user-avatar

মোফাহিমহাসানরাতুল

◯ মোফাহিমহাসানরাতুল

এই ডিসেম্বর মাসে কী কী দিবস রয়েছে?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Dec 8, 10:20 AM

পৃথিবী কতটা দ্রুত ঘুরছে?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Dec 5, 06:58 AM
বিস্ময়ে উত্তর দেওয়ার অধিকার সবার আছে । তবে উত্তর দিতে হলে মানসম্মত উত্তর দিতে হবে ।আপনি কী উত্তর দিবেন না দিবেন তাতে তার মাথা মারার কোনো অধিকার নেই ।

দাউদ এর সমস্যা ?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 12:55 PM

 দাদ একটি সংক্রামক চর্মরোগ ইংরেজি: Dermatophytosis তবে "Ringworm" ও "Tinea" নামেও পরিচিত। তবে এর কারণ কোন "worm" বা ক্রিমি নয়। এর কারণ ত্বকের উপরের দিকে (superficially) ছত্রাক সংক্রমণ।

দাদ
Yeartinfection.JPG


দাদ হলে সাধারণত ছত্রাকঘাতী (antifungal) ক্রিমে কাজ হয়। মাথা বা নখে হলে খাবার জন্য বড়ি দেওয়ারও দরকার পড়তে পারে।তবে বেশি হলে কিংবা আপনি ডাক্তারের কাছে  যাওয়া ভালো মনে করেন তাহলে যেতে পারেন ।তবে এজন্য আপনার চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত ।

বিস্ময়ে কারা পদোন্নতি করেন?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 10:22 AM

নিউক্লিক এসিড (ইংরেজি: Nucleic acid) হল জীবকোষের সবচাইতে বড়, অশাখান্বিত, অধিক আণবিক ভরবিশিষ্ট ও পলিমার জাতীয় রাসায়নিক পদার্থ যা জীবের বিভিন্ন প্রকারের জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এটি মূলত অসংখ্য নিউক্লিওটাইডের পলিমার। প্রতিটি নিউক্লিওটাইডের তিনটি অংশ থাকেঃ ৫-কার্বন বিশিষ্ট শর্করা, একটি ফসফেট গ্রুপ এবং একটি নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক। প্রোটিনের সাথে মিলে এই নিউক্লিক এসিড সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক অণু। প্রত্যেক জীবিত বস্তুতেই এদের প্রচুর পরিমাণে দেখতে পাওয়া যায়। এখানে তারা এনকোডিং, ট্রান্সমিটিং ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। সর্বপ্রথম বিজ্ঞানী ফ্রেডরিখ মিশার ১৮৬৯ সালে স্যামন মাছের শুক্রাণুতে নিউক্লিক এসিড আবিষ্কার করেন।নিউক্লিয়াসের মধ্যে সর্বপ্রথম একে দেখতে পাওয়া যায় বলে একে নিউক্লিক এসিড বলা হয়। বর্তমান সময়ের জীববিজ্ঞানের ওপর গবেষণার একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে নিউক্লিক এসিড। এটিই বর্তমানে জিনোম এবং বায়োপ্রযুক্তি ও ফরেনসিক বিজ্ঞানের ভিত্তিস্থাপন করেছে।


 অপরদিকে , প্রোটিন (আমিষ) জৈব বৃহত-অণুর প্রকারবিশেষ। প্রোটিন মূলত উচ্চ ভর বিশিষ্ট নাইট্রোজেন যুক্ত জটিল যৌগ যা অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার। জীন নির্দিষ্ট অনুক্রমে অনেকগুলি আলফা অ্যামিনো অ্যাসিড পেপটাইড বন্ধন দ্বারা পলিপেপটাইড শৃঙ্খল পলিমার তৈরি করে এবং তা সঠিকভাবে ভাঁজ হয়ে একটি প্রোটিন তৈরি হয়।খাদ্যের ছয়টি উপাদানের মধ্যে প্রোটিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন ছাড়া কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব কল্পনা করা সম্ভব নয়। তাই প্রোটিনকে সকল প্রাণের প্রধান উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়। সব প্রোটিনই কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। প্রোটিনকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাঙলে প্রথমে এমাইনো এসিড পরে কার্বন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়। অর্থাৎ অনেক এমাইনো এসিড পাশাপাশি যুক্ত হয়ে একটি প্রোটিন অণু তৈরী করে।

উদ্ভিদের কোন অংশ খাদ্য তৈরি করে?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 09:36 AM

উদ্ভিদের  "পাতা "নামক অংশ খাদ্য তৈরি করে । সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে ।


ভিডমেট ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন । এটা দিয়ে ডাউনলোড করা সহজ।


কমপ্লিট কোড অব লাইফ বলা কোন গ্রন্থ কে?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 07:55 AM

কমপ্লিট কোড অব লাইফ বলা হয় " আল কোরআন" কে।কারণ এতে মানুষের জীবনযাপন ও পরিচালনার জন্য সকল সমস্যার সমাধান রয়েছে । এটি আয়ত্ত করার ফলে মানুষ সুপথে অগ্রসর হয় । তাই আল কোরআন গ্রন্থটি মুসলমানদের জন্য  "কমপ্লিট কোড অব লাইফ " ।


জামিউল কুরআন শব্দের অর্থ কী?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 07:51 AM

জামিউল কুরআন শব্দের অর্থ- "কুরআন সংকলনকরী "

তথ্যসূত্র:গুগল ।

সব কালেমা চাই?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 07:17 AM
ইসলামে মোট ছয়টি কালেমা রয়েছে । প্রথম কালেমা প্রথম কালেমা হচ্ছে কালেমায়ে তাইয়্যেবাঃ ﻵ ﺍِﻟَﻪَ ﺍِﻟّﺎ ﺍﻟﻠّﻪُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٌ ﺭَﺳُﻮُﻝ ﺍﻟﻠّﻪِ বাংলা উচ্চারণঃ লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ। দ্বিতীয় কালেমা হচ্ছে কালেমায়ে শাহাদাতঃ ﺍﺷْﻬَﺪُ ﺍﻥْ ﻟّﺂ ﺍِﻟﻪَ ﺍِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠّﻪُ ﻭَﺣْﺪَﻩ ﻟَﺎ ﺷَﺮِﻳْﻚَ ﻟَﻪ، ﻭَ ﺍَﺷْﻬَﺪُ ﺍَﻥَّ ﻣُﺤَﻤَّﺪً ﺍﻋَﺒْﺪُﻩ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟُﻪ বাংলা উচ্চারণঃ আশ্হাদু আল-লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু-লা- শারীকালাহু ওয়া আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান আ'বদুহু ওয়া রাসূলুহু। তৃতীয় কালেমা তৃতীয় কালেমা হচ্ছে কালেমায়ে তামজীদঃ ﺳُﺒْﺤَﺎﻥ ﺍﻟِﻠّﻪ ﻭَ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻟِﻠّﻪِ ﻭَ ﻵ ﺍِﻟﻪَ ﺍِﻟّﺎ ﺍﻟﻠّﻪُ، ﻭَ ﺍﻟﻠّﻪُ ﺍَﻛْﺒَﺮُ ﻭَﻻ ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻻَ ﻗُﻮَّﺓَ ﺍِﻟَّﺎ ﺑِﺎﻟﻠّﻪِ ﺍﻟْﻌَﻠِﻰّ ﺍﻟْﻌَﻈِﻴْﻢ বাংলা উচ্চারণঃ সুবহানআল্লাহী ওয়ালহামদু লিল্লাহী ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিইল আযীম। চতুর্থ কালেমা হচ্ছে কালেমায়ে তাওহীদঃ ﻻ ﺍﻟﻪَ ﺍِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠّﻪُ ﻭَﺣْﺪَﻩُ ﻻ ﺷَﺮِﻳْﻚَ ﻟَﻪْ، ﻟَﻪُ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ ﻭَ ﻟَﻪُ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻳُﺤْﻰ ﻭَ ﻳُﻤِﻴْﺖُ ﻭَ ﻫُﻮَﺣَﻰُّ ﻟَّﺎ ﻳَﻤُﻮْﺕُ ﺍَﺑَﺪًﺍ ﺍَﺑَﺪًﺍ ﻁ ﺫُﻭ ﺍﻟْﺠَﻠَﺎﻝِ ﻭَ ﺍﻟْﺎِﻛْﺮَﺍﻡِ ﻁ ﺑِﻴَﺪِﻩِ ﺍﻟْﺨَﻴْﺮُ ﻁ ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠﻰ ﻛُﻞِّ ﺷَﺊ ٍ ﻗَﺪِﻳْﺮٌ বাংলা উচ্চারণঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওলাহুল হামদু উহয়ী ওয়া ইয়োমিতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা ইয়ামুতু আবাদান আবাদা জুল জালালি ওয়াল ইকরাম বি ইয়াদিহিল খাইর ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির। পঞ্চম কালেমা ইহা অনুশোচনামূলক বাক্য হিসেবেও পরিচিত। কালেমা-ই-আস্তাগফেরঃ ﺍﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺭَﺑِّﻰْ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﺫَﻧْﺐٍ ﺍَﺫْﻧَﺒْﺘُﻪ ﻋَﻤَﺪًﺍ ﺍَﻭْ ﺧَﻄَﺎً ﺳِﺮًّﺍ ﺍَﻭْ ﻋَﻠَﺎﻧِﻴَﺔً ﻭَﺍَﺗُﻮْﺏُ ﺍِﻟَﻴْﻪِ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺬَّﻧْﺐِ ﺍﻟَّﺬِﻯْ ﺍَﻋْﻠَﻢُ ﻭَ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺬَّﻧْﺐِ ﺍﻟَّﺬِﻯْ ﻻ ﺍَﻋْﻠَﻢُ ﺍِﻧَّﻚَ ﺍَﻧْﺖَ ﻋَﻠَّﺎﻡُ ﺍﻟﻐُﻴُﺐِ ﻭَ ﺳَﺘَّﺎﺭُ ﺍﻟْﻌُﻴُﻮْﺏِ ﻭ َﻏَﻔَّﺎﺭُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮْﺏِ ﻭَ ﻻ ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻻ ﻗُﻮَّﺓَ ﺍِﻟَّﺎ ﺑِﺎﻟﻠّﻪِ ﺍﻟْﻌَﻠِﻰِّ ﺍﻟﻌَﻈِﻴْﻢ ' বাংলা উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বি মিন কুল্লি জামবি আয নাবতুহু আমাদান আওখাতাআন সিররান আওয়ালা নিয়াতান ওয়াতুবু ইলাইহি মিনাযযামবিল্লাজি ওয়ামিনাযযামবিল্লাজি লা আলামু ইন্নাকা আনতা আল্লামুল গুয়ুবী ওয়া সাত্তারুল উইয়ুবী ওয়া গাফফারুজজুনুবি ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আযীম। ষষ্ঠ কালেমা ইহা ইসলামে অবিশ্বাসীদের প্রত্যাখ্যানমূলক বাক্য হিসেবেও পরিচিত। কালেমা-ই-রুদ-ই-কুফরঃ ﺍَﻟﻠّﻬُﻢََّ ﺍِﻧّﻰْ ﺍَﻋُﻮْﺩُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺍﻥْ ﺍُﺷْﺮِﻙَ ﺑِﻚَ ﺷَﻴﺌًﺎ ﻭََّ ﺍَﻧَﺎ ﺍَﻋْﻠَﻢُ ﺑِﻪ ﻭَ ﺍﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُﻙَ ﻟِﻤَﺎ ﻻ ﺍَﻋْﻠَﻢُ ﺑِﻪ ﺗُﺒْﺖُ ﻋَﻨْﻪُ ﻭَ ﺗَﺒَﺮَّﺍْﺕُ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻜُﻔْﺮِ ﻭَ ﺍﻟﺸّﺮْﻙِ ﻭَ ﺍﻟْﻜِﺬْﺏِ ﻭَ ﺍﻟْﻐِﻴْﺒَﺔِ ﻭَ ﺍﻟْﺒِﺪْﻋَﺔِ ﻭَ ﺍﻟﻨَّﻤِﻴْﻤَﺔِ ﻭَ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺣِﺶِ ﻭَ ﺍﻟْﺒُﻬْﺘَﺎﻥِ ﻭَ ﺍﻟْﻤَﻌَﺎﺻِﻰْ ﻛُﻠِّﻬَﺎ ﻭَ ﺍَﺳْﻠَﻤْﺖُ ﻭَ ﺍَﻗُﻮْﻝُ ﻵ ﺍِﻟﻪَ ﺍِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠّﻪُ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺭَّﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠّﻪِ

ইসলামের মূল স্তম্ভ গুলো কী কী?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 05:42 AM





ইসলামের ৫টি মূল স্তম্ভ রয়েছে।এগুলো হলো-


তথ্যসূত্র:উইকিপিডিয়া ।

বিজ্ঞানের বিষয় গুলো কী কী?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 05:33 AM

মানবদেহ সম্পর্কে কিছু তথ্য চাই?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 05:18 AM

ঈদের দিনের সুন্নত কী কী?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 05:10 AM


ঈদের দিনের সুন্নত কাজ সমূহ -

1 .অতি প্রত্যুষে শয্যাত্যাগ করা।
2 .মিসওয়াক করা ও গোসল করা।
3 .নিজের সাধ্য অনুযায়ী উৎকৃষ্ট পোশাক পরিধান করা।
4. আতর ব্যাবহার করা।
5. সাধ্য পরিমাণ খাওয়া - দাওয়া ও ধুমধাম করা  ।
6. ঈদের নামাযে যেতে অযথা বিলম্ব না করা।
7. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে কিছু মিষ্টান্ন খাওয়া। ঈদুল আযহার নামাজের পূর্বে কিছু না খেয়ে নামাজের পর যথাসম্ভব পশু কুরবানী করা । কুরবানীর গোশত দ্বারা আহার করা ।
8. ঈদগাহে এক পথে একপথে যাওয়া আর ফিরবার সময় অন্য পথে আসা ।
9. অসুবিধা না থাকলে পায়ে হেটে ঈদগাহে যাওয়া।
10. ঈদগাহে গমনের পূর্বেই ছদকায়ে-ফিতর আদায় করা।
11. ঈদের নামায কোনো ময়দানে পড়া।
12.ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পথে নীরবে তাকবীর বলা আর ঈদুল আযহার দিন উচ্চস্বরে তাকবীর বলে। 

তথ্যসূত্র:ইসলামিক অ্যাপ ।

সুরা রহমানের ফযীলত কী কী?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 02:29 AM

In a complicated relationship এর অনুবাদ কী?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 02:17 AM


In a complicated relationship এর বাংলা অনুবাদ- "খুবই একটা জটিল ও আক্রমণাত্মক সম্পর্ক ।"  তথ্যসূত্র:GOOGLE TRANSLATE  APP.


ইজতেবা কাকে বলে?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 02:10 AM

যে তওয়াফের পর "সাঈ" করতে হয় , সে তওয়াফের পূর্বে গায়ের চাদরখানিকে ডান বগলের নীচ দিয়ে এমনভাবে টেনে পরবে,যাতে চাদরের উভয় আঁচল বাম কাধেঁর উপর থাকে আর ডান কাঁধ খালি থাকে । একে "ইজতেবা" বলে।

তথ্যসূত্র:ইসলামিক বই ।


"সাঈ" কাকে বলে?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 02:05 AM

কাবা শরীফের পূর্ব দিকে সাফা ও মারওয়া নামক দুটি পাহাড় আছে । এই দুটি উত্তর-দক্ষিণে আছে । অর্থ্যাৎ মারওয় উত্তর দিকে ও সাফা দক্ষিণ দিকে।হযরত ইব্রাহিম (আঃ) তাঁর স্ত্রী হযরত হাজেরা ও হযরত ইসমাইলকে আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী এই দুটি পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে রেখে গিয়েছিলেন । অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁদের সঙ্গের পানি নিঃশেষে ফুরিয়ে যায় । তারপর পানির সন্ধানে হযরত হাজেরা (আঃ) এ পাহাড়দ্বয়ের মধ্যস্থলে সাতবার ছুটাছুটি করেন । তাঁর এই করুণ স্মৃতিকে অমর খমকরে রাখার জন্য আল্লাহ হাজীদের উপর এ পাহাড়ের মধ্যে ছুটাছুটি করা ওয়াজিব করে দিয়ছেন । পাহাড়দ্বয়ের মধ্যস্থলে এই ছুটাছুটি করাকে "সাঈ" বলে ।

হাঁস-মুরগি কোন রোগে বেশি মারা যায়?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 01:30 AM

রংধনু কিভাবে তৈরি হয়?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 22, 01:29 AM

বৃষ্টির কণা বা জলীয় বাষ্প-মিশ্রিত বাতাসের মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো যাবার সময় আলোর প্রতিসরণের কারণে বর্ণালীর সৃষ্টি হয়। এই বর্ণালীতে আলো সাতটি রঙে ভাগ হয়ে যায়। এই সাতটি রঙ হচ্ছে বেগুনী (violet), নীল (indigo), আসমানী (blue), সবুজ (green), হলুদ (yellow), কমলা (orange) ও লাল (red); বাংলাতে এই রংগুলোকে তাদের আদ্যক্ষর নিয়ে সংক্ষেপে বলা হয়: বেনীআসহকলা আর ইংরেজিতে VIBGYOR. এই সাতটি রঙের আলোর ভিন্ন ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে এদের বেঁকে যাওয়ার পরিমাণে তারতম্য দেখা যায়। যেমন লাল রঙের আলোকরশ্মি ৪২° কোণে বাঁকা হয়ে যায়। অন্যদিকে বেগুনী রঙের আলোকরশ্মি ৪০° কোণে বাঁকা হয়ে যায়। অন্যান্য রঙের আলোক রশ্মি ৪০° থেকে ৪২°'র মধ্যেকার বিভিন্ন কোণে বাঁকা হয়। এই কারণে রামধনুররঙগুলোকে একটি নির্দিষ্ট সারিতে সবসময় দেখা যায়।

প্রাথমিক উজ্জ্বল রামধনুর একটু উপরে কম উজ্জ্বল আরেকটি গৌণ রামধনু দেখা যায়, যাতে রংগুলি বিপরীত পরিক্রমে থাকে। এই দুই ধনুর মধ্যবর্তী আকাশ (আলেক্সান্ডারের গাঢ় অঞ্চল) বাকি আকাশের থেকে একটু অন্ধকার হয়, তবে ভালো করে লক্ষ না করলে এই তারতম্য নজর এড়িয়ে যেতে পারে।

যুগ্ম রংধনু ও অন্তর্বর্তী গাঢ় অঞ্চল

বছরে কোন কোন দিন রোজা রাখা হারাম?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 21, 04:23 PM

বছরে তথা 365 দিনের মধ্যে মাত্র 5 দিন রোজা রাখা হারাম। সেগুলো হচ্ছে দুই ঈদের দুই দিন,ঈদুল আযহা তথা কোরবানির ঈদের পরবর্তী তিন দিন । অর্থাৎ , জিলহজ্জ মাসের 11,12 ও 13 তারিখ রোজা রাখা হারাম।    


তথ্যসূত্র:ইসলামিক অ্যাপ।


কোন দেশে সাপের কামড়ে বেশি মারা যায়?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 21, 04:18 PM

আয়াতুল কুরসির গুরুত্ব আলোচনা করুন?

মোফাহিমহাসানরাতুল
Oct 21, 04:17 PM

কুরআন পাকের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত  হলো, আয়াতুল কুরসী । এ আয়াতের মধ্যে আল্লাহর সত্তাবাচক ও  গুণবাচক নামের সমাবেশ রয়েছে । আয়াতুল কুরসীতে আল্লাহর প্রভুত্ব,একাত্ববাদ,জীবন,জ্ঞান,স্থায়ীত্ব, কুদরত,অভিপ্রায় ইত্যাদি গুণাবলির বর্ণনা করা হয়েছে ।তার আয়াতুল কুরসী পাঠ করা খুব প্রয়োজন ।


☆ হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে - প্রত্যেক বস্তুর একটা মূল বা চূড়া আছে । পবিত্র কুরআন  শরীফের শীর্ষ সূরা হলো সূরা বাকারা এবং উত্তম আয়াত হলো আয়াতুল কুরসী । (তিরমিজি শরীফ)


☆ হযরত উবাই ইবনে কা'ব (রাঃ) হতে বর্ণিত - একদা রাসূলে পাক (সাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন,"হে আবুল মোনজের ! পবিত্র কুরআনে কোন আয়াতটি তোমার কাছে  সর্বশ্রেষ্ঠ বলে মনে হয়? আমি বললাম "আয়াতুল করসী" ।আমার উত্তর শুনে হুযুর (সাঃ) তাঁর পবিত্র হাত দ্বারা আমাকে বুকে মৃদু আঘাত করে বললেন,"হে আবুল মোনজের ! কি উত্তম জ্ঞানই না তুমি অর্জন করেছ !"


☆ হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে , যে ব্যাক্তি প্রত্যেক নামাযের পর আয়াতুল কুরসী পড়বে,তার বেহেশতে প্রবেশে মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাধাঁ থাকবে না ।


☆অন্য এক হাদীসে বর্ণিত আছে - যে ব্যাক্তি সকালে ও নিদ্রায় যাবার কালে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে , আল্লাহ হবেন তার রক্ষক , দিন ত রাতের মধ্যে শয়তান তার অনিষ্ট করতে পারবে না ।


☆আবার, বাসগৃহ বা দোকান গৃহ ইত্যাদির দরজায় অত্র আয়াত লিখে লটাকয়ে রাখলে উপার্জন বৃদ্ধি হয় এবং চোর-ডাকাত প্রবেশ করতে পারবে না।


তাই  অত্র আয়াতটি  অর্থ্যাৎ আয়াতুল করসী খুবই গুরুত্বপূর্ণ।