মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ এর সম্পর্কে
আমি খুব সাধারণ ঘরের একটি ছেলে। আমার চাওয়া পাওয়াগুলো অন্যদের চেয়ে আলাদা। অমি অন্যদের মত আয়শী জীবনের স্বপ্ন কখনোই দেখিনা। আমি চাই বাংলাদেশ টা একদিন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াক। আমি সবার মাঝে দুঃখ কষ্টগুলোকে ভাগ করে নিতে ভালবাসি।
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
অবিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 1.18M বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 155 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 223.91k বার
দিয়েছেন 664 টি উত্তর দেখা হয়েছে 958.03k বার
0 টি ব্লগ
0 টি মন্তব্য

ভাই দয়াকরে সবাই আমাকে সাহায্য করে প্লিজ?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Jan 14, 04:37 AM

ভাই, দেখুন পৃথিবীতে অনেক কিছুই বিশ্বাস করে চলতে হয়। আপনার গার্লফ্রেন্ড যেহেতু খোলা মনে বিষয়গুলো আপনাকে শেয়ার করেছে, যার অর্থ হল সে মিথ্যা বলেনি। আর সে আপনাকে অনেক বিশ্বাস করে বলেই কথাগুলো বলেছে। আর তার সাথে যদি খারাপ আচরণ করা হত, তাহলে সে বিষয়টা আপনার সামনে উত্থাপনইই করতো না।

‘নিয়ত’ অর্থ ‘সংকল্প’। ছালাতের শুরুতে নিয়ত করা অপরিহার্য। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ﺇﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﺄَﻋْﻤَﺎﻝُ ﺑِﺎﻟﻨِّﻴَﺎﺕِ ﻭَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻟِﻜُﻞٍّ ﺍﻣْﺮِﺀٍ ﻣَّﺎ ﻧَﻮَﻯ ... ‘সকল কাজ নিয়তের উপরে নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাই-ই পাবে, যার জন্য সে নিয়ত করবে’....। [সহীহুল বুখারী, ১ম খন্ড, হা/০১] অতএব ছালাতের জন্য ওযূ করে পবিত্র হয়ে পরিচ্ছন্ন পোষাক ও দেহ-মন নিয়ে কা‘বা গৃহ পানে মুখ ফিরিয়ে মনে মনে ছালাতের দৃঢ় সংকল্প করে স্বীয় প্রভুর সন্তুষ্টি কামনায় তাঁর সম্মুখে বিনম্রচিত্তে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। মুখে নিয়ত পাঠের প্রচলিত রেওয়াজটি দ্বীনের মধ্যে একটি নতুন সৃষ্টি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছালাতে এর কোন স্থান নেই। অনেকে ছালাত শুরুর আগেই জায়নামাযের দো‘আ মনে করে ‘ইন্নী ওয়াজ্জাহ্তু... ’ পড়েন। এই রেওয়াজটি সুন্নাতের বরখেলাফ। মূলতঃ জায়নামাযের দো‘আ বলে কিছু নেই।
হ্যাঁ, আপনার উল্লেখিত দু'টি পদ্ধতিই দ্রুত ইংলিশ ভোকাবিউলারী আয়ত্বের ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর। তবে সবার আগে দরকার, আপনার ধারাবাহিকতা। একদিন অনেকগুলো ওয়ার্ড আয়ত্ব করে যদি কয়েকদিনের বিরতি দেন, সেক্ষেত্রে আপনার সফল হওয়া সম্ভব না। আর যদি আপনি প্রাথমিক শিক্ষার্থী হোন, সেক্ষেত্রে বলবো, আপনি এত বিস্তারিত না শিখে শুধু অর্থসহ ওয়ার্ডগুলো মুখস্থ করে নিন। পরে না হয় বিস্তারিত জানবেন। আর দ্রুত ভোকাবিউলারি আয়ত্বের জন্য সব সময় কাছে একটা নোটবুক রাখুন, যাতে কঠিন কঠিন ওয়ার্ডগুলো লিখে রাখতে পারেন। এবং রাস্তা-ঘাটে চলার পথে একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। এভাবেই আপনার ভোকাবিউলারীর ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ!

কি নামে ডাকবো প্রেমিকাকে?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
May 13, 11:34 PM
দেখুন, কি নামে ডাকলে আপনার প্রেমিকা খুশী হবে তা সম্ভবত আপনার চেয়ে অন্য কেউ ভাল বলতে পারবেননা। তবে আপনাদের প্রেম যদি সত্যিকারের হয়, তাহলে যেকোনো সম্বোধনেই আপনার প্রেমিকা আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন। তারপরেও জান, সোনা, ময়না পাখি ইত্যাদি সম্বোধনে মেয়েরা একটু বেশিই খুশী হয়। ধন্যবাদ।
বল্টু : এক বোতল রক্ত দিন তো। নার্স : রক্তের group বল। বল্টু : যেকোন একটা group হলেই চলবে। নার্স : ( অবাক হয়ে ) কি করে চলবে...?? বল্টু : . . . . . . . . . . গার্লফ্রেন্ড কে রক্ত দিয়ে লাভ লেটার লিখবো। <>--------------------------------<> -----------------------------------<> বউ সন্দেহ করছে তার স্বামীর সাথে কাজের মেয়ের অবৈধ স্বম্পর্ক আছে। শিওর হওয়ার জন্য সে কাজের মেয়েকে ১ দিন ছুটি দিল কিন্তু স্বামীকে এটা বলল না। রাতে স্বামী বাসায় এসে ঘুমোতে যাওয়ার সময় স্ত্রী আদর পেতে চাইলে।... স্বামী বললো : আমার শরীর টা ভালো না। আজ থাক। এই বলে সে ঘুমিয়ে পড়লো। স্ত্রী ঘুমের ভান করে জেগে থাকলো। মাঝরাতে স্বামী উঠে পাশের রুমের সবার জন্য কমন টয়লেটে গেল। স্ত্রী তখন কাজের মেয়ের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো এবং লাইট বন্ধকরে দিল। একটু পর একজন এসে কিছু না বলেই সরাসরি একশনে চলে গেল! কাজ শেষ হওয়ার পর লাইটজ্বালিয়ে।... স্ত্রী বললো : তুমি নিশ্চয় আমাকে এই বিছানায়আশা করোনি! 'অবশ্যই না ম্যাডাম' বললো কাজের ছেলে আবুইল্লা! ল্যাও ঠ্যালা... <>--------------------------------<> -----------------------------------<> না পড়লে মিস করবেন,,, বৌয়ের কাছে স্বামীর চিঠি... প্রিয়তমা, আমি এই মাসে অফিস থেকে এখনো বেতন পাইনি, তাই টাকা পাঠাতে পারলাম না। তার পরিবর্তে ১০০টা kiss পাঠালাম, আমার সুইট হার্ট রাগ কর না প্লিজ.... ইতি তোমার প্রিয়তমা স্বামি....... উত্তরে বৌ...... আমার প্রিয় জানু, তোমার ১০০টা kiss-এর জন্য ধন্যবাদ। খরচের বিস্তারিত নিচে জানালাম: ১। দুধওয়ালা ১ মাসে ২টা kiss-এ রাজি হয়েছে। ২। বিদ্যুৎ বিল বাবদ ৭টা kiss দিয়ে কোন রকম বিদায় করেছি। ৩। বাড়িওয়ালা প্রতিদিন এসে ২-৩টা করে kiss নিয়ে যাচ্ছে ভাড়ার পরিবর্ত। ৪। দোকানদার শুধু kiss-এ রাজি না হওয়ায় তাকে অন্য কিছু দিয়ে সন্তুষ্টা করতে হয়েছে। ৫।অনান্য খরচ বাবদ আরো ৪০টা kiss দিতে হয়েছে। তুমি একদম চিন্তা করো না। আমার কাছে এখনো তোমার দেয়া ৩৫ টা kiss আছে। আশা করি মাসের বাকিটা চালিয়ে নিতে পারব। আগামী মাসেওএভাবে চালিয়ে নিব কিনা জানাবে। ইতি YOUR SWEET HEART.. <>--------------------------------<> -----------------------------------<> এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসল। মেয়ে : হ্যালো. ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে?? মেয়ে: হ্যাঁ আছে কিন্তু আপনি কে?? ছেলে : আমি তোর ভাই, দাঁড়া আজকে বাড়িতে আসি তোর খবর আছে!!! কিছুক্ষণ পর মেয়েটির নিকট আবার অপরিচিত নাম্বার থেকে আরেকটি কল আসল- মেয়ে : হ্যালো! ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে?? মেয়ে : না। ছেলে : তাহলে আমি কে?? মেয়ে: স্যরি স্যরি জান! আমি মনে করেছি এটা আমার ভাই। ছেলে : আমি তোর ভাই-ই, আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!!

প্রশ্ন ছিল ঃ "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"- কোরআনের এই বানী ঐরকম করে লেখা করআন অবমাননার শামীল -এই কথাটা কি শরিয়ত সম্মত? উত্তর দিয়েছনঃ এ ব্যাপারে কোনো ফতোয়া পাইনি, আল্লাহ্‌ ভালো জানেন, আমার মনে হয়না এতে কোনো সমস্যা আছে, কেননা সংক্ষিপ্ত রুপটি মূল আয়াতের অর্থ বিকৃত করেনা। আর খুব কমন হওয়ায় যে কেউ এটা দেখেই বুঝতে পারে। এটা যদি অবমাননাকর হতো তাহলে (স.), (র.), (রা.), MD ইত্যাদি সবই বর্জন করা হতো। কিন্তু স্বয়ং ইসলামি বইয়েও এরকম সংক্ষিপ্ত রুপের ব্যবহার দেখা যায়। এখন আমি প্রশ্নকারী প্রশ্ন হল কোরআনের বাণীর সাথে মানুষের নামের উদাহরণের দেয়ার কি যুক্তিকতা থাকতে পারে। তাই আমি এ ব্যাপারে একজন অভিজ্ঞ মুফতি মোহাদ্দেসের মাধ্যমে উত্ত্র জানতে চাই?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Mar 13, 08:48 AM
ভাই, "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" বাক্যটি যেহেতু কুরআনের আয়াত, তাই এভাবে আংশিক লিখে (.......) দেওয়া নিঃসন্দেহে আদবের খেলাফ। কেননা পূর্ববর্তী কোন সলফে সালেহীনের লিখিত কিতাবে এমনটা পাওয়া যায়না। পূর্ববর্তীদের কেউ এভাবে সংক্ষিপ্তরূপ (রাঃ), (সাঃ) ইত্যাদি লিখতেন না। কিন্তু বর্তমান যুগে অনেক ইসলামী বইয়ে এমনটা দেখা যাচ্ছে, যা বর্জনীয় এবং আদবের খেলাফ। দুয়া পুরোটা লিখার আরেকটি উপকারিতা হল, এর কারণে পাঠকেরা বার বার এগুলো পড়ার সুযোগ পায়। তাছাড়া অনেকেই এভাবে ..... দেখে হয়তো ভিতরের অংশটা আর পড়েইনা, ফলে নগদ নেকী থেকে বঞ্চিত হয়। এখানে প্রশ্ন হতে পারে, অনেক বড় বড় আলেম উলামারা যে এমনটা লিখেন? উত্তরে বলবো, কতিপয় আলেম অনুচিত কোন কাজ করলেই রাতারাতি তা শরীয়ত হয়ে যায়না। আমাদের আদর্শ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সলফে সালেহীন। আল্লাহ আমাদের হক্ব বুঝার তাওফিক দিন- আমীন!
মহান আল্লাহ এরশাদ করেন, الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ 'যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।' (সূরা বাক্বারা-১৫৬) এ আয়াত থেকে বুঝা যায়, যে কোন বিপদ দেখলে "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন" বলতে হয়। তাই অমুসলিমের লাশ দেখার পরেও এই দোয়াটি পড়তে হবে। একইভাবে রাস্তা-ঘাটে চলতে ফিরতে কোন বিপদ দেখলেও এই দোয়া পড়তে হয়। উল্লেখ্য যে, এই দোয়া দ্বারা মৃত ব্যক্তির কল্যাণ কামনা করা হয়না, বরং নিজেকে আল্লাহর জন্য সপে দেওয়ার স্বীকৃতি দেওয়া হয় মাত্র।

প্রশ্ন ছিল ঃ "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"- কোরআনের এই বানী ঐরকম করে লেখা করআন অবমাননার শামীল -এই কথাটা কি শরিয়ত সম্মত? উত্তর দিয়েছনঃ এ ব্যাপারে কোনো ফতোয়া পাইনি, আল্লাহ্‌ ভালো জানেন, আমার মনে হয়না এতে কোনো সমস্যা আছে, কেননা সংক্ষিপ্ত রুপটি মূল আয়াতের অর্থ বিকৃত করেনা। আর খুব কমন হওয়ায় যে কেউ এটা দেখেই বুঝতে পারে। এটা যদি অবমাননাকর হতো তাহলে (স.), (র.), (রা.), MD ইত্যাদি সবই বর্জন করা হতো। কিন্তু স্বয়ং ইসলামি বইয়েও এরকম সংক্ষিপ্ত রুপের ব্যবহার দেখা যায়। এখন আমি প্রশ্নকারী প্রশ্ন হল কোরআনের বাণীর সাথে মানুষের নামের উদাহরণের দেয়ার কি যুক্তিকতা থাকতে পারে। তাই আমি এ ব্যাপারে একজন অভিজ্ঞ মুফতি মোহাদ্দেসের মাধ্যমে উত্তর জানতে চাই?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
Mar 13, 08:23 AM
ভাই, "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" বাক্যটি যেহেতু কুরআনের আয়াত, তাই এভাবে আংশিক লিখে (.......) দেওয়া নিঃসন্দেহে আদবের খেলাফ। কেননা পূর্ববর্তী কোন সলফে সালেহীনের লিখিত কিতাবে এমনটা পাওয়া যায়না। পূর্ববর্তীদের কেউ এভাবে সংক্ষিপ্তরূপ (রাঃ), (সাঃ) ইত্যাদি লিখতেন না। কিন্তু বর্তমান যুগে অনেক ইসলামী বইয়ে এমনটা দেখা যাচ্ছে, যা বর্জনীয় এবং আদবের খেলাফ। দুয়া পুরোটা লিখার আরেকটি উপকারিতা হল, এর কারণে পাঠকেরা বার বার এগুলো পড়ার সুযোগ পায়। তাছাড়া অনেকেই এভাবে ..... দেখে হয়তো ভিতরের অংশটা আর পড়েইনা, ফলে নগদ নেকী থেকে বঞ্চিত হয়। এখানে প্রশ্ন হতে পারে, অনেক বড় বড় আলেম উলামারা যে এমনটা লিখেন? উত্তরে বলবো, কতিপয় আলেম অনুচিত কোন কাজ করলেই রাতারাতি তা শরীয়ত হয়ে যায়না। আমাদের আদর্শ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সলফে সালেহীন। আল্লাহ আমাদের হক্ব বুঝার তাওফিক দিন-আমীন!
ভাই, সাধারণত ইসলামী শরীয়তে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরাই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরেও অনেক সময় অনভিজ্ঞদের দ্বারা দু একটা প্রশ্নের উত্তর হয়ে গেলেও পরবর্তীতে সংশোধনের চেষ্টা করা হয়। কেন? আপনার কোন প্রশ্নের ব্যাপারে কনফিউশন থাকলে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।
ইসলাম এ ধরণের কর্মকাণ্ড মোটেও সমর্থন করেনা। বিভিন্ন পীর-ফকীরেরা এধরনের শির্কী কাজ করে থাকে। যা না রাসূলের যুগে ছিল, না সলফে ছালেহীনের যুগে ছিল।

৩য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
May 9, 02:01 PM

"মক্কার পথ" এর লেখক কে?

মুহাম্মাদআব্দুল্লাহ
May 9, 04:20 AM