ভাই দয়াকরে সবাই আমাকে সাহায্য করে প্লিজ?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Jan 14, 04:37 AM

ভাই, দেখুন পৃথিবীতে অনেক কিছুই বিশ্বাস করে চলতে হয়। আপনার গার্লফ্রেন্ড যেহেতু খোলা মনে বিষয়গুলো আপনাকে শেয়ার করেছে, যার অর্থ হল সে মিথ্যা বলেনি। আর সে আপনাকে অনেক বিশ্বাস করে বলেই কথাগুলো বলেছে। আর তার সাথে যদি খারাপ আচরণ করা হত, তাহলে সে বিষয়টা আপনার সামনে উত্থাপনইই করতো না।

‘নিয়ত’ অর্থ ‘সংকল্প’। ছালাতের শুরুতে নিয়ত করা অপরিহার্য। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ﺇﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﺄَﻋْﻤَﺎﻝُ ﺑِﺎﻟﻨِّﻴَﺎﺕِ ﻭَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻟِﻜُﻞٍّ ﺍﻣْﺮِﺀٍ ﻣَّﺎ ﻧَﻮَﻯ ... ‘সকল কাজ নিয়তের উপরে নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাই-ই পাবে, যার জন্য সে নিয়ত করবে’....। [সহীহুল বুখারী, ১ম খন্ড, হা/০১] অতএব ছালাতের জন্য ওযূ করে পবিত্র হয়ে পরিচ্ছন্ন পোষাক ও দেহ-মন নিয়ে কা‘বা গৃহ পানে মুখ ফিরিয়ে মনে মনে ছালাতের দৃঢ় সংকল্প করে স্বীয় প্রভুর সন্তুষ্টি কামনায় তাঁর সম্মুখে বিনম্রচিত্তে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। মুখে নিয়ত পাঠের প্রচলিত রেওয়াজটি দ্বীনের মধ্যে একটি নতুন সৃষ্টি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছালাতে এর কোন স্থান নেই। অনেকে ছালাত শুরুর আগেই জায়নামাযের দো‘আ মনে করে ‘ইন্নী ওয়াজ্জাহ্তু... ’ পড়েন। এই রেওয়াজটি সুন্নাতের বরখেলাফ। মূলতঃ জায়নামাযের দো‘আ বলে কিছু নেই।
হ্যাঁ, আপনার উল্লেখিত দু'টি পদ্ধতিই দ্রুত ইংলিশ ভোকাবিউলারী আয়ত্বের ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর। তবে সবার আগে দরকার, আপনার ধারাবাহিকতা। একদিন অনেকগুলো ওয়ার্ড আয়ত্ব করে যদি কয়েকদিনের বিরতি দেন, সেক্ষেত্রে আপনার সফল হওয়া সম্ভব না। আর যদি আপনি প্রাথমিক শিক্ষার্থী হোন, সেক্ষেত্রে বলবো, আপনি এত বিস্তারিত না শিখে শুধু অর্থসহ ওয়ার্ডগুলো মুখস্থ করে নিন। পরে না হয় বিস্তারিত জানবেন। আর দ্রুত ভোকাবিউলারি আয়ত্বের জন্য সব সময় কাছে একটা নোটবুক রাখুন, যাতে কঠিন কঠিন ওয়ার্ডগুলো লিখে রাখতে পারেন। এবং রাস্তা-ঘাটে চলার পথে একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। এভাবেই আপনার ভোকাবিউলারীর ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ!

কি নামে ডাকবো প্রেমিকাকে?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
May 13, 11:34 PM
দেখুন, কি নামে ডাকলে আপনার প্রেমিকা খুশী হবে তা সম্ভবত আপনার চেয়ে অন্য কেউ ভাল বলতে পারবেননা। তবে আপনাদের প্রেম যদি সত্যিকারের হয়, তাহলে যেকোনো সম্বোধনেই আপনার প্রেমিকা আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন। তারপরেও জান, সোনা, ময়না পাখি ইত্যাদি সম্বোধনে মেয়েরা একটু বেশিই খুশী হয়। ধন্যবাদ।
বল্টু : এক বোতল রক্ত দিন তো। নার্স : রক্তের group বল। বল্টু : যেকোন একটা group হলেই চলবে। নার্স : ( অবাক হয়ে ) কি করে চলবে...?? বল্টু : . . . . . . . . . . গার্লফ্রেন্ড কে রক্ত দিয়ে লাভ লেটার লিখবো। <>--------------------------------<> -----------------------------------<> বউ সন্দেহ করছে তার স্বামীর সাথে কাজের মেয়ের অবৈধ স্বম্পর্ক আছে। শিওর হওয়ার জন্য সে কাজের মেয়েকে ১ দিন ছুটি দিল কিন্তু স্বামীকে এটা বলল না। রাতে স্বামী বাসায় এসে ঘুমোতে যাওয়ার সময় স্ত্রী আদর পেতে চাইলে।... স্বামী বললো : আমার শরীর টা ভালো না। আজ থাক। এই বলে সে ঘুমিয়ে পড়লো। স্ত্রী ঘুমের ভান করে জেগে থাকলো। মাঝরাতে স্বামী উঠে পাশের রুমের সবার জন্য কমন টয়লেটে গেল। স্ত্রী তখন কাজের মেয়ের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো এবং লাইট বন্ধকরে দিল। একটু পর একজন এসে কিছু না বলেই সরাসরি একশনে চলে গেল! কাজ শেষ হওয়ার পর লাইটজ্বালিয়ে।... স্ত্রী বললো : তুমি নিশ্চয় আমাকে এই বিছানায়আশা করোনি! 'অবশ্যই না ম্যাডাম' বললো কাজের ছেলে আবুইল্লা! ল্যাও ঠ্যালা... <>--------------------------------<> -----------------------------------<> না পড়লে মিস করবেন,,, বৌয়ের কাছে স্বামীর চিঠি... প্রিয়তমা, আমি এই মাসে অফিস থেকে এখনো বেতন পাইনি, তাই টাকা পাঠাতে পারলাম না। তার পরিবর্তে ১০০টা kiss পাঠালাম, আমার সুইট হার্ট রাগ কর না প্লিজ.... ইতি তোমার প্রিয়তমা স্বামি....... উত্তরে বৌ...... আমার প্রিয় জানু, তোমার ১০০টা kiss-এর জন্য ধন্যবাদ। খরচের বিস্তারিত নিচে জানালাম: ১। দুধওয়ালা ১ মাসে ২টা kiss-এ রাজি হয়েছে। ২। বিদ্যুৎ বিল বাবদ ৭টা kiss দিয়ে কোন রকম বিদায় করেছি। ৩। বাড়িওয়ালা প্রতিদিন এসে ২-৩টা করে kiss নিয়ে যাচ্ছে ভাড়ার পরিবর্ত। ৪। দোকানদার শুধু kiss-এ রাজি না হওয়ায় তাকে অন্য কিছু দিয়ে সন্তুষ্টা করতে হয়েছে। ৫।অনান্য খরচ বাবদ আরো ৪০টা kiss দিতে হয়েছে। তুমি একদম চিন্তা করো না। আমার কাছে এখনো তোমার দেয়া ৩৫ টা kiss আছে। আশা করি মাসের বাকিটা চালিয়ে নিতে পারব। আগামী মাসেওএভাবে চালিয়ে নিব কিনা জানাবে। ইতি YOUR SWEET HEART.. <>--------------------------------<> -----------------------------------<> এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসল। মেয়ে : হ্যালো. ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে?? মেয়ে: হ্যাঁ আছে কিন্তু আপনি কে?? ছেলে : আমি তোর ভাই, দাঁড়া আজকে বাড়িতে আসি তোর খবর আছে!!! কিছুক্ষণ পর মেয়েটির নিকট আবার অপরিচিত নাম্বার থেকে আরেকটি কল আসল- মেয়ে : হ্যালো! ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে?? মেয়ে : না। ছেলে : তাহলে আমি কে?? মেয়ে: স্যরি স্যরি জান! আমি মনে করেছি এটা আমার ভাই। ছেলে : আমি তোর ভাই-ই, আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!!

প্রশ্ন ছিল ঃ "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"- কোরআনের এই বানী ঐরকম করে লেখা করআন অবমাননার শামীল -এই কথাটা কি শরিয়ত সম্মত? উত্তর দিয়েছনঃ এ ব্যাপারে কোনো ফতোয়া পাইনি, আল্লাহ্‌ ভালো জানেন, আমার মনে হয়না এতে কোনো সমস্যা আছে, কেননা সংক্ষিপ্ত রুপটি মূল আয়াতের অর্থ বিকৃত করেনা। আর খুব কমন হওয়ায় যে কেউ এটা দেখেই বুঝতে পারে। এটা যদি অবমাননাকর হতো তাহলে (স.), (র.), (রা.), MD ইত্যাদি সবই বর্জন করা হতো। কিন্তু স্বয়ং ইসলামি বইয়েও এরকম সংক্ষিপ্ত রুপের ব্যবহার দেখা যায়। এখন আমি প্রশ্নকারী প্রশ্ন হল কোরআনের বাণীর সাথে মানুষের নামের উদাহরণের দেয়ার কি যুক্তিকতা থাকতে পারে। তাই আমি এ ব্যাপারে একজন অভিজ্ঞ মুফতি মোহাদ্দেসের মাধ্যমে উত্ত্র জানতে চাই?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Mar 13, 08:48 AM
ভাই, "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" বাক্যটি যেহেতু কুরআনের আয়াত, তাই এভাবে আংশিক লিখে (.......) দেওয়া নিঃসন্দেহে আদবের খেলাফ। কেননা পূর্ববর্তী কোন সলফে সালেহীনের লিখিত কিতাবে এমনটা পাওয়া যায়না। পূর্ববর্তীদের কেউ এভাবে সংক্ষিপ্তরূপ (রাঃ), (সাঃ) ইত্যাদি লিখতেন না। কিন্তু বর্তমান যুগে অনেক ইসলামী বইয়ে এমনটা দেখা যাচ্ছে, যা বর্জনীয় এবং আদবের খেলাফ। দুয়া পুরোটা লিখার আরেকটি উপকারিতা হল, এর কারণে পাঠকেরা বার বার এগুলো পড়ার সুযোগ পায়। তাছাড়া অনেকেই এভাবে ..... দেখে হয়তো ভিতরের অংশটা আর পড়েইনা, ফলে নগদ নেকী থেকে বঞ্চিত হয়। এখানে প্রশ্ন হতে পারে, অনেক বড় বড় আলেম উলামারা যে এমনটা লিখেন? উত্তরে বলবো, কতিপয় আলেম অনুচিত কোন কাজ করলেই রাতারাতি তা শরীয়ত হয়ে যায়না। আমাদের আদর্শ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সলফে সালেহীন। আল্লাহ আমাদের হক্ব বুঝার তাওফিক দিন- আমীন!
মহান আল্লাহ এরশাদ করেন, الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ 'যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।' (সূরা বাক্বারা-১৫৬) এ আয়াত থেকে বুঝা যায়, যে কোন বিপদ দেখলে "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন" বলতে হয়। তাই অমুসলিমের লাশ দেখার পরেও এই দোয়াটি পড়তে হবে। একইভাবে রাস্তা-ঘাটে চলতে ফিরতে কোন বিপদ দেখলেও এই দোয়া পড়তে হয়। উল্লেখ্য যে, এই দোয়া দ্বারা মৃত ব্যক্তির কল্যাণ কামনা করা হয়না, বরং নিজেকে আল্লাহর জন্য সপে দেওয়ার স্বীকৃতি দেওয়া হয় মাত্র।

প্রশ্ন ছিল ঃ "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"- কোরআনের এই বানী ঐরকম করে লেখা করআন অবমাননার শামীল -এই কথাটা কি শরিয়ত সম্মত? উত্তর দিয়েছনঃ এ ব্যাপারে কোনো ফতোয়া পাইনি, আল্লাহ্‌ ভালো জানেন, আমার মনে হয়না এতে কোনো সমস্যা আছে, কেননা সংক্ষিপ্ত রুপটি মূল আয়াতের অর্থ বিকৃত করেনা। আর খুব কমন হওয়ায় যে কেউ এটা দেখেই বুঝতে পারে। এটা যদি অবমাননাকর হতো তাহলে (স.), (র.), (রা.), MD ইত্যাদি সবই বর্জন করা হতো। কিন্তু স্বয়ং ইসলামি বইয়েও এরকম সংক্ষিপ্ত রুপের ব্যবহার দেখা যায়। এখন আমি প্রশ্নকারী প্রশ্ন হল কোরআনের বাণীর সাথে মানুষের নামের উদাহরণের দেয়ার কি যুক্তিকতা থাকতে পারে। তাই আমি এ ব্যাপারে একজন অভিজ্ঞ মুফতি মোহাদ্দেসের মাধ্যমে উত্তর জানতে চাই?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Mar 13, 08:23 AM
ভাই, "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" বাক্যটি যেহেতু কুরআনের আয়াত, তাই এভাবে আংশিক লিখে (.......) দেওয়া নিঃসন্দেহে আদবের খেলাফ। কেননা পূর্ববর্তী কোন সলফে সালেহীনের লিখিত কিতাবে এমনটা পাওয়া যায়না। পূর্ববর্তীদের কেউ এভাবে সংক্ষিপ্তরূপ (রাঃ), (সাঃ) ইত্যাদি লিখতেন না। কিন্তু বর্তমান যুগে অনেক ইসলামী বইয়ে এমনটা দেখা যাচ্ছে, যা বর্জনীয় এবং আদবের খেলাফ। দুয়া পুরোটা লিখার আরেকটি উপকারিতা হল, এর কারণে পাঠকেরা বার বার এগুলো পড়ার সুযোগ পায়। তাছাড়া অনেকেই এভাবে ..... দেখে হয়তো ভিতরের অংশটা আর পড়েইনা, ফলে নগদ নেকী থেকে বঞ্চিত হয়। এখানে প্রশ্ন হতে পারে, অনেক বড় বড় আলেম উলামারা যে এমনটা লিখেন? উত্তরে বলবো, কতিপয় আলেম অনুচিত কোন কাজ করলেই রাতারাতি তা শরীয়ত হয়ে যায়না। আমাদের আদর্শ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সলফে সালেহীন। আল্লাহ আমাদের হক্ব বুঝার তাওফিক দিন-আমীন!
ভাই, সাধারণত ইসলামী শরীয়তে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরাই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরেও অনেক সময় অনভিজ্ঞদের দ্বারা দু একটা প্রশ্নের উত্তর হয়ে গেলেও পরবর্তীতে সংশোধনের চেষ্টা করা হয়। কেন? আপনার কোন প্রশ্নের ব্যাপারে কনফিউশন থাকলে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।
ইসলাম এ ধরণের কর্মকাণ্ড মোটেও সমর্থন করেনা। বিভিন্ন পীর-ফকীরেরা এধরনের শির্কী কাজ করে থাকে। যা না রাসূলের যুগে ছিল, না সলফে ছালেহীনের যুগে ছিল।

রুহুল আমীন এই নামের অর্থ কি?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Feb 12, 12:11 PM
রুহুল আমীন অর্থ- পবিত্র আত্মা। পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীসে জিবরীল আমীনের উপনাম হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন সূরা আল-কদরে মহান আল্লাহ এরশাদ করেন- تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ "এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।"

মানুষ মৃত মানুষকে ভয় করে কেন?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Feb 11, 04:58 AM
প্রকৃত মুমিন কখনোই মৃত্যুকে ভয় পায়না। তার জন্য এটা সমুচিনও নয়। যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি উদাসীন তারাই কেবল মৃত্যুকে ভয় পায়। কারণ তারা জানে, দুনিয়াতে যে অপকর্ম করেছে, তাতে আল্লাহর কাছে মুক্তি পাওয়ার কোনই উপায় নাই। তাই তারা মৃত্যুকে এত ভয় পায়। অথবা একশ্রেণীর লোক যারা ধর্মে-কর্মে বিশ্বাস করেনা, তাদের কাছে জীবন মানে 'খাই-দাই ফূর্তি কর, দুনিয়াটা মস্ত বড়'। তারাও মৃত্যুকে ভয় পায়!
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রামাযান মাসের ২৩, ২৫ ও ২৭ তিন রাত্রি মসজিদে জামা‘আতের সাথে তারাবীহর ছালাত আদায় করেছেন। প্রথম দিন রাত্রির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত, দ্বিতীয় দিন অর্ধ রাত্রি পর্যন্ত এবং তৃতীয় দিন নিজের স্ত্রী-পরিবার ও মুছল্লীদের নিয়ে সাহারীর আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ছালাত আদায় করেন। [ আবুদাঊদ, তিরমিযী প্রভৃতি, মিশকাত হা/১২৯৮ ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘রামাযান মাসে রাত্রি জাগরণ’ অনুচ্ছেদ-৩৭] এ থেকে বুঝা যায়, সর্ব প্রথম রাসূল (সাঃ) তারাবীহর ছালাত আদায় করেছিলেন, তবে বর্তমানে জামায়াতবদ্ধভাবে যে তারাবীহর ছালাত আদায় করা হয়, তা ওমর (রাঃ) -ই শুরু করেছিলেন। যেহেতু রাসূলের মৃত্যুর পর আর ফরয হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যেমন, ইমাম শাফেঈ, আবু হানীফা, আহমাদ ও কিছু মালেকী বিদ্বান এবং অন্যান্য বিদ্বানগণ বলেন, তারাবীহর ছালাত জামা‘আতে পড়া উত্তম, যা ওমর (রাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম চালু করে গেছেন এবং এর উপরেই মুসলমানদের আমল জারি আছে। রাকা'আত সংখ্যাঃ রামাযান বা রামাযানের বাইরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হ’তে রাত্রির এই বিশেষ নফল ছালাত তিন রাক‘আত বিতরসহ ১১ রাক‘আত ছহীহ সূত্র সমূহ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। যেমন আয়েশা (রাঃ) বলেন, ﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺰِﻳْﺪُ ﻓِﻲْ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﻭَﻻَ ﻓِﻲْ ﻏَﻴْﺮِﻩِ ﻋَﻠَﻰ ﺇِﺣْﺪَﻯ ﻋَﺸْﺮَﺓَ ﺭَﻛْﻌَﺔً، ﻳُﺼَﻠِّﻲْ ﺃَﺭْﺑَﻌًﺎ ﻓَﻼَ ﺗَﺴْﺄَﻝْْ ﻋَﻦْ ﺣُﺴْﻨِﻬِﻦَّ ﻭَﻃُﻮْﻟِﻬِﻦَّ ﺛُﻢَّ ﻳُﺼَﻠِّﻲْ ﺃَﺭْﺑَﻌًﺎ ﻓَﻼَ ﺗَﺴْﺄَﻝْ ﻋَﻦْ ﺣُﺴْﻨِﻬِﻦَّ ﻭَﻃُﻮْﻟِﻬِﻦَّ ﺛُﻢَّ ﻳُﺼَﻠِّﻲْ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻣﺘﻔﻖ ﻋﻠﻴﻪ - অর্থ : রামাযান বা রামাযানের বাইরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রাত্রির ছালাত এগার রাক‘আতের বেশী আদায় করেননি। তিনি প্রথমে (২+২) [ মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/১১৮৮ ‘রাত্রির ছালাত’ অনুচ্ছেদ-৩১।] চার রাক‘আত পড়েন। তুমি তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। অতঃপর তিনি (২+২) চার রাক‘আত পড়েন। তুমি তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। অতঃপর তিন রাক‘আত পড়েন।[ (১) বুখারী ১/১৫৪ পৃঃ, হা/১১৪৭; (২) মুসলিম ১/২৫৪ পৃঃ, হা/১৭২৩; (৩) তিরমিযী হা/৪৩৯; (৪) আবুদাঊদ হা/১৩৪১; (৫) নাসাঈ হা/১৬৯৭; (৬) মুওয়াত্ত্বা, পৃঃ ৭৪, হা/২৬৩; (৭) আহমাদ হা/২৪৮০১; (৮) ছহীহ ইবনু খুযায়মা হা/১১৬৬; (৯) বুলূগুল মারাম হা/৩৬৭; (১০) তুহফাতুল আহওয়াযী হা/৪৩৭; (১১) বায়হাক্বী ২/৪৯৬ পৃঃ, হা/৪৩৯০; (১২) ইরওয়াউল গালীল হা/৪৪৫-এর ভাষ্য, ২/১৯১-১৯২; (১৩) মির‘আতুল মাফাতীহ হা/১৩০৬-এর ভাষ্য, ৪/৩২০-২১।] অবশ্য বন্ধ হওয়ার পরে পুনরায় জামা‘আত চালু হয় সম্ভবত: নব প্রতিষ্ঠিত ইসলামী খেলাফতের উপরে আপতিত যুদ্ধ-বিগ্রহ ও অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে ১ম খলীফা হযরত আবুবকর ছিদ্দীক্ব (রাঃ)- এর সংক্ষিপ্ত খেলাফতকালে (১১-১৩ হিঃ) তারাবীহর জামা‘আত পুনরায় চালু করা সম্ভবপর হয়নি। ২য় খলীফা হযরত ওমর ফারূক (রাঃ) স্বীয় যুগে (১৩-২৩ হিঃ) রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে এবং বহু সংখ্যক মুছল্লীকে মসজিদে বিক্ষিপ্তভাবে উক্ত ছালাত আদায় করতে দেখে রাসূল (ছাঃ)-এর রেখে যাওয়া সুন্নাত অনুসরণ করে তাঁর খেলাফতের ২য় বর্ষে ১৪ হিজরী সনে মসজিদে নববীতে ১১ রাক‘আতে তারাবীহর জামা‘আত পুনরায় চালু করেন।[ মির‘আত ২/২৩২ পৃঃ; ঐ, ৪/৩১৫-১৬ ও ৩২৬ পৃঃ।]
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রামাযান মাসের ২৩, ২৫ ও ২৭ তিন রাত্রি মসজিদে জামা‘আতের সাথে তারাবীহর ছালাত আদায় করেছেন। প্রথম দিন রাত্রির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত, দ্বিতীয় দিন অর্ধ রাত্রি পর্যন্ত এবং তৃতীয় দিন নিজের স্ত্রী-পরিবার ও মুছল্লীদের নিয়ে সাহারীর আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ছালাত আদায় করেন। [ আবুদাঊদ, তিরমিযী প্রভৃতি, মিশকাত হা/১২৯৮ ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘রামাযান মাসে রাত্রি জাগরণ’ অনুচ্ছেদ-৩৭] পরের রাতে মুছল্লীগণ তাঁর কক্ষের কাছে গেলে তিনি বলেন, ‘আমি ভয় পাচ্ছি যে, এটি তোমাদের উপর ফরয হয়ে যায় কি-না ( ﺧَﺸِﻴْﺖُ ﺃَﻥْ ﻳُّﻜْﺘَﺐَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ) আর যদি ফরয হয়ে যায়, তাহ’লে তোমরা তা আদায় করতে পারবে না’...। [ মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/১২৯৫ ‘রামাযান মাসে রাত্রি জাগরণ’ অনুচ্ছেদ-৩৭।] এ থেকে বুঝা যায়, সর্ব প্রথম রাসূল (সাঃ) তারাবীহর ছালাত আদায় করেছিলেন, তবে বর্তমানে জামায়াতবদ্ধভাবে যে তারাবীহর ছালাত আদায় করা হয়, তা ওমর (রাঃ) -ই শুরু করেছিলেন। যেহেতু রাসূলের মৃত্যুর পর আর ফরয হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যেমন, ইমাম শাফেঈ, আবু হানীফা, আহমাদ ও কিছু মালেকী বিদ্বান এবং অন্যান্য বিদ্বানগণ বলেন, তারাবীহর ছালাত জামা‘আতে পড়া উত্তম, যা ওমর (রাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম চালু করে গেছেন এবং এর উপরেই মুসলমানদের আমল জারি আছে।
মারয়াম (আঃ)-ই একমাত্র মহিলা, যিনি জিবরীল আমীনের সাথে কথা বলেছেন। যেমন পবিত্র কুরআনে এসেছে- قَالَتْ أَنَّىٰ يَكُونُ لِي غُلَامٌ وَلَمْ يَمْسَسْنِي بَشَرٌ وَلَمْ أَكُ بَغِيًّا অর্থাৎ 'মরিইয়াম বললঃ কিরূপে আমার পুত্র হবে, যখন কোন মানব আমাকে স্পর্শ করেনি এবং আমি ব্যভিচারিণীও কখনও ছিলাম না ?' (সূরা মারয়াম-২০)

কুফরি যাদু কিভাবে কাজ করে?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Feb 10, 09:34 AM
যাদু বহু প্রাচীন কাল থেকে চলে আসা একটি কুফুরী প্রথা। স্বয়ং রাসূলুল্লাহর উপরও ইহুদীরা হিংসা করে যাদু করেছিল। এর মাধ্যমে তাকে পৃথিবীর বুক থেকে চিরদিনের জন্য সড়ানোর ষড়যন্ত্র করেছিল। সূরা নাস, ফালাক্ব দিয়ে তাঁকে ঝাড়ফুঁক করা হয়েছিল। সুলাইমান (আঃ) এর যুগে যাদুর ব্যাপক প্রচলন ছিল। পূর্বে বানী ইসরাইলের মাঝে পরীক্ষার জন্য হারূত ও মারূত নামে দু'জন ফেরেস্তাকে প্রেরণ করা হয়েছিল। কুফুরী যাদু মানুষের উপর খুব ধীর গতিতে প্রভাব ফেলে। যাদুর এ প্রভাব ধীরে ধীরে মানুষের প্রাণ শক্তিতে রুপ নেয়। এ যাদু বিদ্যার মন্ত্র, আচার অনুষ্ঠান ও বিধি নিষেধের মাধ্যমে বর্বর মানুষগুলো ভাগ্য, দুর্ঘনা, ভয়, জয়, পরাজয় নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। আজও মানুষ যুক্তি ও বিজ্ঞানের পদ্ধতিতে অনেক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ফলে লোক সমাজে নানা বিশ্বাসে যে শেকড় আঁকড়ে আছে তার প্রভাব থেকে লোকসমাজ আজও মুক্ত নয়। যাদু তার মধ্যে অন্যতম একটি। বিভিন্ন মন্ত্র, সংখ্যা, দুর্বোধ্য লেখা, কখনো আবার কুরআনের আয়াতের অংশ দিয়ে শয়তান কাফের জ্বীনদের সাথে যোগাযোগ করে। ঐ দুর্বোধ্য লেখাগুলোতে মারাত্মক রকমের শিরকি ও কুফুরী কথাবার্তা লেখা থাকে। শয়তান জিনেরা ইবলিসের অনুসারী, আর ইবলিস ও তার অনুসারীদের সাথে আদম (আঃ) ও তার সন্তানদের চিরদিনের শত্রুতা হয়েছিল, যেই দিন থেকে আদম (আঃ) কে সিজদাহ করতে অবাধ্য হয়ে ইবলিস কাফের ও চিরঅভিশপ্ত হয়েছিল। তাই, শিরক ও কুফরী করে কোন মানুষ কাফের হয়ে গেলে, ইবলিস ও তার অনুসারীরা তাকে সাহায্য করে, এই সাহায্যের একটা অংশ হচ্ছে “যাদু”, যা আসলে জ্বীনেরা বিভিন্ন কাজ করে মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করে। মানুষকে ধোঁকায় ফেলে কুফুরী কাজে নিমজ্জ্বিত করে। আল্লাহ আমাদের এ ধরনের কুফুরী কাজ থেকে হেফাযত করুন। আমীন!

আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চাই?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Feb 10, 01:49 AM
এটা অনেকটাই অসম্ভব। কেননা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত তাদের নিজ নিজ ডিপার্টমেন্ট থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করা সেরা ছাত্রদের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দিয়ে থাকে। তার চেয়ে ভাল হয়, বি সি এস দেওয়ার মাধ্যমে সরকারী কলেজে নিয়োগ পাবার চেষ্টা করা। তারপরও আপনি যদি খুব জিনিয়াস হন, সেক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষতা করতে পারেন।
ইসলামে সকল ধরণের বাদ্যযন্ত্রই হারাম। তবে ইসলামে দফ বাজিয়ে বিয়ে প্রচারের জন্য গান গাওয়া আর তাতে মানুষদের উদ্ধুদ্ধ করা বৈধ। দলিল: রাসূল (সাঃ)বলেন: ﻓَﺼْﻞُ ﻣﺎ ﺑَﻴْﻦَ ﺍﻟْﺤَﻠَﺎﻝِ ﻭَﺍﻟْﺤَﺮَﻡِ ﺿَﺮْﺏُ ﺍﻟﺪَّﻑِ ﻭَﺍﻟﺼَّﻮْﺕُ ﻓِﻲ ﺍﻟﻨِّﻜَﺎﺡِ ‏( ﺭﻭﺍﻩ ﺃﺣﻤﺪ ) হারাম ও হলালের মধ্যে পার্থক্য হল দফের বাজনা। এই শব্দে বুঝা যায় যে, সেখানে বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। (আহমাদ) এছাড়া ঈদের দিন ছোট ছোট অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকাদের দ্বারা গান শ্রবণ করা ও বৈধ। দলীল- আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত: ﺩَﺧَﻞَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻠَﻴْﻬَﺎ ﻭَﻋِﻨْﺪَﻫَﺎ ﺟَﺎﺭِﻳَﺘَﺎﻥِ ﺗَﻀْﺮِﺑَﺎﻥِ ﺑِﺪَﻓَّﻴْﻦِ ‏( ﻭَﻓِﻲ ﺭِﻭَﺍﻳَﺔٍ ﻋِﻨْﺪِﻱ ﺟَﺎﺭِﻳَﺘَﺎﻥِ ﺗُﻐَﻨِّﻴَﺎﻥِ ‏) ﻓَﺎﻧْﺘَﻬَﺮَﻫُﻤَﺎ ﺍﺑُﻮْﺑَﻜﺮٍ ﻓَﻘﺎﻝَ ﺻَﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺩَﻋْﻬُﻦَّ ﻓَﺎﻥَّ ﻟِﻜُﻞِّ ﻗَﻮْﻡٍ ﻋِﻴْﺪًﺍ ﻭَﺇﻥَّ ﻋِﻴْﺪَﻧَﺎ ﻫَﺬﺍ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡ ‏( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ) একদা রাসূল সা. তাঁর ঘরে প্রবেশ করেন। তখন তার ঘরে দুই বালিকা দফ বাজাচ্ছিল। অন্য রেওয়ায়েতে আছে গান করছিল। আবু বকর রা. তাদের ধমক দেন। তখন রাসূল সা. বললেন: তাদের গাইতে দাও। কারণ প্রত্যেক জাতিরই ঈদের দিন আছে। আর আমাদের ঈদ হল আজকের দিন। (বুখারী)
যেখানে ক্বিয়ামতের মাঠে নাবী রাসূলগনই ইয়া ইয়া নাফসি বলে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন, সেখানে কোথাকার কোন চরমোনাই পীর সাহেব আপনাকে রক্ষা করবেন? এটাও কি বিশ্বাস করার মতো কথা? ভেদে মারেফাত বইয়ে লিখা আছে, পীর সাহেব চরমোনাই নাকি জাহাজে করে পাড় করবেন। হয়তো পাড় করবেন এটা ঠিক, তবে তা জাহান্নামে, জান্নাতে যে নয়, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

পীর ধরা বৈধ কী? কোন পীর ধরব?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Feb 9, 11:55 PM
পীর প্রথা ইসলামের নামে একটি জাহেলী প্রথা। কুরআন হাদীসে যার কোন ভিত্তি খুজে পাওয়া যায়না। আর যেখানে পীর প্রথায় যায়েজ নয়, সেখানে কোন পীর ধরার প্রশ্নই আসেনা।
আপনাকে প্রথমে নীচের লিংক থেকে অনলাইনে একটি ফরম পূরণ করতে হবে- www.bornomala.teletalk.com অতঃপর বাকী করণীয় গুলো সেখানেই দেওয়া আছে।
কারণ হয়তো আপনি সমবয়সীদের চেয়ে বড়দের সাথে মিশতেই বেশী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এজন্যই এমনটা হচ্ছে। এটা তেমন কোন সমস্যা নয়, এ ধরনের আচরণ অনেকের মাঝেই দেখা যায়। ধন্যবাদ।
এসএসসি, এইচএসসি অথবা ও-লেভেল, এ- লেভেল পাসের পরই এ পেশার জন্য আবেদন করা যায়। কিন্তু একজন কেবিন ক্রু হতে হলে এ পেশা সর্ম্পকে অবশ্যই বিস্তারিত জ্ঞান থাকতে হবে। এ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থার কাছ থেকে ট্রেনিং নিতে হবে। ট্রেনিং নেওয়ার ফলে একজন প্রার্থীর ইন্টারভিউতে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। আবেদন করার পূর্বে এ পেশা সম্পর্কে কিছু মৌলিক ধারণা অবশ্যই থাকতে হবে যা উপযুক্ত ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব। এ নিয়ে আরও জানতে সরাসরি কথা বলতে পারেন ০১৯৩৭১৮২৪৭০, ৮৯৯১৩৭১ এই নম্বরে। আরো বিস্তারিত জানুন নীচের লিংক থেকে- archive.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDJfMDJfMTNfNF80Nl8xXzE1Nzcx
ইসলামের মধ্যে ঢোল, তবলা তথা সকল বাদ্যযন্ত্র হারাম। কেননা রাসুল (সাঃ) এরশাদ করেন- “অবশ্যই এবং অবশ্যই আমার পর এমন কিছু লোক আসবে, যারা যিনা, রেশম, নেশাজাতীয় দ্রব্য, গান - বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র কে হালাল মনে করবে।” (বুখারি ২/২৭৮) তবে ইসলামে দফ বাজিয়ে বিয়ে প্রচারের জন্য গান গাওয়া আর তাতে মানুষদের উদ্ধুদ্ধ করা বৈধ। দলিল: রাসূল (সাঃ)বলেন: ﻓَﺼْﻞُ ﻣﺎ ﺑَﻴْﻦَ ﺍﻟْﺤَﻠَﺎﻝِ ﻭَﺍﻟْﺤَﺮَﻡِ ﺿَﺮْﺏُ ﺍﻟﺪَّﻑِ ﻭَﺍﻟﺼَّﻮْﺕُ ﻓِﻲ ﺍﻟﻨِّﻜَﺎﺡِ ‏( ﺭﻭﺍﻩ ﺃﺣﻤﺪ ) হারাম ও হলালের মধ্যে পার্থক্য হল দফের বাজনা। এই শব্দে বুঝা যায় যে, সেখানে বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। (আহমাদ) এছাড়া ঈদের গান শ্রবণ করা ও বৈধ। দলীল- আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত: ﺩَﺧَﻞَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻠَﻴْﻬَﺎ ﻭَﻋِﻨْﺪَﻫَﺎ ﺟَﺎﺭِﻳَﺘَﺎﻥِ ﺗَﻀْﺮِﺑَﺎﻥِ ﺑِﺪَﻓَّﻴْﻦِ ‏(ﻭَﻓِﻲ ﺭِﻭَﺍﻳَﺔٍ ﻋِﻨْﺪِﻱ ﺟَﺎﺭِﻳَﺘَﺎﻥِ ﺗُﻐَﻨِّﻴَﺎﻥِ‏) ﻓَﺎﻧْﺘَﻬَﺮَﻫُﻤَﺎ ﺍﺑُﻮْﺑَﻜﺮٍ ﻓَﻘﺎﻝَ ﺻَﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺩَﻋْﻬُﻦَّ ﻓَﺎﻥَّ ﻟِﻜُﻞِّ ﻗَﻮْﻡٍ ﻋِﻴْﺪًﺍ ﻭَﺇﻥَّ ﻋِﻴْﺪَﻧَﺎ ﻫَﺬﺍ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡ ‏( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ) একদা রাসূল সা. তাঁর ঘরে প্রবেশ করেন। তখন তার ঘরে দুই বালিকা দফ বাজাচ্ছিল। অন্য রেওয়ায়েতে আছে গান করছিল। আবু বকর রা. তাদের ধমক দেন। তখন রাসূল সা. বললেন: তাদের গাইতে দাও। কারণ প্রত্যেক জাতিরই ঈদের দিন আছে। আর আমাদের ঈদ হল আজকের দিন। (বুখারী)
পড়াশোনার ফাকে মাঝে মাঝে লেখা-লেখি করুন। একদমই পড়তে মন না চাইলে বিভিন্ন গল্প কবিতা উপন্যাসের বই পড়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন এক সময় পাঠ্যবই পড়তেও ভাল লাগছে। এছাড়া পড়াই মনোযোগ সৃষ্টির জন্য নীচের কাজগুলো করতে পারেন- এবার আসুন জেনে নেই কিভাবে পড়ায় আগ্রহ ও মনযোগ তৈরি করা যায় তার কিছু সহজতম কৌশল— (১) প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কেন আপনি পড়ছেন। যখন আপনি বুঝবেন, এই পড়াটা ভালোভাবে করার মাধ্যমেই আপনি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন এবং আপনার পক্ষে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব, তখনই আপনি আগ্রহী হবেন। আর আগ্রহ থাকলে যেকোনো কাজে মনোযোগ এমনিতেই আসে। অর্থাৎ আপনাকে জানতে হবে যে, কেন এই কাজটা গুরুত্বপূর্ণ। ২) মনোযোগের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আনন্দ। পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী।তাহলে দেখবেন আপনার সমস্ত মনযোগ ঐ পড়াটুকু কমপ্লিট করাতে নিবদ্ধ হবে। (৩) বিষয়ের বৈচিত্র রাখুন।ভাগ ভাগ করে বিভিন্ন সাব্জেট পরুন।একঘেঁয়েমি আসবে না।নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।রং বেরঙ্গের পেন দিয়ে বই দাগানোর অভ্যাস করতে পারেন,এটিও পড়াকে আনন্দঘন করে তুলতে সাহায্য করে। (৪) এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে।এনার্জি যত বেশি, মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে এক ঘণ্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন,বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন। পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। (৫) আরেকটা কাজ করবেন-একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন।কারণ গবেষণায় দেখা গেছে,সাধারণত একটানা ৪০ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৩০-৪০ মিনিট পড়ার পর ৫-১০ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন।

কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Feb 9, 01:02 PM
হ্যাঁ, আপনি প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলো থেকে এই যোগ্যতা দ্বারা কম্পিউটার সাইন্স থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পলিট করতে পারবেন। ধন্যবাদ।
আপনার কোন বন্ধু হয়তো দুষ্টামি করে এমন মেসেজ পাঠাতে পারে। খুজ নিন। অথবা তা নাহলে এক্ষেত্রে আপনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।
সেক্ষেত্রে আপনার ফাকা রেখে আসা-ই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অথবা উত্তরের সাথে খুব সামঞ্জস্য রাখে এমন একটি উত্তর চয়েস করবেন। ধন্যবাদ।