user-avatar

Manik Raj

◯ মানিকরাজ

ছেলেদের বিয়ের বয়স কত?

মানিকরাজ
Jun 24, 12:55 PM

বর্তমান নিয়মানুযায়ী ছেলের বয়স ১৮ বছর এবং মেয়ের

বয়স ১৬ হলেই ইচ্ছে করলে পরিবার বিয়ে দিতে পারবে।       

এবিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রী।      

নাহ,সমস্যা হবেনা।আপনি প্রতিটা টাকা লেনদেন করার একাউন্ট আপনার নিড আইডি দিয়ে একটি করে খুলতে পারবেন।

বিস্ময়ের কাজ এখনো চলছে অপেক্ষা করুন

খুব তাড়াতাড়ি সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে।

বিস্ময় হবে আরো বিস্ময়কর! 

অসম্ভব সুন্দর ডিজাইন নিয়ে হাজির হবে

আপনাদের মাঝে।           

আমার নিজেরেই ডাউন হল ১০ আছে।

অপশন পরিবর্তন করা হচ্ছে এবং আরো পরিবর্তন হবে সঙ্গেই থাকুন। 

আগের ভার্সন থেকে আরো বেটার কিছু নিয়ে হাজির হবে নতুন ভার্সন, নতুনভাবে নতুন বিস্ময় হবে অসাধারণ। 

জাস্ট অপেক্ষা করুন আপডেট হওয়ার আগপর্যন্ত। 

আপনি ৮টি নর নিবেন এবং ২ টি মাদি নিবেন তাহলেই হবে।

Profile খুজে পাচ্ছি না?

মানিকরাজ
Feb 24, 11:09 PM

সাইটের কাজ চলছে অপেক্ষা করুন খুব শীগ্রই বিস্ময় আসবে নতুনভাবে, নতুনরূপে। 

Islam কী?

মানিকরাজ
Feb 22, 06:18 PM

ইসলাম” আরবী শব্দ যার অর্থ “আনুগত্ত করা বা আত্মসমর্পন করা”।

নিচের কোডটির মাধ্যমে জানতে পারবেন

Airtel SMS Balance Dail *121*7#. 

এরকম নাম বিস্ময়ে গ্রহণযোগ্য না তাই নামের সমস্যার কারণে একাউন্টটি স্থায়ীভাবে স্থগিত করা হয়েছে।  

A great story of a real man

মানিকরাজ
Oct 21, 09:46 AM

 It was very hard for my husband to run our family working alone. He was a day labourer. During the whole day I used to stay home alone. After finishing my household chores, I felt so bored and lonely after sending my daughter off to school. Then we started saving money and started a tea shop one year ago near our home. I taught my husband how to make tea. Now people say that our tea is the best tea in our whole area. My husband takes care of the shop in the morning. After I finish my household chores, I look after the shop in the evening. Then my husband can get some rest and give some time to our daughter and son. When we have nothing to do, we run the shop together so we can take time for each other besides selling tea. We started our tiny tea stall with nothing. Now we have everything we need and we can easily earn 500 taka every day from this shop. I admitted my daughter and son to a good school. My dream for my daughter is to give her a better education so she can be a doctor after finishing her studies. Everything was possible for all of us when both my husband I were working hard. My husband always shows his gratitude for my idea and involvement in opening the shop. Many neighbors have said bad things to my husband about why he lets his woman work in a shop where there are always a lot of men coming for tea. But my husband never listens to them and always keeps mentioning it proudly. He says, “If all the women started working like my wife, there would be no poverty in Bangladesh anymore.” 

Sorifa

What a brave little girl

মানিকরাজ
Oct 21, 09:40 AM

 I have nobody. I live alone. Sometimes I go to play with the children of this neighborhood. But they do not take me to participate in their games. They laugh at me because I have no idea where my parents live. They mocked me by calling my parents names. I do not mind. Humiliation is a part of my life. That’s why nowadays, all the time I play alone. You will not feel bad anymore when you learn how to enjoy yourself alone. That’s why I stopped looking for friends. I am happy and can move about freely now. By the way, I call myself Bird; isn’t that a good name?

A great story of a real father

মানিকরাজ
Oct 21, 09:31 AM

 I never told my children what my job was. I never wanted them to feel ashamed because of me. When my youngest daughter asked me what I did, I used to tell her hesitantly that I was a labourer. Before I went back home every day, I used to take a bath in the public toilets so they did not get any hint of the work I was doing. I wanted to send my daughters to school, to educate them. I wanted them to stand in front of people with dignity. I never wanted anyone to look down upon them like the way everyone did to me. People always humiliated me. I invested every penny of my earnings for my daughters’ education. I never bought a new shirt, instead I used the money for buying books for them. Respect is all I wanted them to earn for me. I was a cleaner. The day before the last date of my daughter’s college admission, I could not manage to get her admission fees. I could not work that day. I was sitting beside the rubbish, trying hard to hide my tears. All my co-workers were looking at me but no one came to speak to me. I had failed and felt heartbroken. I had no idea how to face my daughter who would ask me about the admission fees once I got back home. I was born poor. I believed nothing good can happen to a poor person. After work all the cleaners came to me, sat beside me and asked if I considered them as brothers. Before I could answer, they each handed me their one day's income. When I tried to refuse everyone; they confronted me by saying, ‘We will starve today if needed, but our daughter has to go to college.’ I couldn't reply to them. That day I did not take a shower; I went back to my house like a cleaner. My oldest daughter is going to finish her University very soon. Three of them do not let me go to work anymore. My oldest girl has a part time job and the other three of them do tuition. Oftentimes, my oldest daughter takes me to my working place. She feeds all my co-workers along with me. They laugh and ask her why she feeds them so often. My daughter told them, ‘All of you starved for me that day so I can become what I am today, pray for me that I can feed you all, every day.' Nowadays I don't feel like I am a poor man. Whoever has such children, how can he be poor?

বর্তমানে আমাদের বেশিরভাগ মানুষের এখন    ফোন ছাড়া জীবন চালানোই যেন কঠিন।আমাদের বেশিরভাগ লোকের   হাতের স্মার্টফোনের সঙ্গেই কাটে আমাদের দিনের  বেশির ভাগ সময় এমনকি রাতের সময়ও ।মোবাইল  ফোনটি সচল রাখতে ব্যাটারিতে সচেতনভাবে চার্জ দিতে হয়।কিছু কিছু   নিয়ম মেনে যত্নের সঙ্গে ব্যবহার করলেই নতুন স্মার্টফোন নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যায় দীর্ঘ দিন।এটাই সবাই প্রত্যাশা করে যেন চার্জ বেশি টিকে সাথে মোবাইলটিও বেশিদিন ব্যবহার করা যায়।      টেক বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, ব্যাটারির চার্জ কমে ৫০শতাংশ হওয়ার আগে কিছুতেই ফোন চার্জে দেয়া উচিত না। আবার, কমপক্ষে ২০শতাংশ চার্জ থাকা অবস্থায় রিচার্জ করে নিতে হবে।স্মার্ট ফোন কখনো শতভাগ রিচার্জ করা উচিত নয়। আর চার্জ হয়ে গেলে চার্জার খুলে নিতে হবে।মাসে একবার ব্যাটারি পুরোপুরি ডিসচার্জ করতে হবে। ফোনের চার্জ শেষ হয়ে ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রিচার্জ করে নিতে হবে।ব্যবহার করা ফোন কেনার আগে অবশ্যই ব্যাটারির অবস্থা জেনে নিন। নিজের নতুন ফোনও যত্ন নিয়ে ব্যবহার করুন। বিক্রি করতে চাইলে ভালো দাম পাবেন।

শাওমি অফিশিয়াল এবং আনঅফিশিয়াল দুটার মধ্যে তফাত কী কী?