শরিফআহমদ (@শরিফআহমদ)

সুরা বাকারার ১৬ নং আয়াতের তাফসীর জানতে চাই?

শরিফআহমদ
Jul 24, 2019-এ প্রশ্ন করেছেন

ট্যাবলেট ডেসলর কিসের ওষুধ?

শরিফআহমদ
Jul 3, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
সাধারণত অ্যালার্জির লক্ষণগুলির জন্য এবং জ্বর ,লাল, তেজস্ক্রিয় চোখ, ছিঁচকে চলা এবং ফোলা নাক হাইভস এর চিকিৎসার জন্যও ব্যবহার করা হয়। ডেসলর ৫ এম জি ট্যাবলেট এম ডি (Deslor 5 MG Tablet ) অ্যান্টিহস্টামাইনস নামে পরিচিত ঔষধগুলির একটি শ্রেণির অন্তর্গত । এটি হিস্টামাইন নামে পরিচিত শরীরের রাসায়নিক পদার্থকে ব্লক করে কাজ করে, এই পদার্থ শরীরের এলার্জির লক্ষণগুলি সৃষ্টির জন্য দায়ী।

হার্নিয়া রোগ হলে কি লিংগ ছোট হয়ে যেতে পারে?

শরিফআহমদ
Jun 24, 2019-এ প্রশ্ন করেছেন

ইউটিউবে আমার views কে subscriber কে কিভাবে দেখব?

শরিফআহমদ
Jun 24, 2019-এ প্রশ্ন করেছেন

রিকুয়েষ্ট কল নাম্বার বের করার উপায় কি?

শরিফআহমদ
Jun 24, 2019-এ প্রশ্ন করেছেন
উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথাযোগ্য ভরসা রাখ, তবে তিনি তোমাদেরকে সেই মত রুজি দান করবেন যেমন পাখীদেরকে দান করে থাকেন। তারা সকালে ক্ষুধার্ত হয়ে (বাসা থেকে) বের হয় এবং সন্ধ্যায় উদর পূর্ণ করে (বাসায়) ফিরে। [তিরমিযি ২৩৪৪, ইবন মাজাহ ৪১৬৪, আহমদ ২০৫, ৩৭২, (তিরমিযি, হাসান)]
এতদিন পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বা মোটা মানুষের তালিকায় প্রথম ছিলেন মিশরের নারী আহমেদ আব্দেল আতি। তার ওজন ছিলো ৫০০ কেজি। সম্প্রতি ভারতের একটি হাসপাতালে তার অস্ত্রপচার হওয়া তার ওজন কমে দাঁড়িয়েছে ২৫০ কেজিতে। সে হিসেবে বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বা মোটা মানুষ বাংলাদেশের ব্রহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা মাখন মিয়া। তার ওজন ২৭৫ কেজি বলে জানিয়েছেন তিনি। বিবিসি বাংলার সাঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে মাখন মিয়া বলেছেন, ঢাকায় এই সমস্যা নিয়ে অনেক ডাক্তার দেখালেও কোন লাভ হয়নি। দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে হলে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন তা আমার নেই। মাখন মিয়া বলেন, ‘ছোটবেলায় শরীরিকভাবে স্বাভাবিক ছিলাম। ২০ বছর বয়সেও একটু বেশি স্বাস্থ্যবান ছিলাম। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করতে পারতাম। ২০০৩ সালে আমি ঢাকাতে টনসিলের অপারেশন করার পর থেকে ওজন বাড়তে থাকে। দেশে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি। পরর্বীতে তারা আমাকে দেশের বাইরে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু আমার অর্থিক অবস্থা ভালো নয় সে জন্য কোথাও যেত পারিনি।’ ওজনের নির্ভরযোগ্য সত্যতা জানতে চাইলে মাখন বলেন, ‘বছরখানেক আগে একবার ওজন মেপেছিলাম। তখন ওজন ছিলো আড়াইশ’ কেজির মতো। যেহেতু শরীর আরো বাড়ছে তাতে আমি নিজেই বুঝতে পারি ওজন এরকমই হবে।’ চলাচলে প্রায় অক্ষম মাখন মিয়া একশ’ ফুট থেকে দেড়শ’ ফুটের বেশি চলাচল করতে পারেন না। তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় আমি কোন কাজ করতে পারি না। আমার ভাইয়েদের ও অন্যান্যদের সাহায্যে কোনভাবে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বেঁচে আছি।’ বিডিটাইমস৩৬৫ডটকম/জিএম

বুয়েটের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর এর নাম কি?

শরিফআহমদ
Jun 21, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
তৎকালীন কারিগরী শিক্ষা পরিচালক ড. এম. এ. রশিদ প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন। অধ্যাপক এ. এম. আহমেদ প্রকৌশল অনুষদের প্রথম ডীন নিযুক্ত হন। খ্যাতনামা গণিতজ্ঞ এম. এ. জব্বার প্রথম রেজিস্ট্রার ও মমতাজউদ্দিন আহমেদ প্রথম কম্পট্রোলার নিযুক্ত হন। ড. এম. এ. রশিদের যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টি দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।

ফেইসবুকে লাইক কমেন্ট বেশি পেতে কি করতে পারি?

শরিফআহমদ
Jan 24, 2019-এ প্রশ্ন করেছেন

লিংগ মজবুত ও সতেজ রাখতে কি ব্যবহার করতে পারি?

শরিফআহমদ
Jan 22, 2019-এ প্রশ্ন করেছেন
পবিত্র কুরআন যে আল্লাহর বাণী- এতে মুসলমানের বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। এমনকি নীতিবান অনেক অমুসলিমও তা স্বীকার করেন। অবশ্য নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন রচনা করেছেন- এমন ধারণাও পশ্চিমাবিশ্বের অনেকে পোষণ করে! এমনকি পশ্চিমাবিশ্বের যেসব লেখক ইসলামের প্রতি সহমর্মী বলে মনে করা হয়- সেই তারাও মানতে রাজি নন যে, কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত ঐশীবাণী! এখানে সুপ্রমাণিত ঐতিহাসিক তথ্য এবং বুদ্ধি ও বিবেকের আলোকে এবিষয়ে কিছুটা আলোকপাত করা জরুরি মনে করছি- এক. মক্কাবাসী সকলের একথা জানা ছিল যে, নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিরক্ষর; তিনি লিখতে ও পড়তে জানেন না। স্বয়ং কুরআন এ সম্বন্ধে বলছে, ‘সুতরাং তোমরা সবাই বিশ্বাস স্থাপন করো আল্লাহর ওপর, তাঁর প্রেরিত নিরক্ষর নবীর ওপর, যিনি বিশ্বাস রাখেন আল্লাহ এবং তাঁর সমস্ত কালামের ওপর। তাঁর অনুসরণ করো যাতে সরল পথপ্রাপ্ত হতে পার।’ (সূরা আ’রাফ, আয়াত : ১৫৮) নির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণিত আছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স যখন ৪০ বছর এবং ফেরেশতা জিবরাঈল প্রথম ঐশীবাণী নিয়ে আসলেন, ‘ইকরা’ (পড়)- তখন তাঁর সোজা উত্তর ছিল, ‘আমি তো পড়তে পারি না।’ (সহিহ বুখারি : ৪) এটা তো একেবারে শুরুর দিকের কথা, তখন তো পুরো কুরআন নাজিলই হয় নি! সুতরাং নিশ্চয় যেভাবে কুরআন বলছে যে, নবী নিরক্ষর হওয়াটাই এই মহাগ্রন্থ ঐশীবাণী হওয়ার এক জাজ্বল্য প্রমাণ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আপনি তো এর পূর্বে কোনো কিতাব পাঠ করেননি এবং স্বীয় দক্ষিণ হস্ত দ্বারা কোনো কিতাব লিখেননি। এরূপ হলে মিথ্যাবাদীরা অবশ্যই সন্দেহ পোষণ করত।’ (সূরা আনকাবুত, আয়াত : ৪৮) দুই. নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনচরিত অধ্যয়ন করলে আমরা দেখতে পাই, কখনও কখনও তাঁর সামনে কোনো প্রশ্ন বা সমস্যা পেশ করা হয়েছে, কিন্তু ঐশীবাণী ব্যতিরেকে তিনি সেটা সমাধান করতে সক্ষম ছিলেন না। বরং কখনও ঐশীবাণীর অপেক্ষায় সপ্তাহ বা মাস অতিবাহিত করতে হয়েছে আর এজন্য মুশরিকদের গালি ও অপবাদ শুনতে হয়েছে। যদি কুরআন তাঁর নিজেরই রচনা হয়ে থাকে, তবে এই অপেক্ষার কী হেতু ছিল? উদাহরণস্বরূপ দেখুন! মদিনায় মুসলমানগণ প্রথমে বায়তুল মাকদিসের দিকে ফিরে নামাজ পড়তেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আশা ছিল বায়তুল্লাহর দিকে ফিরে নামাজ পড়বেন। কিন্তু তিনি নিজে থেকে কিবলা পরিবর্তন করেননি। বরং আল্লাহ তায়ালার হুকুমের অপেক্ষায় বহুদিন যাপন করেছেন। কুরআন বলছে, ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে বারবার আকাশের দিকে তাকাতে দেখি।অতএব, অবশ্যই আমি আপনাকে সে কেবলার দিকেই ঘুরিয়ে দেব যাকে আপনি পছন্দ করেন। এখন আপনি মসজিদুল-হারামের দিকে মুখ করুন।’ (সূরা বাকারা, আয়াত : ১৪৪) এখানেই শেষ নয়। যখন কিবলা পরিবর্তনের এই ঐশীবাণী মুসলমানদের নিকট পৌঁছে, তখন তারা জামাতে নামাজরত ছিলেন। আদেশ শোনামাত্রই তারা বায়তুল্লাহর দিকে মুখ ফিরিয়ে নেন। সেই মসজিদটি আজও মদিনায় ‘মসজিদে যুল কিবলাতাইন’ নামে সুরক্ষিত আছে। এজাতীয় আরও অনেক দৃষ্টান্ত থেকে প্রতিভাত হয়, কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত ঐশীবাণী। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিজের রচনা হলে এমন অপেক্ষা আর সময় ক্ষেপণের কোনো প্রয়োজনই ছিল না। তিন. ইসলামের দ্বিতীয় মৌলিক উৎস হচ্ছে হাদিস।নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা, কাজ ও সমর্থনকে পরিভাষায় হাদিস বলে।বলাবাহুল্য, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাতৃভাষাই ছিল আরবি। কিন্তু কুরআনের আরবি এবং হাদিসের আরবির মধ্যে আমরা বিরাট তফাৎ লক্ষ করি। কেননা কুরআনের শব্দচয়ন, বাক্যের গাঁথুনি এবং বর্ণনাশৈলী নবীজির দৈনন্দিন জীবনে স্বাভাবিকভাবে কথাবার্তায় ব্যবহৃত আরবির চেয়ে উচ্চাঙ্গের এবং অতুলনীয়।তাছাড়া কুরআনের বাণী নাজিল হওয়ার সময় নবীজির মাঝে বিশেষ অবস্থা পরিলক্ষিত হত।যেমন- চেহারা লালবর্ণ ধারণ করা, তীব্র শীতকালেও শরীর থেকে ঘাম ঝরা এবং কিছুক্ষণের জন্য নীরব হয়ে যাওয়া- এসব তাঁর হাদিস বলার অবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। সুতরাং এসকল ব্যতিক্রম থেকে অনায়াসে বোঝা যাচ্ছে যে, কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত ঐশীবাণী।তথ্যসুত্রঃপরিবর্তন.কম
সাহাবী হযরত জাবের রা. বর্ণনা করেন, একদিন আমাদের পাশ দিয়ে একটি লাশ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে গেলেন। তাঁর দেখাদেখি আমরাও দাঁড়ালাম। আমরা তাঁকে বললাম, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! এ তো এক ইহুদির লাশ!’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘যখন কোনো লাশ নিতে দেখবে, তখন দাঁড়াবে।’ -সহীহ বুখারী, হাদীস : ১৩১১ আরেক হাদীসে এসেছে, হযরত সাহল ইবনে হুনাইফ ও হযরত কায়েস ইবনে সাদ রা. একদিন বসা ছিলেন। তারা তখন কাদিসিয়ায় থাকেন। পাশ দিয়ে একটি লাশ নেয়া হচ্ছিল। তা দেখে তারা দুজনই দাঁড়ালেন। উপস্থিত লোকেরা তাদেরকে জানাল, ‘এ এক অমুসলিমের লাশ।’ তাঁরা তখন শোনালেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশ দিয়েও একবার এক লাশ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিনি যখন তা দেখে দাঁড়ালেন, উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম তখন বললেন, এ তো ইহুদির লাশ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, ﺃﻟﻴﺴﺖ ﻧﻔﺴﺎ অর্থাৎ ‘সে মানুষ ছিল তো?’ -সহীহ বুখারী, হাদীস : ১৩১২ অমুসলিমদের সাথে আচরণে ভদ্রতা ও সৌজন্য রক্ষা করার জন্যে ইসলাম যে উদার নির্দেশনা দেয়, উপরোক্ত হাদীসটিই তার প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট। [1] সমাজবদ্ধভাবে জীবনযাপন করতে গিয়ে নানা শ্রেণির নানা পেশার নানা মত ও পথের মানুষের মুখোমুখি হতে হয়। মুখোমুখি হতে হয় অমুসলিমদেরও। লেনদেন ওঠাবসা চলাফেরা সাহায্য-সহযোগিতা ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে একজন মুসলমান ও একজন অমুসলমানের সাক্ষাৎ হতে পারে। কোনো মুসলিমপ্রধান দেশে অমুসলিমদের বসবাস কিংবা কোনো অমুসলিমপ্রধান দেশে মুসলমানদের বসবাস এখন বিচিত্র কিছু নয়। অমুসলিম ব্যক্তি হতে পারে কোনো মুসলমানের প্রতিবেশী। কোনো অমুসলিম যদি পুরনো ধর্ম ছেড়ে ইসলামের শীতল ছায়ায় আশ্রয় নেয়, তাহলে তো আরও অনেক অমুসলিমের সাথে তার আত্মীয়তার সম্পর্কও থাকবে। বর্তমান সময়ে পৃথিবীতে যেভাবে দলে দলে অমুসলিম ইসলামের ছায়াতলে আসছে, তাতে এ বিষয়টি খুবই প্রাসঙ্গিক। ইসলামে অমুসলিমদের বিরম্নদ্ধে যুদ্ধের বিধানও দেয়া হয়েছে- এ কথা ঠিক, তবে এও অনস্বীকার্য যে, যুদ্ধের ময়দানের বাইরে তাদের নিরাপত্তাদান, তাদের সাথে সৌজন্য বজায় রেখে উত্তম আচরণের কথাও বলা হয়েছে। এমনকি যুদ্ধের মাঠেও যেন অমানবিক আচরণ করা না হয়, যারা যুদ্ধে অংশ নেয়নি তাদেরকে, বিশেষত নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের ওপর যেন হামলা করা না হয়- এ আদেশও দেয়া হয়েছে। যদি কারও কোনো প্রতিবেশী কিংবা কোনো আত্মীয় অমুসলিম হয়, ইসলামের নির্দেশনা হল- তার সাথেও প্রতিবেশী বা আত্মীয়ের হক রক্ষা করে চলতে হবে। পবিত্র কুরআন ও হাদীসে এ দুটি সম্পর্ক রক্ষা করার ওপর যথেষ্ট জোর দেয়া হয়েছে।তথ্যসুত্রঃমাসিক আল কাওছার
আমি বেশ কয়েকটা ব্র্যান্ডব্যবহার করেছি। এর মধ্যে Set Wet ভাল লেগেছে। দামও কম, ৩৫০ টাকা মাত্র
আপনার শরীর দুর্বল হওয়াতে ঘুম ঘুম ভাব হয়,পুষ্টিকর খাবার খেলেও এগুলি ঠিকমত হজম না হওয়াতে কোন কাজে আসছেনা অথএব আপনি গ্যাস থেকে মুক্তি পেতে গ্যাস্টোলিন নামে একটি হোমিও সিরাপ আছে,আমি আমার আম্মুকে খাইয়েছি অনেক ভাল একটি সিরাপ একজন চিকিৎসকের পরামর্শে সিরাপটি সেবন করুন
সাধারণত বেশি ঝাল ও তৈলাক্ত খাবার খাওয়া, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দুশ্চিন্তা, ব্যায়াম না করা ইত্যাদির কারণে পেটে গ্যাস তৈরি হয়। বিভিন্ন ধরনের খাবারের কারণেও গ্যাস হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক – গ্যাস হলে করনীয় : • ঘুমাবেন না : খাবার খাওয়ার সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়বেন না। কারণ খাবার হজম না হলে পেটে গ্যাস তৈরি করে। • ডাল জাতীয় খাবার খাবেন না : গ্যাস হলে যেকোনো ধরণের ডাল যেমন, মসুরের ডাল, বুট, ছোলা, বীণ, সয়াবিন ইত্যাদি খাবেন না। কারণ এগুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, সুগার ও ফাইবার যা সহজে হজম হতে চায় না এবং গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি করে। • তেল জাতীয় খাবার : ডুবো তেলে ভাজা যেকোনো ধরণের তৈলাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। • শাক-সবজি : যে সবজিগুলো সহজে হজম হয় না যেমন, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালং শাকে থাকা রাফিনোজ নামক উপাদান পেটে গ্যাস তৈরি করে। গ্যাস নিরাময়ের উপায় : • ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করুন : নিয়মিত ব্যায়াম কিংবা সময় নিয়ে হাঁটাহাঁটির অভ্যাস করুন। এতে পেটের মধ্যে গ্যাস জমতে পারবে না। • দই বা মাঠা : দইয়ের মধ্যে রয়েছে প্রোবায়টিক উপাদান যা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে গ্যাসের ব্যথা কমিয়ে আনে। এছাড়া মাঠাতে থাকা ল্যাক্টিক এসিড গ্যাসকে স্বাভাবিক করে।তাই প্রতিদিন নিয়মিত মাঠা বা দই খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। • শসা : পেট ঠাণ্ডা রাখতে শসার তুলনা হয় না। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের চাপ কমিয়ে আনে এবং বুকের জ্বালা দূর করে। • আদা : আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার যা গ্যাসের সমস্যা দূর করে। আদা চুষে খেলে কিংবা চা বানিয়ে খেলে এই কষ্ট থেকে রেহাই পাওয়া যায়। গ্যাসের জন্য উল্লেখিত উপায়গুলো অবলম্বনের পরও যদি গ্যাস না কমে তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পদক্ষেপ নিন।
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। ফরজের পাশাপাশি প্রত্যেক ওয়াক্তেই ওয়াজিব, সুন্নাত এবং নফল নামাজ রয়েছে। নামাজের রাকাআত নিয়ে রয়েছে মতপার্থক্য। ন্যূনতম যা পড়া দরকার তার বিবরণ তুলে ধরা হলো- (সালাতুল ফজর) ফজরে প্রথমে দুই রাকাআত সুন্নাত এবং পরে দুই রাকাআত ফরজ। (সালাতুল জোহর) যুহরের নামাজ প্রথমে চার রাকাআত সুন্নাত। তারপর চার রাকাআত ফরজ এবং তারপর দুই রাকাআত সুন্নাত। এ দশ রাকাআত পড়া উত্তম। কেউ কেউ সর্বশেষ দুই রাকআত নফল নামাজও পড়ে। এ হিসেবে জোহরের নামাজ ১২ রাকাআত আদায় করা হয়। (সালাতুল আসর) আসরের নামাজ চার রাকাআত পড়া ফরজ। কেউ কেউ ফরজের পূর্বে চার রাকাআত সুন্নাত নামাজ পড়ে থাকে। (সালাতুল মাগরিব) মাগরিবে প্রথম তিন রাকাআত ফরজ। তারপর দুই রাকাআত সুন্নাত। কেউ কেউ সুন্নাতের পর দুই রাকাআত নফল পড়ে থাকে। (সালাতুল ইশা) ইশার নামাজে চার রাকাআত ফরজ। তারপর দুই রাকাআত সুন্নাত। অতপর তিন রাকাআত বিতর। বিতর পড়া ওয়াজিব। অনেকে ফরজের পূর্বে চার রাকাআত সুন্নাত এবং বিতরের পর দুই রাকাআত নফলও নামাজ পড়ে থাকে। (পরিশেষে) সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে ফজর ৪ রাকাআত; জোহর ১০ রাকাআত; আসর ৪ রাকাআত, মাগরিব ৫ রাকাআত এবং ইশার ৯ রাকাআত নামাজ যথাযথ আদায়ে যত্নবান হওয়া আবশ্যক।

Loading...