user-avatar

নয়ালুব্ধক

◯ নয়ালুব্ধক

নয়ালুব্ধক এর সম্পর্কে
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
Unspecified
Unspecified
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 51.40k বার দেখা হয়েছে এই মাসে 494 বার
ডাক্তার হওয়ার জন্য অনার্স পড়ার দরকার নাই, এইচ এস সি পাশ করার পর ডাক্তারি পড়ার জন্য আবেদন করতে হয়। এইচ এস সিতে biology থাকা আবশ্যক।

বিস্ময় বানান কি !!?

নয়ালুব্ধক
Sep 25, 11:03 AM

টাইপিং করতে অনেক সময় বানান ভুল হতে পারে ।

তবে বিস্ময় বানান ভুল কি গ্রহণযোগ্য?

একটি প্রশ্নে প্রশ্নকারী এবং উত্তর প্রদানকারী উভয়েই বিস্ময় বানান ভুল করছেন( বিস্ময় বানান লেখা হয়েছে বিষ্ময় ), তারপরও উত্তরটিকে সর্বোত্তম হিসাবে নির্বাচিত করা হয়েছে (স্ক্রিনশট দিলাম দেখুন)।


বিস্ময় বানান ভুলের বিষয়ে বিস্ময় এর কি কিছু করার নেই?

বিস্ময় এর সমৃদ্ধি কামনা করি।



image  

২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ে পঞ্চম সংশোধনী বাতিল হয়।
অ্যাকুয়াস হিউমর করনিয়া এবং লেন্সের মধ্যবর্তী প্রকোষ্ঠে অবস্থিত ।       বিবর্ধক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে ।      
ভিট্রিয়াস হিউমর লেন্সের এবং রেটিনার মধ্যবর্তী প্রকোষ্ঠে অবস্থিত । প্রতিসারক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে ।


যেকোন কোম্পানির 80  সিসি মোটরসাইকেল নিতে পারেন। 80 সিসি মোটর সাইকেল গুলো কম ভারি হোয়ে থাকে। আপনার পায়ে যদি বেশি সমস্যা থাকে তাহলে অটো গিয়ার মোটর সাইকেলে কিনতে পারেন। যেমন, টিভিএস জাইভ মডেল

মুরগির ডিমের তুলনায় হাঁসের ডিম আকারে বড় হয়। এ ছাড়াও হাঁসের ডিমের খোলা মুরগির ডিমের তুলনায় বেশি শক্ত হয়। যে কারণে হাঁসের ডিম ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে। যদিও, টাটকা ডিম খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।


আকারে বড় হওয়ার কারণে হাঁসের ডিমের কুসুমও বড় হয়। তাই যদি বেশি কুসুম খেতে চান বা আপনার শরীরে বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন হয় তাহলে হাঁসের ডিম খান।


১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম থেকে ১৮৫ কিলো ক্যালরি এনার্জি পাওয়া যায়। যেখানে ১০০ গ্রাম মুরগির ডিম থেকে পাওয়া যায় ১৪৯ কিলো ক্যালরি এনার্জি। কার্বহাইড্রেট ও মিনারেলের পরিমাণ সমান হলেও হাঁসের ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ সামান্য বেশি থাকে। উভয়ের ডিমেই সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, দস্তা, তামা, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন থাকে। তবে হাঁসের ডিমে সব কিছুরই পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে।


হাঁস, মুরগি উভয়ের ডিমেই থিয়ামিন, নিয়াসিন, রাইবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২ ও রেটিনল থাকলেও হাঁসের ডিমে সব ভিটামিনের পরিমাণই বেশি থাকে।


এ বার আসা যাকে ফ্যাট প্রসঙ্গে। ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ ৩.৬৮ গ্রাম, ১০০ গ্রাম চিকেনে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ ৩.১ গ্রাম। হাঁসের ডিমে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগির ডিমের থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিমাণও হাঁসের ডিমে বেশি হলেও থ্রিওনিন, আইসোলিউসিন, ট্রিপটোফ্যান, লিউসিন, মিথিওনিন, লাইসিন, কিস্টিন, টাইরোসিন, ফেনিলালানিন, ভ্যালাইন, সেরিন, গ্লাইসিন, প্রোলিন, অ্যাসপারটিক অ্যাসিড, হিস্টিডিন, অ্যালানিন ও আর্জিনিন সব ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডই মজুত মুরগির ডিমেও।


তাই হাঁসের ডিম বেশি পুষ্টিকর হলেও এই ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণও বেশি থাকে। ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিমে যেখানে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ৮৮৪ মিলিগ্রাম, ১০০ গ্রাম মুরগির ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ৪২৫ মিলিগ্রাম। তাই হার্টের সমস্যা থাকলে অবশ্যই দূরে থাকুন হাঁসের ডিম থেকে। যারা হাই প্রোটিন ডায়েট মেনে চলতে চান তারা কুসুম ছাড়া হাঁসের ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।

মুরগির ডিমের তুলনায় হাঁসের ডিম আকারে বড় হয়। এ ছাড়াও হাঁসের ডিমের খোলা মুরগির ডিমের তুলনায় বেশি শক্ত হয়। যে কারণে হাঁসের ডিম ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে। যদিও, টাটকা ডিম খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।


আকারে বড় হওয়ার কারণে হাঁসের ডিমের কুসুমও বড় হয়। তাই যদি বেশি কুসুম খেতে চান বা আপনার শরীরে বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন হয় তাহলে হাঁসের ডিম খান।


১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম থেকে ১৮৫ কিলো ক্যালরি এনার্জি পাওয়া যায়। যেখানে ১০০ গ্রাম মুরগির ডিম থেকে পাওয়া যায় ১৪৯ কিলো ক্যালরি এনার্জি। কার্বহাইড্রেট ও মিনারেলের পরিমাণ সমান হলেও হাঁসের ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ সামান্য বেশি থাকে। উভয়ের ডিমেই সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, দস্তা, তামা, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন থাকে। তবে হাঁসের ডিমে সব কিছুরই পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে।


হাঁস, মুরগি উভয়ের ডিমেই থিয়ামিন, নিয়াসিন, রাইবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২ ও রেটিনল থাকলেও হাঁসের ডিমে সব ভিটামিনের পরিমাণই বেশি থাকে।


এ বার আসা যাকে ফ্যাট প্রসঙ্গে। ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ ৩.৬৮ গ্রাম, ১০০ গ্রাম চিকেনে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ ৩.১ গ্রাম। হাঁসের ডিমে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগির ডিমের থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিমাণও হাঁসের ডিমে বেশি হলেও থ্রিওনিন, আইসোলিউসিন, ট্রিপটোফ্যান, লিউসিন, মিথিওনিন, লাইসিন, কিস্টিন, টাইরোসিন, ফেনিলালানিন, ভ্যালাইন, সেরিন, গ্লাইসিন, প্রোলিন, অ্যাসপারটিক অ্যাসিড, হিস্টিডিন, অ্যালানিন ও আর্জিনিন সব ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডই মজুত মুরগির ডিমেও।


তাই হাঁসের ডিম বেশি পুষ্টিকর হলেও এই ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণও বেশি থাকে। ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিমে যেখানে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ৮৮৪ মিলিগ্রাম, ১০০ গ্রাম মুরগির ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ৪২৫ মিলিগ্রাম। তাই হার্টের সমস্যা থাকলে অবশ্যই দূরে থাকুন হাঁসের ডিম থেকে। যারা হাই প্রোটিন ডায়েট মেনে চলতে চান তারা কুসুম ছাড়া হাঁসের ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।

ইংরেজ দার্শনিক, আইনজ্ঞ, রাজনীতিবিদ এবং পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার পথপ্রদর্শক স্যার ফ্রান্সিস বেকন ১৫৬১ সালে ২২ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। আইনজীবী হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করলেও তিনি বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের প্রবক্তা এবং জ্ঞানান্ধতা ও গোঁড়ামি বিরোধিতার জন্য বিখ্যাত।

স্যার নিকোলাস বেকন ও অ্যানে বেকন দম্পতির সন্তান ফ্রান্সিস বেকন লন্ডনের কাছাকাছি মিডলসেক্সের ইয়র্ক হাউসে জন্মগ্রহণ করেন। দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণে শৈশবে তিনি ঘরেই পড়ালেখা করেন। ১৫৭৩ সালে তিনি কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে ভর্তি হন। মূলত ল্যাটিন ও মধ্যযুগের পাঠক্রম অনুসরণ করেন। কেমব্রিজে পড়াকালে তার সঙ্গে রানী এলিজাবেথের সাক্ষাৎ ঘটে। রানী তার প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তাকে লর্ড উপাধির যোগ্য বলে মন্তব্য করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি আইন নিয়ে পড়েন।

১৫৮১ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ইংল্যান্ডের অ্যাটর্নি জেনারেল ও লর্ড চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করেন। ১৬২১ সালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। তিনি জরিমানা ও কারাদণ্ড ভোগ করেন। এর মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটে। এরপর তিনি নিজেকে বই লেখায় ব্যস্ত রাখেন।

ফ্রান্সিস বেকনকে অভিজ্ঞতাবাদের জনক বলা হয়। তিনি দার্শনিক চিন্তাধারায় মৌলিক কিছু তত্ত্ব প্রবর্তন করেন। এগুলোকে বেকনিয়ান মেথডও বলা হয়ে থাকে। তিনি পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের ওপর জোর দেন। কোন জিনিষের উৎস অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অনুসন্ধানের প্রক্রিয়াগুলো তিনিই প্রবর্তন করেন। ধর্মীয় চিন্তায় ও সাহিত্যে তিনি জোর দিয়েছেন নীতিদর্শন ও ধর্মতাত্ত্বিক আনুধ্যানের ওপর। আইনের ক্ষেত্রে তিনি বড় ধরনের সংস্কারের চেষ্টা করেছেন।

তিনি ১৬০৩ সালে নাইটহুড লাভ করেন। এছাড়াও ১৬১৮ এবং ১৬২১ সালে ব্যারন ভিরলাম এবং ভিসকাউন্ট সেন্ট এলবান উপাধি পান।

তিনি বিজ্ঞান, দর্শন, শিক্ষা ও রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পঞ্চাশের অধিক বই লিখেছেন। তার বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- এসেস (১৫৯৭), দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব লার্নিং ডিভাইন অ্যান্ড হিউম্যান (১৬০৫), নাভাম অর্গানাম সায়েন্টিয়ারম (নিউ মেথড, ১৬২০) ও নিউ আটলান্টিস (১৬২৭)। ‘এসেস’ বইটির তিনটি সংস্করণ রয়েছে। এর মধ্যে নোভাম অর্গানাম বইটির বাংলা অনুবাদ করেছেন ফজলুল করিম।

১৬২৬ সালের ৯ এপ্রিল তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে লন্ডনের বাইরে হেইগেট এলাকার অরুনডেল ম্যানশনে মৃত্যুবরণ করেন।

ঊনবিংশ শতাব্দীর বিজ্ঞানী জন ডাল্টনের (১৭৬৬-১৮৪৪) জন্ম ইংল্যান্ডে। ছিলেন ইংরেজ রসায়নবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী ও আবহাওয়াবিদ।


আধুনিক পরমাণুতত্ত্ব প্রস্তাবনার জন্য তিনি বিখ্যাত।


ডাল্টনের প্রথম হাতেখড়ি বাবার কাছে। পরে গ্রামের একটি স্কুলে ভর্তি হন। সংসারের অসচ্ছলতার কারণে মাত্র ১০ বছর বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয় ডাল্টনকে। তবুও থেমে থাকেনি পড়াশোনা। অল্প বয়সে লাতিন ভাষা আয়ত্ত করেন। বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান লাভ করেন। ২৭ বছর বয়সে ম্যানচেস্টার কলেজে গণিত ও দর্শন বিষয়ের ওপর শিক্ষকতা করেন।


১৮০০ সালে তিনি ‘গ্যাস প্রসারণ সূত্র’ ও ‘গ্যাসের চাপ সূত্র’ প্রকাশ করেন।


আবিষ্কার করেন গ্যাসের তরলীকরণের উপায়।


পরে ‘পরমাণুবাদ’ মতবাদটি প্রকাশ করেন। পরমাণুর সাংকেতিক চিহ্ন ও পরমাণুর ওজন নিয়েও গবেষণা করেন তিনি। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮২৬ সালে রয়াল সোসাইটি কর্তৃক পুরস্কৃত হন।

অ্যান্টনি ল্যাভয়সিয়ে ছিলেন একজন ফরাসি বিজ্ঞানী।১৭৪৩ সালের ২৬ আগস্ট এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রসায়নের এই কিংবদন্তি। তার পিতা ছিলেন ফরাসী পার্লামেন্টের অ্যাটর্নি।পিতার ইচ্ছা ছিল পুত্রও বড় হয়ে তার মতো নাম করা আইনজীবী হবেন। আর এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এগারো বছর বয়সে তাকে স্কুলে ভর্তি করে দেয়া হয়। কিন্তু তার পিতার আশা দিন দিনে ফ্যাকাসে হতে থাকে।কারণ অন্য সব বিষয়ের মধ্যে বিজ্ঞানই ল্যাভয়সিয়েকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করত। আইন বা অন্য কোনো বিষয়ের উপর তেমন একটা আগ্রহ ছিল না তার।স্কুল জীবন শেষ করে কলেজে ভর্তি হলেন ল্যাভয়সিয়ে।সেখানে তার শিক্ষক ছিলেন প্রখ্যাত অঙ্কবিদ ও জ্যোতির্বিদ নিকোলাস লুইস।এসময় পিতার ইচ্ছা অনুসারে লাভয়সিয়ে আইনের ক্লাসে ভর্তি হলেন।


আইনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও আইনের প্রতি তার সামান্যতম আকর্ষণ ছিল না।দিনরাতের অধিকাংশ সময় তার কাটত বিজ্ঞানচর্চায়। বাড়িতেই ছোট একটি গবেষণাগার গড়ে তুলেছিলেন তিনি।১৭৬৪ সালে তিনি ফরাসি বিজ্ঞান একাডেমীতে প্রথম তার বিজ্ঞান বিষয়ক রচনা পেশ করেন। তাতে মৌলিক কোনো তথ্য না থাকলেও তার তার এ প্রচেষ্টার সকলেই প্রশংসা করেন । পরের বছর ফরাসি এ্যাকাডেমীর পক্ষ থেকে বিজ্ঞান বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হল।সেই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করলেন ল্যাভয়সিয়ে। অনেক জ্ঞানীগুণী মানুষের সঙ্গে পরিচয় হল তার।


এদের মধ্যে ছিলেন ভূতত্ত্ববিদ জিন গুটার্ড। তিনি সেসময় ফরাসি দেশের ভূতত্ত্ব বিষয়ক মানচিত্র তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন।ল্যাভয়সিয়েও ১৭৬৭ সালে মানচিত্র তৈরির কাজে বেরিয়ে পড়লেন সঙ্গে মাত্র পঞ্চাশ লুইস নিয়ে।তার সঙ্গে ছিল একটি ঘোড়া, চাকর জোসেফ আর প্রৌঢ় বিজ্ঞানী ওটার্ড।কয়েক মাস পর্যবেক্ষণের প্যারিসে ফিরে আবেদন করলেন ফরাসি বিজ্ঞান একাডেমিতে সদস্য হওয়ারর জন্য। সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবেই একদিন তিনি জানতে পারলেন তাকে বিজ্ঞান এ্যাকাডেমির সদস্য হিসাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে তিনি এ কৃতিত্ব অর্জন করেন।একজন তরুণের পক্ষে এটা ছিল অকল্পনীয় সাফল্য।


তার গবেষণার বিষয় ছিল যেমন বিচিত্র তেমনি ব্যাপক। জীবদেহের উপর চুম্বকত্বের প্রভাব, অভিকর্ষ পানি সরবরাহ, রঙের তত্ত্ব, বাঁধাকপির বীজ থেকে তেল নিষ্কাশন, চিনি তৈরি, কয়লা থেকে পিচ তৈরি ইত্যাদি।তিনি একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হলেন। প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল 'ফেরম'।ল্যাভোয়সিয়ে বুঝতে পারছিলেন গবেষণার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। তাই তিনি অর্থ উপার্জনের জন্য চাকুরি নিলেন।ফেরমে দু’বছর চাকুরির পর ল্যাভয়সিয়ে তার এক উচ্চপদস্থ মনিবের সুনজরে পড়ে যান।তার একমাত্র মেয়ে মেরি এ্যার্নির সঙ্গে ল্যাভয়সিয়ের বিবাহ  দিলেন। মেরি তখন মাত্র চৌদ্দ বছরের বালিকা। পরবর্তী জীবনে এই মেরি-ই হয়ে উঠছিলেন ল্যাভয়সিয়ের যোগ্য সঙ্গীনি।রসায়ন বিজ্ঞান যখন মধ্যযুগীয় বিচিত্র চিন্তাভাবনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ঠিক সেই সময় ল্যাভয়সিয়ে তার গবেষণার মাধ্যমে রসায়নের এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেন।

আল্লাহ চাইলে সবই পারেন।  তাঁর অসাধ্য কিছুই নাই। কিন্তু আল্লাহ তাআলা আমাদের দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন আমাদের পরীক্ষা করার জন্য।  এজন্যই আল্লাহ সাদা কালো, ধনী গরীব, ভালো মন্দ সৃষ্টি করেছেন।

ঈমানের একটি বিষয় হলো আসমানী কিতাব সমূহে বিশ্বাস।

অর্থাৎ আসমানী কিতাব সমূহের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে।
তবে আসমানী কিতাব সমুহ গুলি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে এগুলোর বিভিন্ন সংস্করণ বিভিন্ন ধরনের এই থেকে প্রমাণিত হয় যে এগুলো অবিকৃত অবস্থায় নেই।
অর্থাৎ এগুলোতে পরিবর্তন করা হয়েছে।
তারপরেও যেহেতু এগুলো আসমানী কিতাব এগুলোতে কিছু বাণী অবিকৃত থাকতেও পারে।
তাই এগুলোতে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস করার বিষয়টা একটু জটিল।

আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।

জান্নাতে জান্নাতীদের কোন চাওয়া অপূর্ণ থাকবে না।

পুরুষদের জন্য জান্নাতে হুর প্রাপ্তির কথা বলা হলেও নারীদের ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি।

হুর শব্দটি হাওরা শব্দের বহুবচন। আরবি ভাষায় হাওরা শব্দটি একটি স্ত্রীবাচক শব্দ। যার অর্থ নারীসঙ্গী। স্ত্রীবাচক একবচন শব্দের বহুবচন কখনও উভয়লিঙ্গ হতে পারে না। বরং স্ত্রীবাচক একবচনের বহুবচনও স্ত্রীবাচকই হয়।


অতএব, হুর শব্দের অর্থ শুধু ‘সঙ্গী’ নয়। যা নর-নারী উভয়ের জন্য ব্যবহার করা যায়। বরং হুর শব্দের অর্থ হবে বহু নারীসঙ্গী। আল্লাহতায়ালা সূরা আর রাহমানের ৭২ নম্বর আয়াতে হুর শব্দের বিশেষণ এনেছেন মাকসুরাত। এই শব্দটিও একটি স্ত্রীবাচক বহুবচন। 


আর আরবি ভাষায় বিশেষণ ব্যবহৃত হয় বিশেষ্যের লিঙ্গ অনুযায়ী। সে হিসেবে বলা চলে, হুর একটি স্ত্রীবাচক শব্দ।

তদুপরি আল্লাহতায়ালা কোরআনে কারিমে হুরদের দৈহিক অবয়বের যে সব বিবরণ দিয়েছেন, তা পুরুষের অবয়বের জন্য প্রযোজ্য নয়। সে সব বিবরণ নারীর অবয়বের জন্য শোভনীয়। যেমন, ‘তাদের (হুর) করেছি কুমারি, সোহাগিনী, সমবয়ষ্কা।’ –সূরা ওয়াকিয়া: ৩৬-৩৭

‘মুত্তাকিদের জন্য রয়েছে সাফল্য, উদ্যান, আঙ্গুর এবং স্ফীত স্তনবিশিষ্টা সমবয়সী বালিকা।’ –সূরা আন নাবা: ৩১-৩৩

বর্ণিত আয়াতের আলোকে বলা যায়, পবিত্র কোরআনে জান্নাত লাভকারী মানুষদের পুরস্কারের বিবরণ দিতে যেয়ে আল্লাহতায়ালা যে সব হুরের কথা বলেছেন, তারা হবে মানুষ সাদৃশ্য জান্নাতি নারী। সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও শালীন রুচিবোধ থেকে এ কথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না যে, যেহেতু হুররা জান্নাতি নারী হবে তাই পুরস্কারস্বরূপ তাদের পাবে একমাত্র জান্নাত লাভকারী পুরুষরা।

এখন প্রশ্ন হলো, পরকালে পুনরুত্থান তো শুধু আত্মার হবে না। বরং পুনরুত্থান হবে আত্মা ও দেহের। মানুষের শুধু আত্মা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। বরং আত্মার সঙ্গে তার দেহও জান্নাতে প্রবেশ করবে। দেহের পরিতৃপ্তির জন্য পানাহারের দরকার হয়, দরকার হয় যৌন সম্ভোগেরও। জান্নাতে এ দরকার যেমন পুরুষের হবে, তেমনি নারীর জন্যও প্রযোজ্য। আবার যে সব নারী জান্নাতে যাবেন তারা তো পুরুষদের মতোই ঈমান-আমলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পুরস্কারস্বরূপ জান্নাত লাভ করবেন। আল্লাহতায়ালা দুনিয়ার জীবনে তাদের যে সব দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, সে সব দায়িত্ব পালন করেই তো তারা জান্নাতে প্রবেশ করবেন। সেক্ষেত্রে পুরুষরা জান্নাতে প্রবেশ করে হুর পাবেন। কিন্তু নারীরা কী পাবেন?

এ প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট ভাষায় কোরআন ও হাদিসের কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। তবে ঈমান ও নেক আমলের সুবাদে যে সব নারী পরকালে জান্নাতে প্রবেশ করবেন- তারা ঠকবেন না। তারা কোনো ধরণের বঞ্চনার শিকার হবেন না, কোনো ধরণের অবিচারের সম্মুখিন হবেন না- তা সুনিশ্চিত এবং অবধারিত সত্য। 

কেননা, জান্নাতের পুরস্কারের মূলনীতি বলতে যেয়ে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘সেখানে তোমাদের জন্য রয়েছে যা কিছু তোমাদের মন চাবে এবং যা কিছু তোমরা ফরমায়েশ করবে। এগুলো পাবে ক্ষমাশীল পরম দয়ালুর পক্ষ থেকে আতিথেয়তাস্বরূপ।’ –সূরা হা মিম সিজদা: ৩১

‘সেখানে রয়েছে যা কিছু মন চায় এবং যা কিছুতে নয়ন তৃপ্ত হয়। তোমরা সেখানে চিরস্থায়ী হবে।’ –সূলা আয যুখরুফ: ৭১

বর্ণিত আয়াতদ্বয় থেকে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত হয়, যে সব নারী জান্নাতে প্রবেশের মহাসৌভাগ্য অর্জন করবেন; তাদের কোনো ইচ্ছা বা কোনো চাওয়া সেখানে অপূর্ণ থাকবে না। তারা সেখানে যা কামনা করবেন, যা ফরমায়েশ করবেন- দয়াময় প্রভু সেখানে তাদের তাই দিয়ে তুষ্ট করবেন, তাদের নয়ন তৃপ্ত করবেন।

তবে বেহেশতে প্রবেশের পর নারীরা কী চাবেন- তা আমরা জানি না। সম্পূর্ণ ভিন্ন এক নতুন পরিবেশের সেই দূর ভবিষ্যতে একজন নারী তার প্রভুর কাছে কী কামনা করবেন- তা এখন দুনিয়ার জীবনে কল্পনা করা সম্ভব নয়। 

কেননা- বয়স, শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, বুদ্ধি ও পরিবেশের ভিন্নতায় মানুষের চাওয়া-পাওয়ায় ভিন্নতা থাকে। একই মানুষের ৪ বছরের শৈশবের চাওয়া, ১২ বছরের বয়সঃসন্ধিক্ষণের চাওয়া, ২১ বছরের তারুণ্যের চাওয়া, ৪০ বছরের পরিণত বয়সের চাওয়া আর ৬০ বছরের বার্ধক্যের চাওয়া এক হয় না। মোটকথা নারীরা জান্নাতে যেয়ে যা কামনা করবেন- তাই পাবেন। 

এবারে নতুন প্রশ্ন, পুরুষদের প্রাপ্তিকে যেমন বিস্তারিতভাবে বলা হলো; নারীদের প্রাপ্তিকে তেমন বিস্তারিত বলা হলো না কেন? এর কারণ সম্ভবত এমন- যৌন বিষয়ে দুনিয়াতে পুরুষরা যথেষ্ট খোলামেলা। কিন্তু নারীরা প্রকৃতিগতভাবে রক্ষণশীল মনোবৃত্তির ও যথেষ্ট লাজুক। পুরুষদের প্রাপ্তির আলোচনাকে যেমন বিস্তারিত কোরআনে কারিমে করা হয়েছে, নারীদের প্রাপ্তিকে তেমন বিস্তারিত আলোচনা করলে নারীরা চরম লজ্জায় পড়ে যেতো কিংবা বিব্রতবোধ করত। হয়তো আল্লাহতায়ালা বিশ্ববাসীর সামনে নারীদের লজ্জায় ফেলতে চাননি, সবার সামনে তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে চাননি- তাই নারীদের প্রাপ্তির বিস্তারিত আলোচনাকে সযত্নে এড়িয়ে গেছেন। 

তথাপি সূরা হা-মিম সিজদার ৩১ ও সূরা যুখরুফের ৭১ নম্বর আয়াতের দ্বারা নারীদের ইচ্ছামাফিক প্রাপ্তিকে সুনিশ্চিত করে রেখেছেন। 

প্রাচীন ও আধুনিক ইসলামি স্কলারদের অনেকেই জান্নাতি নারীর স্বামী কে হবে এ ব্যপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। কিন্তু সে সব আলোচনা দলিলহীন এবং তাদের অনুমাননির্ভর। 

বস্তুত জান্নাত-জাহান্নামের বিষয়ে দলিলহীনভাবে শুধুমাত্র অনুমাননির্ভর হয়ে কোনো আলোচনা করা অনুচিত। আল্লাহতায়ালা ও তার রাসূল যেখানে নীরব থেকেছেন, সেখানে আমাদেরও উচিৎ নীরব থাকা। 

এ প্রসঙ্গে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা না করলেই নয়। তা হলো- যৌন তৃপ্তি কিন্তু জান্নাতের প্রধান প্রাপ্তি নয়। বরং এটা জান্নাতের অভাবনীয় বিশাল নেয়ামতরাজির মধ্যে অনেক পরের বিষয়। আল্লাহতায়ালা জান্নাতের আলোচনাগুলোতে হুরের আলোচনা কোথাও শুরুতে করেননি। বরং প্রথমে করেছেন জান্নাতের নয়নভিরাম সবুজ-শ্যামল পরিবেশ ও প্রকৃতির আলোচনা, দৃষ্টিনন্দন জলাধার, জলপ্রপাত ও ঝর্ণার আলোচনা, মনমাতানো সুরম্য প্রাসাদের আলোচনা। এরপর আলোচনা করেছেন জান্নাতের হরেক রকমের সুস্বাদু খাদ্যদ্রব্য ও বিচিত্র স্বাদের পানীয়ের। তৃতীয় ধাপে আলোচনা করেছেন হুর নিয়ে। তাই এটা জান্নাতের অনেক পরের বিষয়। জান্নাতের প্রধান আকর্ষণ হলো- আল্লাহতায়ালার দিদার লাভ বা দর্শন। জান্নাতে যারা প্রবেশ করবেন তারা হুরের জন্য উদগ্রীব হবেন না। তারা জান্নাতে প্রবেশের পর থেকেই অধীর আগ্রহে প্রতিটি মূহুর্তে অপেক্ষার প্রহর গুণতে থাকবেন- কখন আসবে সেই স্বপ্নীল সময়, কখন সাক্ষাৎ পাবেন মহান মালিকের। কখন তার মুখ থেকে সরাসরি শুনতে পারবেন- তিনি তাদের ওপর খুশি। 

কেননা- তারা দুনিয়ার জীবনে যত কষ্ট সহ্য করেছেন, ধৈর্যধারণ করেছেন; সবইতো করেছেন মাওলাকে খুশি করার জন্য। হুর লাভের জন্য তো তারা রাত জেগে নামাজ পড়েননি, হুরের উষ্ণ সান্নিধ্য লাভের লোভে তো সারাদিন অনাহারে থেকে রোজা পালন করেননি। তারা দুনিয়ার জীবনে যা কিছু করেছেন, সবই করেছেন শুধু আল্লাহকে পাওয়ার জন্য। 

হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘অন্য কোনো কিছুই জান্নাতবাসীদের নিকট মহান আল্লাহর দর্শন লাভের চেয়ে অধিক প্রিয় হবে না।’ -সহিহ মুসলিম: ৪৬৭

মোটকথা, দিদারে মাওলা অর্থাৎ আল্লাহতায়ালা দর্শন লাভই হলো- জান্নাতের সবচেয়ে বড়ো পুরস্কার। যা নর-নারী সবাই সমানভাবে লাভ করবেন। 

অতএব, কোনো হুরের লোভে নয়; আবার হুর না পাওয়ায় আশাহত হয়েও নয়- বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ঈমানের সঙ্গে সৎ কর্মে আত্মনিয়োগ করাই মানুষের কর্তব্য


কোনটা নির্বাচন করব?

নয়ালুব্ধক
Sep 21, 05:16 PM
যেকোন সাবজেক্টে ভালো রেজাল্ট করলে ভবিষ্যতে ভালো কিছু করা যায়। আর ভালো সাবজেক্টে ও যদি রেজাল্ট খারাপ হয় তাহলে কোনো ফায়দা নেই। তারপরও আমার দৃষ্টি তে আইন বেশি ভালো। ধন্যবাদ। 

সতীচ্ছেদ পর্দা জন্ম থেকেই থাকে।

তবে ব্যতিক্রম হতে পারে, অনেকের পর্দা নাও থাকতে পারে।

অতিরিক্ত দৌড় ঝাপ লাফালাফি খেলাধুলা, কঠোর ব্যায়াম, কঠিন ট্রেনিং, যৌণ সঙ্গম  প্রভৃতি কারনে এটি ছিড়ে যেতে পারে।

মানবদেহে বীর্য উৎপাদন একটি নিয়মিত এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

বীর্য অনবরত তৈরি হতে থাকে তাই নিয়মিত বীর্যপাতে স্বাস্থ্য হানী হওয়ার কারন নেই।
তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত যেকোন কিছুই ক্ষতিকর।

ভর্তি বিষয়ে একটি প্রশ্ন?

নয়ালুব্ধক
Sep 21, 05:12 AM
মাস্টার্স না করলেও ল কলেজে ভর্তি হতে পারবেন, সমস্যা নেই।
প্রেসার হটাৎ লো হয়ে গেলে সিদ্ধ ডিম, গরম দুধ খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।
সিনকারা খেতে পারেন। এছাড়া করমিনা নামে আরেকটি ওষুধ আছে সেটিও বেশ ভালো। ছোট বাচ্চা হলে জোভিয়া গোল্ড সিরাপ টিও ভালো কাজ করে। ধন্যবাদ।

ABS কি?এর সম্পর্কে বলুন?

নয়ালুব্ধক
Sep 21, 04:44 AM
ABS হলো একধরনের উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম। এর পূর্নরূপ হলো (এন্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম) ধন্যবাদ।
সম্ভবত স্পিকার এ সমস্যা হতে পারে। সারভিস সেন্টারে দেখান।
না কাজ করবে না
নারীরা বিদেশে গিয়ে বিভিন্ন কাজ করে থাকে। তবে ইদানিং ব্যাপক হারে নারী কর্মী সৌদি আরবে যাচ্ছে, তারা মূলত গৃহকর্মী হিসাবে যাচ্ছে। তাদের কাজের মধ্যে যৌন কাজ অন্তর্ভুক্ত না থাকলেও অনেকেই যৌন নিগ্রহের শিকার হচ্ছে। 
ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট দুপুরে খাওয়ায় উত্তম। রাত্রে না খাওয়ায় ভালো। রাত্রে ক্যালসিয়াম খেলে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। যেকোন ঔষধ ডাক্তারের পরামর্শে খাবেন। ধন্যবাদ।
শারিরিক কোন সমস্যা না থাকলে সব ধরনের খ্যাদ্য খাওয়াই উত্তম। মাছ এবং মাংসের মধ্যে মাছই বেশি ভালো। মাংস উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে পারে। হার্টের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। অনেকের এলার্জি হয়। এজন্য মাংসের চেয়ে মাছই উত্তম।

বিয়ে করে কি............?

নয়ালুব্ধক
Sep 20, 10:04 AM
এটা বিভিন্ন জনের ক্ষেত্রে পার্থক্য হয়... আমার মতে বিয়ে করার আগেই পড়াশোনা শেষ করে নেওয়া ভালো, কারন বিয়ের পর বিভিন্ন দায়িত্ব কর্তব্য ঘাড়ে থাকে। ধন্যবাদ!

বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ মোট ১০টি


মাত্রাহীন স্বরবর্ণ ০৪ টি

সেগুলো হলোঃ এ ঐ ও ঔ


মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ ০৬ টি

সেগুলো হলোঃ ঙ ঞ ৎ ঃ ং ঁঁ

বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ মোট ১০টি


মাত্রাহীন স্বরবর্ণ ০৪ টি

সেগুলো হলোঃ এ ঐ ও ঔ


মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ ০৬ টি

সেগুলো হলোঃ ঙ ঞ ৎ ঃ ং ঁঁ