user-avatar

লিয়নসরকার

◯ লিয়নসরকার

1.অলস জীবনযাপন করা | 2. অধিক তেলজাতীয় খাবার খাওয়া | 3. আলোর সংস্পর্শে না আসা #
তাড়াতাড়ি দিলে ভালো হয় । কালকে পরীক্ষা ।
আপনি "Romantic Love Story" সাইটটি এড করে পড়তে পারেন ।
log out > forgott pasward > phn number > search > code pathan > mobile a check korun > okhane bosan > new passward din.
বন্ধ করবেন না । উত্তর পাওয়া যায় নি ।

বাংলা ধাতু কয়টি?

লিয়নসরকার
Oct 14, 04:42 PM

ভাষার মূল উপকরণ কী?

লিয়নসরকার
Oct 14, 02:50 PM
সিনকারা সিরাপটি হামদর্দ গ্রুপের একটি পণ্য। সিনকারাতে আছে বিভিন্ন ভিটামিন সমৃদ্ধ গাছ- গাছড়ার নির্যাস। যা হাজারো বছর ধরে শক্তির যোগান দান করে, উদ্দীপনা এবং স্নায়ু ও পেশীর বলবর্ধক হিসেবে প্রচুর ব্যবহৃত হয় এবং বর্ত মানেও ব্যবহার হয়ে আসছে। সিনকারা সম্পূর্ণ গাছ-গাছড়া দ্বারা তৈরী করা হয়। যা দ্রুত রক্তের সাথে মিশে দেহের বিভিন্ন অঙ্গের কোষে পৌঁছে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। সিনকারা সিরাপ বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত করে তার পরে বাজারজাত করা হয়েছে। সিনকারা পরিবারের সকলের জন্য সব ঋতুতে একটি আদর্শক শক্তিবর্ধক ওষুধ হিসাবে সেবন করা যায়। উল্লেখ্য থাকে যে, সিনকারা শিশুর মেধা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে এবং সিনকারা শিশুর শিক্ষণ ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে এটা বিজ্ঞানীরা প্রমান করেছে। মানব দেহের যে কোষগুলো শুকিয়ে গেছে বা কার্যক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে সেসব কোষগুলোকে সজিব ও প্রানওবন্ত করতে সিনকারা ম্যাজিকের মত কাজ করে। আসুন জেনে নেয়া যাক আমরা কেন সিনকারা সিরাপ সেবন করবো এবং এর উপকারীতাঃ উপকারীতাঃ প্রথমেই বলতে হয় ক্ষুধামন্দা নিয়ে, যাদের কোন খাবারের প্রতি রুচি নেই এবং কোন স্বাদ পান না তাদের জন্য সিনকারা বিশেষ ভাবে উপকার করে থাকে। প্রতিদিন আপনি নিয়ম করে সিনকারা সেবন করলে আপনি নিজেই খাবারের পিছনে দৌড়াতে থাকবেন এটা পরিক্ষীত। যাদের দেহে রক্তের প্রবাহ কম বা রক্তচাপ কম তাদের জন্য সিনকারা উপকারী। সিনকারাতে ব্যবহৃত হয়েছে বড় এলাচ, দারুচিনি, ধনিয়া, লবঙ্গ, গোলাপ, জটামাংসী ইত্যাদি যা গর্ভকালীন মায়েদের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও মেয়েদের মাসিকের পরে সিনকারা অত্যান্ত উপকারী যা, অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনের পরে শরীর দূর্বল হয়ে পরে তখন সিনকারা শরীরে স্বাভাবিক শক্তি বা বল ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। যে সব মায়েরা শিশুকে স্তন্যদান করেন তাদের অনেকের মাঝে দেখা যায় শিশু ঠিকমত দুগ্ধ পাই না তাই সে সব মায়েদের সিনকারা সেবন করা উচিৎ কারন সিনকারা দুগ্ধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। সিনকারা এমন একটি ঔষধ যা শিশুর মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ তৈরিতে সহায়তা করে থাকে। বিশেষ পরিক্ষাতে জানা গেছে, সাধারন বাচ্চাদের থেকে সিনকারা সেবন কারী বাচ্চার মেধা বিকাশ ৪৭ শতাংশ বেশি হয়। সিনকারাতে আছে প্রচুর জিংক যা শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য আদর্শ একটি ঔষধ। তাই প্রতিটা গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত সিনকারা সেবন করা উচিৎ। যাদের নিয়মিত ঘুম হয় না, ঘুম কম হবার কারনে মেধা শক্তি লোপ পাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকা, মানসিক দূর্বলতা থেকে মুক্তি পেতে সিনকারা সেবনের কোন জুড়ি নেই। সিনকারা সেবনে রক্তাল্পতার রোগীদের হিমোগ্লোবিন ও আয়রণের মাত্রা কম থাকা সমস্যা থেকে সমাধান করতে সিনকারা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভারতের একটি গবেষণাতে দেখা গেছে সিনকারা ধুমপানের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। যারা অতিরিক্ত ধুমপান করে থাকে তাদের নিয়মিত সিনকারা সেবনের ফলে ধুমপান অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। বৃদ্ধদের হাতের কবজিতে ব্যাথা, পায়ের পাতা ফুলে ওঠলে সিনকারা সেবন করলে অনেক টা মুক্তি পাওয়া যায়। তাছাড়া বৃদ্ধদের বার্ধ্যক্য রোধে সিনকারা ভারতে প্রচুর পরিমানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সর্বশেষেঃ উপরোক্ত বিষয় গুলো ছাড়াও সিনকারা হাজারো রোগের সমস্যা সমাধান করে থাকে, যেমন মাথা ঘোরা, শরীর দূর্বল, অতিরিক্তি হার্ট স্পন্দন, রক্তচাপ, ষ্ট্রোক সমস্যা, চোখে ঝাপসা দেখা, সমঋতি শক্তি বৃদ্ধি সহ নানা রকমের সমস্যা তে সিনকারা ব্যবহৃত হয়।
রসুনকে আদর করে ওয়ান্ডার ড্রাগ নামেই ডাকা হয়। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ রসুনকে নানা কাজে ব্যবহার করেছে। সেই কাজের মধ্যে অবশ্য চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যবহারই বেশী হতো। রসুনে প্রচুর পরিমাণে সালফার যৌগ থাকে থাকে যাকে অ্যালিসিন বলা হয়। এই অ্যালিসিন কিন্তু কাঁচা রসুনেই পাওয়া যায়। অ্যালিসিনের নানা গুণ আছে। জানেন কি, প্রতি ১০০ গ্রাম রসুনে প্রায় ১৫০ ক্যালোরি ও ৩৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৬.৩৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এছাড়া রসুনে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন বি ১, বি ২, বি ৩ ও বি ৬, ফোলেট, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম আর জিঙ্ক থাকে। রোজ সকালে উঠে খালি পেটে এক বা দু’কোয়া রসুন আপনি চোখ বন্ধ করে গন্ধ সহ্য করে খেয়ে ফেলার অভ্যেস যদি করতে পারেন, তাহলে দেখবেন কত্ত উপকারই না পাচ্ছেন! প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মত কাজ করে। বিশেষ করে খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং তখন রসুনের ক্ষমতার কাছে ব্যাকটেরিয়াগুলো হেরে যায়। ফলে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসমূহ আর রক্ষা পায় না। ১) উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ ভাল দেখা যায়। এর কারন রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পায়। ২) অন্ত্রের জন্য ভাল: খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় যেমন- ডায়রিয়া। এই রসুন হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। ৩) শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে: অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন প্যারাসাইট, কৃমি পরিত্রাণ, জিদ, সাঙ্ঘাতিক জ্বর, ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সার এর মত বড় বড় রোগ প্রতিরোধ করতে অনেক উপকারি। ৪) শ্বসন: রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। রসুনের মধ্যে সকল রোগ আরোগ্যের করার উপায় সৃষ্টিকারি উত্স বিদ্যমান রয়েছে। ৫) যক্ষ্মা প্রতিরোধক: রসুনে এতো উপাদান যে যদি আপনার যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুন কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে থাকলে। যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে করা সম্ভাব। ৬) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: রোগ-প্রতিরোধে আপনি যদি প্রতিদিন সকালের খবার খেয়ে এক কোয়া রসুন গিলে ফেলেন। চিবিয়ে খাবেন না, শুধু গিলে ফেলবেন। এর ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ঋতু পরিবর্তনের সময় স্বাস্থ্যগত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। ৭) হজমের সমস্যা মুক্তি: ২/৩ টি রসুনের কোয়া কুচি করে সামান্য ঘিয়ে ভেজে নিন। এটি সবজির সাথে কিংবা এমনি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে করে হজমের নানা সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন। এবং কোস্টকাঠিন্যের সমস্যা সমাধান হবে। ৮) হৃদপিন্ডের সুস্থতায়: হৃদপিন্ডের সুস্থতায় রসুন অনেক উপকার করে থাকে। রসুন কোলেস্টরল কমাতে খুবই সহায়ক। এই কারনে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কম থাকে। সুতরাং হার্ট এর জন্য রসুন অনেক উপকারি। যে প্রতিদিন রসুনের কয়েকটি কোয়া কাঁচা বা আধা সিদ্ধ করে সেবনে কেলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে। আর রক্তচাপ ও রক্তে চিনির মাত্রা ঠিক রাখতেও রসুন কাজ করে। ৯) প্লাক জমাতে বাধা প্রদান করে: রসুন শিরা- উপশিরায় প্লাক জমাতে বাধা প্রদান করে। তাছাড়া রসুন শিরা- উপশিরার মারাত্নক রোগ অথেরোস্ক্লেরোসিসের হাত থেকে রক্ষা করে। শিরা-উপশিরায় রক্ত জমাট বাধাতেও সাহায্য করে। ১০) গিট বাতের সমাধানে: রসুন গিট বাতের রোগে অনেক উপকার করে থাকে। নিয়মিত ২ কোয়া করে খেলে গিটের বাত সেরে যেতে পারে। ১১) শরীরের ফোড়া সারাতে: রসুনের রস শরীরের যে কোন পুজ ও ব্যথাযুক্ত ফোড়া সারাতে সাহায্য করে থাকে। যেখানে এই পুজ বা ফোড়া হবে, সেখানে রসুনের রস লাগিয়ে ১৫মিনিট পরে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেললে অতিতাড়াতাড়ি সেইটার নিরাময় হয়। দাদ,খোস পাচড়া ধরনের চর্মরোগ থেকে রসুন উপকার দেই। চামড়ায় ফোসকা পড়ার যন্তনা থেকে মুক্তি দেয় এই রসুন। ১২) ক্যান্সের প্রতিরোধে রসুন: কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে এই রসুন। গলব্লাডার ক্যান্সার হওয়া থেকেও মুক্ত রাখে। মেয়েদের স্তন ক্যান্সারের ঝুকি কমায়। এমনকি রেক্টাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে। রসুন প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। এই রসুন ইস্ট ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া নিয়মিত রসুন সেবনে শরীরে সব ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। ১৩) ব্রনের সমস্যা দূর করতে: রসুনের মধ্যে অনেক গুন আছে। এটি ব্রনের সমস্যায় অনেক সহায়ক হিসেবে কাজ করে। অনেক সময় শরীরে আঁচিল হয়ে থাকে, এই রসুনের রস আচিলের ক্ষেত্রে উপকার করে। ১৪) পেটের কৃমি নিরাময়ে: রসুন পেটের কৃমি নিরাময়ে অনেক উপকার করে থাকে। সুতরাং রসুন দেহের অভ্যন্তরীণ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং কৃমিধ্বংসকরে। ১৫) রক্ত পরিষ্কার রাখে: রক্ত পরিষ্কারে প্রতিদিন সকালে রসুনের দুটি কোয়া ও এক গ্লাস পরিমাণ গরম জলে সেবন করতে হবে। আর দিনে প্রচুর পরিমাণ জল পান করতে হবে। এতে রক্ত পরিষ্কার হবে এবং ত্বক ভালো থাকবে। আর ওজন কিছুটা কমাতে চাইলে সকালে রসুনের সাথে পান করা গরম জলে কিছুটা লেবুর রস দিতে হবে। ১৬) ঠান্ডা ও জ্বরে: প্রায়ই ঠান্ডা ও জ্বরে পড়েন এমন ব্যক্তিদের জন্য রসুন হতে পারে এক মহৌষধ। শরীর থেকে জ্বর আর ঠান্ডা দূর করতে প্রতিদিন দু-তিন কোয়া রসুন কাঁচা খেতে হবে। এ ছাড়া রান্না করা বা চায়ের সাথেও রসুন খেতে পারেন। আর রসুনের গন্ধ খারাপ লাগলে এর সাথে আদা ও মধু মিশিয়ে নেওয়া জেতে পারে। এভাবে নিয়মিত সেবনে ঠান্ডা ও জ্বর শুধু সাময়িক দূর হবে না বরং শরীরে এগুলোর প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়বে। ১৭) ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুঘটিত রোগ প্রতিরোধে: ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুঘটিত রোগ প্রতিরোধে হাজার বছর ধরেই রসুন ব্যবহৃত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের কৃমি দূর করতে রসুনের নির্যাস ভালো কাজ করে। রসুনের নির্যাস থেকে 'মাউথ ওয়াশ' (মুখের ভেতর পরিষ্কারের তরল) তৈরি করা যায়। এটি নিয়মিত ব্যবহারে মাড়িতে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার বন্ধ হয়ে যায়। ১৮) কাটা সারিয়ে তুলতে: রসুনের অনেক ব্যবহার বিস্তার হয়ে গেছে, যার একটি হলো কাটা সারিয়ে তোলা। কাঠ বা বাঁশে ছোট টুকরো শরীরে কোথাও ঢুকে গেলে তা বের করে সেখানে রসুনের কোয়া কেটে লাগিয়ে দিতে হবে। একই সাথে শরীরের ওই অংশে ব্যান্ডেজ করে দিতে হবে। কয়েকদিনের মধ্যেই সেরে উঠবে ওই কাটা স্থান। ১৯) চোখের যত্নে রসুন: রসুন চোখের ছানি পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে। আবার দাঁতের ব্যথা সারাতে রসুন সহায়তা করে থাকে। ২০) ত্বকের যত্নে রসুনের গুন: রসুনের ওষধি গুণাবলী সম্পর্কে কম বেশি সবারই আমাদের জানা। হার্ট সুস্থ রাখা থেকে শুরু করে ওজন কমানো পর্যন্ত রসুনের ভূমিকা রয়েছে। আপনি কি জানেন ত্বকের যত্নেও রসুনের জুড়ি নেই। ত্বকের যত্নে রসুন! অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়? কিন্তু ব্রণ এবং ব্রণের দাগ নিমিষে দূর করে দিতে পারে এই রসুন। এক কথায় ত্বকের যত্নে রসুনের ব্যবহার অপরিসীম।
হজরত দাউদ আলাইহিস সালামের যুগে সাপ্তাহিক ইবাদাত-বন্দেগির জন্য নির্ধারিত দিন ছিল শনিবার। এ দিন মৎস শিকার নিষিদ্ধ ছিল। মৎস শিকার করা ছিল তাদের পেশা। আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে তারা মৎস শিকার করে। যার পরিণতিতে তাদের চেহারা বানরের চেহারায় পরিবর্তন হয়ে যায়। সে কথা উল্লেখ করে আল্লাহ তাআলা বলেন- Quran তোমরা তাদেরকে ভালরূপে জেনেছ, যারা শনিবারের ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘণ করেছিল। আমি বলেছিলামঃ তোমরা লাঞ্ছিত বানর হয়ে যাও। অতঃপর আমি এ ঘটনাকে তাদের সমসাময়িক ও পরবর্তীদের জন্য দৃষ্টান্ত এবং আল্লাহভীরুদের জন্য উপদেশ গ্রহণের উপাদান করে দিয়েছি। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৬৫-৬৬) এ আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যায় তাফসির কারকগণ বলেন, ইয়াহুদিরা প্রথম কলাকৌশলের অন্তরালে এবং পরে সাধারণ পদ্ধতিতে ব্যাপকভাবে মৎস্য শিকার করতে থাকে। এতে তারা দুই দলে বিভক্ত হয়ে যায়। এক দল ছিল সৎ ও বিজ্ঞ লোক। তারা এ অপকর্মে বাধা দিলেন। তাতে প্রতিপক্ষ বিরত হলো না। অবশেষে সৎ ব্যক্তিরা অবাধ্যদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। এমনকি তারা বাসস্থানও দুইভাগ করে নেয়। একাংশে বসবাস করে অবাধ্যরা। অপরাংশে সৎ এবং বিজ্ঞজনেরা বসবাস করে। একদিন তারা লক্ষ্য করলেন যে, অবাধ্যদের বসতিতে অস্বাভাবিক নিরবতা। তারা সেখানে গিয়ে দেখলেন, সবাই বিকৃত হয়ে বানরে পরিণত হয়েছে। হজরত কাতাদাহ বলেন, অবাধ্যদের যুবকরা বানরের আর বৃদ্ধরা শুকরের পরিণত হয়ে গেছে। রূপান্তরিত বানররা তাদের নিজ নিজ আত্মীয় স্বজনদের চিনত এবং তাদের কাছে এসে অঝোরে অশ্রু বিসর্জন করতো। (কুরতুবী, মারেফুল কুরআন, জালালাইন)
করে। বিয়ে নারীদের জন্য একটি স্বপ্ন আর পুরুষদের জন্য একটি দায়িত্ব। বিয়ে মানুষের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিয়ের মাধ্যেমেই একজন নর এবং একজন নারী পূর্ণতা লাভ বিয়ে হলো সেই রীতিনীতি বা প্রথা বা চুক্তি, যার মধ্য দিয়ে সমাজ একজন পুরুষকে একজন নারীর সাথে অতি ঘনিষ্টভাবে বসবাস, সুখ-দু:খ ও হাসি-কান্না, দৈহিক চাহিদা ভাগাভাগি করে নিতে দেয় এবং সন্তানদের উত্তরাধিকারের স্বীকৃতি প্রদান করে। বিয়ের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে এক মধুর সম্পর্ক সৃষ্টি হয়, যার কারণে তারা একই ছাদের নিচে জীবনের বাকী সময়টা পার করে দিতে পারে। ইসলামে বিয়ে করতে হলে প্রথম যেই বিধানটি মানতে হয় তা হলো, পাত্রী কে অবশ্যই আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী এবং ইসলামের অনুসারী হতে হবে। অন্য কোন উপসনায় বিশ্বাসীদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ইসলামে হারাম করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে সূরা নিসার ২২ থেকে ২৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে, “যারা মূর্তি পূজক এবং শীরককারী তাদের বিয়ে করা হারাম।” একজন মুসলিম পুরুষ ইহুদী বা খ্রিষ্টান মেয়েকে বিয়ে করতে পারবেন, তবে একজন ইহুদী বা খ্রিষ্টান পুরুষকে একজন মুসলিম মেয়ের বিয়ে করা হারাম । এই জন্য সূরা বাকারার ২২১ নং আয়াত লক্ষ্যণীয়। আয়াতে বলা হয়েছে ‘’আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে এবং মুমিন দাসী মুশরিক নারীর চেয়ে নিশ্চয় উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। আর মুশরিক পুরুষদের সাথে বিয়ে দিয়ো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। আর একজন মুমিন দাস একজন মুশরিক পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। তারা তোমাদেরকে আগুনের দিকে আহবান করে, আর আল্লাহ তাঁর অনুমতিতে তোমাদেরকে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে আহবান করেন এবং মানুষের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।’’ কিছু কিছু ইসলামী চিন্তাবীদের মতে (তাওহীদ বাদী আহলে কিতাব), ইহুদী বা খ্রিষ্টান মেয়েদের বিয়ে করা যাবে, যখন মুসলিম নারীদের অভাব হবে। ইসলামে বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী কেমন হবে, সে বিষয়ে উল্লেখ আছে সূরা নূরের ২৬ নং আয়াতে । আল্লাহ্ পাকের সকল নবীগণ বিয়েকে সুন্নাত বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিভিন্ন সমাজ গোত্রে আরো এক ধরনের বিয়ে রয়েছে, যে বিয়েকে অসহায় বা কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ বলা হয়। নবী করীম হুজুরে পাক (সঃ) এই বিয়েকে কেয়ামত অবধি নিষিদ্ধ করেছেন। ইসলামের রীতিতে পাত্র, পাত্রী/উকিল, উভয়পক্ষের লোক উপস্থিত থাকে। বিয়েতে পাত্র- পাত্রী উভয়েরই মতামত নেয়া হয়। কাজী দোয়া ও সূরা পাঠ করে বিয়ে সম্পন্ন করেন এবং উভয়ই বিয়েতে রাজী থাকলে কবুল বলার মাধ্যমে তাদের স্বীকৃতি জানায়। এরপর কাবিন নামায় দস্তখত করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপর অভিভাবকগণ বর এবং কনেকে প্রয়োজনীয় উপদেশ দিয়ে বরের হাতে তুলে দেন এবং বর কনেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। ইসলামে আল্লাহ্ সুবানুতাআলা মেয়েদের প্রতি সুবিচার প্রতিষ্ঠিত করেছেন- ইসলামে কোনো মেয়েকে বিয়ে করলে দেনমোহর দেওয়া আবশ্যক- যা ছেলের ক্ষমতা এবং মেয়ের দাবীর উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। সূরা নিসার ৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে – “তোমরা তোমাদের স্ত্রী’র মোহরানা দিয়ে দাও।” বিয়ের আগে মনে মনে যদি কারও দেনমোহর না দেওয়ার ইচ্ছা থাকে বা কেউ যদি দেনমোহর না দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নিজ স্ত্রীকে ছোঁয়াও তার জন্য জায়েয নয়। দেনমোহর হলো একজন স্ত্রীর প্রতি স্বামীর অধিকার স্থাপন ও ইজ্জতের হাদিয়া এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তার হাতিয়ার, যখন আপনি থাকবেন না। তবে আমাদের সমাজে বিয়েতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা ঢুকে গিয়েছে যা ইসলাম বৈধতা দেয় না। গায়ে হলুদ ও বৌভাত সে রকম কিছু আনুষ্ঠানিকতা। তবে ওয়ালিমা বা বিয়ের পর ছেলের বাড়ীতে খাওয়ার আয়োজন করা ইসলামী সুন্নাত। আমাদের সব সময় খেয়াল রাখা উচিত যেন, বিয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানাদিতে যেন আমরা ইসলাম ও তার শরীয়ত তথা বিধি- বিধান যেন মেনে চলতে পারি।
১. স্যামসাং স্মার্টফোন বাজারের শীর্ষ অবস্থানে আছে স্যামসাং।
বাংলা ভাষায় অনেক বড় শব্দ আছে। অঘটঘটনপটিয়সী (আমার মনে হয় এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়); সবচেয়ে লম্বা ইংরেজি শব্দ হল- Floccinaucinihilipilification .
Floccinaucinihilipilification. এর অর্থ হচ্ছে তুচ্ছ জ্ঞান করা।http://www.google.com/url?q=http://www.beshto.com/questionid/41837&sa=U&ved=2ahUKEwib4IqjhJflAhXHQ30KHTcpAngQFjAHegQIAxAB&usg=AOvVaw0LUbolcBgdQXw0WC_PnWUK
নামাজ কবুল হওয়ার প্রথম শর্ত হলো : হালাল রুজি ।উত্তর : কোরআন ও হাদীস অনুযায়ী হারাম খাদ্যের দ্বারা গঠিত শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। হারাম উপার্জনে অর্জিত শক্তি সামর্থের দ্বারা কৃত কোনো ইবাদতই কবুল হবে না। তবে, ইবাদতের আদেশটুকু পালিত হবে। কবুল হবে না মানে সওয়াব বা প্রতিদান না পাওয়া। এরদ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত না পাওয়া। কিন্তু হারাম উপার্জনওয়ালা ব্যক্তির নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত মাফ নয়। বিধান হিসাবে পালন করতেই হবে। দায়মুক্তি হতে পারে। তবে, কবুল হবে না। এসব আমলের পাশাপাশি তাকে অবিলম্বে হারাম ত্যাগ করতে হবে। হালাল পথ ধরতে হবে। কবুল হবে না বলে ইবাদত ছেড়ে দেওয়া মানুষকে কুফুরীর পথে ঠেলে দেয়। কেননা, এতে সংশোধন না হয়ে বরং আল্লাহর হুকুমের সাথে বিদ্রোহের মনোভাব অথবা নৈরাশ্যের আলামত দেখা যায়। সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতাওয়া বিশ্বকোষ। উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

দ্বিপদীর ক্ষেত্রে?

লিয়নসরকার
Oct 11, 03:14 PM
(1+y)^n ও (x+y)^n এই দুটি সূত্রের মধ্যে কখন কোনটির ব্যবহার করব ।
ছেঁকা খেয়ে বেঁকা , আমার ইচ্ছা করে না , পার্শ্ববর্তী প্রেম নিবেদন , জলিল এর জীবনকাহিনী ।
অক্টোবর ও নভেম্বর এই দুই মাস ভারতে শরৎ ও হেমন্তকাল ।