user-avatar

মানসূরআহমাদ

◯ মানসূরআহমাদ

অবশ্যই এটি চোখের যিনা এবং কবিরা গুনাহ হবে। যা তওবা ছাড়া মাফ হয়না। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আর মুমিন পুরুষদেরকে বল, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে। (সুরা নুর) রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ “কোন বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা, অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা, অবৈধভাবে কাউকে স্পর্শ করা হাতের যিনা, ব্যাভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা, খারাপ কথা শোনা কানের যিনা আর যিনার কল্পণা করা ও আকাংখা করা মনের যিনা। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়”। সহীহ আল-বুখারী, সহীহ আল-মুসলিম,সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসায়ী। আর এ ধরনের গুনাহের কাজে কারো আনুগত্যও করা যাবে না। বর্ণিত হয়েছে, "স্রষ্টার অবাধ্যতায় সৃষ্টির আনুগত্য করা যাবে না।" হ্যাঁ, যারা এই ইসলামবিরোধী আইন করেছে, বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে, তাদেরও গুনাহ হবে।
বিয়ের পূর্বে জিনা করার দরূন আপনাদের অবশ্যই গোনাহ হয়েছে। যদিও উক্ত মেয়েকেই বিয়ে করা হয়েছে। তাই বিয়ে পূর্বের জিনার জন্য তওবা করতে হবে। তওবা করার পদ্ধতি হল, ১-পূর্ব গোনাহের জন্য অনুতপ্ত হওয়া। ২-ভবিষ্যতে আর কখনো এমন গোনাহ না করার সংকল্প করা। ৩- উক্ত গোনাহটি ছেড়ে দেয়া। انَّمَا التَّوْبَةُ عَلَى اللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السُّوءَ بِجَهَالَةٍ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِنْ قَرِيبٍ فَأُولَٰئِكَ يَتُوبُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ ۗ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا [٤:١٧]وَلَيْسَتِ التَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السَّيِّئَاتِ حَتَّىٰ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ إِنِّي تُبْتُ الْآنَ وَلَا الَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌ ۚ أُولَٰئِكَ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا [٤:١٨ অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন,যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে,অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে,এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। {সূরা নিসা-১৭-১৮} তাছাড়া আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে এ জন্য কায়মানোবাক্যে ক্ষমা চান। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাআলা আপনাদের গোনাহকে মাফ করে দিবেন। আপনার সংসার সুখময় ও ইবাদতময় হোক এ দুআই করছি। عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ، كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ হযরত আব্দুল্লা বিন মাসঈদ রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসল সাঃ ইরশাদ করেছেন, গুনাহ থেকে তওবাকারী সেই ব্যক্তির মত যার কোন গোনাহ নেই। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৪২৫০} عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه و سلم لا يلج النار رجل بكي من خشية الله حتى يعود اللبن في الضرع ولا يجتمع غبار في سبيل الله ودخان جنهم হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-“যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে সে ব্যক্তিকে (জাহান্নামের) অগ্নি স্পর্শ করা সম্ভব নয় যদিও দোহনকৃত দুধ উলানে ফিরানো সম্ভব হয়। আর জাহান্নামের ধোঁয়া এবং আল্লাহর পথে (চলার কারণে) উড়ন্ত ধুলি কখনো একসাথে হতে পারেনা। (নাসায়ী শরীফ, হাদিস নং-৩১০৮, সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং-১৬৩৩, ২৩১১, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৪২৭)
ইসলামি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী মৃত পুত্রের স্ত্রী তথা পুত্রবধূ কখনোই শ্বশুরের ওয়ারিশ হবে না। আর পুত্রের সন্তানেরা তথা নাতিরা দাদার ওয়ারিশ হবে আসাবা হিসেবে। আর আসাবারা ওয়ারিশ হয় যাবিল ফুরুজ (যাদের অংশ কুরআন কর্তৃক নির্দিষ্ট। যেমন, মা, বাবা, বোন, মেয়ে, স্ত্রী ইত্যাদি) কেউ না থাকলে। কিন্তু যদি যাবিল ফুরুজ থাকে, তাহলে যাবিল ফুরুজের অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবে। তবে যাবিল ফুরুজকে দেওয়ার পর যদি কোনো সম্পত্তি না থাকে, তাহলে তারা বঞ্চিত হবে। তেমনিভাবে তাদের চেয়ে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কোনো আসাবা থাকলেও তারা বঞ্চিত হবে। যেমন, আপনার এই নাতিদের সাথে যদি অন্য কোনো ছেলেও থাকে, তাহলে নাতিরা আপনার ছেলে তথা তাদের চাচার সাথে সম্পত্তি পাবে না; বরং বঞ্চিত হবে।
ফেসিয়াল তো মুখের বাইরের দিকে করা হয়। আর মুখের বাইরের দিকে কোনো পদার্থ ব্যবহার করলে এবং সেই পদার্থ ভেতরে না গেলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তাই রোজা রেখে ফেসিয়াল করা যাবে।
  • কোনো মুসলমান অমুসলিম দেশে থাকতে চাইলে সে দেশের নিয়ম অনুযায়ী থাকবে। সে দেশের আইন অনুযায়ী যদি ট্যাক্স দিতে হয়, তাহলে দেবে। অন্য দেশের আইনের ওপর ইসলামের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
  • অমুসলিমরা মুসলিম দেশের শাসক বা খলিফা হতে পারবে না। মুসলমানদের শাসক হওয়ার জন্য মুসলমান হওয়া শর্ত। 

[সূত্র: ইসলামি জীবনব্যবস্থা : ৩৬১] 

না, তাঁরা ইমামতির বিনিময় গ্রহণ করেননি। 

সে যুগে আমাদের এ যুগের মতো ইমাম-মুয়াজ্জিনকে বেতন দেওয়া হত না। তাঁরা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই ইমামতির দায়িত্ব পালন করতেন। 

সে যুগের ইমাম-মুয়াজ্জিনরা যে বিনিময় গ্রহণ করতেন না, তা এই হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয়: 

كما في حديثِ عُثمانَ بنِ أبي العاصِ رَضِيَ الله تعالى عنه، قال: ((كان آخِرُ ما عَهِدَ إليَّ النبيُّ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم: ألَّا أتَّخِذَ مُؤَذِّنًا يأخُذُ على الأذانِ أجرًا)

ত্রিশ দিনের ছিল। সে বছর রমজান মূলত ১৯৯৮ সালের ১৯শে ডিসেম্বর শুরু হয়ে ১৯৯৯ সালের ১৭ই জানুয়ারিতে শেষ হয়েছিল। 

বিস্তারিত এখানে  

হাদিস সংক্রান্ত?

মানসূরআহমাদ
Jul 7, 05:33 AM
আপনি যে হাদিসটা উল্লেখ করেছেন, এটার হাদিস নম্বরেও ভুল আছে, অনুবাদেও ভুল আছে। মূল হাদিসটা এমন:  আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যু পর্যন্ত টেবিলের উপর আহার করেননি আর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত পাতলা রুটি খেতে পাননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০০৬) সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬৪৫০ এখানে শব্দটা এসেছে খিওয়ান। আর খিওয়ান অর্থ দস্তরখান নয়। বরং খিওয়ান হল টেবিলের মতো এক ধরনের আসবাবপত্র, যা সে যুগের বিলাসীরা খাবার খাওয়ার সময় ব্যবহার করত। এ যুগে খিওয়ান শব্দের অর্থ টেবিল বলাটাই সঙ্গত।  আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশ্যই দস্তরখানে খেতেন। ভিন্ন সনদে একই হাদিসে এসেছে:  আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো ‘খিওয়ান’ (টেবিলের মত উঁচু স্থানে)-এর উপর খাবার রেখে আহার করেননি এবং ছোট ছোট বাটিতেও তিনি আহার করেননি। আর তাঁর জন্য কখনো পাতলা রুটি তৈরী করা হয়নি। ইউনুস বলেন, আমি কাত্বাদাহ্‌কে জিজ্ঞেস করলামঃ তাহলে তাঁরা কিসের উপর আহার করতেন? তিনি বললেনঃ দস্তরখানের উপর। [৪১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯০৮) সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৪১৫ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

চারজন নবি রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন: 

  1. ইউসুফ আলাইহিস সালাম। (মিসরের শাসক)
  2. দাউদ আলাইহিস সালাম। (জেরুজালেমের শাসক)  
  3. সুলাইমান আলাইহিস সালাম। (জেরুজালেম-সহ পুরো বিশ্বের শাসক)  
  4. মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। (আরবের শাসক)
কিয়ামতের ময়দানে আলেমদের ইমাম হবেন প্রসিদ্ধ সাহাবি মুআয বিন জাবাল রাযিয়াল্লাহু আনহু।  [সূত্র: মুস্তাদরাকে হাকিম]
  • সাক্ষী ইজাব দিতে পারবে না তথা বিবাহ পড়াতে পারবে না। সাক্ষী ইজাব দিলে তার সাক্ষী বাতিল হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় সে ছাড়া আরও দুজন পুরুষ কিংবা একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে হবে। অর্থাৎ, বিয়ে পড়ানোর লোক বা কাজি থাকবে আলাদা, আর সাক্ষী থাকবে আলাদা। তবে বিয়ের বর নিজেই নিজের বিয়ের কাজি হতে পারবে। [ফাতাওয়া কাসিমিয়া : ১২/৭০৮]
  • প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রেও "একজন পুরুষ ও দুইজন নারী (সাক্ষী হিসেবে) উপস্থিত থাকাব্যস্থায়,উপস্থিত পুরুষ সাক্ষী যদি বর এবং কনেকে ইজাব দেয় এবং বর কনে উভয়েই কবুল করে" তবে (যদি বর-কনে একই বৈঠকে উপস্থিত না থাকে, তাহলে) শরিয়ত অনুযায়ী তাদের বিয়ে বৈধ হবে না। ইজাব দেওয়ার কারণে ওই পুরুষের সাক্ষী বাতিল হয়ে যাবে। [ফাতাওয়া কাসিমিয়া : ১৩/৪১] তবে সাক্ষী যে মজলিস বা বৈঠকে আছে, একই জায়গায় যদি বিয়ের বর এবং কনেও উপস্থিত থাকে, তাহলে আবার বিয়ে হয়ে যাবে। কারণ, এক্ষেত্রে সাক্ষী বিয়ে পড়ালেও সে বিয়ের কাজি নয়; বর-কনে নিজেরাই বিয়ের আকদকারী বা কাজি হিসেবে গণ্য হবে। [হিদায়া : ২/৩০৭; ফাতাওয়া কাসিমিয়া : ১২/৭০৮] (তবে খেয়াল রাখতে হবে, ইজাব যেন সহিহ পন্থায় হয়। মনে রাখবেন, বিয়েতে উভয়কেই ইজাব দেওয়া হয় না বা উভয়ই কবুল বলে না। বরং একজনের পক্ষ থেকে ইজাব বা প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং অন্যজন তা কবুল করে।)
  • খুতবাবিহীন বিবাহ বৈধ আছে। কারণ খুতবা বিয়ের ফরজ বা শর্ত নয়। বরং সুন্নাত। আর সুন্নাত ছেড়ে দিলেও বিয়ে হয়ে যায়। [ফাতাওয়া কাসিমিয়া : ১২/৫০৩] 
তার ডাকনাম তো আবু তালিব-ই। জন্মের পর তার নাম রাখা হয়েছিল আবদে মানাফ বা ইমরান। পরবর্তীতে তার বড় ছেলে তালিব এর নামে তাকে আবু তালিব বা তালিবের বাবা বলে ডাকা হত। তিনি ডাকনাম আবু তালিব দ্বারাই প্রসিদ্ধ হন। 

কাগজের ফুল সম্পর্কে?

মানসূরআহমাদ
Jul 7, 03:57 AM
না, এগুলো হারাম নয়। এগুলো জায়েজ আছে। ঘর সাজানোর জন্য এসব করা গুনাহও নয়।  তবে প্রাণীর ছবি বানানো যাবে না। কিন্তু ফুল বানাতে কোনো নিষেধ নেই। 

দেখতে হবে, মুক্তাদির ভুলটা কোন ধরনের ভুল। 

  • যদি কোনো ফরজ ছেড়ে দেয়, তাহলে তার নামাজ হবে না। চাই ভুলে ছাড়ুক অথবা ইচ্ছাকৃত ছাড়ুক। এই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে।
  • যদি কোনো ওয়াজিব ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেয়, তাহলেও নামাজ হবে না; পুনরায় পড়তে হবে।   
  • আর যদি ভুলটা সাহু সিজদা ওয়াজিবকারী হয় অর্থাৎ, ভুলে কোনো ওয়াজিব ছেড়ে দিল অথবা এক সময়ের ওয়াজিব অন্য সময় আদায় করল কিংবা এক সময়ের ফরজ ভুলে ছেড়ে দিয়ে অন্য সময় আদায় করে নিল, তাহলে এক্ষেত্রে তার নামাজ হয়ে যাবে। তার সাহু সিজদাও করতে হবে না। কারণ, ইমামের পিছনে মুক্তাদির জন্য আলাদা করে সাহু সিজদা করার বিধান নেই।
  • আর যদি কোনো সুন্নাত বা মুস্তাহাব ছেড়ে দেয় বা এক সময়ের সুন্নাত অন্য সময় আদায় করে, তাহলে এতে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে না। নামাজ হয়ে যাবে, সাহু সিজদাও লাগবে না। কারণ, সুন্নাতের কারণে সাহু সিজদা লাগে না। 
  • প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় অর্থাৎ, রুকুর তাসবিহ সিজদায় পড়লে কিংবা সিহদার তাসবিহ রুকুতে পড়লে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ, এটিও সুন্নাত। আর তা ছাড়া রুকুর তাসবিহ ও সিজদার তাসবিহ আলাদা আলাদা হলেও উভয়টার অর্থ একই এবং উভয় তাসবিহ একই ধরনের, একই অর্থ, একই মর্ম। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটা করা অনুত্তম হবে। ভুলে করলে কোনো সমস্যা নেই।  

জামাতের ছালাত সম্পর্কিত?

মানসূরআহমাদ
Jul 7, 03:19 AM
একাকী নামাজ আদায় ও ইমাম হিসেবে নামাজ আদায়ের মধ্যে সামান্য পার্থক্য আছে।  ১. ইমাম তাকবিরগুলো সশব্দে, জোরে জোরে বলেন। আর একাকী নামাজ আদায়কারী নিঃশব্দে তাকবির বলেন। ২. জাহরি নামাজে অর্থাৎ, মাগরিব, ইশা ও ফজরের নামাজের প্রথম দুই রাকাতে ইমাম সাহেব সশব্দে কিরাত পড়েন। আর একাকী নামাজ আদায়কারী এই নামাজগুলোতেও নিঃশব্দে কিরাত পড়েন। এগুলো ছাড়া উভয়ের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য বা পরিবর্তন পাওয়া যায় না। 

হাদিসে জিব্রাইল কাকে বলে?

মানসূরআহমাদ
Jul 7, 03:12 AM

একদিন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম সাদা ধবধবে পোশাক পড়ে মানুষের বেশে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আসেন, আগন্তুক হিসেবে। এ সময় তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ৪টি বিষয়ে প্রশ্ন করেনঃ ইসলাম, ইমান, ইহসান কি এবং কিয়ামত কখন হবে?
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রশ্নগুলোর উত্তর দেন আর সাহাবারা অবাক হয়ে শুনতে থাকেন। জিব্রাঈল আলাইহিস সালাম চলে যাওয়ার পরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদেরকে বলেন তিনি ছিলেন জিব্রাঈল, তিনি এসে প্রশ্ন করেন আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দেন - এর রহস্য হচ্ছে এর মাধ্যমে সাহাবারাও প্রশ্নগুলোর উত্তর জেনে যাবেন।

ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাদীসটিকে "হাদীসে জিব্রাঈল" বলা হয়। এছাড়া এই হাদীসে ইসলামের এতোগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একসাথে বর্ণিত হওয়ায় মুহাদ্দিসগণ এটিকে “উম্মুল আসার” বা (নবীর সাথে সম্পর্কিত) নবী+সাহাবীদের সমস্ত হাদীস সমূহের জননীও বলা হয়। এজন্য ইমাম মুসলিম রাহিমাহুল্লাহ তাঁর সহীহ মুসলিমের এক নাম্বার হাদীস হিসেবে এই হাদীসকে সংকলন করেছেন। আর ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লাহ তাঁর সহীহ বুখারীর ঈমান অধ্যায়ে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন।

মেনথল অ্যালকোহল নয়। এটি পুদিনা, শস্যদানা ইত্যাদির সংমিশ্রণে তৈরি এক ধরনের কর্পূরবিশেষ। এটি ব্যবহার বৈধ আছে।       
জিয়ারত মানে হল সাক্ষাৎ বা পরিদর্শন। কবর জিয়ারত হল কবরে গিয়ে কবরবাসীকে সালাম করা, কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি ইবাদত করে তাদের রুহের ওপর সোয়াব পৌঁছিয়ে দেওয়া এবং তাদের জন্য দোয়া করা।  কবর জিয়ারত করলে মৃত্যুর কথা স্মরণ হয়, মন আল্লাহ ও পরকাল-মুখী হয়। তাই কবর জিয়ারত একটি ইবাদত।  হাদিসে এসেছে, বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে ক্ববর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা তা যিয়ারত করতে পারো। কেননা ক্ববর যিয়ারতের মধ্যে শিক্ষা (গ্রহণের সুযোগ) রয়েছে। সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩২৩৫ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ
চব্বিশ বছর বয়সেও দাড়ি-গোঁফ না গজানোটা স্বাভাবিক নয়। আপনার হরমোনজনিত কোনো সমস্যা থাকতে পারে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।  আর চাইলে প্রাথমিকভাবে Beard Oil মেখেও ট্রাই করতে পারেন। বিয়ার্ড অয়েলে অনেকের দাড়ি-গোঁফ গজায়।      

কারো ক্ষতি করা বা কষ্ট দেওয়া ইসলামে হারাম। এগুলো জুলুমের অন্তর্ভুক্ত। আর জুলুম করলে আল্লাহর নিষেধ অমান্য করার ফলে আল্লাহর হক নষ্ট হয় এবং বান্দার ওপর জুলুম করার ফলে বান্দার হক নষ্ট হয়। 


বান্দার হক বান্দা ক্ষমা করে না দিলে আল্লাহ ক্ষমা করেন না। তাই এ ক্ষেত্রে আগে বান্দার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। এরপর আল্লাহর কাছে তাওবা করতে হবে। 


إِنَّمَا التَّوْبَةُ عَلَى اللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السُّوءَ بِجَهَالَةٍ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِنْ قَرِيبٍ فَأُولَٰئِكَ يَتُوبُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ ۗ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا [٤:١٧] وَلَيْسَتِ التَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السَّيِّئَاتِ حَتَّىٰ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ إِنِّي تُبْتُ الْآنَ وَلَا الَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌ ۚ أُولَٰئِكَ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا [٤:١٨


অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন,যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে,অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী,রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে,এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়,তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। {সূরা নিসা-১৭-১৮}


عن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى الله عليه و سلم لا يلج النار رجل بكي من خشية الله حتى يعود اللبن في الضرع ولا يجتمع غبار في سبيل الله ودخان جنهم


হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-“যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে সে ব্যক্তিকে (জাহান্নামের) অগ্নি স্পর্শ করা সম্ভব নয় যদিও দোহনকৃত দুধ উলানে ফিরানো সম্ভব হয়। আর জাহান্নামের ধোঁয়া এবং আল্লাহর পথে (চলার কারণে) উড়ন্ত ধুলি কখনো একসাথে হতে পারেনা। (নাসায়ী শরীফ, হাদিস নং-৩১০৮, সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং-১৬৩৩, ২৩১১, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৪২৭)


عن جابر عن النبي صلى الله عليه و سلم قال : إياكم والظلم فإن الظلم ظلمات يوم القيامة 


হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা জুলম থেকে বেঁচে থাক। কেননা, জুলুম কিয়ামতের দিন ভীষন অন্ধকার হয়ে দেখা দিবে। {আলআদাবুল মুফরাদ, হাদীস নং-৪৮৮, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-২০৯৯, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-২৫১৬, সহীহ বুখারী, হাদীস নং-২৩১৫, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-২৫৭৮}


মোফাজ্জল নামের অর্থ কি?

মানসূরআহমাদ
Jul 6, 11:44 AM
এই নামের অনেক অর্থ রয়েছে। যেমন: অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত, অগ্রাধিকারযোগ্য, মর্যাদাপূর্ণ, শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট, প্রিয়, পছন্দনীয়। (সূত্র: আল-মুজামুল ওয়াফী)
হ্যাঁ, এটাতে মিডিয়াটেক প্রসেসর আছে। এটাতে মিডিয়াটেক 6572 চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে।

অজু ছাড়া আজান দিলে কি হয়?

মানসূরআহমাদ
Jul 6, 02:37 AM
আজানের জন্য অজু করা শর্ত বা আবশ্যক নয়। অজু ছাড়া আজান দিলেও আজান হয়। তবে অজুসহ আজান দেওয়া উত্তম, ব্যস এতটুকুই। কিন্তু অজু ছাড়া আজান দিলে ছয়টা ক্ষতি- এর কোনো ভিত্তি নেই।
আলেয়া হল বিভ্রান্তিকর বস্তু, প্রহেলিকা। আলেয়ার আলো হল জলাভূমিতে দৃষ্ট এক ধরনের জ্বলন্ত গ্যাস, যা দেখে প্রায়ই পথিকের পথভ্রম ঘটে। অর্থাৎ, আলেয়াকে আলো মনে করে পথিক তার পথ ভুলে যায়, পথ হারিয়ে ফেলে।

'আলেয়ার আলো' কথাটির অর্থ কী?

মানসূরআহমাদ
Jul 6, 02:30 AM
আলেয়া হল বিভ্রান্তিকর বস্তু, প্রহেলিকা। আলেয়ার আলো হল জলাভূমিতে দৃষ্ট এক ধরনের জ্বলন্ত গ্যাস, যা দেখে প্রায়ই পথিকের পথভ্রম ঘটে। আলেয়ার আলো কথাটা মিথ্যা মায়া অর্থে ব্যবহার হয়। অর্থাৎ, আলেয়ার আলো কথার ব্যবহারিক অর্থ হচ্ছে মিথ্যা মায়া।
এই পাহাড়ের নাম জুদি। মহাপ্রলয়ের সময় নুহ আলাইহিস সালামের নৌকা এই পাহাড়েই ভিড়েছিল। "আর বলা হল, ‘হে যমীন, তুমি তোমার পানি চুষে নাও, আর হে আসমান, বিরত হও’। অতঃপর পানি কমে গেল এবং (আল্লাহর) সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হল, আর নৌকা জুদী পর্বতের উপর উঠল এবং ঘোষণা করা হল, ‘ধ্বংস যালিম কওমের জন্য’।" [সুরা হুদ : ৪৪]

শপথের বিকল্প কি?

মানসূরআহমাদ
Jul 5, 05:29 PM
কুরআনের কসম হওয়ার জন্য কুরআন ছোঁয়া আবশ্যক নয়। বরং শুধু 'কুরআনের কসম' বা 'আল্লাহর কালামের কসম' বললেই কসম হয়ে যাবে। কসম করলে শরয়ি কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়া কসম ভঙ্গ করা জায়েজ নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে কসম ভঙ্গ করা মারাত্মক গুনাহ। কেউ কসম ভঙ্গ করলে তাকে এর কাফফারা আদায় করতে হবে। কাফফারা আদায় করার পদ্ধতি: ব্যক্তি তার পরিবারকে নিয়ে মধ্যম ধরণের যে খাবার গ্রহণ করে এমন খাবার দশজন মিসকিনকে দুই বেলা খাইয়ে দিবে। অথবা দুই জোড়া কাপড় দিয়ে দিবে। সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকাকে একদিনের খরচ ধরা হবে। সেই হিসেবে সদকায়ে ফিতর পরিমাণকে দশ দিয়ে গুণ দিলে যত টাকা হয়,তাই হবে কসমের কাফফারা। যেমন গত রমজানে সদকায়ে ফিতির ছিল সর্বনিম্ন ৭০ টাকা। তো সেই হিসেবে ৭০০[ সাতশ টাকা] হবে কসমের কাফফারা। এটি বর্তমান মূল্য হিসেবে ধরা হয়েছে। আগে-পরে পরিবর্তিত হতে পারে। যদি টাকা দিয়ে কাফফারা আদায় করতে সক্ষম না হন। তাহলেই কেবল তিনটি রোযা রাখার মাধ্যমে কাফফারা আদায় করতে হবে। لَا يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَٰكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا عَقَّدتُّمُ الْأَيْمَانَ ۖ فَكَفَّارَتُهُ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ مِنْ أَوْسَطِ مَا تُطْعِمُونَ أَهْلِيكُمْ أَوْ كِسْوَتُهُمْ أَوْ تَحْرِيرُ رَقَبَةٍ ۖ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ ۚ ذَٰلِكَ كَفَّارَةُ أَيْمَانِكُمْ إِذَا حَلَفْتُمْ ۚ وَاحْفَظُوا أَيْمَانَكُمْ ۚ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ [٥:٨٩ আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অনর্থক শপথের জন্যে; কিন্তু পাকড়াও করেন ঐ শপথের জন্যে যা তোমরা মজবুত করে বাধ। অতএব, এর কাফফরা এই যে, দশজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবে; মধ্যম শ্রেনীর খাদ্য যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে দিয়ে থাক। অথবা,তাদেরকে বস্তু প্রদান করবে অথবা,একজন ক্রীতদাস কিংবা দাসী মুক্ত করে দিবে। যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না,সে তিন দিন রোযা রাখবে। এটা কাফফরা তোমাদের শপথের,যখন শপথ করবে। তোমরা স্বীয় শপথসমূহ রক্ষা কর এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য স্বীয় নির্দেশ বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর। {সূরা মায়িদা-৮৯} الأيمان مبنية على العرف فما تعورف الحلف به فيمين وملا فلا…….. قال الكمال: ولا يخفى أن الحلف بالقرآن الآن متعارف فيكون يمينا، (الدر المختار مع رد المحتار-5/484-485) عن ابراهيم قال: قال بعد الله: من حلف بالقرآن فعليه بكل آية يمين، (المصنف لابن أبى شيبة، الأيمان والنذور فى الرجل يحلف بالقرآن، ما عليه فى ذلك،-7/537، رقم-12362) وعند الثلاثة المصحف والقرآن وكلام الله يمين (الدر المختار مع رد المحتار-5/484-485) وكفراته تحرير رقبة أو إطعام عشرة مساكين أو كسوتهم بما يستر عامة البدن وإن عجز عنها وقت الأداء صام ثلاثة أيام ولاء (تنوير الأبصار مع رد المحتار-5/502-505
ফাতেহা পড়ার পর শুধু আমিন পড়ার সময়টুকু নেওয়া যায়। আর সর্বোচ্চ এক রুকন তথা তিন তাসবিহের চেয়ে কম সময় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু ফাতেহা পড়ার পর কেরাতের আগে চুপ থেকে বা চিন্তা করে করে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় ব্যয় করে ফেললে ওয়াজিবে দেরি করার কারণে সিজদায়ে সাহু আবশ্যক হয়ে যাবে। সাহু সিজদা না দিলে এই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে। অর্থাৎ, তিন তাসবিহের চেয়ে কম পরিমাণ সময় ব্যয় করলে নামাজ নষ্ট হবে না। কিন্তু তিন তাসবিহের চেয়ে বেশি পরিমাণ সময় ব্যয় করে ফেললে সাহু সিজদা আবশ্যক হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় সাহু সিজদা না দিলে এই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে।
কোনো মানুষ সরাসরি আল্লাহর কাছ থেকে কোনো বিষয়ের সমাধান পেতে পারে না। কারণ, দুনিয়ার জীবনে আল্লাহ কারো সাথে দেখাও দেবেন না, কথাও বলবেন না। আল্লাহ বলেন: "কোনো মানুষের এ মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ তার সাথে সরাসরি কথা বলবেন, ওহীর মাধ্যম, পর্দার আড়াল অথবা কোন দূত পাঠানো ছাড়া। তারপর আল্লাহর অনুমতি সাপেক্ষে তিনি যা চান তাই ওহী প্রেরণ করেন। তিনি তো মহীয়ান, প্রজ্ঞাময়।" [সুরা শুরা : ৫১] তবে দুইটা পদ্ধতিতে বান্দা আল্লাহর পক্ষ থেকে সমাধান পেতে পারে। ১. ইস্তিখারা। মুতাররিফ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ আবূ মুস’আব (র.) ....... জাবির (রা.) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ৬৩৮২. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের সকল কাজের জন্য ইস্তিখারা শিক্ষা দিতেন, যেমনভাবে তিনি কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। (বলতেন) যখন তোমাদের কারো কোন বিশেষ কাজ করার ইচ্ছে হয়, তখন সে যেন দু’ রাক‘আত সলাত আদায় করে এরূপ দু‘আ করে। (অর্থ) : হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের দ্বারা আমার উদ্দিষ্ট কাজের মঙ্গলামঙ্গল জানতে চাই এবং আপনার ক্ষমতা বলে আমি কাজে সক্ষম হতে চাই। আর আমি আপনার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করি। কারণ, আপনি ক্ষমতাবান আর আমার কোন ক্ষমতা নেই এবং আপনি জানেন আর আমি জানি না। আপনিই গায়িব সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন। হে আল্লাহ! যদি আপনার জ্ঞানে এ কাজটিকে আমার দ্বীনের ব্যাপারে, আমার জীবন ধারণে ও পরিণামে- রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন- আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক দিয়ে মঙ্গলজনক বলে জানেন তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন। আর যদি আমার এ কাজটি আমার দ্বীনের ব্যাপারে, জীবন ধারণে ও পরিণামে- রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন- দুনিয়ায় আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক দিয়ে আপনি আমার জন্য অমঙ্গলজনক মনে করেন, তবে আপনি তা আমা হতে ফিরিয়ে নিন। আমাকেও তা হতে ফিরিয়ে রাখুন। আর যেখানেই হোক, আমার জন্য মঙ্গলজনক কাজ নির্ধারিত করে দিন। তারপর আমাকে আপনার নির্ধারিত কাজের প্রতি তৃপ্ত রাখুন। রাবী বলেন, সে যেন এ সময় তার প্রয়োজনের নির্দিষ্ট বিষয়ের কথা উল্লেখ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২৭) সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬৩৮২ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD বর্ণিত আছে, ইসতিখারা করলে অনেক সময় স্বপ্নে আল্লাহর পক্ষ থেকে কাজের সমাধান পাওয়া যায়। ২. ইলহাম বা ঐশী অনুপ্রেরণা। আল্লাহ তাআলা অনেক সময় তাঁর বিশেষ বান্দাদেরকে ইলহামের মাধ্যমে অনেক বিষয় জানিয়ে দেন। মনের মধ্যে ঢেলে দেন যে, কাজটা ভালো হবে না খারাপ হবে। ইস্তখারার মাধ্যমে সমাধান পাওয়াটা বান্দার প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ইলহামের ব্যাপারটা সম্পূর্ণই আল্লাহর ইচ্ছাধীন।
আসহাবুল ইয়ামিন মানে হল ডান দিকের দল বা ডান হাতে আমলনামা-প্রাপ্তদের দল। এঁরা কিয়ামতের দিন ডান হাতে আমলনামা পাবেন এবং জান্নাত লাভ করবেন। আর আসহাবুশ শিমাল হল বাম হাতে আমলনামা-প্রাপ্তদের দল। এরা কিয়ামতের দিন বাম হাতে আমলনামা পাবে এবং জাহান্নামে যাবে। বিস্তারিত দেখুন: সুরা ওয়াকিয়াহ : ২৭-৫৬ আয়াতসমূহের তাফসির।