মাহমূদুলহাসান (@মাহমূদুলহাসান)

উমরা কখন (কোন মাসে) করা যায়?

মাহমূদুলহাসান
Sep 28, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
শুধুমাত্র হজ্জের দিনগুলো তথা যিলহজ্জের ৯ তারিখ থেকে যিলহজ্জের ১২ তারিখ পর্যন্ত ৪ দিন ব্যতীত বাকি সারা বছর উমরাহ করতে পারবে। তবে যদি সে ব্যক্তি হজ্জকারী না হয় তাহলে উক্ত ৪ দিনও উমরাহ করতে পারবে।

মাহমুদুল হাসানের সাথে মিলিয়ে ছেলেদের সুন্দর নাম মাহফুযুল হাসান রাখতে পারেন।

Rose day, Propose day, hug day, kiss day এই দিবস গোলা কবে pls জানাবেন.....?

মাহমূদুলহাসান
Feb 7, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
৭ ফেব্রুয়ারি :হ্যাপি রোজ ডে
কাঁটাবন কিংবা শাহবাগের ফুলের দোকানগুলোর সামনে দিয়ে একবার হেঁটে গেলে আমাদের সবারই ইচ্ছে করে একটি লাল গোলাপ কিনে ‘তাকে’ উপহার দিতে। ভালোবাসার প্রতীকই যে লাল গোলাপ। ভালোবাসার এই প্রতীকটির দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম নামকরণ করেন ডেনমার্কের রানি আলেকজান্দ্রা। ৫০তম বিবাহবার্ষিকীতে আলেকজান্দ্রা লন্ডনে এলে লন্ডনের অধিবাসীরা তাকে হাজার হাজার লাল গোলাপ দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। আলেকজান্দ্রা এত গোলাপ দেখে তো হতবাক! তিনি এক সিদ্ধান্ত নিলেন, এই হাজারখানেক গোলাপগু বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে দরিদ্র, অসুস্থ মানুষদের প্রতি সেবার, ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিতে বললেন। লাল গোলাপ দিয়ে ‘তার’ মুখে হাসি ফোটানোর জন্য পালিত হয় বিশেষ রোজ ডে। 
৮ ফেব্রুয়ারি :হ্যাপি প্রপোস ডে
একসঙ্গে তো কয়েকটি বছর কাটালেন, কিন্তু এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না আপনার প্রিয় মানবীটিকে কীভাবে প্রস্তাব করবেন? তাহলে এই দিনটিতে আপনার না বলা কথাটাই বলে দিন হাতে এক গুচ্ছ গোলাপ নিয়ে, নতুবা আপনার অবস্থাটাও হতে পারে ঠিক জন মাইকেলের পিসতুতো ভাইয়ের মতো। মাইকেলের ভাইটি অনেক বছর অপেক্ষা সত্ত্বেও তার প্রেমিকাকে প্রস্তাব করতে পারলেন না, ভাইয়ের এ হাল দেখে মাইকেল এই দিনটিকে উত্সর্গ করলেন প্রতিটি পুরুষের জন্য যাতে না বলা কথাটা এবারে প্রকাশ পায়।

১৩ ফেব্রুয়ারি :হ্যাপি হাগ ডে

প্রিয় মানুষটির সঙ্গ আমরা কে না চাই? শৈশবে মা-বাবার আদর থেকে শুরু করে, বন্ধুর হাত ধরে বন্ধুত্ব এবং সবশেষে জীবন সঙ্গীটির হাত ধরা। আচ্ছা, যখন আমাদের মন খারাপ করে, কারো সঙ্গ পেতে ইচ্ছা করে তখন নিশ্চয়ই আমরা চাই প্রিয় মানুষটিকে জড়িয়ে ধরতে, একাকিত্ব ভাগাভাগি করতে। আপনার প্রিয় মানুষটির একাকিত্বটা সরিয়ে দিতে আপনি না হয় তাকে একটি আলিঙ্গন করলেন। অধিক ব্যস্ততায় মা-বাবাকে সময় দিতে পারছেন না, ফেব্রুয়ারির এই দিনটিতে শৈশবের স্মৃতিটা ফিরিয়ে আনুন আলিঙ্গনবদ্ধ হয়ে।
১২ ফেব্রুয়ারি :হ্যাপি কিস ডে
প্রাচীনকাল থেকে ভালোবাসার গভীরতা, অন্তরঙ্গতা আমরা চুম্বনের মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকি। হতে পারে তা আপনার সন্তানের, মায়ের অথবা প্রিয়জনের। ভালেন্টাইন’স ডে পঞ্জিকার ষষ্ঠ দিনটি কিস ডে হিসেবেই পালিত হয়ে আসছে। কিস ডে সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে পালিত হয়। সাংস্কৃতিক কারণে আমাদের দেশে এই দিবসটি তেমন জনপ্রিয় না হলেও পাশ্চাত্যে এর ভিন্ন তাত্পর্য রয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে কিস ডের একটি জনপ্রিয় আয়োজন হলো ‘চুম্বন প্রতিযোগিতা’, যেখানে প্রতিযোগীদের দীর্ঘ সময় ধরে চুম্বনে আবদ্ধ থাকতে হয়। সেই জুটিই বিজয়ী হবে, যারা সবচেয়ে বেশি সময় ধরে চুম্বনে আবদ্ধ ছিল। গত বছর থাইল্যান্ডের এক জুটি টানা ৫৯ ঘণ্টা পেরিয়ে চুম্বনে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়।
-সংগৃহীত
বাংলাদেশে সবচেয়ে পরিচিত মানুষ কে, তা নির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়, একেকজন একেক অঙ্গনে বেশি পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত ব্যক্তি যাকে বহির্বিশ্বের বহু মানুষে চিনে তিনি হলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাছাড়া মাইকেল মধুসুদন দত্তকেও বিশ্বের বহু দেশের মানুষ চিনে।

১০ লাখ টাকার সোনার জিনিস বানিয়ে রাখলে থাকবে কি?

মাহমূদুলহাসান
Feb 4, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
হ্যাঁ, ৫০ বছর পরও আপনি সেই সোনা বিক্রয় করতে পারবেন। সেটা তখনও বিক্রয়যোগ্য থাকবে। কারণ খাঁটি সোনা কখনো নষ্ট হয় না। তবে বর্তমানের ১০ লাখ টাকার সোনা সে সময়ে ১০ লাখ টাকায় বিক্রয় করতে নাও পারেন। কেননা সোনার মূল্যে ঊর্ধ্বগতি এবং নিম্নগতির কারণে তখন হয়তো ১০ লাখ টাকার বেশি পাবেন অথবা ১০ লাখ টাকার কম পাবেন।

কাগজ দিয়ে কিভাবে আমি গোলাপ ফুল বানাবো লিখে দিন?

মাহমূদুলহাসান
Feb 4, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

আসুন জেনে নিই কাগজ দিয়ে গোলাপ ফুল তৈরির পদ্ধতি

উপকরণ : হ্যান্ডমেইড কাগজ, ফ্লোরাল টেপ, স্কচটেপ, আঠা, বাঁশের চিকন কাঠি, কাঁচি, পেনসিল।

পদ্ধতি : যে কালারের ফুল তৈরি করবেন সেই রঙের কাগজ নিন। গোলাপ ফুলের পাপড়ির আকার অনুযায়ী আকৃতি কাগজে পেনসিল দিয়ে আঁকুন। এবার সাবধানে কাঁচি দিয়ে কেটে ফুলের পাপড়িগুলো বের করে ফেলুন। লাল কাগজ চারকোনা করে কাটুন এবং মুড়িয়ে এবং আঠা মাখিয়ে বৃন্তের আকার দিন। ফুলের পাপড়িগুলো বৃন্ত ঘিরে আঠা দিয়ে চেপে চেপে লাগান। গোড়া মজবুত করতে স্কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে নিন। ফুলের পাপড়িগুলোর চারপাশে একটু ভাঁজ করে হাত দিয়ে চেপে দিন যাতে কাটা অংশ খুব বেশি বোঝা না যায়। এবার সবুজ কাগজ দিয়ে পাতা তৈরি করুন। কালো মার্কার দিয়ে পাতার শিরা-উপশিরা আঁকুন। পাপড়ির মতো পাতারও চারপাশে কাগজ ভাঁজ করে দিন। এবার বাঁশের কাঠিতে ফ্লোরাল টেপ প্যাঁচান। এমনভাবে প্যাঁচান যাতে কোনো অংশ ফাঁকা না থাকে। কাঠির মাথায় এবং কিছু দূর পর পর ফুল বসিয়ে স্কচটেপ দিয়ে আটকে দিন। পাতাগুলো মাঝ বরাবর হালকা ভাঁজ করুন। এরপর ফুলের মাঝে মাঝে পাতা বসিয়ে স্কচটেপ দিয়ে আটকে দিন। এভাবে কয়েকটি স্টিক তৈরি করে ফুলদানীতে রেখে ঘরে সাজিয়ে রাখুন। স্টেশনারি দোকানগুলোতেই পেয়ে যাবেন কাগজের ফুল তৈরি সব উপকরণ। একই পদ্ধতিতে কাপড়ের ফুলও তৈরি করে ঘর সাজাতে পারেন।

আশা করি চেষ্টা করলে মনের মতো গোলাপ ফুল তৈরি করতে পারবেন।

কী ধরণের কোষ বিভাজনের ফলে ক্যান্সার হয়?

মাহমূদুলহাসান
Feb 4, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

নিওপ্লাসিয়া কলা ভেদক ক্ষমতা সম্পন্ন হলে তাকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বা ক্যান্সার এবং তার অনিয়ন্ত্রিত বিভাজনক্ষম ভেদক ক্ষমতাযুক্ত কোষগুলিকে ক্যান্সার কোষ বলে।

সূত্র : উইকিপিডিয়া

আমরা কবিতাটি কার লেখা?

মাহমূদুলহাসান
Feb 4, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
আমরা কবিতার লেখক হলেন কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।

নখকুনি হলে করণীয় কী?

মাহমূদুলহাসান
Feb 4, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

হাতে পায়ের নখের যত্ন নেয়ার সাথে সাথে নখকুনি সারানোর জন্য কিছু ঘরোয়া উপায় কাজে লাগাতে পারেন। দেখে নিন সেগুলো কি কি ও ঠিক কিভাবে আপনি সেগুলো ব্যবহার করবেন।
১. নারিকেল তেল
গোসল করার আগে বা রাতে শুতে যাওয়ার আগে আপনার হাতে ও পায়ের নখে ও তার চারপাশে ব্যথা হওয়া অংশে নারকেল তেল লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর হিমালয়া বা ওলে ফেস ওয়াশ দিয়ে ভালো করে আপনার হাত ও পায়ের নখ ও তার আশেপাশের অংশ ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনি আরাম পাবেন ও খুব তাড়াতাড়ি যন্ত্রণা সেরে যাবে।
২. অলিভ অয়েল
২ চা চামচ অলিভ অয়েল ও ২ চা চামচ পাতিলেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নখ ও তার আশপাশের অংশে হালকা করে ম্যাসাজ করুন। অলিভ অয়েল ঠাণ্ডা হয় তাই এটি খুব তাড়াতাড়ি যন্ত্রনায় আরাম দেয়। দিনে ৩ থেকে ৪ বার অলিভ অয়েল লাগালে আপনি ভালো ফল পাবেন|
৩. বেকিং সোডা
(ক) প্রথমে হালকা গরম জলে অল্প শ্যাম্পু মিশিয়ে হাত ও পায়ের নখ ধুয়ে নিন। একটি পরিষ্কার টাওয়াল দিয়ে হাত ও পায়ের পাতা ভালো করে মুছে নিন। এবার বেকিং সোডা ও জল মিশিয়ে পেস্ট মত বানিয়ে আপনার হাতে বা পায়ে যেখানে নখকুনি হয়েছে সেখানে লাগিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। এবার ঠাণ্ডা পানিতে পা ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতিতে দিনে ৩-৪ বার বেকিং সোডা ব্যবহার করলে আপনি আরাম পাবেন।
(খ) প্রথমে যেখানে নখকুনি হয়েছে সেই অংশটি পরিষ্কার করে টাওয়াল দিয়ে মুছে নিন। এবার ঠাণ্ডা পানিতে ২-৩ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই পানিতে পায়ের পাতা চুবিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট মত। এতেও আপনি আরাম পাবেন।
৪. অ্যাপল সিডার ভিনিগার
২ চামচ অ্যাপল সিডার ভিনিগার ও ২ চামচ পানি মিশিয়ে আপনার ব্যথা হওয়া অংশে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। প্রতিদিন ২-৩ বার ব্যবহার করুন যতদিন না নখকুনি পুরোপুরি সেরে যাচ্ছে।
৫. এপ্সাম লবণ
১ কাপ ভিনিগার, ১ কাপ এপ্সাম লবণ ও ৬ কাপ গরম পানি মিশিয়ে নিন। গরম ভাব কিছুটা কমে আসলে তাতে হাত বা পা যেখানে নখকুনি হয়েছে তা চুবিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। এরপর পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিন। দিনে দুবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি আরাম পেয়ে যাবেন নখকুনি থেকে।
নখকুনি এদের মধ্যে যে কোনো একটি উপাদানের ব্যবহারে সহজেই সেরে যাবে। তবে অনেক সময় অতিরিক্ত বেশি ব্যথা বা ফুলে যাওয়া বিপদজনক হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরী। তবে এই উপায়গুলি অবলম্বন যদি আপনি নিয়মিত ও সঠিক উপায়ে করেন সেক্ষেত্রে আপনি এই ধরনের সমস্যা খুব সহজেই এড়িয়ে চলতে পারবেন।

-সংগৃহীত

তিন চার হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন কিনতে চাই?

মাহমূদুলহাসান
Feb 2, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
আপনি ম্যাক্সিমাস পি৭ ফোনটি কিনতে পারেন। এটা ৪জি সাপোর্টেড। দাম ৪৭০০/- টাকা।

বর্তমানে গ্যালাক্সি জে১ নেক্সট পাওয়া যাচ্ছে ৬ হাজার ৯৯০ টাকায়, গ্যালাক্সি জে১ এস পাওয়া যাচ্ছে ৮ হাজার ৯৯০ টাকায়, গ্যালাক্সি জে২ পাওয়া যাচ্ছে ১১ হাজার ৪৯০ টাকায়।

প্রাইমিং কী?

মাহমূদুলহাসান
Feb 2, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন
পানি প্রবেশ করিয়ে পাম্প এবং পাইপের ভিতরের বাতাস বের করার পদ্ধতিকে প্রাইমিং বলে।

ইসলামে দাসীদের সাথে মিলন করা হারাম নয়। একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইসলামে দাসপ্রথা অবশ্যই জায়েয। মুসলিম মুজাহিদগণ যখন কোনো অঞ্চল জয় করেন, সেখানকার যুদ্ধবন্দী এবং তাদের নারী ও শিশুদের দাসদাসী হিসেবে মুজাহিদীনের মাঝে বণ্টন করা জায়েয। শাইখ শানক্বিতী রহ. বলেন, “দাসত্বের কারণ হলো কুফর এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। মুসলিম মুজাহিদীন তাঁদের জীবন ও সম্পদ সঁপে দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় সর্বস্ব ও সর্বশক্তি দিয়ে আল্লাহর কালামকে সমুন্নত করতে যুদ্ধ করেন। আল্লাহ যখন তাঁদেরকে কাফেরদের বিরুদ্ধে বিজয় দান করেন, তখন তাদেরকে দাসত্বের মাধ্যমে তাঁদের অধীন করে দেন যদি না মুসলিমদের বৃহত্তর কল্যাণার্থে শাসক তাদেরকে মুক্তিপণের বিনিময়ে অথবা মুক্তিপণ ছাড়াই ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।” (আযওয়াউল বয়ান ৩/৩৮৭)
কাফিরদের জন্যও এটি উপকারী যে তারা এর মাধ্যমে ইসলামী পরিবেশে চলে আসতে পারে। ইসলামের বিরুদ্ধে তার কর্মকাণ্ডের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। তারা ইসলামকে কাছ থেকে দেখতে ও শিখতে পারে। ফলে আল্লাহ তাদের অন্তরকে ইসলামের দিকে ঘুরিয়েও দিতে পারেন। এর মাধ্যমে তাদের আখেরাতে জাহান্নাম থেকে মুক্তির পথ খুলে যায়। বনু মুস্তালিকের যুদ্ধে যুদ্ধবন্দীদের মধ্য হতে একজন নারীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিবাহ করে নেন। ফলে তাঁর মর্যাদা উন্নত হয়ে যায়। উম্মাহাতুল মুমিনীন বা মুমিনদের মাতাগণের মধ্যে একজন হিসেবে তিনি পরিগণিত হন। তাঁর নাম জুয়াইরিয়া বিনতে হারিস রাযি.।
দাসদাসী যদি মুসলিম হয়ে যায়, তাহলেও সে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুক্তির উপযুক্ত হয়ে যায় না। কারণ, আগেই প্রতিষ্ঠিত কোনো অধিকার পরবর্তিতে স্থাপিত অধিকারের দ্বারা নাকচ হয় না। সে কাফির থাকা অবস্থায় মুজাহিদের অধিকার ছিলো তাকে দাস/দাসী বানানোর। সে দাসত্ব অবস্থায় মুসলিম হলেও মুজাহিদের সেই অধিকার নাকচ হয় না।


জাহিলি আরবে মানুষকে দাস বানানোর বেশ কয়েকটি পদ্ধতি ছিলো। যুদ্ধবন্দী হলে সে দাস হতো। ঋণের দেনা শোধ করতে না পারলে সে দাস হিসেবে বিক্রয় হয়ে যেতো। দারিদ্র্যের কারণে কেউ দাস হিসেবে বিক্রয় হতো। যুদ্ধে কেউ দাস হিসেবে বন্দী হলে তার সামনে দুটিই পথ ছিলো। দাস হয়ে বেঁচে থাকা অথবা মৃত্যুদণ্ড পাওয়া। ইসলামে যুদ্ধবন্দীদের জন্য মৃত্যুদণ্ড ও দাসত্ব ছাড়া আরও দুটি বিকল্প যোগ করা হয়েছে। মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেয়া অথবা মুক্তিপণ ছাড়াই ছেড়ে দেয়া। পরিস্থিতি ও মুসলিমদের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী শাসক বা নেতা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকেন। আল্লাহ তা‘আলঅ বলেন, “অতঃপর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ করো অথবা তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ নাও…” (সূরা মুহাম্মাদ ৪৭:৪) বদর যুদ্ধের যুদ্ধবন্দী মুশরিকদের মুক্তিপণ নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। বনু মুস্তালিক ও মক্কা বিজয়সহ অনেক যুদ্ধেই মুক্তিপণ ছাড়া ক্ষমা ঘোষণা করা হয়।


-সংগৃহীত

আঁইশ কী?

মাহমূদুলহাসান
Feb 2, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

আঁইশ

আঁইশ ত্বকোদ্ভূত অস্থিময় (bony) বা শৃঙ্গায়িত (horny) ক্ষুদ্রাকৃতির পাতলা পাত (Plate) বিশেষ যা অধিকাংশ মাছ সরীসৃপের ত্বক রক্ষাকারী অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। সাধারণত একটি আঁইশের শেষ প্রান্ত পরবর্তী আঁইশের শুরুর প্রান্তের সামান্য অংশ আবৃত করে রাখে।

মাছের আঁইশ ত্বকের ডার্মিস (Dermis) হতে উদ্ভূত অস্থিময়। অন্যদিকে সরীসৃপ, পাখি স্তন্যপায়ীদের আঁইশ এপিডার্মিস (Epidermis) থেকে উদ্ভূত এবং মূলত শৃঙ্গায়িত। তবে কতিপয় উভচর, সরীসৃপ স্তন্যপায়ীদের এপিডার্মিসের পাশাপাশি ডার্মিস স্তর হতে উদ্ভূত আঁইশও দেখতে পাওয়া যায় যা ওস্টিওডার্ম (Osteoderm) নামেই বেশি পরিচিত।

মাছে পাঁচ ধরণের আঁইশ দেখতে পাওয়া যায় যথা- কসময়েড (Cosmoid), প্লাকয়েড (Placoid), গ্যানয়েড (Ganoid), সাইক্লয়েড (Cycloid) টিনয়েড (Ctenoid)

তথ্যসূত্র : আঁইশ

দপ্তর সম্পাদক এর কাজ কি....?

মাহমূদুলহাসান
Feb 2, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

দপ্তর সম্পাদকের কাজ হলো, সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদন সাপেক্ষে সংগঠনের যাবতীয় জিনিসপত্র দেখাশোনা ও সংরক্ষণ করা এবং দাপ্তরিক সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে আঞ্জাম দেয়া।

চোখের যত্নে খাবারের তালিকাটি দেন?

মাহমূদুলহাসান
Feb 2, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

চোখের যত্নে যা খাবেন-

গাজর

গাজর অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর একটি সবজি। এটি কাঁচা বা রান্না- দুভাবেই খাওয়া যায়। সুস্থ্ চোখ পেতে হলে যেসব খাবার খাওয়া উচিত তার মধ্যে অন্যতম হলো গাজর। এতে রয়েছে ভিটামিন-এ এবং বিটা ক্যারোটিন, যা চোখকে সুস্থ্ রাখতে সাহায্য করে। বিটা ক্যারোটিন অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি ছানি পড়া, বয়সের কারণে চোখের জ্যোতি কমে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। তাছাড়া গাজরে রয়েছে ফাইবার ও পটাশিয়াম। এ দুটি উপাদানও কিন্তু শরীরের জন্য ভালো। গাজর ক্যান্সার প্রতিরোধক। আর আপনি যদি ওজন কমানোর চিন্তা করে থাকেন তবে গাজর আপনাকে সাহায্য করতে পারে।
সবুজ শাক
সমস্যায় পড়লে আমরা ওষুধে মুক্তি খুঁজি। অথচ অনেক খাবারে রয়েছে বহু সমস্যার সমাধান। আমাদের দেশের নানা রকম সবুজ শাক যেমন, পালং, পুই, কচু, লাউ ইত্যাদিকে অবহেলা করবেন না। সবুজ শাকে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। সেই সাথে এটি ম্যাঙ্গানিজের খুব ভালো উৎস। এগুলো চোখের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চোখের রেটিনাকে রক্ষা করতে সাহায্য করে সবুজ শাক। দৃষ্টিশক্তি ভালো করতেও সাহায্য করে এটি।
ভুট্টা
ভুট্টায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন এ, সি ও লাইকোপিন; যা দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে৷আধ-কাপ রান্না ভুট্টায় একজন মানুষের চোখের জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। তাই নিয়মিত ভুট্টা খেতে পারেন। আর নিয়মিত ভুট্টা খেলে চোখের হলুদ পিগমেন্ট হারানোর কোন ঝুঁকি থাকে না। এমনকি ছানি পড়ার ঝুঁকি কমে যায়।
টমেটো
টমেটো এখন সারা বছরই পাওয়া যায়। টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন-এ, বি, সি, কে, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, লাইকোপিন, ক্রোমিয়ামসহ নানা উপাদান। টমেটো যেমন কাঁচা খাওয়া যায়, তেমনি রান্না করেও খাওয়া যায়। সালাদে টমেটো অতুলনীয়। চোখের যত্নে যা খাবেন টমেটো খেলে অনেক লাভ। এক গবেষণায় দেখা গেছে টমেটোতে থাকা লাইকোপিন চোখের রেটিনাকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে চোখকে সুরক্ষা দেয়।
মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন-সি, ই ও ডি। চোখের যত্নে মিষ্টি আলু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। এটি চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। দৃষ্টিশক্তি ধরে রাখতে এর তুলনা হয়না। প্রতিদিন একজন মানুষের যতটুকু পুষ্টি দরকার তার বেশিরভাগই মেলে মাঝারি আকারের একটি মিষ্টি আলুতে। এতে রয়েছে প্রতিদিনের চাহিদার ২৮ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ ও ৪০ শতাংশ ভিটামিন- সি। আর মিষ্টি আলু শুধু চোখের যত্নেই কাজে লাগে না, হাড়ের ক্ষয়রোধেও সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও মিষ্টি আলু বেশ উপকারী।

(সংগৃহীত)

ভিয়েতনামের ৫০০ ডং = বাংলাদেশী কত টাকা?

মাহমূদুলহাসান
Feb 1, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

ভিয়েতনামের ৫০০ ডং বাংলাদেশের ১.৮০ টাকার সমান।

সূত্র : ডং থেকে টাকা

বিপ্লব কাকে বলে ?

মাহমূদুলহাসান
Feb 1, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

বিপ্লব শব্দের ইংরেজি Revolution. বিপ্লব হচ্ছে রাজনৈতিক ক্ষমতা বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে একটি মৌলিক সামাজিক পরিবর্তন যা তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত সময়ে ঘটে যখন জনগণ চলমান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে জেগে উঠে। এরিস্টটল দুই ধরনের রাজনৈতিক বিপ্লবের বর্ণনা দিয়েছেন-

(১) এক সংবিধান থেকে অন্য সংবিধানে পূর্ণাঙ্গ পরিবর্তন

(২) একটি বিরাজমান সংবিধানের সংস্কার।

সূত্র : উইকিপিডিয়া

আমি একজন হাফিজে কুরআন হতে চাই।?

মাহমূদুলহাসান
Feb 1, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

বর্তমানে বহু ইংরেজি শিক্ষিত ব্যক্তি বয়স বেশি হওয়া সত্ত্বেও কুরআনের হাফেয হচ্ছেন। আর এটা কখনোও অসম্ভব নয়। কারণ বর্তমানে এ ধরণের লোকদের জন্য হিফয বিভাগ চালু হয়েছে। সুতরাং মাদরাসার পরিবেশেই এ বয়সে কুরআন হিফয করা সম্ভব। আপনি নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন-

মা’হাদু উলূমিল কুরআন

৯৪০/১৬, বাইতুল আমান হাউজিং সোসাইটি

আদাবর-১৪, মুহাম্মাদপুর, ঢাকা।

মোবাইল : ০১৯৫০৮৪৩৩৯৬ (মাওলানা জাহিদুল ইসলাম)

বাংলায় এমন কিছু অক্ষর চাই?

মাহমূদুলহাসান
Jan 6, 2019-এ উত্তর দিয়েছেন

হ+ন=হ্ন, যেমন চিহ্ন৷

ষ+ণ=ষ্ণ, যেমন উষ্ণ৷
ষ+ম=ষ্ম, যেমন গ্রীষ্ম৷
আপনি হয়তো আরো হাফ ইঞ্চি বা এক ইঞ্চি লম্বা হবেন। কারণ মানুষ ২১ থেকে ২২ বছর বয়স পর্যন্ত লম্বা হয়। আর শারীরিক বৃদ্ধি ঘটে ২৪ থেকে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত। সে হিসেবে বলা যায় আপনি আরো একটু লম্বা হতে পারবেন। তবে এর জন্য করণীয় হলো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, শারীরিক ব্যায়াম ও নিয়মিত ঘুম।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন পালন এবং মসজিদ ও রাস্তায় আলোকসজ্জা করা হারাম। কারণ এটা নবীযুগ থেকে প্রমাণিত নয় এবং এতে অপচয়ের পাশাপাশি এটা হারাম হওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে- ১। এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিংবা তাঁর খলীফাদের সুন্নাত ছিল না। ফলে এটি একটি নিষিদ্ধ নব উদ্ভাবন, কেননা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমি তোমাদেরকে আমার এবং আমার পরবর্তী সঠিক পথপ্রাপ্ত খলীফাদের অনুসরণের ব্যাপারে তাগিদ দিচ্ছি; তোমরা একে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে থাক। (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয় সম্পর্কে সাবধান হও, কেননা প্রতিটি নবোদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত, আর প্রতিটি বিদআতই হচ্ছে পথভ্রষ্টতা।” (মুসনাদে আহমাদ, সুনানে তিরমিযী) নবীর জন্মদিন পালন একটি বিদআত যা মুসলিমদের দ্বীনকে নষ্ট করার জন্য ফাতেমীয় শিয়ারা চালু করেছিল প্রথম তিন শ্রেষ্ঠ যুগ (সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ীন, তাবে তাবেয়ীন) অতিবাহিত হওয়ার পর। কেউ যদি আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে এমন কিছু করে যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেননি কিংবা করতে বলেননি এবং তার উত্তরসূরী খলীফারাও করেননি, তাহলে তার অর্থ এই দাঁড়ায় যে সে দাবী করছে যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের কাছে পরিপূর্ণভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি ব্যাখ্যা করেননি (নাউযুবিল্লাহ), ফলে সে আল্লাহর এই আয়াতকে অস্বীকার করে: “আজ আমি, তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পূর্ণ করে দিলাম।” (সূরা মায়িদাহ; আয়াত ৩) কারণ সে দ্বীনের মধ্যে বাড়তি কিছু সংযোজন করছে এবং দাবী করছে যে তা দ্বীনের অংশ অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা (আল্লাহর পক্ষ থেকে) নিয়ে আসেননি। ২। রাসূলের জন্মদিন উদযাপনের দ্বারা খ্রিস্টান তথা বিধর্মীদের অনুসরণ করা হয়। কেননা তারা যীশু খ্রিস্ট (হযরত ঈসা আ.) এর জন্মদিন পালন করে। আর তাদের অনুসরণ করা চূড়ান্ত হারাম কাজ। হাদীসে আমাদেরকে কাফিরদের অনুসরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং তাদের থেকে ভিন্ন হতে আদেশ করা হয়েছে। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে কেউই কোন জাতির অনুসরণ করে, সে তাদেরই একজন হিসেবে পরিগণিত।” (মুসনাদে আহমদ, সুনানে আবু দাঊদ) তিনি আরো বলেন, “মুশরিকদের থেকে ভিন্ন হও।” (সহীহ মুসলিম) বিশেষত এই নির্দেশ সেসব বিষয়ের ক্ষেত্রে যা তাদের ধর্মীয় নিদর্শন এবং আচার অনুষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত। ৩। বিদআত এবং খ্রিস্টানদের অনুসরণ করার মত হারাম কাজ হওয়া ছাড়াও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন উদযাপন অতিরঞ্জন এবং নবীজীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ির পথ উন্মোচন করে, যা কিনা আল্লাহকে ডাকার পরিবর্তে নবীজীকে ডাকা এবং তাঁর সাহায্য চাওয়া পর্যন্ত রূপ নিতে পারে, যেমনটি বিদআতী এবং মিলাদ পালনকারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় ঘটে থাকে, যখন তারা আল্লাহর পরিবর্তে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ডাকে, তাঁর সহযোগিতা চায় এবং “কাসীদায়ে বুরদা” জাতীয় শিরকপূর্ণ প্রশংসাসূচক কাসীদা আওড়ে থাকে। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রশংসার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করে বলেছেন: “আমাকে এমনভাবে প্রশংসা করো না যেমনটি খ্রিস্টানরা মরিয়মের পুত্রকে (হযরত ঈসা আ.কে) করে থাকে। কেননা আমি আল্লাহর বান্দা মাত্র। সুতরাং (আমার সম্পর্কে) বল, আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।” (সহীহ বুখারী) অর্থাৎ খ্রিস্টানরা যেমন ঈসা আ. এর প্রশংসার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করে শেষ পর্যন্ত আল্লাহর পরিবর্তে তার ইবাদত করা শুরু করে দিয়েছে, তোমরা আমার প্রশংসা করতে গিয়ে তেমনটি করো না। আল্লাহ তাদেরকে এ ব্যাপারে নিষেধ করে আয়াত নাযিল করেছেন: “হে আহলে কিতাব! তোমরা তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না এবং আল্লাহ সম্বন্ধে সত্য ছাড়া অন্য কথা বলো না। মরিয়মের পুত্র মসীহ ঈসা তো আল্লাহর রাসূল ও মরিয়মের নিকট প্রেরিত তাঁর বাণী ছাড়া আর কিছুই নন, এবং আল্লাহর সৃষ্টি করা এক রূহ।…” (সূরা নিসা, আয়াত ১৭১) আমাদের নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করতে আমাদেরকে নিষেধ করেছেন, পাছে না আমাদের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার ঘটে, যা তাদের ক্ষেত্রে ঘটেছে, তাই তিনি বলেছেন, “অতিরঞ্জনের ব্যাপারে সাবধান! কেননা তোমাদের পূর্ববর্তীরা অতিরঞ্জনের কারণেই ধ্বংস হয়েছিল।” (সুনানে নাসাঈ) ৪। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন পালনের এই বিদআত উদযাপন অন্যান্য বিদআতের দ্বার উন্মুক্ত করে এবং সুন্নাত থেকে বিমুখ করে দেয়। তাই বিদআতপন্থীদেরকে দেখা যায় বিদআতের ক্ষেত্রে খুব উৎসাহী আর সুন্নাত পালনের ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা। তারা একে ঘৃণা করে এবং সুন্নাতের অনুসারীদেরকে শত্রুজ্ঞান করে। শেষ পর্যন্ত তাদের গোটা ধর্মই পরিণত হয় বাৎসরিক বিদআতী অনুষ্ঠানাদি এবং মিলাদের সমষ্টিতে। এভাবে তারা বিভিন্ন মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করে এবং সাহায্যের জন্য আল্লাহর পরিবর্তে এইসব তথাকথিত বুজুর্গ ব্যক্তিদের ডাকে, তারা ধারণা করে যে এইসব ব্যক্তি উপকার কিংবা ক্ষতি বয়ে আনতে সক্ষম। এমনিভাবে তারা আল্লাহর দ্বীন থেকে সরে গিয়ে জাহেলিয়াতের যুগের লোকেদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করে, যাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, “এবং তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কিছুর উপাসনা করে যা তাদের কোন ক্ষতিও করতে পারে না এবং কোন উপকারও করতে পারে না। তারা বলে, এরা আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী।” (সূরা ইউনুস, আয়াত ১৮) অন্যত্র বলেন, “…আর যারা আল্লাহকে ছেড়ে অপরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করেছে, তারা বলে, আমরা তো এদের উপাসনা করি কেবল এজন্য যেন তারা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটে পৌঁছে দেয়…।” (সূরা যুমার, আয়াত ৩)

ইসলামে এটা করা যাবে কি?

মাহমূদুলহাসান
Dec 30, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
কোন প্রয়োজন ছাড়া একটি মেয়ে সম্পর্কে জানার আগ্রহ অবৈধ। কারণ এটা সাধারণত গুনাহের দিকেই মানুষকে ধাবিত করে। আপনি তার সম্পর্কে জানতে গিয়ে তার প্রফাইল ছবি (যদি নিজের ছবি বা কোন মেয়ের ছবি ব্যবহার করে থাকে) দেখা হয়ে যেতে পারে, যেটা কবীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। এজন্য আমাদের উচিত প্রয়োজন ব্যতীত কারো সম্পর্কে বিশেষ করে কোন বেগানা মেয়ে সম্পর্কে জানার আগ্রহ পরিত্যাগ করা। তবে যদি বিবাহের নিয়তে কারো সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে শুধুমাত্র তার সম্পর্কে জানতে পারবেন। কিন্তু এক্ষেত্রেও ছবি দেখা বা তার সাথে ফোন বা অন্য কোন মাধ্যমে কথা বলা যাবে না। সরাসরি দেখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সরাসরি কথা বলা জায়েয আছে। আশা করি প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

চ্যানেলের নাম কি দেওয়া যায়?

মাহমূদুলহাসান
Dec 27, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

স্টুডেন্ট টেবিল, টিউটর হোম, শিক্ষার্থীর পাতা, টিউব পাঠশালা ইত্যাদি নাম রাখতে পারেন৷

মাসিকের সময় সহবাস করা ইসলামে নিষেধ কেনো?

মাহমূদুলহাসান
Dec 26, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

ইসলামে মাসিক তথা হায়েযের সময় সহবাস করা হারাম। এর কারণ হলো, এ সময়ে সহবাস করলে উভয়েরই অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেননা এ সময়ের রক্তের প্রচুর পরিমাণ বিষাক্ত জীবানু থাকে। যার দ্বারা ভয়ানক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রমাণিত। অনেক পুরুষকে দেখা যায় যে, এ স্ময় সহবাস করার কারণে লজ্জাস্থানে এলার্জী জাতীয় বিভিন্ন রোগ হয়। লজ্জাস্থানে জ্বালাপোড়া শুরু হয়ে যায়, আবার কারো ধাতু দুর্বলতা দেখা দেয়। এ সময়ের সহবাস দ্বারা সন্তান জন্ম নিলে অনেক ক্ষেত্রে সন্তানের শরীরে বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে। শরীরে বিভিন্ন ধরণের ঘা হয়, যা থেকে অনবরত পানি ঝরতেই থাকে এবং বাচ্চাদানী বাহিরে বের হয়ে আসে । আবার অনেক সময় মহিলাদের ভ্রুণ নষ্টের রোগ হয়ে থাকে।এ ছাড়াও এ সময়ের সহবাসে নারী পুরুষ উভয়েই বিভিন্ন ধরণের রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হ। কেননা ঋতুস্রাব ও নেফাসের রক্তে শরীরের ভিতরের রোগ জীবাণুযুক্ত অপবিত্র উপকরণ থাকে। সে সাথে বিষাক্ত জীবাণুও থাকে। রক্তস্রাবের সময় মহিলাদের সর্বক্ষণ রক্ত নির্গত হওয়ার কারণে কারো কারো যৌনাঙ্গটি এক প্রকার ফোলা ও উষ্ণ থাকে। ঋতুস্রাব বা নেফাস থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করার আগ পর্যন্ত মহিলাদের সাথে সহবাস করবে না।

বি.দ্র. ইসলামের সকল বিধান যুক্তির ঊর্ধ্বে। তথাপি কোন বিধান অযৌক্তিক নয়। সামান্য কিছু বিষয়ের যুক্তি আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞানশক্তিতে বোধগম্য হয়, তবে বৃহদাংশ আমাদের জ্ঞানের বাইরে। যাই হোক উপরোক্ত আলোচনা এবং যুক্তির নিরিখে রজঃস্রাব চলাকালীন সময়ে সহবাস নিষিদ্ধ।

ইসলামে সন্তান জন্মের পর থেকে রক্ত আসা বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সহবাস নিষেধ। তবে এর সময়সীমা হলো সর্বোচ্চ ৪০ দিন। এর কম সময়েও কারো কারো রক্ত বন্ধ হয়ে যায়। এটাকে শরীয়তের পরিভাষায় নিফাস বলে। নিফাস (অর্থাৎ মহিলাদের বাচ্চা প্রসবের পর চল্লিশ দিন বা এর কমে যে কয়দিনে রক্ত আসা পরিপূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়) অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা উচিত না। এ সময়ে সহবাস করলে উভয়েরই অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেননা এ সময়ের রক্তের প্রচুর পরিমাণ বিষাক্ত জীবানু থাকে। যার দ্বারা ভয়ানক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রমাণিত। অনেক পুরুষকে দেখা যায় যে , এ স্ময় সহবাস করার কারণে লজ্জাস্থানে এলার্জী জাতীয় বিভিন্ন রোগ হয়। লজ্জাস্থানে জ্বালাপোড়া শ্র“ হয়ে যায়, আবার কারো ধাতু দুর্বলতা দেখা দেয়। এ সময়ের সহবাস দ্বারা সন্তান জন্ম নিলে অনেক ক্ষেত্রে সন্তানের শরীরে বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে। শরীরে বিভিন্ন ধরণের ঘা হয়, যা থেকে অনবরত পানি ঝরতেই থাকে এবং বাচ্চাদানী বাহিরে বের হয়ে আসে । আবার অনেক সময় মহিলাদের ভ্রুণ নষ্টের রোগ হয়ে থাকে।এ ছাড়াও এ সময়ের সহবাসে নারী পুরুষ উভয়েই বিভিন্ন ধরণের রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হ। কেননা ঋতুস্রাব ও নেফাসের রক্তে শরীরের ভিতরের রোগ জীবাণুযুক্ত অপবিত্র উপকরণ থাকে। সে সাথে বিষাক্ত জীবাণুও থাকে। রক্তস্রাবের সময় মহিলাদের সর্বক্ষণ রক্ত নির্গত হওয়ার কারণে কারো কারো যৌনাঙ্গটি এক প্রকার ফোলা ও উষ্ণ থাকে। ঋতুস্রাব বা নেফাস থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করার আগ পর্যন্ত মহিলাদের সাথে সহবাস করবে না।

বি.দ্র. ইসলামের সকল বিধান যুক্তির ঊর্ধ্বে। তথাপি কোন বিধান অযৌক্তিক নয়। সামান্য কিছু বিষয়ের যুক্তি আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞানশক্তিতে বোধগম্য হয়, তবে বৃহদাংশ আমাদের জ্ঞানের বাইরে। যাই হোক উপরোক্ত আলোচনা এবং যুক্তির কারণে নিফাস তথা বাচ্চা প্রস্রাব পরবর্তী রক্তস্রাব চলাকালীন সময়ে সহবাস নিষিদ্ধ। আল্লাহ তা‘আলাই ভালো জানেন।

কীওয়ার্ড কী?

মাহমূদুলহাসান
Dec 26, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

কি -ওয়ার্ড হলো আমরা যখন Google বা Yahoo বা অন্য সার্চ ইঞ্জিন এ বিভিন্ন ওয়ার্ড বা লাইন লিখে সার্চ দেই,  যেমন-Free Software Download, Islamic Movies ইত্যাদি। এই প্রতিটি লাইন বা শব্দ হলো এক একটি কি-ওয়ার্ড

সূত্র : কি ওয়ার্ড

সাধারণ অতীত কাল কি?

মাহমূদুলহাসান
Dec 26, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

সাধারণ অতীত কাল

যে ক্রিয়া অতীত কালে সাধারণভাবে সংঘটিত হয়েছে, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলা হয়। যেমন, তিনি খুলনা থেকে এলেন। আমি খেলা দেখে এলাম।

মূলতঃ সাধারণ অতীত কাল বলা হয় এমন সময় বা কালকে, যা দ্বারা এটা বোঝা যায় না যে, কাজটি একটু আছে ঘটেছে নাকি বহু আগে ঘটেছে। যেমন, তিনি খুলনা থেকে এলেন বা এসেছেন।

এটাকে আরবী ব্যাকরণে মাযী মুতলাক বলা হয়।

হাদিস থেকে বিভিন্ন আসনে সহবাস করার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। তবে সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে। আয়াতের বঙ্গানুবাদ- “যখন স্বামী স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।” আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উলে­খ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন। কেননা এতে পুংলিংগে বীর্য আটকে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়। তাই ইসলামী জীবন বিধান মেনে চলুন আনন্দকে অনন্দ হিসেবে উপভোগ করুন। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে বিধান অনুযায়ী মেনে চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।

হিল্লা বিবাহ কী? ইসলামে কি হিল্লা বিবাহ করা যায়?

মাহমূদুলহাসান
Dec 26, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

ইসলামে হিলা বিবাহ বলতে কোনো বিবাহ নেই। তিন তালাকপ্রাপ্তা কোনো নারী যদি তার পূর্বের স্বামীর সাথে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চায় তবে তার সুযোগ নেই। তবে যদি কোনো রকম শর্ত, চুক্তি, পারিশ্রমিক ও সামাজিক প্রথা ছাড়া অন্য কোনো পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে এ পুরুষটি মৃত্যুবরণ করে কিংবা কোনো কারণে সে তালাক দিয়ে দেয় তবে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর উক্ত মহিলা তার পূর্বের স্বামীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে।
উল্লেখ্য, বর্তমান সমাজে হিলা বিবাহ নামে যে বিবাহ প্রচলিত তা শরীয়তসম্মত নয়। কারণ এ বিবাহের ভিতরে ডিভোর্স দিয়ে দেয়াটা একটা সামাজিক রীতিতে পরিণত হয়েছে। সামাজিক রীতিতে ঐ লোকটির দু একদিন পর ডিভোর্স না দিয়ে কোনো উপায় নেই। আর ইসলামী আইনের স্বতঃসিদ্ধ একটি রীতি হলো, যে কাজ সামাজিক কিংবা দেশীয় রীতিতে পরিণত হয়ে যায় তা চুক্তি এবং শর্তযুক্ত কাজের পর্যায়ভুক্ত বলে গণ্য হয়। সুতরাং প্রচলিত এ হিলা বিবাহ শরঈ নীতির আওতায় পড়ে না। যদিও এ ধরনের বিবাহোত্তর তালাক হয়ে গেলে এ মহিলা তার পূর্বের স্বামীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে।

(সূরা বাকারা; আয়াত ২৩০, আদদুররুল মুখতার ৫/৪৭-৪৮, তাবয়ীনুল হাকায়েক ২/২৫৯, ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ১৯/৩১৩)


ইসলামিক নিয়মে সহবাস করার পদ্ধতি


স্বামী-স্ত্রী উভয়ই পাক পবিত্র থাকবে।

মুস্তাহাব হলো “বিসমিল্লাহ” বলে সহবাস শুরু করা।

সহবাসের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করাও আল্লাহর রাসুলের সুন্নত।

সকল প্রকার দুর্গন্ধ জাতীয় জিনিস পরিহার করা উচিত। উল্লেখ্য যে, ধুমপান কিংবা অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। আর এতে কামভাব কমে যায়। আগ্রহের স্থান দখল করে নেয় বিতৃষ্ণা।

কেবলামূখী না হওয়া।

একেবারে উলঙ্গ হবে না। 

বীর্যপাতের পর ততক্ষণাত বিচ্ছিন্ন হবে না, বরং স্ত্রীর বীর্যপাত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।

বীর্যপাতের সময় মনে মনে নির্ধারিত দোয়া পড়বে। কেননা যদি সে সহবাসে সন্তান জন্ম নেয় তাহলে সে শয়তানের প্রভাবমুক্ত হবে।

আমরা অনেকেই হয়ত ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক সহবাসের স্বাভাবিক নিয়ম বা পন্থা সম্পর্কে জানি না। এখানে এ বিষয়ে একটু ধারণা দেয়া হলো যদিও হাদিস থেকে বিভিন্ন আসনে সহবাস করার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। তবে সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। সর্বপরি এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।

আয়াতের অর্থ হলোঃ

“যখন স্বামী -স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।”

আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয়না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক। বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উলে­খ করেছেন এবং

‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন। কেননা এতে পুংলিংগে বীর্য আটকে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়। তাই ইসলামী জীবন বিধান মেনে চলুন আনন্দকে অনন্দ হিসেবে উপভোগ করুন। আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে বিধান অনুযায়ী মেনে চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।

হযরত আলী (রাযি.) এর অসিয়ত :-

হযরত আলী (রাযি.) তাঁর অসিয়ত নামায় লিখেছেন যে, সহবাসের ইচ্ছে হলে এই নিয়তে সহবাস করতে হবে যে, আমি ব্যভিচার থেকে দূরে থাকবো। আমার মন এদিক ওদিক ছুটে বেড়াবেনা আর জন্ম নেবে নেককার ও সত সন্তান। এই নিয়তে সহবাস করলে তাতে সওয়াব তো হবেই সাথে সাথে উদ্যেশ্যও পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ।

আমাদের ইসলামী সমাজে প্রচলিত কিছু নিয়ম কানুন :-

ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না।

সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়বেন।

স্ত্রী সহবাসের দোয়া :-

بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا

(বিসমিল্লাহি আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ্-শাইত্বানা ওয়া জান্নিবিশ্-শাইত্বানা মা রযাকতানা)।

‘আল্লাহ্‌র নামে। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আমাদেরকে আপনি যে সন্তান দান করবেন তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন।” (সুত্র :- বুখারী ৬/১৪১, নং ১৪১; মুসলিম ২/১০২৮, নং ১৪৩৪)

তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন। স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালোবাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে। চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস। তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।

স্ত্রী সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করিবে না। তাহার সাহিত মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীর ও তাই করা উচিৎ।

কখন সহবাস করা যাবে না

স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেন না। চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়। বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না। সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না। নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাস কবেন না। উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না। জোহরের নামাজের পরে স্ত্রী সহবাস করবেন না। ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না। উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না। পূর্ব-পশ্চিম দিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

বাড়িতে একসাথে দুই ওয়াক্ত নামাযের কাযা করতে হলে করণীয়

যদি একাকি হয় তাহলে দুই নামাযের কোনোটাতেই তাকবীর তথা ইকামত জরুরী নয়।

আর যদি জামাআতের সাথে হয় তাহলে দুই নামাযে এক আযান এবং দুই তাকবীর দিতে হবে।

Loading...