিশেষ কাজ করে।

তথ্যসূত্রঃ Jagonews24.com

নিয়মিত ছোলা খাওয়ার উপকার ও উপকারিতা জানতে চাই।?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

কাঁচা ছোলার গুণ হয়তো অনেকেরই জানা। সকালে ব্রেকফাস্টে অথবা সকালে শরীরচর্চা করার পর একমুঠো কাঁচা ছোলা শরীরের সমস্ত ক্লান্তি দূর করে এনার্জি দেয়। এর জন্য প্রাচীনকালে বলবান মানুষরা শরীরচর্চার পর এক মুঠো কাঁচা ছোলা খেত। কাঁচা ছোলা রাতে ভিজিয়ে রাখলে পরের দিন সকালে খেলে উপকার দেয়।

ছোলা ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, খনিজ, লবণ, ফসফরাসের ভালো উৎস, যা শরীরে শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরে রোগব্যাধি দূর করতেও সক্ষম। পুষ্টিগুণে ভরপুর ছোলা খেতেও মন্দ নয়। ছোলা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যায় স্যালাডে অথবা স্যুপ বা ভিন্ন ধরণের রান্নায় দেওয়া যায়।

তবে যেইভাবেই খাই না কেন, ছোলা ভিজেয়ে কাঁচা খাওয়ার মতো উপকার অন্য কিছুতে নেই। তাই আজ এই নিবন্ধটিতে আমরা জানব কাঁচা ছোলার গুণ। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা।

কাঁচা ছোলা রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে উঠে খেলে দেহে এনার্জি বাড়ে। কাঁচা ছোলায় উপস্থিত হাই প্রোটিন দেহের এনার্জির চাবিকাঠি। একটানা অফিসে বসে কাজ করছেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যক্ষমতা শক্তি ধীরে ধীরে হারাতে বসে । নিয়মিত অফিস যাওয়ার সময় সঙ্গে কাঁচা ছোলা রাখবেন। তাতে কাজে এনার্জি পাবেন।

আপনি কি জানেন ওজন কমানোর জন্য কাঁচা ছোলা খুব উপকারি। কাঁচা ছোলায় ক্যালরির পরিমাণ খুব কম থাকে। যা ওজন হ্রাস নিয়ন্ত্রক। এছাড়াও এতে বিদ্যমান প্রোটিন এবং ফাইবার যা খিদে কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। নিয়মিত অল্প পরিমাণে কাঁচা ছোলা সামান্য লেবুর রস দিয়ে খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার হাত থেকে রেহাই পাবেন।

ছোলায় লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বিদ্যমান। যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে বাড়তে বাধা দেয়। এর জন্য ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাঁচা ছোলা খুব উপকারী।

কাঁচা ছোলায় উপস্থিত পুষ্টিগুণ যা হৃদরোগ ভালো রাখতে সহায়তা করে। শরীরে থাকা খারাপ কোলেস্টেরল কারণে আমাদের হার্টের অসুখ হয়। নিয়মিত কাঁচা ছোলা খেলে শরীরের থেকে খারাপ কোলেস্টেরল কমে যায়। যার দরুন আমাদের হৃদয় ভালো থাকে।

তথ্যসূত্রঃ প্রগতির বাংলা

কালোজিরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে ৷ নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা কী ? জেনে নিন ৷

১. নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

৩. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।

৪.  প্রচণ্ড সর্দি হয়ে মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে ?  এ ক্ষেত্রে কালোজিরা পুঁটলিতে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে পুঁটলিতে নেওয়ার আগে তা রগড়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়।

৫.  প্রচন্ড মাথা ব্যথা ? কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়।

৬. কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়।

৭.  কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।

৮.  স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরে খুব কার্যকর।

৯. পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়।

১০. শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

তথ্যসূত্রঃ News18 বাংলা

সিজফ্রেনিয়া কি নিরাময়যোগ্য রোগ?

হিজবুল্লাহ
Oct 13, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
হ্যাঁ, সিজোফ্রেনিয়া রোগটি নিরাময়যোগ্য। আপনি রোগটির নানা উপসর্গ যেমন রোগী ঘুমাতে পারে না, তার কোনো শক্তি বা মানসিক সাহস থাকে না, তার দুঃখবোধ থাকতে পারে বা তিনি হাসির স্খলে কেঁদেও দিতে পারেন ইত্যাদির ওপর গুরুত্বারোপ করুন। আপনি বরং এভাবে বলতে পারেন যে, তোমার সম্ভবত রাতে ঠিকঠাকমতো ঘুম হচ্ছে না তাই তুমি সারা দিন ক্লান্ত ও অবসন্ন কাটাও। কাজেই চলো আমরা একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করি­ এভাবে বারবার নানাভাবে তাকে বোঝাতে হবে। তবে অবশ্যই রোগীকে উত্তেজিত না করে। তখন রোগী অবশ্যই মেনে নেবে যে, ডাক্তার আরো সহায়তা করতে পারবেন এবং ডাক্তার সম্ভবত জজ বা উকিলের মতো যুক্তিতর্কে তার সাথে অবতীর্ণ হবেন না। এরপর মানসিক রোগী যখন ডাক্তার দেখাতে সায় দেবেন তখন তাকে নিয়ে অভিজ্ঞ মনোচিকিৎসক বা সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে দেখা করুন। তিনি নিঃসন্দেহে আপনার রোগীকে নানাভাবে চিকিৎসা সেবা দেবেন। এখন মানসিক রোগীকে যদি কোনোভাবেই রাজি করানো না যায় তবে আপনি নিজে একা মনোচিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কীভাবে আপনার রোগীকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে আনা যায় এ ব্যাপারে ডাক্তার আপনাকে সর্বাত্মক সহায়তা করবেন। মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ জানেন যে, সিজোফেন্সনিয়ার রোগীদের সাথে কী রকম আচরণ করতে হয়। তবে আপনাকে বুঝতে হবে যে, রোগীকে একবার ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে গেল না­রোগীকে আরো অনেকবার মনোচিকিৎসকের কাছে নেয়ার প্রয়োজন পড়বে। কেননা এ রোগটি সারতে সময় যেহেতু একটু বেশি লাগে তাই ওষুধের ডোজ বদলানোর জন্য ও রোগীর সার্বিক অবস্খা মূল্যায়নের জন্য বেশ কয়েকবার মনোচিকিৎসকের কাছে রোগীকে নিয়ে যেতে হবে।

পায়ের গোরালি ব্যাথা?

হিজবুল্লাহ
Oct 12, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

পায়ের গোড়ালি ব্যথা হলে নরম স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। এমন জুতো পড়ুনন, যা আপনার গোড়ালিকে পায়ের আঙুলের থেকে কিছুটা উঁচুতে রাখবে। ব্যথা কমানোর জন্য ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। আক্রান্ত স্থানে গরম সেঁক দিতে পারেন। তবে সমস্যা বেশি মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রয়োজনে আপনাকে ফিজিওথেরাপি নিতে হতে পারে।

কিছু নিয়ম মেনে চলুনঃ

১। ওজন কমান, পায়ের যেকোনো ব্যথা কমাতে এটি কার্যকর।

২। উঁচু হিলের ও শক্ত সোলের জুতা পরিহার করুন। নিচু বা মাঝারি হিলের জুতা বেছে নিন।

৩। পায়ের কিছু স্ট্রেচিং ব্যায়াম শিখে নিন।

৪। যদি ব্যথা হয় তবে ওই সময় হাঁটাহাঁটির পরিবর্তে সাঁতার বা সাইক্লিং ধরনের ব্যায়াম বেছে নিন, যাতে গোড়ালির ওপর ভর দিতে না হয়। পায়ের পাতার নিচে ও গোড়ালির নিচে দিনে তিন–চারবার আইস প্যাক ব্যবহার করলে আরাম পাবেন। একটা বরফের দলা বা ডিপ ফ্রিজে রাখা একটি বোতল পায়ের নিচে বারবার রোল করতে পারেন।

সাধারণ এসব চিকিৎসা ও ব্যথানাশকে ফল না হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো

মাথায় শুধু শুধু নেতিবাচক চিন্তা অাসে?

হিজবুল্লাহ
Oct 12, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

একটি কথা সবার আগে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, আপনার মনের নিয়ন্ত্রক আপনি নিজেই। এটি সত্য যে, জীবনে এমন কিছু সময়ের সম্মুখীন আমাদের হতে হয় যখন ভাগ্যকে দোষ দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকে না।

তাছাড়া, এটি খুব স্বাভাবিক একটি সহজাত মানসিক প্রবৃত্তি; কিন্তু প্রতিনিয়ত যদি আপনি ভাগ্যকে দোষ দিয়ে যান এবং নিজের যোগ্যতার উপর সন্দেহ বা অবজ্ঞা প্রকাশ করতে থাকেন তাহলে সেটা অভ্যাসে পরিণত হতে সময় লাগবে না।

নেতিবাচক চিন্তাকে ছাপিয়ে ইতিবাচক মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ হয়ে ওঠার চেষ্টায় সবার আগে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, বুঝতে চেষ্টা করুন দিনের ঠিক কোন সময়ে এবং কেন নেতিবাচক চিন্তা করা শুরু করছেন?

আপনি যখনই খুঁজে বের করতে পারবেন ঠিক কখন এবং কেন আপনি নেতিবাচক চিন্তা করা শুরু করেছেন তাহলে সেই নেতিবাচক চিন্তার উপর প্রতিফলনও পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।

যখন আপনি আপনার নেতিবাচক চিন্তার কারণ এবং এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত লিখে রাখবেন, পরবর্তীতে তা আপনাকে বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক চিন্তা শুরু করতে সাহায্য করবে।

তাই যখন আপনি আপনার নেতিবাচক চিন্তাধারা নিয়ে সামনে বসবেন, তখন আপনি সহজেই সেই নেতিবাচক চিন্তার পরিবর্তে ইতিবাচক চিন্তা করার সুযোগ পাবেন এবং নিজের ইতিবাচক চিন্তাবোধ প্রসারিত করতে পারেন।

আরও বিস্তারিত জানুন এখান থেকে।

এলারজি কি নির্মুল হয়ে সারেনা?

হিজবুল্লাহ
Oct 12, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

এলার্জি থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে হলে আপনাকে যা যা করতে হবেঃ

১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুঁড়ো করুন এবং তা ভালো করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি কৌটায় ভরে রাখুন। এক চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ নিমপাতার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ ইসবগুলের ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে। কার্যকারিতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না, যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর গোশত, চিংড়ি, কচু, কচুশাক, গরুর দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য খাবার খান। আর সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ।

তথ্যসূত্রঃ Jagonews24.com

ডিপ্রেশন সৃষ্টি হয় কি থেকে?

হিজবুল্লাহ
Oct 12, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

ডিপ্রেশন কী কারণে হয়, এটা নির্দিষ্ট করে বলা অসম্ভব বললেই চলে৷ তবে সাধারণ ভাবে যাচাই করতে গেলে যেসব কারণে ডিপ্রেশন হয়ঃ

১। অসুখী বিবাহ।
২। কর্মস্থলের সমস্যা।
৩। বাসস্থানের সমস্যা।
৪। একাকিত্ব 
৫। মনে অশান্তি, কষ্ট, মন খালি খালি লাগা ও দুশ্চিন্তাবোধ।
৬। নেতিবাচক মনোভাব, সব কিছুতে হতাশা ও নিজের কোনো ভবিষ্যৎ নেই ভাবা।
৭। উৎসাহহীনতা।
৮। আনন্দদায়ক কাজে আনন্দ না থাকা। 
৯। নিজেকে অপরাধী ভাবা।
১০। কাজকর্মে, চলাফেরায় ধীর হয়ে যাওয়া।
১১। মৃত্যুর চিন্তাভাবনা, আত্মহত্যার চিন্তাভাবনা (এমনকি অনেকে এ রোগে আত্মহত্যাও করে বসে)।
১২। মনোযোগহীনতা, বিরক্তি ভাব।
১৩। আত্মবিশ্বাসের অভাব।
১৪। স্মরণ শক্তির সমস্যা।
১৫। সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা।
১৬। শরীর ও মাথাব্যথা।
১৭। ঘুমের সমস্যা।
১৮। খাওয়ায় অরুচি।
১৯। সামাজিক অব-ক্ষয়।
২০। সেক্স সম্বন্ধে উৎসাহ কমে যাওয়া —ইত্যাদি।

লাহিন নামের অর্থ কী ?

হিজবুল্লাহ
Oct 12, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

লাহিন (لَحِن) নামের অর্থ হলোঃ মেধাবী, বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ, বিদ্বান, জ্ঞানী, দূরদর্শী -ইত্যাদি। 

Loading...