user-avatar

ফাহিমহাসানরাতুল

◯ ফাহিমহাসানরাতুল

বিস্ময় অ্যানসার যেমন ফ্রি ব্যাসিক্সে এড করেছে তেমনি আমি কীভাবে আমার তৈরি কৃত ওয়েবসাইট ফ্রি ব্যাসিক্সে এড করব? 

বুঝেই বলুন adverb কি

ফাহিমহাসানরাতুল
Jun 3, 12:51 PM
Adverb একটি part of speech যা একটি verb, adjective অথবা অন্য একটি adverb কে বর্ণনা করে। এটি কখন? /কোথায়? / কিভাবে? / কি উপায়ে? / এবং কি পরিমাণে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়।An adverb is a word that describes a verb, adjective or another adverb. Adverbs mainly modify manner, place, time, frequency, etc. It answers questions like when?/where?/how?/ in what way?/ and to what extent? Example:The girl speaks fluently in English. এখানে “fluently” বর্ণনা করছে “the girl” কিভাবে English এ কথা বলছে । তাই এটি একটি adverb.The tea is very hot. এখানে “very “ বর্ণনা করছে চা কতটা গরম । তাই এটি একটি adverb.The boy is running so fast. এখানে “so” বর্ণনা করছে ছেলেটি কত দ্রুত দৌড়াচ্ছে এবং “fast” বর্ণনা করছে ছেলেটি কিভাবে দৌড়াচ্ছে । উভয়েই adverb, “so” modify করছে আরেকটি adverb “fast” কে এবং “fast” modify করছে একটি verb “run” কে ।Classification/ Types of Adverbs: Adverbs can be classified in different ways. These are discussed below.Adverb কে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করা যায় । এগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো ।Adverb of time Adverb of place Adverb of manner Adverb of frequency Affirmative or Negative Adverb Adverb of time: যে adverb কোনকিছু কখন/কোন সময়ে ঘটেছে তা বর্ণনা/উল্লেখ করে তাকে Adverb of time বলে । এটা sentence এর শুরুতে অথবা শেষে ব্যবহৃত হয় ।An adverb which tells us when something is done is called Adverb of time. It can be used at the beginning or the end of a sentence.Adverbs of time: Yesterday, today, afterward, always, immediately, last month, now, soon, etc are common. Examples:I will go to the varsity today. Always speak the truth. I should go there immediately. Adverb of place: যে adverb কোনকিছু কোথায় ঘটেছে তা উল্লেখ করে তাকে Adverb of place বলে । এটা verb এর পরে, direct object হিসাবে অথবা sentence এর শুরুতে ব্যবহৃত হয় ।An adverb which tells us where something is done or happened is called Adverb of place. It can be used after the verb as a direct object or at the beginning of a sentence.Adverbs of place: Here, above, below, under, upstairs, there, over there, etc. Examples:I will go upstairs to see her. I like to have my lunch here. They are sitting under the tree. Adverb of manner: যে adverb কোনোকিছু কিভাবে হয়/হচ্ছে/হবে তা ব্যখ্যা/উল্লেখ করে তাকে Adverb of manner বলে ।An adverb which tells us how something is done is called Adverb of manner.Most of these adverbs have “ly” at its end such as, quickly, slowly, happily, badly, etc. Fast, hard, well, etc. are also adverbs of manner. Examples:Inflation badly affected our economy. The man has to work hard to get a promotion. I tried to sing well in the program. Adverb of degree: যে adverb কোনোকিছু কি পরিমাণে/কতটুকু ঘটেছে তা বোঝায় তাকে Adverb of degree বলে ।An adverb which tells us the level or the extent that something is done is called Adverb of degree.Adverbs of degree: So, very, quite, really, too, almost, much, nearly, etc. Examples:The work is almost done. The book is really interesting. I am very happy to hear this good news. Adverb of frequency: যে adverb কোনকিছু কতবার বা কত সময় পরপর হয় তা বোঝায় তাকে Adverb of frequency বলে ।An adverb which tells us how often something is done is called Adverb of frequency.Adverbs of frequency: Weekly, twice, sometimes, never, always, generally, usually, nearly, again, ever, hardly ever, etc. Examples:I have never been to that place. Always wear a smile on your face. Sometimes I feel nostalgic while listening to an old song. Affirmative or Negative Adverb: এটা কোনকিছু সত্য কি মিথ্যা তা বলে অথবা কোনোকিছুর উপর গুরুত্ব আরোপ করে।It tells whether a thing is true or false or it emphasizes a matter. Truly, Especially, never, etc. are examples of affirmative or negative adverbs. Examples:Truly, I want her to be here. She especially mentioned her name. Never tell a lie.

কিভাবে পয়েন্ট পাব?

ফাহিমহাসানরাতুল
May 31, 02:15 PM

সার্বিক কার্যক্রমের ভিত্তিতে আপনি পয়েন্ট পাবেন।

জেনে নিন কী কী করলে পয়েন্ট পাবেনঃ

  • প্রশ্ন করলে ১ পয়েন্ট।
  • উত্তর দিলে ৩ পয়েন্ট ।
  • ব্লগ লিখলে ৪ পয়েন্ট।

গ্লাফিক্স ডিজাইন শিখতে চাই?

ফাহিমহাসানরাতুল
May 31, 02:12 PM

গ্রাফিক্স ডিজাইন হচ্ছে অনলাইন জগতের এক বিশাল সম্ভাবনাময় ভান্ডার। প্রতিনিয়ত মানুষ এর প্রয়োজন অনুভব করছে। দিন দিন তুমুল হারে বেড়েই চলেছে এর চাহিদা। তাই সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে আপনিও যুক্ত হতে পারেন পৃথিবীর সাথে। এটি হচ্ছে এমন একটি সেক্টর যেখানে আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি চাইলেই নিজেকে একজন ভাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। তবে এর জন্য আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম এবং সাধনা করতে হবে। কষ্ট ছাড়া কেষ্ট মেলে না, কথাটা অনলাইন এবং অফলাইন দুটোর জন্যই প্রযোজ্য। 


চলুন জেনে নিই কিভাবে শিখতে পারেন গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ

গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য আমি বলব আপনি ইংরেজী কোন ওয়েবসাইট থেকে টিউটোরিয়াল দেখুন। এতে করে আপনি অনেক কিছু খুব বিস্তারিত জানতে পারবেন। এই রকম দুইটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে- lynda.com এবং tutsplus.com, গুগলে graphics design tutorial লিখে সার্চ করলেই অনেক টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই সকল সাইটের টিউটোরিয়াল গুলো ফ্রী নয়, এই জন্য আপনি চাইলে টাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট কিনে নিতে পারেন। তবে আমি বলব- যারা টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন তারা টরেন্ট এ একটু খুজে দেখুন, ভাল করে খুজলে অবশ্যই ভিডিও গুলো ফ্রীতে পেয়ে যাবেন। টরেন্ট ফাইল কিভাবে ডাউনলোড করতে হয় সেটি আপনারা বিভিন্ন বাংলা ব্লগ এ খুজলেই পেয়ে যাবেন। তবে আমি খুব শীঘ্রই চেস্টা করব আপনাদেরকে টরেন্ট ডাউনলোড করার উপর টিউন করতে। যাই হোক, যদি ইংরেজী টিউটোরিয়াল গুলো সংগ্রহ করতে না পারেন তাহলে নেটে অনেক সাইট রয়েছে যেগুলো আপনাকে অনেক লিখিত টিউটোরিয়াল দিবে। আপনি সেগুলো দেখে শিখতে পারেন। তবে এখন সুখবর হচ্ছে- বাংলা ভাষায় অনেকেই অনেক টিউটোরিয়াল বের করেছেন যেগুলো দেখে আপনি শিখতে পারেন। তবে বাংলা টিউটোরিয়াল গুলো দেখে প্র্যাক্টিস করলে আপনি অনেকটাই উপকৃত হবেন। যারা ইংরেজি ভাল জানেন তারা অবশ্যই অবশ্যই ইংরেজি টিউটোরিয়াল গুলো দেখবেন, কারন ইংরেজি টিউটোরিয়াল গুলোতে একদম ভেতর থেকে আলোচনা করা হয় যেগুলো অন্য কোথাও এত বিস্তারিত করে আলোচনা করা হয় না।

ফটোশপ এর বিভিন্ন টিউটোরিয়াল পাবেন নিচের এই সাইটগুলোতে-

  • https://www.digitalartsonline.co.uk/features/illustration/50-best-photoshop-tutorials/
  • https://www.photoshoptutorials.ws/
  • https://www.photoshopessentials.com/
  • https://www.youtube.com/user/pstutorialsws


যাই হোক চলুন দেখি গ্রাফিক্স ডিজাইন এ কি কি কাজ পাবেন-
১. লোগো ডিজাইন
২. প্রোডাক্ট হলোগ্রাম ডিজাইন
৩. ইমেজ রিসাইজ এন্ড এডিটিং
৪. ফটো রিটাচিং

৫. স্কেচ তৈরি
৬. ওয়েব সাইটের জন্য পিএসডি তৈরি
৭. বিভিন্ন পিএসডি ইমেজকে ভেক্টরে কনভার্ট করা
৮. বিজনেস কার্ড ডিজাইন
৯. ব্যানার/পোস্টার ডিজাইন
১০. স্টিকার ডিজাইন ইত্যাদি


প্রথমেই আসা যাক স্কেচিং এঃ
স্কেচ কে স্কেচ না বলে ড্রয়িং বললে বুঝতে হয়ত সহজ হবে। অনেকেই বলেন আমি তো ড্রয়িং করতে পারি না। আবার অনেকেই বলেন ড্রয়িং এর ব্যাপারটা অনেকটা আল্লাহ্‌ প্রদত্ত দান। হ্যাঁ আমিও আপনাদের সাথে একমত। সবার চিন্তা এক রকম নয়, তবে আপনি যদি চেষ্টা করেন এবং প্রচুর পরিমাণ প্র্যাকটিস করেন তাহলে আপনিও একসময় ভাল মাপের ডিজাইনার হতে পারবেন। ড্রয়িং করতে গেলে আমি আপনাদের বলব আপনি আগে কয়েকজনের ড্রয়িং ভাল করে দেখেন এবং বোঝার চেষ্টা করেন। প্রতিটা ড্রয়িং ভাল করে পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করেন এবং চিন্তা করেন কিভাবে কিভাবে এই ড্রয়িংটা করা হয়েছে। আসলে ভাল ড্রয়িং এর কিছু নীতি থাকে। যেমন যারা ড্রইং নিয়ে পড়াশোনা করেন তারা জানেন তাদেরকে বিভিন্ন বিষয় শেখানো হয় যেগুলো তাদেরকে তাদের ড্রয়িং ফুটিয়ে এবং প্রাণবন্ত করে তুলতে বিশেষ হেল্প করে। প্র্যাক্টিক্যাল ড্রয়িং শেখার একটি ভাল অনলাইন ওয়েবসাইট হচ্ছে www.drawspace.com, এই সাইট থেকে একদম নতুনরাও ড্রয়িং শিখতে পারবেন। এখান থেকে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রীতেই বিভিন্ন টিউটোরিয়াল ডাউনলোড করতে পারবেন। এই সাইটে গিয়ে রেজিঃ করে ফেলুন এবং হোমপেজে দেখবেন বিভিন্ন বিষয়ের ড্রয়িং এর টিউটোরিয়াল দেয়া আছে। আপনি সেগুলো দেখুন এবং বাসায় ড্রয়িং প্রাকটিস করার চেষ্টা করুন। এভাবে চেষ্টা করলে আপনি অবশ্যই ড্রয়িং শিখতে পারবেন।


এবার আসা যাক লোগো ডিজাইনঃ
লোগো কি?
এক কথায় কোন কোম্পানি, দেশ বা ব্যাক্তিগত কোন কিছুর পরিচয় বহনকারী ছবি। যেমন কোন মোবাইল এর পেছনে আপেলের ছবি দেখেই আপনি বলে দিতে পারবেন এটা iPhone, ঠিক এই ভাবেই একটি লোগো একটি কোম্পানির ব্যক্তিত্ব বহন করে। আর এই জন্যই লোগো ডিজাইন এত গুরুত্বপূর্ণ। তবে লোগো ডিজাইন শিখতে হলে আপনাকে আগে অবশ্যই বিভিন্ন কোম্পানির লোগো দেখতে হবে এবং সেখান থেকে আইডিয়া নিতে হবে। লোগো সবসময় Adobe Illistrator দিয়ে ডিজাইন করতে হবে এবং সবসময় চেষ্টা করবেন আপনার ডিজাইন করা লোগো যেন কোম্পানির নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

লোগো ডিজাইন শেখার জন্য আপনাকে যা মাথায় রাখতে হবেঃ
আপনি যদি একজন ভাল মাপের লোগো ডিজাইনার হতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই নিচের বিষয়গুলোর উপর জোড় দিতে হবে-

১. লোগোর সাথে কোম্পানির এবং এর আডিয়েন্স এর যোগসূত্র তৈরিঃ একটি লোগো শুধুমাত্র দেখার সৌন্দর্যর জন্য তৈরি করা হয়। এর ভেতর থাকে একটি কোম্পানির অন্তর্নিহিত মেসেজ। তাই কোন কোম্পানির লোগো তৈরি করার আগে আপনাকে আগে সেই কোম্পানি সম্পর্কে একটু জেনে নিতে হবে। আর লোগো ডিজাইন করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে এই কোম্পানি কাদের সাথে কাজ করে এবং কি ধরনের সিম্বল বা প্রতিক ব্যবহার করলে সবচাইতে উত্তম ব্র্যান্ডিং সম্ভব? এই ক্ষেত্রে আপনাকে কালার নির্ধারণ করতে হবে খুবই সচেতনতার সাথে। তবে সিম্পল লোগো ডিজাইন করাই উত্তম। এখানে উদারহনস্বরূপ- আপনি যদি কোন গার্মেন্টস কোম্পানির লোগো ডিজাইন এর কাজ পান তাহলে লোগোতে স্টিল এর বোতাম বা সুতা উল্লেখ করতে পারেন, তবে সেটা অবশ্যই সুন্দর এবং সাবলীল হতে।

২. কোম্পানির ব্র্যান্ড এর দিকে নজর দিনঃ
লোগো ডিজাইন এর ক্ষেত্রে আগে একটি স্কেচ তৈরি করে নিলে ভাল হয়। আগেই দেখে নিন ক্লাইন্ট এর আগে কোন লোগো আছে কিনা, ক্লাইন্ট এর অন্য কোন কোম্পানি থাকলে সেগুলোর লোগো দেখুন, এতে করে আপনি ক্লাইন্ট কি ধরনের লোগো পছন্দ করেন সেটা আপনি বুঝতে পারবেন। এইভাবে সবার আগে আপনি ক্লাইন্ট এবং তার আইডিয়া এবং পছন্দ জেনে নিন। এতে করে সহজেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লোগো ডিজাইন করতে পারবেন।

৩. সব কিছুরই ব্যাকআপ রাখুনঃ
লোগো ডিজাইন করতে গেলে দেখা যাবে, আপনি একবারে আপনার লোগো ডিজাইন কমপ্লিট করে ফেলতে পারবেন না। প্রথমবার সাবমিত করার পর ক্লাইন্ট আপনাকে কোন অংশ পরিবর্তন করতে বলতে পারে। পরে সেটি  চেঞ্জ করার পর আবারও কোন জায়গায় চেঞ্জ করতে বলতে পারে। এই জন্য প্রতিবার সাবমিট করার সময় অবশ্যই এই সময়ের আলাদা ব্যাকআপ রেখে দিবেন। কারন এমনও হতে পারে- ৩ বার আপনাকে দিয়ে লোগোর বিভিন্ন অংশ চেঞ্জ করানোর পর ক্লাইন্ট বলতে পারে প্রথম বারের টাই ভাল ছিল। তাই আপনি যদি প্রতিবারের ওয়ার্কসাবমিট এর ব্যাকআপ না রাখেন তাহলে পরে অনেক ঝামেলায় পরবেন। আর তাই ভুলেও কখনো ব্যাকআপ রাখতে ভুলবেন না।

এবার আসি অন্যান্য ডিজাইন ওয়ার্ক এঃ
লোগো ডিজাইন হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর একটি অংশ। তবে এটি ছাড়াও আরও অনেক কাজ রয়েছে এই খাতে। বিলবোর্ড থেকে শুরু করে আপনার বইয়ের কভার পেইজের ডিজাইন এর কাজও পাওয়া যায় অনলাইনে। ইন্টেরিয়র ডিজাইন এরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটি হচ্ছে একটি ঘরের ভেতরের অংশ কেমন হবে সেটা ডিজাইন করা। এই রকম বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন এর কাজ রয়েছে।

Dark Energy ও Dark Matter কী?

ফাহিমহাসানরাতুল
May 31, 11:59 AM

Dark Energy বা তমোশক্তিঃ  

ভৌত বিশ্বতত্ত্বে তমোশক্তি বা গুপ্ত শক্তি বা কৃষ্ণ শক্তি বা অন্ধকার শক্তি বলতে শক্তির অনুমানভিত্তিক একটি রূপ বোঝায় যা সমস্ত মহাশূন্য জুড়ে বিস্তৃত এবং মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের হার বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। তমোশক্তির অস্তিত্ব অনুমান মহাবিশ্বের ক্রমবর্ধমান সম্প্রসারণের হার ব্যাখ্যার একটি জনপ্রিয় উপায়। বিশ্বতত্ত্বের বর্তমান আদর্শ মডেল তথা ল্যামডা-সিডিএম মডেলে তমোশক্তি মহাবিশ্বের তিন-চতুর্থাংশ ভর ও শক্তির উপস্থিতি ব্যাখ্যা করে।

Dark Matter বা তমোপদার্থঃ 

 জ্যোতির্বিজ্ঞান ও বিশ্বতত্ত্বে তমোপদার্থ (ইংরেজি: Dark matter, ডার্ক ম্যাটার), গুপ্ত পদার্থ বা অদৃশ্য পদার্থ এক ধরনের অনুকল্পিত (hypothesized) পদার্থ যার প্রকৃতি এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি। অন্য পদার্থের সাথে এরা কেবল মহাকর্ষ বলের মাধ্যমে ক্রিয়া করে বলে ধারণা করা হয়; সে হিসেবে এদেরকে শনাক্ত করার একমাত্র উপায় এদের মহাকর্ষীয় প্রভাব। মনে করা হয়, মহাবিশ্বের মোট ভরের পাঁচ ভাগের চার ভাগের জন্যই দায়ী তমোপদার্থ। 

না, এমবি পরবর্তীতে ব্যবহারের কোনো উপায় নেই। 


তবে আপনি Mobile Hotspot and Tethering এর মাধ্যমে এমবি শেষ করতে পারবেন। 


Hotspot দিয়ে কীভাবে এমবি তাড়াতাড়ি শেষ করবেন ---


সর্বপ্রথমে Mobile Data অন করতে হবে। তারপর Setting এ গিয়ে Mobile Hotspot and Tethering এ যেতে হবে। সেখানে গিয়ে Hotspot অন করতে হবে। 




তারপরে মোবাইল Hotspot এ কিছুক্ষণ চাপ দিয়ে ধরে থাকতে হবে। তখন আরেকটি মেনু আসবে।




এখন আপনার পরিচিত কারো'র মোবাইলে wifi অন করতে বলবেন। তারপর সেখানে wifi network এর লিস্ট আসবে। তারপর আপনার সেই পরিচিত মানুষ যেন আপনার নেটওয়ার্কে ক্লিক করে। তখন আপনার মোবাইলের সাথে পরিচিত মানুষের মোবাইল কানেক্ট হয়ে যাবে। তখন আপনার মোবাইল থেকে এমবি পরিচিতি মানুষের মোবাইলে চলে যাবে।


এটা Wifi Broadband এর মতো। মানুষ Wifi Broadband থেকে মোবাইল ফোনকে কানেক্ট করে। কিন্তু Hotspot অন করার ফলে আপনার মোবাইল হবে Wifi Broadband। তখন অন্য জন আপনার Broadband থেকে মোবাইল ফোনকে কানেক্ট করে নেট চালাতে পারবে। ফলে আপনার এমবি তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে। আপনিও নেট চালাতে পারবেন।

সাধারণত ফেসবুকের স্পিড দুটি কারণে কমে যায়। যথা –
  • ইন্টারনেট স্পিড স্লো
  • স্মার্টফোন স্লো

১. ফেসবুক লাইট ভার্সন ইন্সটল

আপনার ফোনের র‌্যাম এবং স্টোরেজ কম থাকলে ফেসবুকের লাইট ভার্সন ব্যবহার করুন। এটা আপনার ফোনের স্টোরেজ এবং র‌্যাম কম ব্যবহার করবে। যার ফলে, আপনার ফোনে ফেসবুক খুব স্পিডে কাজ করবে।
এছাড়া, ফেসবুকের লাইট ভার্সনটি, ২জি স্পিডেও অনেক দ্রুত কাজ করতে সক্ষম। ২জি এবং কম কনফিগারেশনের ফোনে যাতে হাই স্পিডে ফেসবুক ব্যবহার করা যায়, এজন্যই ফেসবুক লাইট তৈরি করা হয়েছে।

২. ফেসবুক ক্যাশ ও ডাটা ক্লিয়ার করুন

ফেসবুকের ক্যাশ এবং ডাটা ক্লিয়ার করার মাধ্যমে ফেসবুকের স্পিড বৃদ্ধি করা সম্ভব। সব ফোনে ডাটা ও ক্যাশ ক্লিয়ার করা পদ্ধতি প্রায় একই রকম। ফোনের সেটিং থেকে Apps / App Management অপশনে গিয়ে ফেসবুকের ডাটা ও ক্যাশ ক্লিয়ার করতে পারবেন।

৩. ব্যাকগ্রাউন্ডের অ্যাপ বন্ধ রাখুন

অধিকাংশ সময় ফেসবুক স্লো হওয়ার প্রধান কারণ ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ চালু থাকা। ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ আপনার র‌্যাম ও ইন্টারনেটের অধিকাংশই ব্যবহার করে ফেলে। ফলাফল হিসাবে আপনার ফেসবুক অ্যাপ স্লো হয়ে যায়।
বর্তমানের প্রায় সকল ফোনে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করা যায়। এছাড়া, Force Stop করে রেখে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো সবসময় বন্ধ রাখতে পারেন।

৪. ডাটা ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করুন

পূর্বে উল্লেখ করেছি, ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ চালু থাকলে ফেসবুক স্লো হয়ে যায়। স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে নানা রকম অ্যাপ চালু থাকলে অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহার হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ব্যাকগ্রাউন্ডের অ্যাপ বন্ধ বা ইন্টারনেট লিমিট করে দিতে পারেন। এই চমৎকার সুবিধা পাবেন ডাটা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করার মাধ্যমে। এছাড়া এ-অ্যাপ ব্যবহার করলে বুঝতে পারবেন, কোন অ্যাপ কত বেশি ডাটা খরচ করছে।
বর্তমানের অধিকাংশ স্মার্টফোনে ডাটা ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ রয়েছে। আপনার ফোনে যদি না থাকে, তাহলে নিচের ৪টি অ্যাপের যে কোনও একটি ব্যবহার করতে পারেন।

৫. অব্যবহৃত অ্যাপ ডিলিট করুন

অব্যবহৃত বা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ফোনে না রাখাই উত্তম। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিজিটাল আবর্জনা। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট করার মাধ্যমে আপনার ফোন হয়তো খুব একটা ফাস্ট হবে না, কিন্তু আপনার স্টোরেজ এবং র‌্যাম অনেকটা ফাঁকা করবে।

৬.অ্যাড বন্ধ রাখুন

অ্যাড লোড হওয়ার জন্য অধিকাংশ সময় অতিরিক্ত ইন্টারনেট এবং ফোনের শক্তি খরচ হয়। যদিও বর্তমানের বাজেট বা ফ্লাগশীপে ফোনে এই অ্যাড তেমন কোনও প্রভাব ফেলে না। কিন্তু আপনার ফোন যদি পুরাতন হয়, তাহলে অ্যাড বন্ধ রাখতে পারেন।
তবে, মনে রাখবেন অ্যাড বন্ধ করে রাখার অর্থ, আপনি অ্যাপ নির্মাতা বা ওয়েবসাইট মালিকদের আয়ের উৎস বন্ধ করে দিচ্ছেন। আপনার সাময়িক প্রশান্তি আসলেও ভবিষ্যতে ফ্রিতে ওয়েবসাইট বা অ্যাপ পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। কেননা অর্থের অভাবে তাদের ফ্রি কাজগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

৬. ডাটার পরিবর্তে ওয়াইফাই ব্যবহার করুন

যদি আপনার ফোনের ডাটা ২ জি বা স্লো হয়ে থাকে, তাহলে ব্রডব্যান্ড তথা ওয়াইফাই ব্যবহার করুন। আর ২জি ডাটা হলে ফেসবুক লাইট ব্যবহার করুন।

শেষ কথা

এই ছিল আজকে স্মার্টফোনে ফেসবুকের স্পিড বাড়ানোর সহজ উপায়। উপরে উল্লেখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনি যে কোনো অ্যাপের স্পিড বৃদ্ধি করতে পারবেন। অনেকে স্পিড বৃদ্ধি করার জন্য ক্লিনার বা বুস্টার নামক বিভিন্ন থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করেন। আপনার স্মার্টফোনকে ভাল রাখতে, এসব ক্লিনার বা বুস্টার অ্যাপ ব্যবহার বন্ধ রাখুন।


তায়েবী কারা, তাবে-তায়েবী কারা?

ফাহিমহাসানরাতুল
May 25, 06:44 AM

তাবেয়ী হচ্ছেন- যারা নবুয়তি যুগের পরে এসেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেননি। কিন্তু সাহাবায়ে কেরামের সঙ্গ পেয়েছেন।


 তাবে-তাবেয়ী হচ্ছেন- যারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণের সাক্ষাত লাভ করেনি; তাবেয়ীগণের সাক্ষাত লাভ করেছেন এবং তাঁদের সঙ্গ পেয়েছেন।


উলুমুল হাদিস এর পরিভাষায়- তাবেয়ী হচ্ছেন: যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন তিনি তাবেয়ী। বিশুদ্ধ মতানুযায়ী, এর জন্য দীর্ঘদিনের সঙ্গ শর্ত নয়। অতএব, যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন এবং ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করেছেন তিনিই তাবেয়ী। তাবেয়ীর মধ্যে উত্তমতার স্তরভেদ রয়েছে। হাফেয ইবনে হাজার (রহঃ) ‘নুখবাতুল ফিকার’ (৪/৭২৪) গ্রন্থে বলেন: তাবেয়ী হচ্ছেন- যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন। ইবনে কাছির (রহঃ) বলেন: খতিব আল-বাগদাদী বলেন: তাবেয়ী হচ্ছেন যিনি সাহাবীর শিষ্য ছিলেন। হাকেমের বক্তব্যের দাবী হচ্ছে- যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন তাকে তাবেয়ী বলা যাবে। তাঁর থেকে এ কথাও বর্ণিত আছে যে, যদিও সাহাবীর শিষ্যত্ব না পেয়ে থাকুক না কেন? সমাপ্ত। ইরাকী (রহঃ) তাঁর ‘আলফিয়া’ (পৃষ্ঠা-৬৬) তে বলেন: তাবেয়ী হচ্ছেন- যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন।

তাবে-তাবেয়ীন হচ্ছেন তাঁরা যারা তাবেয়ীগণের সাক্ষাত পেয়েছেন; সাহাবীগণকে পায়নি। তাবেয়ীগণের উদাহরণ হচ্ছে: সাঈদ ইবনে আল-মুসায়্যিব, উরওয়া ইবনে যুবাইর, হাসান বসরী, মুজাহিদ ইবনে জাবর, সাঈদ ইবনে যুবায়ের, ইবনে আব্বাসের ক্রীতদাস ইকরিমা, ইবনে উমরের ক্রীতদাস নাফে। তাবে-তাবেয়ীগণের উদাহরণ হচ্ছে: ছাওরী, মালেক, রাবিআ, ইবনে হুরমুয, হাসান ইবনে সালেহ, আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান, ইবনে আবু লাইলা, ইবনে শুবরুমা, আল-আওযায়ী।

কথিত আছে, ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে মালদহের কালেক্টর র‌্যাভেন সাহেব ঘোড়ার গাড়ি চেপে গৌড় যাচ্ছিলেন। পথে তার জল তেষ্টা মেটানোর জন্য গ্রামের এক মহিলার কাছে জল খেতে চান। ফজলু বিবি নামে সেই মহিলার বাড়ির আঙিনায় বড় একটি আমগাছ ছিল। ফজলু বিবি সেই আম দিয়ে ফকির-সন্ন্যাসীদের আপ্যায়ন করাতেন (এজন্য এই আমের আর এক নাম ফকিরভোগ)। ফজলু বিবি তাকে জলের বদলে একটি আম খেতে দেন। আম খেয়ে কালেক্টর সাহেব ইংরেজিতে তাকে আমের নাম জিজ্ঞেস করেন। বুঝতে না পেরে ওই মহিলা তার নিজের নাম বলে বসেন। সেই থেকে ওই আমের নাম হয়ে যায় "ফজলি"।
আপনাকেও ঈদ মোবারক !!!!

প্রথমে আপনাকে জানতে হবে -- ব্লগ কী ? ব্লগ শব্দটি ইংরেজি Blog এর বাংলা প্রতিশব্দ, যা এক ধরনের অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা। ইংরেজি Blog শব্দটি Weblog এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখানে তাদের মন্তব্য করতে পারেন। এছাড়াও সাম্প্রতিক কালে ব্লগ ফ্রিলান্স সাংবাদিকতার একটা মাধ্যম হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ নিয়ে এক বা একাধিক ব্লগাররা তাদের ব্লগ হালনাগাদ করেন।


  @Bissoy Answers এ ব্লগ লিখতে হলে প্রশ্ন করুন Option এ যেতে হবে। সেখানে উপরের দিকে লেখা আছে প্রশ্ন করুন -- ব্লগ লিখুন। আপনি ব্লগ লিখুন এ ক্লিক করুন। সেখানে একটা ফাকা ঘর আসবে। প্রথমে আপনাকে ব্লগের টাইটেল লিখতে হবে। তারপর ব্লগের টাইটেল সম্পর্কিত একটা ছবি আপলোড করতে হবে। তারপর ব্লগ টাইটেল সম্পর্কে আপনি কি লিখতে চান তা লিখুন। এরপর লেখা শেষ হলে ব্লগে কোন ভুল আছে কিনা তা যাচাই করুন এবং তা ঠিক করুন। তারপর Add Blog এ ক্লিক করুন। আপনার ব্লগ এড হয়ে যাবে। 


 ( বিঃ দ্রঃ - শুধুমাত্র বিস্ময় অ্যানসারের নতুন ভার্সন দিয়ে ব্লগ লিখতে পারবেন। বিস্ময়ের Lite ভার্সন দিয়ে ব্লগ লিখতে পারবেন না। )

রোগের সংক্রামণ সারাতে ব্যবহৃত ওষুধকে অ্যান্টিবায়োটিক বলে। ‘অ্যান্টি’ অর্থ ‘বিপক্ষে’ (against) এবং ‘বায়োটিক’ অর্থ ‘জীবন বা প্রাণ’ (life) । এন্টিবায়োটিক কিছু নির্দিষ্ট ধরনের জীবনের বিরুদ্ধে কাজ করে। এন্টিবায়োটিক তৈরিও হয় ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক কিংবা বড় গাছ থেকে। ১৯২৮ সালে স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং প্রথম এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন। এটি ছিল পেনিসিলিন। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞানীরা আরও অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান করতে শুরু করেন। তাঁরা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের মাটি পরীক্ষা করে সংক্রামণ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার উপযোগী ছত্রাক খুঁজতে থাকেন যার ফলশ্রুতিতে আজ নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে স্ট্রেপটোমাইসিন, অরিওমাইসিন ক্লোরামফেনিকল, টেরামাইসিন, ইত্যাদি। এন্টিবায়োটিকগুলো সংক্রামণ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে ঠিকই কিন্তু কিছু এন্টিবায়োটিকের বিষক্রিয়াও রয়েছে। নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি, যক্ষ্মা, রেচনতন্ত্র, ত্বক এবং বিভিন্ন ক্ষত থেকে সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামণ সারানোর মাধ্যমে কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়ে চলেছে এন্টিবায়োটিক। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের অতি-ব্যবহার এবং অসতর্ক ব্যবহারের কারণে ঔষধ প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হচ্ছে। ফলে অ্যান্টিবায়োটিকগুলো একে একে অকার্যকর হয়ে পড়ছে আর আশংকা তৈরি হচ্ছে হয়ত আবার আগের মত নানা ধরনের সংক্রামণে বহু মানুষ মারা যাবে। অ্যান্টিবায়োটিক কিভাবে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে তা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ধারণা করা হয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়াগুলোর বেঁচে থাকার জন্য যে খাবার গ্রহণ প্রক্রিয়া তাতে বাধা সৃষ্টি করে। আবার কোষ বিভাজনের মাধ্যমে নতুন ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টিতেও অ্যান্টিবায়োটিক বাধা সৃষ্টি করে। কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরকে আক্রমণ করে আর কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া কোষের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে।

ঈদের বিধিবিধান কী কী?

ফাহিমহাসানরাতুল
May 24, 10:42 AM
না, এটা ঈদের উদ্দেশ্যের সাথে সাংঘর্ষিক, যা কিনা আনন্দ ও সুখের প্রকাশ, এবং তা রাসূল (আল্লাহ তাঁর উপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন)-এর শিক্ষা এবং পূর্ববর্তী সাহাবী ও তাবিঈগনের আচরনেরও (শিক্ষারও) বিরুদ্ধে যায়। সাধারণভাবে বলা যায় যে, কোন নির্দিষ্ট দিনে কবরস্থানে যাওয়া এবং তাকে একটি উৎসব বানিয়ে নেয়ার ব্যাপারে নাবীর নিষেদ্ধাজ্ঞা আছে, যেমনটি আলিমগণ বলেছেন। আর এটি রাসূলের কবরকে ঈদ হিসেবে গ্রহন না করার সাধারণ নিষেদ্ধাজ্ঞার আওতায় পড়ে, কারণ, বিশেষ কিছু সময়ে ও পরিচিত কিছু মৌসুমে যদি কবর যিয়ারত করতে চাওয়া হয় যার অর্থ দাঁড়ায় কবরকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করা,যেভাবে আলিমগণ বলেছেন। [দেখুন আল-আলবানীর ‘আহকাম আল-জানা’ইয ওয়া বিদা‘উহা ’ বইটি। (পৃঃ ২১৯,২৫৮)] তথ্যসূত্রঃ কুরআনের আলো.কম।
"ঈদের দিনে কিছু নারীদের সুগন্ধি ও সাজগোজ করে পর্দা ছেড়ে বের হয়" -- এই সমস্যাটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে এবং কিছু মানুষ এই ব্যাপারটিকে খুব হালকাভাবে নেয়। এ ব্যাপারে আল্লাহর সাহায্য আমরা কামনা করি। কিছু নারী যখন তারা তারাউয়ীহ (তারাবীহ) , ঈদের সালাত আদায় অথবা অন্য জায়গায় বের হয় তখন তার সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরিধান করে এবং সবচেয়ে সুন্দর সুগন্ধি ব্যবহার করে আল্লাহ তাদেরকে সঠিক পথ দেখান। আর আল্লাহ’র রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ “যে নারী সুগন্ধি ব্যবহার করে এবং লোকজনের পাশ দিয়ে এমনভাবে যায় যাতে তারা তার সৌরভ উপলব্ধি করতে পারে সে একজন ব্যাভিচারিণী।” [বর্ণনা করেছেন আল-নাসা’ই (৫১২৬); আত-তিরমিযী (২৭৮৩); আল-আলবানী ‘সাহীহ আল-তারঘীব ওয়া আত-তারহীব’ (২০১৯) –এ একে হাসান হিসেবে উল্লেখ করেছেন] ।।। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিত যে তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ’র রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ “জাহান্নামবাসী দুটো শ্রেণী আছে যাদেরকে আমি দেখি নি। তারা এমন মানুষ যাদের কাছে গরুর লেজের ন্যায় চাবুক থাকে যা দিয়ে তারা লোকদের মারে এবং এমন নারী যারা কাপড় পরা স্বত্তেও বিবস্ত্র থাকে, নিজেরাও পথভ্রষ্ট এবং অপরকেও বিপথে পরিচালনা করে, তাদের মাথা হেলে যাওয়া উটের কুঁজের ন্যায়। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এমনকি এর সৌরভও পাবে না, যদিও এর সৌরভ এই এই দূরত্ব থেকে পাওয়া যায়।” [মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে (২১২৮)] ।।। নারীদের অভিবাবকদের অবশ্যই আল্লাহকে ভয় করা উচিত তাদের স্বার্থে যারা তাদের আশ্রয়ে আছে এবং আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করা এবং ভরণ-পোষণ করার জন্য যে দায়িত্ব ওয়াজিব করেছেন তা সম্পাদন করা, কারণ আল্লাহ বলেছেনঃ “পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।” [সুরা নিসা ৪:৩৪]।।। তাই বলা যায় এই কাজটি হারাম।
How to train your dragon মুভিটার অরিজিনাল লিংক :: https://www.imdb.com/title/tt0892769

এখানে profile name বদলানো যায় কীভাবে?

ফাহিমহাসানরাতুল
May 22, 04:05 PM

লাইলাতুল কদর

ফাহিমহাসানরাতুল
May 21, 07:19 PM

সূরা কাদর

১. নিশ্চয়ই আমি এটা অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে;

২. তুমি কি জান সেই মহিমান্বিত রজনীটি কি ?

৩. মহিমান্বিত রজনী সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম।

৪. ঐ রাত্রিতে ফেরেশতাগণ ও (তাদের সর্দার) ‘রুহ’ অবতীর্ণ হর প্রত্যেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে।

৫. শান্তিই শান্তি, সেই রজনী ঊষার অভ্যুদয় পর্যন্ত।

ইমাম আবূ মুহাম্মদ ইবনে আবী হাতিম (র) এই সূরার তাফসীর প্রসঙ্গে একটি বিস্ময়কর রিওয়াইয়াত আনয়ন করেছেন। হযরত কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, সপ্তম আকাশের শেষ সীমায় জান্নাতের সাথে সংযুক্ত রয়েছে সিদরাতুল মুনতাহা, যা দুনিয়া ও আখিরাতের দূরত্বের উপর অবস্থিত। এর উচ্চতা জান্নাতে এবং এর শিকড় ও শাখা প্রশাখাগুলো কুরসীর নিচে প্রসারিত। তাতে এতো ফেরেশতা অবস্থান করেন যে, তাদের সংখ্যা নির্ণয় করা আল্লাহ পাক ছাড়া আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়। এমন কি চুল পরিমাণও জায়গা নেই যেখানে ফেরেশতা নেই। ঐ বৃক্ষের মধ্যভাগে হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম অবস্থান করেন।

আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে হযরত জিবরাঈল আলাইহি সালামকে ডাক দিয়ে বলা হয়, “হে জিবরাঈল (আ) কদরের রাত্রিতে সমস্ত ফেরেশতাকে নিয়ে পৃথিবীতে চলে যাও।” এই ফেরেশতাদের সবারই অন্তর স্নেহ ও দয়ায় ভরপুর। প্রত্যকে মুমিনের জন্যে তাঁদের মনে অনুগ্রহের প্রেরণা রয়েছে। সূর্যাস্তের সাথে সাথেই কদরের রাত্রিতে এসব ফেরেশতা হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম এর সাথে নেমে সমগ্র পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েন এবং সব জায়গায় সিজদায় পড়ে যান। তাঁরা সকল ঈমানদার নারী পুরুষের জন্য দুয়া করেন। কিন্তু তাঁরা গীর্জায় মন্দিরে, অগ্নিপূজার জায়গায়, মূর্তিপূজার জায়গায়, আবর্জনা ফেলার জায়গায়, নেশা খোরের অবস্থান স্থলে, নেশাজাত দ্রব্যাদি রাখার জায়গায়, মূর্তি রাখার জায়গায়, গান বাজনার সাজ সরঞ্জাম রাখার জায়গায় এবং প্রস্রাব পায়খানার জায়গায় গমন করেন না। বাকি সব জায়গায় ঘুরে ঘুরে তাঁরা ঈমানদার নারী পুরুষের জন্যে দুয়া করে থাকেন। হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম সকল ঈমানদারের সাথে করমর্দন করেন। তাঁর করমর্দনের সময় মুমিন ব্যক্তির শরীরের লোমকূপ খাড়া হয়ে যায়, মন নরম হয় এবং অশ্রুধারা নেমে আসে। এসব নিদর্শন দেখা দিলে বুঝতে হবে তার হাত হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম এর হাতের মধ্যে রয়েছে।

হযরত কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, ঐ রাত্রে যে ব্যক্তি তিনবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করে, তার প্রথমবারের পাঠের সাথে সাথেই সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যায়, দ্বিতীয়বার পড়ার সাথে সাথেই আগুন থেকে মুক্তি পেয়ে যায় এবং তৃতীয়বারের পাঠের সাথে সাথেই জান্নাতে প্রবেশ সুনিশ্চিত হয়ে যায়। বর্ণনাকারী বলেন; হে আবু ইসহাক (র) ! যে ব্যক্তি সত্য বিশ্বাসের সাথে এ কালেমা উচ্চারণ করে তার কি হয়? জবাবে তিনি বলেন; সত্য বিশ্বাসীর মুখ হতেই তো এ কালেমা উচ্চারিত হবে। যে আল্লাহর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ ! লায়লাতুল কাদর কাফির ও মুনাফিকদের উপর এতো ভারী বোধ হয় যে, যেন তাদের পিঠে পাহাড় পতিত হয়েছে। ফজর পর্যন্ত ফেরেশতারা এভাবে রাত্রি কাটিয়ে দেন।

তারপর হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম উপরের দিকে উঠে যান এবং অনেক উপরে উঠে স্বীয় পালক ছড়িয়ে দেন। অতঃপর তিনি সেই বিশেষ দুটি সবুজ পালক প্রসারিত করেন যা অন্য কোন সময় প্রসারিত করেন না। এর ফলে সূর্যের কিরণ মলিম ও স্তিমিত হয়ে যায়। তারপর তিনি সমস্ত ফেরেশতাকে ডাক দিয়ে নিয়ে যান। সব ফেরেশতা উপরে উঠে গেলে তাদের নূর এবং হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম এর পালকের নূর মিলিত হয়ে সূর্যের কিরণকে নিষ্প্রভ করে দেয়। ঐ দিন সূর্য অবাক হয়ে যায়। সমস্ত ফেরেশতা সেদিন আকাশ ও জমীনের মধ্যবর্তী স্থানের ঈমানদার নারী পুরুষের জন্য রহমত কামনা করে তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন। তাঁরা ঐ সকল লোকের জন্যেও দুয়া করেন যারা সৎ নিয়তে রোযা রাখে এবং সুযোগ পেলে পরবর্তী রমযান মাসেও আল্লাহর ইবাদত করার মনোভাব পোষণ করে।

সন্ধ্যায় সবাই প্রথম আসমানে পৌঁছে যান। সেখানে অবস্থানকারী ফেরেশতারা এসে তখন পৃথিবীতে অবস্থানকারী ঈমানদারদের অমুকের পুত্র অমুক, অমুকের কন্যা অমুক, বলে বলে খবরাখবর জিজ্ঞেস করেন। নির্দিষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর কোন কোন ব্যক্তি সম্পর্কে ফেরেশতারা বলেন; তাকে আমরা গত বছর ইবাদতে লিপ্ত দেখেছিলাম, কিন্তু এবার সে বিদআতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। আবার অমুককে গত বছর বিদআতে লিপ্ত দেখেছিলাম, কিন্তু এবার তাকে ইবাদতে লিপ্ত দেখে এসেছি।

প্রশ্নকারী ফেরেশতা তখন শেষোক্ত ব্যক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে মাগফিরাত, রহমতের দুয়া করেন। ফেরেশতারা প্রশ্নকারী ফেরেশতাদেরকে আরো জানান যে, তাঁরা অমুক অমুককে আল্লাহর যিকর করতে দেখেছেন, অমুক অমুককে রুকূতে, অমুক অমুককে সিজদায় পেয়েছেন। এবং অমুক অমুককে কুরআন তিলাওয়াত করতে দেখেছেন। একরাত একদিন প্রথম আসমানে কাটিয়ে তাঁরা দ্বিতীয় আসমানে গমন করেন। সেখানেই একই অবস্থার সৃষ্টি হয়। এমনি করে তাঁরা নিজেদের জায়গা সিদরাতুল মুনতাহায় গিয়ে পৌঁছেন। সিদরাতুল মুনতাহা তাঁদেরকে বলেঃ আমাতে অবস্থানকারী হিসেবে তোমাদের প্রতি আমাদের দাবী রয়েছে। আল্লাহকে যারা ভালোবাসে আমিও তাদেরকে ভালবাসি। আমাকে তাদের অবস্থার কথা একটু শোনাও, তাদের নাম শোনাও।

হযরত কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: ফেরেশতারা তখন আল্লাহর পূণ্যবান বান্দাদের নাম ও পিতার নাম জানাতে শুরু করেন। তারপর জান্নাত সিদরাতুল মুনতাহাকে সম্বোধন করে বলে; তোমাতে অবস্থানকারীরা তোমাকে যে সব খবর শুনিয়েছে সেসব আমাকেও একটু শোনাও। তখন সিদরাতুল মুনতাহা জান্নাতকে সব কথা শুনিয়ে দেয়। শোনার পর জান্নাত বলে ; অমুক পুরুষ ও নারীর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ ! অতি শীঘ্রই তাদেরকে আমার সাথে মিলিত করুন।

হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম সর্বপ্রথম নিজের জায়গায় পৌঁছে যান। তাঁর উপর তখন ইলহাম হয় এবং তিনি বলেন; হে আল্লাহ ! আমি আপনার অমুক অমুক বান্দাকে সিজদারত অবস্থায় দেখেছি। আপনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আল্লাহ তায়ালা তখন বলেনঃ আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দিলাম। হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম তখন আরশ বহনকারী ফেরেশতাদরকে এ কথা শুনিয়ে দেন। তখন ফেরেশতারা পরস্পর বলাবলি করেন যে, অমুক অমুক নারী পুরুষের উপর আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত হয়েছে। তারপর হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম বলেন; হে আল্লাহ ! গত বছর আমি অমুক অমুক ব্যক্তিতে সুন্নাতের উপর আমলকারী এবং আপনার ইবাদতকারী হিসেবে দেখেছি কিন্তু এবার সে বিদআতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে এবং আপনার বিধি বিধানের অবাধ্যতা করেছে। তখন আল্লাহ তাবারাক ওয়া তা’য়ালা বলেনঃ হে জিবরাঈল (আ) ! সে যদি মৃত্যুর তিন মিনিট পূর্বেও তাওবা করে নেয় তাহলে আমি তাকে মাফ করে দেবো। হযরত জিরবাঈল আলাইহি সালাম তখন হঠাৎ করে বলেনঃ হে আল্লাহ ! আপনারই জন্যে সমস্ত প্রশংসা। আপনি সমস্ত প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। হে আমার প্রতিপালক ! আপনি আপনার সৃষ্ট জীবের উপর সবচেয়ে বড় মেহেরবান। বান্দা তার নিজের উপর যেরূপ মেহেরবানী করে থাকে আপনার মেহেরবানী তাদের প্রতি তার চেয়েও অধিক। ঐ সময় আরশ এবং ওর চারপাশের পর্দাসমূহ এবং আকাশ ও র মধ্যস্থিত সবকিছুই কেঁপে ওঠে বলেঃ “করুণাময় আল্লাহর জন্যেই সমস্ত প্রশংসা”। হযরত কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ যে ব্যক্তি রমযানের রোযা পূর্ণ করে রমযানের পরেও পাপমুক্ত জীবন যাপনের মনোভাব পোষণ করে সে বিনা প্রশ্নে ও বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।


মুসনাদে আহমাদে হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত আছে যে, রমযান মাস এসে গেলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন: “(হে জনমণ্ডলী) তোমাদের উপর রমযান মাস এসে পড়েছে। এ মাস খুবই বরকতপূর্ণ বা কল্যাণময়। আল্লাহ তায়ালা তোমাদের উপর এ মাসের রোযা ফরয করেছেন। এ মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানদেরকে বন্দী করে রাখা হয়। এ মাসে এমন একটি রাত্রি রয়েছে যে রাত্রি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ মাসে কল্যাণ হতে যে ব্যক্তি বঞ্চিত হয় সে প্রকৃতই হতভাগ্য।” [আহমাদ, নাসায়ী]

আবূ দাউদ তায়ালাসী (র) বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “লায়লাতুল কাদর পরিষ্কার, স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ এবং শীত গরম হতে মুক্ত রাত্রি। এ রাত্রি শেষে সূর্য স্নিগ্ধ আলোকআভায় রক্তিম বর্ণে উদিত হয়।”

হযরত আবূ আসিম নুবায়েল (র) স্বীয় সনদে হযরত জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার বলেছিলেন: “আমাকে লায়লাতুল কাদর দেখানো হয়েছে। তারপর ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। রমযান মাসের শেষ দশ রাত্রির মধ্যে এটা রয়েছে। এ রাত্রি খুবই শান্তিপূর্ণ, মর্যাদাপূর্ণ, স্বচ্ছ ও পরিষ্কার। এ রাত্রে শীতও বেশি থাকে না এবং গরমও বেশি থাকে না। এ রাত্রি এতো বেশি রওশন ও উজ্জ্বল থাকে যে, মনে হয় যেন চাঁদ হাসছে। রৌদ্রের তাপ ছড়িয়ে পড়ার আগে সূর্যের সাথে শয়তান আত্মপ্রকাশ করে না।”

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু হতে আরো বর্ণিত আছে যে,রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন: “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রিতে ইবাদত করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ মার্জনা করে দেয়া হয়।” [বুখারী, মুসলিম] 

         
         
         
         
         
         
         
অমুসলিমদের নিকট ইসলাম সম্পর্কে এটি হচ্ছে সবচেয়ে মারাত্মক ভুল ধারণা। এটি বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে ইসলাম সম্পর্কে অপপ্রচারের ফলাফল। কোন অস্ত্রধারী যখন ইহুদীবাদের নামে মসজিদে আক্রমণ চালায়, যখন কোন খৃষ্টান ক্যাথলিক অস্ত্রধারী গ্রুপ আয়ারল্যান্ডের শহরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়, যখন খৃষ্টান ধর্মের আর্থডিক্স সম্প্রদায়ের সার্বীয় হিংস্র মিলেশিয়েরা বসনিয় নিরপরাধ মুসলিম নাগরিকদের উপর বর্বর হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুট-তরাজ এবং ধ্বংসযজ্ঞ চালায় তখন এসকল জঘন্য কার্যক্রমকে তো সে ধর্মের প্রতিটি অনুসারীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয় না বা সে ধর্মকেও দায়ী করা হয় না? অথচ অত্যন্ত দুঃখ জনক হলেও সত্য যে বর্তমানে পৃথিবীর কোথায় হিংসাত্মক কোন ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে ইসলাম ও মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী, বিচ্ছিন্নতাবাদী ইত্যাদি বলে প্রচার মাধ্যমগুলো দোষারোপ করতে শুরু করে। বর্তমানে যেসব রাষ্ট্রকে ইসলামী রাষ্ট্র বলা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে সেগুলো হয়ত কোন কোনটি ইসলামী ভিত্তির উপর আদৌ প্রতিষ্ঠিত নয়। বরং সে সকল দেশের একনায়ক রাষ্ট্রশক্তি এবং রাজনৈতিক নেতারা ইসলামকে তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছে। সুতরাং একজন নীতিমান মানুষের উচিৎ হবে, ইসলামের মূল উৎস থেকে ইসলামকে বিশ্লেষণ করা। তাকে পার্থক্য করতে হবে, ইসলাম সম্পর্কে বর্তমানে মিডিয়াতে কি বলা হচ্ছে আর কুরআন ও হাদীসে ইসলামের মূল শিক্ষা কী দেয়া হয়েছে? ইসলাম মানে আল্লাহর আনুগত্যের কাছে আত্মসর্ম্পণ করা। শব্দগত বিশ্লেষণ করলে মূলত ইসলাম মানে শন্তি। একজন মানুষ নিজের জীবনে ইসলামকে বাস্তবায়ন করলে আত্মিকভাবে খুঁজে পায় পরম শান্তি ও অনাবিল তৃপ্তি। ইসলাম সর্বদা শান্তির পক্ষে; সন্ত্রাসের বিপক্ষে।বর্তমানে পাশ্চাত্য সমাজে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে ধর্মের প্রভাব নেই বললেই চলে। যার কারণে তারা ইসলামকে তাদের ধর্মের মতই একটি প্রত্যাখ্যাত বা বিতাড়িত ধর্ম মনে করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থার নাম। এতে মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি সমস্যার জন্য রয়েছে পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা এবং সর্বোত্তম সমাধান। ইসলামে মানুষের আত্মরক্ষা করার বৈধতা রয়েছে। রয়েছে দ্বীন রক্ষা করার বৈধতা। ইসলামে রয়েছে বিনা অপরাধে যে সকল মানুষ নিজের ঘর-বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছে সে সকল দুর্বল মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য উদাত্ত আহবান। ইসলাম শিক্ষা দিয়েছে সুস্পষ্ট যুদ্ধ নীতি। যেখানে বলা হয়েছে, যুদ্ধাবস্থায় সাধারণ মানুষকে হত্যা করা যাবে না। এমনকি তাদেরকে নুন্যতম কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্ষেত-খামার, গাছ, ফসলাদী, পশু-পাখি ইত্যাদি ধ্বংস করা যাবেনা। মোটকথা, নিরপরাধ মানুষকে কোন অবস্থায় হত্যা করতে ইসলাম অনুমতি দেয়নি। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “আর তোমরা আল্লাহর পথে ঐ সমস্ত লোকদের সাথে যুদ্ধ কর যারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে আসে। এবং সীমালঙ্ঘন কর না। আল্লাহ তো সীমালংঘন কারীদেরকে ভালবাসেন না।” [সূরা বাক্বারাঃ ১৯০] ইসলামে যুদ্ধ হল সর্বশেষ পদক্ষেপ। এবং তা ইসলামী শরীয়ত প্রদত্ত এক অলঙ্ঘনীয় আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। জিহাদ শব্দের অর্থ হল, সাধনা করা বা প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা করা। আর ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় জিহাদের দুটি অর্থ রয়েছে। একটি হল, আল্লাহর দ্বীনকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে লড়াই করা । অপরটি হল, মানুষের রিপু, কু প্রবৃত্তি, স্বার্থপরতা, হিংসা, অহংবোধ, নিচুটা ইত্যাদি অন্তরের গোপন শত্রুদের সাথে নিরন্তর সংঘাত।