user-avatar

সাবাহ আজমান নাহিয়ান

সাবাহআজমাননাহিয়ান

সাবাহআজমাননাহিয়ান এর সম্পর্কে
আমি নাহিয়ান। ঢাকায় থাকি। সাধারণ মানুষ। বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত। ইন্ট্রোভার্ট।
যোগ্যতা ও হাইলাইট
Tejgaon CollegeH.S.C. Student 2020–বর্তমান
পুরুষ
অবিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 872.03k বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 365 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 329.35k বার
দিয়েছেন 494 টি উত্তর দেখা হয়েছে 542.68k বার
28 টি ব্লগ
21 টি মন্তব্য

বিতর নামায কি সুন্নতে মুআক্কাদাহ্?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
Jan 8, 10:25 PM

এ পোস্টে ক্লিয়ারলি উত্তর দেয়া আছে।

ভালোমতো পড়লেই বুঝবেন বিতর নামায সুন্নতে মুআক্কাদাহ্।

দয়া করে আমার এই উত্তরটা পড়ুন। সুবিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে যে কুরআনে পৃৃথিবী গোলাকার বলা হয়েছে।

আজাদ কাশ্মীর ভারত কেন দখল করছেনা ?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
Dec 20, 08:46 PM

মূল তথ্যসূত্র

কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে দু'বার যুদ্ধ হয়েছে। এখন উভয়েই পারমাণবিক শক্তিধর দেশে পরিণত হয়েছে, এবং পুলওয়ামার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও তারা যুদ্ধংদেহি অবস্থানে।


কিন্তু কাশ্মীর নিয়ে ভারত আর পাকিস্তানের এই সংঘাতের কারণ কি? ইতিহাস বলছে, ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তান আর ভারত স্বাধীনতা পাবার আগে থেকেই কাশ্মীর নিয়ে বিতর্কের সূচনা হয়েছিল। 'ইন্ডিয়ান ইনডিপেন্ডেন্স এ্যাক্ট' নামে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির যে পরিকল্পনা তৈরি হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কাশ্মীর তার ইচ্ছে অনুযায়ী ভারত অথবা পাকিস্তান - যে কোন রাষ্ট্রেই যোগ দিতে পারবে। কাশ্মীরের তৎকালীন হিন্দু মহারাজা হরি সিং চাইছিলেন স্বাধীন থাকতে অথবা ভারতের সাথে যোগ দিতে। অন্যদিকে পশ্চিম জম্মু এবং গিলগিট-বালতিস্তানের মুসলিমরা চাইছিলেন পাকিস্তানের সাথে যোগ দিতে।


১৯৪৭ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানের পাশতুন উপজাতীয় বাহিনীগুলোর আক্রমণের মুখে হরি সিং ভারতে যোগ দেবার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, এবং ভারতের সামরিক সহায়তা পান। পরিণামে ১৯৪৭ সালেই শুরু হয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ - যা চলেছিল প্রায় দু'বছর ধরে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ১৯৪৮ সালে ভারত কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করে। জাতিসংঘের ৪৭ নম্বর প্রস্তাবে কাশ্মীরে গণভোট, পাকিস্তানের সেনা প্রত্যাহার, এবং ভারতের সামরিক উপস্থিতি ন্যূনতম পর্যায়ে কমিয়ে আনতে আহ্বান জানানো হয়।


কাশ্মীরে যুদ্ধবিরতি বলবৎ হয় ১৯৪৮ সালে, তবে পাকিস্তান সেনা প্রত্যাহার করতে অস্বীকার করে। তখন থেকেই কাশ্মীর কার্যত পাকিস্তান ও ভারত নিয়ন্ত্রিত দুই অংশে ভাগ হয়ে যায়।


অন্যদিকে ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে চীন কাশ্মীরের আকসাই-চিন অংশটির নিয়ন্ত্রণ কায়েম করে, আর তার পরের বছর পাকিস্তান - কাশ্মীরের ট্রান্স-কারাকোরাম অঞ্চলটি চীনের হাতে ছেড়ে দেয়।


দ্বিতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হয় ১৯৬৫ সালে, এর পর আরেকটি যুদ্ধবিরতি চু্ক্তি হয় । এর পর ১৯৭১-এর তৃতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং ১৯৭২-এর সিমলা চুক্তির মধ্যে দিয়ে বর্তমানের 'লাইন অব কন্ট্রোল' বা নিয়ন্ত্রণ রেখা চূড়ান্ত রূপ পায়। ১৯৮৪ সালে ভারত সিয়াচেন হিমবাহ এলাকার নিয়ন্ত্রণ দখল

ইফতেখার নাইমসহ আরো কয়েকজন আছেন।

(আমিও আছি, কিন্তু একাধিক আইডি'র কারণে আমার আইডি দেড় বছর আগে ব্লকড হয়ে গেছে।)

মোটেও না। বিনা কারণে হত্যা একদমই নিষিদ্ধ। একটা ব্লগের একাংশ দিই (প্লিজ সময় করে পরে পুরোটা পড়ে নেবেন): 

রেফারেন্স: কুরআনের কথা

“তোমরা তাদেরকে যেখানে পাও সেখানেই হত্যা করো”, “যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত লড়াই করে যাও” — কুর’আনে এরকম কিছু আয়াত রয়েছে, যা দেখলে কিছু অমুসলিমদের খুশিতে দাঁত বের হয়ে যায়। তারা এই আয়াতগুলো পড়ে ভাবে, “এই তো পেয়েছি! এইবার মুসলিমরা যাবে কই?” এই ধরনের আয়াতগুলোর আগে-পিছে কিছু না পড়েই, আয়াতগুলোকে কাটছাঁট করে ব্যাপক প্রচার করে, যেন তারা মানুষকে দেখাতে পারে যে, ইসলাম একটি অসহনীয়, আগ্রাসী, অশান্তির ধর্ম, আর তারা নিজেরা কত সাধু।

আসুন দেখি, তারা কী প্রচার করে, আর কুর’আনে আসলে কী বলা আছে—

"যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে, তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর পথে লড়াই করো, কিন্তু সীমা অতিক্রম করবে না। যারা সীমা অতিক্রম করে, তাদেরকে আল্লাহ কখনোই ভালোবাসেন না। তাদেরকে যেখানে পাও সেখানেই হত্যা করো। আর সেখান থেকে বের করে দাও, যেখান থেকে ওরা তোমাদেরকে একদিন বের করে দিয়েছিল। অন্যায় বাঁধা, নির্যাতন (ফিতনা) হত্যার চেয়েও খারাপ। তবে মসজিদুল হারাম-এর কাছে ওদের সাথে লড়াই করবে না, যদি না তারা সেখানে তোমাদের সাথে লড়াই শুরু না করে। আর যদি তারা সেখানে লড়াই করেই, তাহলে তাদেরকে হত্যা করো — অবিশ্বাসীদের এটাই উচিত প্রাপ্য। কিন্তু ওরা যদি বন্ধ করে, তবে অবশ্যই, আল্লাহ অনেক ক্ষমা করেন, তিনি নিরন্তর দয়ালু। যতক্ষণ পর্যন্ত অন্যায় বাঁধা, নির্যাতনের (ফিতনা) অবসান না হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত লড়াই করে যাও। কিন্তু ওরা যদি বন্ধ করে, তাহলে কোনো বিরোধ থাকা যাবে না, শুধু মাত্র অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে ছাড়া।" [আল-বাক্বারাহ: ১৯০-১৯৩]

অন্যায় বাঁধা, নির্যাতন (ফিতনা) হত্যার চেয়েও খারাপ

ইসলাম অন্যায় সহ্য করে না। মুসলিমদের উপর অন্যায় নির্যাতন, নিপীড়ন হচ্ছে, আর মুসলিমরা অন্যায় মুখ বুজে সহ্য করে থাকবে, এটা ইসলামের শিক্ষা নয়। কারণ এভাবে অন্যায়কে প্রশ্রয় দিলে অন্যায় বাড়তেই থাকবে। একটা সময় গিয়ে অন্যায়কারীরা এতটাই শক্তিশালী এবং বেপরোয়া হয়ে যাবে যে, তারা আইনের পরোয়া না করে প্রকাশ্যে অন্যায় করতে থাকবে। কেউ আর তখন প্রতিরোধ করতে সাহস করে এগিয়ে আসবে না। একারণে অন্যায়কে যদি ছোট থাকতেই নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তখন তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অন্যায় প্রতিহত করতে তখন অনেক রক্তপাত ঘটাতে হয়।

মানুষকে হত্যা করা অবশ্যই জঘন্য কাজ। কিন্তু মুসলিমদেরকে আল্লাহর ইবাদত করতে বাঁধা দেওয়া, শুধুই মুসলিম হওয়ার জন্য তাদের উপর অত্যাচার করাটা তাদেরকে হত্যা করার থেকেও খারাপ। হত্যা করলে বরং সেই মুসলিমরা শহীদ হয়ে তাদের প্রভুর কাছে ফিরে যেতে পারে। কিন্তু হত্যা না করে তাদেরকে জীবিত রেখে নির্যাতন করাটা তাদের জন্য বরং আরও বেশি কষ্টের।

যতক্ষণ পর্যন্ত অন্যায় বাঁধা, নির্যাতনের (ফিতনা) অবসান না হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত লড়াই করে যাও
অনেক অমুসলিমরা এই আয়াত দেখিয়ে বলে যে, “দেখেছ? কু’রআন মুসলিমদের বলে যুদ্ধ করতে, যতক্ষণ না তারা সব দেশের মানুষকে মুসলিম বানিয়ে ছাড়ে। সাধে কী আর আমরা বলি যে, ইসলাম প্রসার হয়েছে তলোয়ারের জোরে?”

যারা এই দাবি করেন, তাদের জন্য এই পরিসংখ্যানটি কাজে লাগবে—

১৫০ হিজরিতে (৭৬৭ খ্রিস্টাব্দ) ইরাক ও এর সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত মুসলিমদের সংখ্যা ছিলো সেখানকার মোট জনসংখ্যার আনুমানিক ১৫%-২০%। ২৫০ হিজরিতে (৮৬৪ খ্রিস্টাব্দ) সেখানকার মোট জনসংখ্যার ৩৫%-৪০% ছিলো মুসলিম। প্রথমবারের মতো সেখানকার জনসংখ্যার ৫০%-এর অধিক মুসলিম ছিলো ৩০০ হিজরির কাছাকাছি সময়ে। আর ৩৫০ হিজরির দিকে (৯৬১ খ্রিস্টাব্দ) স্থানীয় মোট জনসংখ্যার আনুমানিক ৭৫% ছিলো মুসলিম [Dr. Sherman Jackson]।

আজকালকার বেশিরভাগ মুসলিমই সেই সময়ের এই চমকপ্রদ পরিসংখ্যানের সাথে পরিচিত নন। এই পরিসংখ্যানই দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে দিচ্ছে যে, তলোয়ারের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের প্রসার ঘটেনি। ইসলামী সাম্রাজ্যের রাজধানী ও এর সংলগ্ন এলাকার অবস্থাই যদি এমন হয়ে থাকে, তাহলে গোটা সাম্রাজ্যের বাদবাকী অঞ্চলের অবস্থা কেমন ছিলো, তা অনুমান করতে আমাদের খুব বেশি কষ্ট হওয়ার কথা নয়।

এই আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, যতক্ষণ ফিতনা বন্ধ না হচ্ছে, ততক্ষণ লড়াই করে যেতে হবে। ফিতনা শব্দটি বিভিন্ন অর্থে কু’রআনে ব্যবহার হয়েছে: কঠিন পরীক্ষা, নির্যাতন, অন্যায় বাঁধা, মতবিরোধ, আগুনে পোড়া, কামনার হাতছানি ইত্যাদি।

ইসলাম মেনে চলতে মুসলিমদের যত বাঁধা, সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, সেগুলোই ফিতনা। যা কিছুই মানুষকে ইসলাম থেকে দূরে নিয়ে যায়, সেটাই ফিতনা। সেটা আজকের যুগে চারিদিকে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়া অশ্লীলতা, অপসংস্কৃতি থেকে শুরু করে সিরিয়াতে মুসলিমদের উপর নির্যাতন, গাজায় ইসরাইলের আক্রমণ, উপমহাদেশে মুসলিমদের উপর সরকারের ব্যাপক অন্যায় আচরণ —এই সব কিছুই ফিতনা।

মক্কার মুশরিকরা মুসলিমদেরকে ইসলাম ত্যাগ করানোর জন্য নানা নির্যাতন করতো। তাদেরকে নামাজ পড়তে দেখলে আক্রমণ করতো। ইসলাম গ্রহণ করেছে শুনলে মরুভূমির প্রখর রোদে তপ্ত বালুতে ফেলে মারধোর করতো। খেতে দিত না। ব্যবসা করতে দিত না, যেন তারা আয় রোজগার শূন্য হয়ে ফকির হয়ে যায়। বাড়ি থেকে বের করে দিত। যতভাবে সম্ভব তারা চেষ্টা করেছে মুসলিমদেরকে ইসলাম ত্যাগ করানোর। এসব ছিল মুসলিমদের জন্য ফিতনা। এই আয়াতে আল্লাহ বলছেন: এই সব ফিতনা দূর না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ করে যেতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত না মুসলিমরা বিনা বাঁধায় আল্লাহর দ্বীন অনুসরণ করতে না পারছে, ততক্ষণ পর্যন্ত সংগ্রাম করে যেতে হবে। দ্বীন অর্থ হচ্ছে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য থেকে গড়ে ওঠা জীবন ব্যবস্থা। ফিতনা মানুষকে দ্বীন অনুসরণ করা থেকে দূরে নিয়ে যেতে চায়, বাঁধা দেয়। একারণে ফিতনা দূর না হওয়া পর্যন্ত মুসলিমরা ঠিকমতো দ্বীন অনুসরণ করতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত মুসলিমদের আল্লাহর দ্বীন মানতে বাঁধাগুলো দূর না হচ্ছে, যাতে করে মুসলিমরা নির্বিঘ্নে দ্বীন পালন করতে পারে, ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু এটা শুধুই প্রত্যক্ষ বাঁধার বেলায় প্রযোজ্য।

ইসলাম ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা মানে এই নয় যে, সব অবিশ্বাসীদের জোর করে ইসলাম গ্রহণ করানো।

কু’রআনে পরিষ্কার বলা হয়েছে—

ধর্মের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। সত্য পথ মিথ্যা থেকে স্পষ্ট হয়ে গেছে।… [আল-বাক্বারাহ ২:২৫৬]
যদি তোমার প্রভু চাইতেন, তাহলে পৃথিবীতে সবাই অবশ্যই বিশ্বাস করত। তাহলে তুমি কি মানুষকে জোর জবরদস্তি করবে বিশ্বাস না করা পর্যন্ত? [ইউনুস ১০:৯৯]
আহলে কিতাবের মানুষদের সাথে সুন্দরভাবে ছাড়া যুক্তিতর্ক করবে না। তবে যারা অন্যায় করে, তাদের কথা আলাদা। বল, “আমরা বিশ্বাস করি যা আমাদের উপর অবতীর্ণ হয়েছে, এবং যা তোমাদের উপর অবতীর্ণ হয়েছে; আমাদের এবং তোমাদের উপাস্য প্রভু একই সত্তা, আমরা তাঁরই প্রতি নিজেদেরকে সমর্পণ করি।” [আল-আনকাবুত ২৯:৪৬]
কোনো মুশরিক (মূর্তি পূজারি, যারা শিরক করে) যদি তোমাদের কাছ নিরাপত্তা চায়, তাহলে তাকে তা দেবে, যেন সে আল্লাহর বাণী শোনার সুযোগ পায়। তারপর তাকে একটা নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাবে। আসলে তারা এমন একটা জাতি, যাদের জ্ঞান নেই। [আত-তাওবাহ ৯:৬]

ইসলাম অন্য সকল ধর্মের মানুষদেরকে নিশ্চয়তা দেয়, যেন তারা তাদের ধর্ম পালন করতে পারে। মুসলিমদের উপর আদেশ হলো বিধর্মীদেরকে ভালো করে বোঝানো, তাদের সাথে সুন্দর ভাষায় যুক্তিতর্ক করা, ইসলামের সৌন্দর্য তাদের কাছে কথা, কাজ, আচরণের মাধ্যমে তুলে ধরা, যেন বিধর্মীরা ইসলামের সৌন্দর্য উপলব্ধি করে ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়।

জোর করে ইসলাম গ্রহণ করানো ইসলাম এবং মুসলিম এই দুটো শব্দের সংজ্ঞারই পরিপন্থী। মুসলিম শব্দের অর্থ: যে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সমর্পণ করেছে। কাউকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার ইচ্ছাকে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করানো যায় না —এটা স্ববিরোধী, অযৌক্তিক কথা। একইভাবে অন্য ধর্মের লোকেরা যেন তাদের ধ্যান, ধারণা, বিশ্বাস, সংস্কৃতি জোর করে মুসলিমদের উপর চাপিয়ে না দেয়। যদি দেয়, সেটা ফিতনা হবে, এবং সেই ফিতনা দূর করতে মুসলিমরা সংগ্রাম করতে পারবে। তবে শর্ত হলো—

কিন্তু ওরা যদি বন্ধ করে, তাহলে কোনো বিরোধ থাকা যাবে না, শুধু মাত্র অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে ছাড়া

কল্পনা করুন, আপনি একজন হিন্দু, ভারতের এক গ্রামে থাকেন, যেখানে মাত্র গুটি কয়েকজন মুসলিম হয়েছে। একদিন আপনি ইসলামের সত্য শিক্ষা খুঁজে পেয়ে নিজে মুসলিম হয়ে গেলেন। গ্রামের মোড়লরা জানতে পারলো যে, আপনি মুসলিম হয়ে গেছেন। ব্যাস, শুরু হলো আপনার উপর অত্যাচার। প্রথমে তারা আপনাকে রাস্তায় দেখলে গালি দিত, ঢিল ছুঁড়ে মারত। তারপরও আপনাকে টলাতে না পেরে, রাস্তায় একদিন আপনাকে একা পেয়ে ব্যাপক মার দিলো। তারপর আপনাকে একদিন মাঠে নামাজ পড়তে দেখে আপনার উপর চড়াও হয়ে আপনাকে টেনে হিঁচড়ে বাজারে নিয়ে গেল, লোকজনদের সামনে আপনাকে চরম অপমান করলো। শেষ পর্যন্ত একদিন রাতের অন্ধকারে কয়েকজন লুকিয়ে এসে আপনার বাড়ি আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিলো। আপনাকে পরিবার সহ বাড়ি ছেড়ে অন্য এক মুসলিমের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিতে হলো। এভাবে বছরের পর বছর ধরে আপনার উপর তারা অত্যাচার করতে থাকলো।

এদিকে গ্রামে মুসলিমদের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছুল যে, মুসলিমরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে তাদের উপর অত্যাচার প্রতিহত করা শুরু করলো। তাদেরকে গ্রামের হিন্দুরা আক্রমণ করলে, তারাও আত্মরক্ষায় উচিত জবাব দেওয়া করা শুরু করলো। এভাবে একসময় মুসলিমরা বেশ শক্তিশালী হয়ে গেল। একটা পর্যায় গিয়ে মুসলিমরা গ্রামের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী হয়ে গেল। তারা এখন ইচ্ছা করলেই গ্রামের হিন্দুদের উপর চড়াও হয়ে বছরের পর বছর ধরে চলা অত্যাচারের প্রতিশোধ নিতে পারে, সব হিন্দুকে গ্রাম ছাড়া করে ছাড়তে পারে। কিন্তু এখন আর হিন্দুরা তাদেরকে আক্রমণ করছে না, ইসলাম মেনে চলতে মুসলিমদেরকে কোনো বাঁধা দিচ্ছে না। তারা মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতা মেনে নিয়েছে। সেই অবস্থায় মুসলিমরা ইচ্ছে করলেও প্রতিশোধ নিতে পারবে না, কারণ আল্লাহ নিষেধ করে দিয়েছেন। প্রতিশোধ নেওয়া তো দূরের কথা, তাদের সাথে কোনো বিরোধ রাখা, কঠোর হওয়া পর্যন্ত যাবে না। শুধুমাত্র যেই হিন্দুরা তখনো অন্যায় করে যাবে, শুধুমাত্র তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিতে পারবে। এতদিন ধরে যারা মুসলিমদেরকে এত কষ্ট দিয়েছে, এত অন্যায় করেছে, তাদেরকে আল্লাহ ছেড়ে দিলেন, শুধুমাত্র এই কারণে যে, তারা এখন আর মুসলিমদেরকে বাঁধা দিচ্ছে না। শুধু তাই না, তাদের জন্য আল্লাহর বাণী—

কিন্তু ওরা যদি থামে, তবে অবশ্যই, আল্লাহ অনেক ক্ষমা করেন, তিনি নিরন্তর দয়ালু।

তাকে ভুলে যান, পুরোপুরিভাবে। বিবাহবহির্ভূত প্রেম অবাধভাবে না করে বিয়ে করে ফেলুন। ১০০% না হোক, অন্তত ৬০% প্রফিট তো হবেই।

লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু / অতি লোভে তাতী নষ্ট।


নিজ থেকে উত্তর দিয়েছি।

বাইবেল কি সত্যিই ঈশ্বরের বাক্য?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
Nov 28, 04:09 PM

হ্যাঁ, কিন্তু গ্রন্থটা বিকৃত। ১০০% সত্য কিছুই পাবেন না। সত্য মিথ্যার মিশ্রণ।

গোসপেল হচ্ছে হলো ইঞ্জিল। তবে ব্যাপারটা হলো গোসপেলসহ আরো কয়েকটা বই নিয়ে বাইবেল বানানো হয়।

ফিফার রেংকিংয়ে বাংলাদেশ কত নম্বরে?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
Nov 28, 03:48 PM

যে উত্তরই দিই না কেন যেকোনো সময়ে ভুল হবে সেটা তো মাস্ট। বর্তমানে ১৮৪, কিন্তু ভবিষ্যতে কত হবে সে ব্যাপারে অনিশ্চিত।

আমি ৫০ টাকা পাচ্ছি না কেন?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
Mar 3, 04:12 PM

https://www.bissoy.com/q/1111111256432

বাদশাজাদা অর্থ কি?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
Jan 6, 09:05 PM

Ezra ইসলাম ধর্মে কি নামে পরিচিত?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
May 31, 03:50 PM

আনোয়ার জাভেদ নামের অর্থ কী?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
May 30, 06:39 PM

সিলেট জেলার জন্ম ও আবিষ্কার কবে?

সাবাহআজমাননাহিয়ান
Mar 22, 10:55 PM