user-avatar

মোঃ নুর আলম

◯ নুরআলমrand2

সুইচ (Switch) কী?

নুরআলমrand2
Jun 7, 05:38 AM

সুইচ হাবের মত একটি ক্ষুদ্র আইসিটি যন্ত্র। বর্তমানে যেকোনো নেটওয়ার্ক তৈরি করতে বেশিরভাগ সময় সুইচ ব্যবহার করা হয়। হাবের সাথে সুইচের প্রধান পার্থক্য হলো সুইচ তারের সাথে যুক্ত আইসিটি যন্ত্র ক পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে কিন্তু হাব তা পারেনা। ফলে সুইচ দিয়ে তৈরি নেটওয়ার্কের যেকোনো আইসিটি যন্ত্র (Node) সরাসরি অন্য যন্ত্রের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। সুইটির সাথে যুক্ত যন্ত্রগুলো শুধু যাকে ডাটা বা উপাত্ত পাঠাতে চায় তাকে উপাত্ত পাঠায়। সুইচ তার সাথে সংযুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রের একটি করে ঠিকানা বরাদ্দ করে এবং ওই ঠিকানা অনুযায়ী তথ্যের আদান প্রদান করে।  অর্থাৎ কোনো একটি ঠিকানা থেকে অন্য কোনো ঠিকানায় উপাত্ত বা ডাটা পাঠাতে চাইলে সুইচ এক ঠিকানার তথ্য অন্য ঠিকানায় পৌঁছে দেয়। এ বরাদ্দকৃত ঠিকানাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভাষায় MAC Media Access Control Address. নামে ডাকা হয়।

সুইচ (Switch) কী?

নুরআলমrand2
Jun 7, 05:32 AM

কম্পিউটার নেটওয়ার্কঃ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এমন এক প্রক্রিয়া়া বা সিস্টেম যেখানে দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে যোগাযোগের কোন মাধ্যম দিয়ে একসাথেে জুড়ে দিলে কম্পিউটারগুলো নিজেদের মধ্যে তথ্য কিংবা উপাত্ত বিনিময় করতে পারে। একটি নেটওয়ার্ক মুলত অনেক কম্পিউটার নিয়ে তৈরি হয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য দেওয়া-নেওয়া সহজ হয়। একজন ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কের অনেক কিছু ব্যবহার করতে পারে। যে রিসোর্স তার কাছে নেই সেটিও সে নেটওয়ার্ক থেকে ব্যবহার করতে পারে। 

একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সার্ভার, ক্লায়েন্ট, মিডিয়া, নেটওয়ার্ক, এডাপ্টার, রিসোর্স, ইউজার, প্রটোকল প্রভৃতি বিষয় থাকে। এর সমন্বয়ে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয়। আজকাল অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ প্রভৃতি সকল জায়গায় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

প্রিন্টারে প্রিন্ট হচ্ছে না এক্ষেত্রে যা করতে হবেঃ

১. প্রিন্টারের সাথে পাওয়ার ক্যাবল টি সংযুক্ত আছে কিনা দেখতে হবে.

২. প্রিন্টার চালু করা আছে কিনা দেখতে হবে।

৩. প্রিন্টারের সাথে প্রিন্টারের ডেটা ক্যাবল সংযুক্ত আছে কিনা দেখতে হবে।

৪.প্রিন্টারের ভেতরে কোন প্রকার কাগজ কিংবা অন্য কোন কিছু আটকে আছে কিনা তা প্রিন্টার খুলে ভালোভাবে পরীক্ষা করতে হবে।

৫. প্রিন্টারের কার্টিজের কালি আছে কিনা তা দেখতে হবে। অথবা প্রিন্টার থেকে কার্টিজটি খুলে ভালোভাবে নেড়ে পুনরায় কার্টিজটিকে যথাযথ স্থানে স্থাপন করে দেখতে হবে।

৬. প্রিন্টার চালু করার সাথে সাথে যদি লাল কিংবা ব্লিংকিং হলুদ বাতি জ্বলতে থাকে তাহলে প্রিন্টারের রিসেট বাটনে চাপ দিতে হবে।

৭. যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে নতুন করে প্রিন্টারের সাথে সরবরাহকৃত ড্রাইভার সফটওয়্যারটি ইন্সটল করতে হবে।

৮. হার্ডওয়্যারে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির সাথে পরামর্শ করতে হবে।

মনিটরের পাওয়ার চালু কিন্তু পর্দায় কোন ছবি নাই এক্ষেত্রে যা করতে হবে তা হলোঃ

১. মনিটরের সাথে সরবরাহকৃত ভিডিও ক্যাবলটি কম্পিউটারের পেছনে মজবুত ভাবে লাগানো হয়েছে কিনা নিশ্চিত হতে হবে। যদি ভিডিও ক্যাবলের অপর প্রান্তটি স্থায়ীভাবে মনিটরের সাথে যুক্ত না থাকে, তাহলে এটিকে দৃঢ়ভাবে লাগিয়ে দিতে হবে।

২. ব্রাইটনেস এবং কনট্রাস্ট ঠিক করে দেখতে হবে।

মাউস ডিটেক্ট করে না কিংবা মাউস কাজ করে না এক্ষেত্রে করণীয় হলোঃ

১. কম্পিউটারের সাথে মাউসের ক্যাবল সংযোগ ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে এবং ভালভাবে লাগিয়ে পুনরায় পরীক্ষা করতে হবে।

২. পোর্ট পরিবর্তন করে দেখতে হবে।

৩. অন্য একটি ভাল মাউস পোর্টে লাগিয়ে দেখতে হবে।

৪. বায়োসে প্রবেশ করে দেখতে হবে মাউস ডিজেবল করা আছে কিনা? যদি থাকে এনাবল করে দিয়ে সেভ করে বায়োস থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

৫. এরপরও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে ভালো একটি মাউস লাগিয়ে নাও সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

কীবোর্ড কাজ করছে না এক্ষেত্রে করণীয়ঃ

১. কম্পিউটার বন্ধ করে কিবোর্ড টি পোর্টের সাথে যথাযথভাবে সংযোগ করা আছে কিনা সে বিষয়টি লক্ষ্য করতে হবে।

২. যদি সংযোগ না থাকে কিংবা লুজ থাকে তাহলে ভালোভাবে সংযোগ দিয়ে পুনরায় কম্পিউটার চালু করে দেখতে হবে।

৩. অন্য একটি ভাল মাউস পোর্টে লাগিয়ে দেখতে হবে।

৪. এন্টিভাইরাস দ্বারা ভাইরাস ক্লিন করে দেখতে হবে।

৫. এরপরও যদি কিবোর্ড কাজ না করে তাহলে নতুন কিবোর্ড লাগিয়ে নিতে হবে।

সাধারণত কম্পিউটারে অতিরিক্ত প্রোগ্রাম ইন্সটল করতে গিয়ে কিংবা একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে ওপেন করে কাজ করতে গেলে এ ধরনের ম্যাসেজ প্রদর্শিত হয়।

কম্পিউটারে অতিরিক্ত প্রোগ্রাম ইন্সটল করার মতো পর্যাপ্ত মেমোরি না থাকলে এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ সমস্যা দূর করার জন্য মাদারবোর্ডে অধিক RAM ব্যবহার করতে হবে।

Boot Disk Failure or Hard Disk Not Found মেসেজ দেখালে যা করতে হবেঃ

১. কম্পিউটারের পাওয়ার বন্ধ করে কেসিং খুলে মাদারবোর্ড এবং হার্ডডিস্ক ড্রাইভের সাথে সংযুক্ত ডাটা ক্যাবল এবং পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট থেকে হার্ডডিস্কে সংযুক্ত পাওয়ার ক্যাবলটির সংযোগস্থলে কোন লুজ আছে কিনা তা প্রত্যক্ষ করে সঠিকভাবে কানেক্ট করতে হবে।

২. হার্ডডিস্কের পিছনের জাম্পার সেটিং ডায়াগ্রাম অনুসরণ করে ড্রাইভটির জাম্পার সেটিং ঠিক আছে কিনা তা দেখে সঠিকভাবে জাম্পার সেটিং করতে হবে।

৩. কম্পিউটার চালিয়ে বায়োসে প্রবেশ করে হার্ডডিস্ক ড্রাইভটিকে বায়োসের অপশন থেকে অটো কিংবা ম্যানুয়ালি ডিটেক্ট করে কিনা তা দেখো। যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে অন্য একটি ভালো কম্পিউটারে তোমার হার্ডডিস্কটিকে লাগিয়ে দেখো হার্ডডিস্ক কাজ করে কিনা? যদি কাজ না করে তাহলে নিশ্চিন্তে অন্য একটি হার্ডডিস্ক ক্রয় করে কম্পিউটারের সাথে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ইন্সটল করে ফেল। কাজটি অবশ্যই অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে করাতে হবে।

মাসলো এর মতে শারীরিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা তিনটি। যথাঃ- ১) শারীরিক ও শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজন। ২) মানসিক ও আত্মিক পরিপূর্ণতার প্রয়োজন। ৩) সামাজিক প্রয়োজন।
প্রতিষ্ঠানের চারী দেয়ালের মধ্যে বা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা আকারে যেসব খেলাধুলা হয় তাকে ইন্ট্রামুরাল স্পোর্টস বলে।
খেলাধুলা বা ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত চলাচল বেড়ে যায় ফলে হৃৎপিন্ডের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে হৃৎপিন্ডের পেশী শক্তিশালী হয় এবং হৃদপিণ্ড বড় ও নিরোগ হয়। এই হার্টকে অ্যাথলেটিক হার্ট বলে।
উৎসের প্রকৃতি অনুসারে শারীরিক শিক্ষার নীতিসমূহ হলোঃ- জীব বৈজ্ঞানিক নীতি, মনো বৈজ্ঞানিক নীতি, সমাজ বৈজ্ঞানিক নীতি, জীব বলবিদ্যার নীতি ও দার্শনিক নীতি।
প্রাচীনকালে শারীরিক শিক্ষা বলতে শরীর সম্বন্ধীয় শিক্ষাকে বোঝানো হতো। কিন্তু শরীর সম্বন্ধীয় শিক্ষা বা শারীরিক কসরতকে শারীরিক শিক্ষা বলা যায়না। এটাকে শরীর চর্চা বলা হয়। কারণ শারীরিক শিক্ষা শুধুমাত্র শরীর নিয়ে আলোচনা করে না। এটা মানসিক বিকাশ ও সামাজিক গুণাবলি অর্জনেও সহায়তা করে। তাই শারীরিক শিক্ষা সম্পর্কে প্রাচীনকালের ধারণা ভুল ছিল।
চারিত্রিক গুণাবলী অর্জনের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্য হলোঃ- ১) আনুগত্যবোধ, নৈতিকতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করা। ২) খেলোয়ার ও বন্ধুত্বসুলভ মনোভাব গড়ে ওঠা। ৩) প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মনোভাব গড়ে ওঠা। ৪) আত্মসংযমী হওয়া ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।