Nayeeb E Rasul (@নায়েব)

স্নায়ুবিক দুর্বলতার জন্য কোন চিকিৎসা করা ভালো হবে.?? 

হোমিও,হামদর্দ না কি এ্যালোপ্যাথিক???  

পুরুষের ক্ষেত্রে যুবক বয়সের

স্নায়বিক দুর্বলতার কারনে যৌন ক্ষেত্রে কি কি সমস্যা হতে পারে?

কোন ঔষধ বা উপায় আছে কি কাটাতেএ???  

আফিয়া ওয়াসিমা নামের অর্থ কি?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

আফিয়া নামের অর্থ পূর্নবতী। 

ওয়াসিমা নামের আরবি অর্থ চমত্কার, উত্তম, সুশ্রী, সুরূপ, রূপবান।

অর্থাৎ  আফিয়া ওয়াসিমা নামের অর্থ পূর্নবতী রুপবান। 

রোজা অবস্থায় ফরজ গোসলের নিয়ম কি?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

রোজা রেখে ফরজ গুসলের ফরজ ৩ টী। 

১) কুলি করা (গরগরাসহ)

 ২) নাকে পানি দেয়া। 

৩) সমস্ত শরির ধৌত করা। 

রোজা রেখে ঘরঘরা করলে রোজা ভাংগার সম্ভাবনা থাকে যদি মুখের ভিতর পানি যায় সেজন্য। আপনি ঘরঘরা সহ কুলি করবেন তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে মুখের ভিতর পানি না যায়। তারপর ২ হাত কব্জি পর‍্যন্ত ধৌত করবেন। তারপর ডান হাতের পানি বাম হাতে নিয়ে বাম হাত দিয়ে নাপাক স্থান পরিস্কার করবেন। তারপর ওজু করে গোসল করবেন।

 বিঃ দ্রঃ ফরজ গোসলের পর ওজু করতে হয় না।

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র কি?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

যুক্তরাষ্ট্র → (ইংরেজি: United States of America ইউনাইটেড্ স্টেইট্‌স্ অফ্ আমেরিকা; সংক্ষেপে ইউনাইটেড স্টেটস বা ইউ. এস.) উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত একান্ন রাজ্য ও একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় জেলা নিয়ে গঠিত এক যুক্তরাষ্ট্রীয় সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র। এই দেশটি যুক্তরাষ্ট্র নামেও পরিচিত। উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগে অবস্থিত আটচল্লিশটি রাজ্য ও রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি অঞ্চলসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডটি পশ্চিমে প্রশান্ত ও পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরদ্বয়ের মধ্যস্থলে অবস্থিত; এই অঞ্চলের উত্তর ও দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত যথাক্রমে কানাডা ও মেক্সিকো রাষ্ট্রদ্বয়। আলাস্কা রাজ্যটি অবস্থিত মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমে; এই রাজ্যের পূর্ব সীমান্তে রয়েছে কানাডা ও পশ্চিমে বেরিং প্রণালী পেরিয়ে রয়েছে রাশিয়া। হাওয়াই রাজ্যটি মধ্য-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ। এছাড়াও ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের অনেক অঞ্চল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারভুক্ত

 

যুক্তরাজ্য → (ইংরেজি: United Kingdom ইউনাইটেড্‌ কিংডম্‌) ইউরোপীয় মূল ভূখণ্ডের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের সন্নিকটে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র। রাষ্ট্রটির সরকারি নাম হল গ্রেইট ব্রিটেন এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের যুক্তরাজ্য (ইংরেজি: The United Kingdom of Great Britain and Northern Ireland)। রাষ্ট্রটি চারটি সাংবিধানিক রাষ্ট্র: ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েল্‌স্‌ এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড-এর সমন্বয়ে গঠিত

©উইকিপিডিয়া

স্বপ্নদোষ হলে কি রোজা ভেঙ্গে যায়?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

রোজা অবস্থায় সেহরি খেয়ে ঘুমালে বা  দিনের বেলায় স্বপ্নদোষ হলে আপনার রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ এটি ইচ্ছাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। এমনকি রোজা হালকাও হবে না, সওয়াবও কমবে না। কাজা বা কাফফারা কিছুই লাগবে না। এটি অনিচ্ছাকৃত ভাবে হয়ে থাকে এর কারনে রোজার কোন প্রকার ক্ষতি হবে না।

ইমাম কিভাবে নামাজের নিয়ত করে?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

ভাই! নিয়্যত একটি আরবী শব্দ। এর অর্থ মনের ইচ্ছা বা সংকল্প। মুখে যেটা উচ্চারণ করা হয় সেটা নিয়্যত নয়। হাদীসে নামায আদায়ের ক্ষেত্রে নিয়্যতের কথা এসেছে। সুতরাং ইমাম সাহেবকে নামায পড়ানোর জন্য মুখে কিছুই বলতে হবে না। শুধু মনের ভিতর এ সংকল্প থাকলেই যথেষ্ট, আমি অমুক নামাযের ইমামতি করছি। গদবাধা আরবী পাঠ মুখস্ত করে মুখে উচ্চারণ করার কোনো প্রয়োজন নেই।এবং এতে বাড়তি কোনো পুণ্যও নেই। বরং তাতে বাড়তি পুণ্য প্রাপ্তির আশা কিংবা বিশ্বাস করলে তা অবিধানিক হবে।

মহিলাদের তারাবির নামাজ পড়ার নিয়ম কি?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

আলহামদুলিল্লাহ।

তারাবীর নামায সুন্নতে মুয়াক্কাদা। নারীদের জন্যে কিয়ামুল লাইল (রাতের নামায) ঘরে পড়া উত্তম। যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “নারীদেরকে মসজিদে যেতে বাধা দিও না। তবে, তাদের জন্য ঘরই উত্তম।”[হাদিসটি আবু দাউদ তাঁর ‘সুনান’ গ্রন্থে, ‘নারীদের মসজিদে যাওয়া’ শীর্ষক পরিচ্ছেদ ও ‘এ বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ’ শীর্ষক পরিচ্ছেদে সংকলন করেছেন। হাদিসটি ‘সহিহুল জামে’ গ্রন্থে (৭৪৫৮) সংকলিত হয়েছে]

নারীর নামাযের স্থান যতবেশী নির্জনে হবে, যতবেশি ব্যক্তিগত হবে সেটাই উত্তম। যেহেতু নবী সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মহিলাদের জন্য শোয়ার ঘরে নামায আদায় করা বৈঠকখানায় নামায আদায় করার চেয়ে উত্তম। তাদের জন্য গোপন প্রকোষ্ঠে নামায করা শোয়ার ঘরে নামায আদায় করার চেয়ে উত্তম।”[আবু দাউদ তাঁর ‘সুনান’ নামক গ্রন্থের, ‘কিতাবুস সালাত’ অধ্যায়ের ‘মহিলাদের মসজিদে যাওয়া’ শীর্ষক পরিচ্ছেদে হাদিসটি সংকলন করেছেন। হাদিসটি ‘সহিহুল জামে’ গ্রন্থে (৩৮৩৩) রয়েছে]

আবু হুমাইদ আল-সায়েদি এর স্ত্রী উম্মে হুমাইদ থেকে বর্ণিত তিনি একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমি আপনার সাথে নামায আদায় করতে পছন্দ করি। তখন তিনি বললেন: আমি জেনেছি আপনি আমার সাথে নামায পড়া পছন্দ করেন। কিন্তু, আপনি আপনার শোয়ার ঘরে নামায আদায় করা বৈঠক ঘরে নামায আদায় করার চেয়ে উত্তম। আপনি আপনার বৈঠক ঘরে নামায আদায় করা বাড়ীর উঠোনে নামায আদায় করার চেয়ে উত্তম। আপনি আপনার বাড়ীর উঠোনে নামায আদায় করা গোত্রীয় মসজিদে নামায আদায় করার চেয়ে উত্তম। আপনি আপনার গোত্রীয় মসজিদে নামায আদায় করা আমার মসজিদে নামায আদায় করার চেয়ে উত্তম। বর্ণনাকারী বলেন: ফলে তিনি তার ঘরের একেবারে ভিতরে অন্ধকার স্থানে তার জন্য নামাযের জায়গা বানানোর নির্দেশ দিলেন। তিনি মৃত্যু পর্যন্ত সে জায়গায় নামায আদায় করেছেন।”[মুসনাদে আহমাদ, হাদিসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য]

তবে উল্লেখিত ফযিলত নারীদেরকে মসজিদে যাওয়ার অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক নয়। যেমনটি আব্দুল্লাহ্‌ বিন উমর (রাঃ) কর্তৃক হাদিসে এসেছে, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি বলেন: যদি নারীরা তোমাদের কাছে মসজিদে যেতে অনুমতি চায় তাহলে তোমরা তাদেরকে মসজিদে যেতে বাধা দিও না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন বিলাল বিন আব্দুল্লাহ্‌ (বিন উমর) বলল: আল্লাহ্‌র শপথ, অবশ্যই আমরা তাদেরকে বাধা দিব। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আব্দুল্লাহ্‌ তার দিকে এগিয়ে এসে তাকে তীব্র গালমন্দ করলেন; আমি তাঁর কাছ থেকে এমন কথা আর কখনও শুনিনি। এবং তিনি বললেন: আমি তোমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাদিস জানাচ্ছি। আর তুমি বল: আল্লাহ্‌র শপথ, অবশ্যই আমরা তাদেরকে বাধা দিব।” [সহিহ মুসলিম (৬৬৭)]

কিন্তু, কোন নারী মসজিদে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্ত রয়েছে:

১। পরিপূর্ণ হিজাব থাকতে হবে।

২। সুগন্ধি লাগিয়ে যাবে না।

৩। স্বামীর অনুমতি লাগবে।

এবং এ বের হওয়ার ক্ষেত্রে অন্য আরেকটি হারাম যেন সংঘটিত না হয়; যেমন একাকী ড্রাইভারের সাথে বের হওয়া।

যদি কোন নারী উল্লেখিত শর্তগুলোর কোনটি ভঙ্গ করে সেক্ষেত্রে নারীর স্বামী কিংবা অভিভাবক তাকে মসজিদে যেতে বাধা দিতে পারবেন; বরং বাধা দেওয়া আবশ্যক হবে।

আমাদের শাইখ আব্দুল আযিযকে জনৈক নারী তারাবীর নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন যে, নারীর জন্য কি তারাবীর নামায মসজিদে গিয়ে পড়া উত্তম? তিনি না-সূচক জবাব দেন। কারণ মহিলাদের ঘরে নামায পড়া সংক্রান্ত হাদিসগুলো সাধারণ; যা তারাবী নামাযসহ অন্য সকল নামাযকে শামিল করবে। আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন।

আমরা আল্লাহ্‌র কাছে আমাদের জন্য ও সকল মুসলিম ভাইদের জন্য ইখলাস ও কবুলিয়তের প্রার্থনা করছি। তিনি যেন, আমাদের আমলগুলো তাঁর পছন্দ ও সন্তুষ্টি মোতাবেক সম্পন্ন করান। আমাদের নবী মুহাম্মদের উপর আল্লাহ্‌র রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

একাকী ফরজ নামাজ আদায়ের নিয়ম কি?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

কেবলামুখী হওয়া ও তাকবীরে তাহরিমা

- নামাজ আদায়ে ইচ্ছুক ব্যক্তি কেবলামুখী হয়ে দাঁড়াবে। মহান আল্লাহ তাআলার সামনে সে দাঁড়িয়ে এ অনুভূতি হৃদয়ে জাগ্রত করবে। অন্তরে খুশু ও বিনম্রভাব সৃষ্টি করবে।

- এরপর অন্তরে নামাজের নিয়ত করবে।

- দু হাত কাঁধ বরাবর অথবা কান বরাবর উঠাবে ও বলবে, «আল্লাহু আকবার»(বর্ণনায় মুসলিম)

- এরপর ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কব্জিতে ধরবে অথবা ডান হাত বাম হাতের ওপর রাখবে, হোক তা নাভির নিচে অথবা বুকের ওপরে।

ছানা পাঠ ও সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত

মুসল্লী তার মাথা নিচু করবে এবং সিজদার জায়গার প্রতি তাকিয়ে থাকবে। এরপর বলবে:

سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، وتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَتَعَالَى جَدُّكَ، وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ

«আপনি পবিত্র-মহান হে আল্লাহ। আমি আপনার প্রশংসা করছি। আপনার নাম বরকতময়। আপনার মর্যাদা উঁচু। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।»(বর্ণনায় বুখারী)

- এরপর গোপনে বলবে :

أعوذ بالله من الشيطان الرجيم، بسم الله الرحمن الرحيم

«আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহর নামে শুরু করছি যিনি দয়াময় পরম দয়ালু।»
(বর্ণনায় মুসলিম)

- এরপর সূরা ফাতিহা পড়বে। শেষে বলবে«আমীন» অর্থাৎ হে আল্লাহ আপনি আমার প্রার্থনা কবুল করুন।

- সূরা ফাতিহার পর অন্য একটি সূরা অথবা মুসল্লীর পক্ষে কুরআন থেকে যা সহজ প্রথম দু রাকাতে পড়বে। ফজর, মাগরিব ও ইশার প্রথম দু রাকাতে প্রকাশ্য আওয়াজে কুরআন পড়বে।

রুকু ও রুকু থেকে উঠা

এরপর তাকবীর দিয়ে রুকুতে যাবে। দুই হাঁটুর ওপর দু হাতের আঙ্গুলগুলো প্রশস্ত করে এমনভাবে রাখবে, মনে হবে যেন সে তা ধরে আছে। মাথা ও পিঠ সমান্তরাল রাখবে। এরপর বলবে: سبحان ربي العظيم «অর্থাৎ পবিত্র-মহান আমার মহামহিম রব। এরপর মাথা উঠাবে এবং ইমাম ও একাকী নামাজ আদায়কারী বলবে বর্ণনায় তিরমিযী): سمع الله لمن حمده অর্থাৎ প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ তাআলা শুনেছেন। আর সকলেই বলবে»
(বর্ণনায় তিরমিযী)

ربنا ولك الحمد «হে আমাদের রব, সকল প্রশংসা আপনার জন্যেই।»(বর্ণনায় তিরমিযী)

রুকু থেকে উঠে, রুকুতে যাওয়ার পূর্বে দাঁড়ানো অবস্থায়, দুহাত যেভাবে রেখেছিল, সেভাবে রাখা মুস্তাহাব।

সিজদা ও সিজদা থেকে উঠা

- মুসল্লী তাকবীর দিয়ে সিজদায় যাবে। সিজদায় যাওয়ার সময় দুই হাঁটু প্রথমে রাখবে, এরপর হাত, এরপর কপাল ও নাক। দুই হাত কান বরাবর অথবা কাঁধ বরাবর কেবলামুখী করে বিছিয়ে দেবে।

দুই কনুই জমিন থেকে উঁচিয়ে রাখবে। বাহুর উর্ধ্বাংশ বগল, পেট ও রান থেকে দূরে রাখবে। সিজদাবস্থায় তিনবার বলবে: سبحان ربي الأعلى অর্থাৎ পবিত্র-মহান আমার রব, যিনি সর্বোর্ধ্ব। সিজদায় বেশি বেশি দুআ করবে।

- এরপর তাকবীর দিয়ে মাথা উঠাবে। এ সময় কাঁধ বা কান পর্যন্ত হাত উঠাবে না। বাম পা বিছিয়ে তার ওপর বসবে। ডান পা দাঁড় করিয়ে রাখবে। এ পায়ের আঙ্গুলগুলো কেবলামুখী করে রাখবে। দু হাত প্রশস্ত করে রানের ওপর রাখবে। হাতের আঙ্গুলগুলো থাকবে কেবলামুখী। এ সময় বলবে:

اللهم اغفر لي، وارحمني، واجبرني، واهدني، وارزقني

«হে আল্লাহ, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। আমার প্রতি রহম করুন। আমার ক্ষত দূর করুন। আমাকে আপনি হিদায়েত ও রিযিক দান করুন।»(বর্ণনায় তিরমিযী)

- এরপর তাকবীর দিয়ে প্রথম সিজদার মতোই দ্বিতীয় সিজদা করবে।

- এরপর তাকবীর দেয়া অবস্থায় মাথা উঠাবে এবং দাঁড়ানোর পূর্বে স্থির হয়ে মূহুর্তকাল বসবে। মালিক ইবনে হুআইরেছ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামাজের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন যে, «তিনি স্থির হয়ে বসার পূর্বে দাঁড়াতেন না।»(বর্ণনায় বুখারী)

- এরপর হাতের ওপর ভর করে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াবে।

- প্রথম রাকাতের মতোই দ্বিতীয় রাকাত আদায় করবে। তবে প্রথম রাকাতের মতো প্রারম্ভিক দুআ তথা ছানা পড়বে না।

তাশাহ্হুদ

প্রথম দু রাকাত পড়া শেষ হলে প্রথম তাশাহ্হুদের জন্য মুসল্লী বসবে। বাম পা বিছিয়ে ডান পা দাঁড় করিয়ে রেখে বসবে। উভয় হাত উরুর ওপর রাখবে। বাম হাত প্রশস্ত করে রাখবে। আর ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুল ও অনামিকা আঙ্গুল গুটিয়ে রাখবে। আর মধ্যমা আঙ্গুলকে বৃদ্ধাঙ্গুলের সাথে চক্রাকারে রাখবে। আর তার তর্জনী আঙ্গুল দ্বারা ইশারা দেবে এবং তার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করবে। এবং বলবে:

التحيات لله، والصلوات والطيبات، السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، أشهد أن لا إِله إِلا الله وأشهد أن محمداً عبده ورسوله

«সমস্ত সম্মানজন সম্বোধন আল্লাহর জন্য। সমস্ত শান্তি-কল্যাণ ও পবিত্রতার মালিক আল্লাহ তাআলা। হে নবী! আপনার প্রতি শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।»
(বর্ণনায় বুখারী)

এরপর দরুদ পড়বে ও বলবে:

اللهم صل على محمد وعلى آل محمد، كما صليت على إِبراهيم وعلى آل إِبراهيم إِنك حميد مجيد. اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد، كما باركت على إِبراهيم وعلى آل إِبراهيم إِنك حميد مجيد

«হে আল্লাহ, আপনি মুহম্মাদের প্রতি এবং মুহাম্মদের পরিবারের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, যেমনিভাবে রহমত বর্ষণ করেছেন ইবরাহীমের প্রতি এবং ইবরাহীমের পরিবারের প্রতি। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহাসম্মানিত। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারের প্রতি বরকত নাযিল করুন, যেমনিভাবে আপনি রবকত নাযিল করেছেন ইবরাহীমের প্রতি এবং ইবরাহীমের পরিবারের প্রতি। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহাসম্মানিত।»
(বর্ণনায় আবু দাউদ)

এরপর বলবে:

اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفرلي مغفرة من عندك، إنك أنت الغفور الرحيم.

«হে আল্লাহ, নিশ্চয় আমি নিজের ওপর অনেক জুলুম করেছি। আর গুনাহ তো কেবল আপনিই মাফ করেন। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ থেকে মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।»
(বর্ণনায় বুখারী)

অথবা বলবে:

اللهم إني أعوذ بك من عذاب جهنم، ومن عذاب القبر، ومن فتنة المحيا والممات، ومن شر فتنة المسيح الدجال

«হে আল্লাহ, আমি জাহান্নামের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। কবরের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। দাজ্জালের অনিষ্টতা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।»
(বর্ণনায় বুখারী)

সালাম

নামাজান্তে মুসল্লী তার ডানে ও বামে সালাম ফেরাবে এবং বলবে:

السلام عليكم ورحمة الله(বর্ণনায় মুসলিম)

নামাজ শেষে দুআ-যিকর

- তিনবার أستغفر الله «আমি আল্লাহর মাগফিরাত চাচ্ছি) বলা।»
(বর্ণনায় মুসলিম)

এরপর বলা:

اللهم أنت السلام، ومنك السلام، تباركت يا ذا الجلال والإكرام

«হে আল্লাহ, আপনি শান্তি। আর শান্তি আপনার পক্ষ থেকেই আসে। আপনি বরকতপূর্ণ, হে বড়ত্ব ও সম্মানের মালিক!»
(বর্ণনায় মুসলিম)

এরপর বলা:

لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير، اللهم لا مانع لما أعطيت، ولا معطي لما منعت، ولا ينفع ذا الجد منك الجد

«আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসাও তাঁর। এবং তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ, আপনি যা দেবেন তাতে বাধাদানকারী কেউ নেই। আর আপনি যা দেবেন না তা দেয়ার কেউ নেই। কোনো মর্যাদাশালীকে তার মর্যাদা (আপনার আযাবের ব্যাপারে) কোনো উপকার করতে পারে না।»
(বর্ণনায় বুখারী)

এরপর বলা:

لا إله إلا الله وحده لا شريك له ، له الملك، وله الحمد وهو على كل شيء قدير. لا حول ولا قوة إلا بالله، لا إله إلا الله، ولا نعبد إلا إياه، له النعمة وله الفضل وله الثناء الحسن، لا إله إلا الله، مخلصين له الدين ولو كره الكافرون

«আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসাও তাঁর। এবং তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় ও ক্ষমতা নেই। আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। আমরা কেবল তাঁরই ইবাদত করি। নিয়ামত তাঁরই, অনুগ্রহও তাঁর। উত্তম প্রশংসাসমূহও তাঁর। আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। আমরা তাঁর দীন তাঁরই নিমিত্তে একনিষ্ঠভাবে পালন করি, যদিও কাফেররা অপছন্দ করে।»
(বর্ণনায় মুসলিম)

سبحان الله

পবিত্র মহান আল্লাহ তাআলা (৩৩ বার)

الحمد لله

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার (৩৩ বার)

الله أكبر

আল্লাহ সর্বাপেক্ষা বড় (৩৩ বার)।

একশততম বারে বলবে:

لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد، وهو على كل شيء قدير

«আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক। তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসাও তাঁর। এবং তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।»(বর্ণনায় মুসলিম)

নামাজান্তে পঠিতব্য আরেকটি দুআ হলো:

اللهم أعني على ذكرك، وشكرك، وحسن عبادتك

« হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আপনার যিকর, আপনার শুকরিয়া এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত আদায়ের ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করুন।»(বর্ণনায় আবু দাউদ)

- আয়াতুল কুরসী পড়া। সূরা ইখলাস, সূরা আল ফালাক ও সূরা আন-নাস পড়া। (বর্ণনায় মুসলিম)

- ফজরের নামাজে সালামের পর এই দুয়া পড়া:

اللهم إني أسألك علما نافعا ، ورزقا طيبا ، وعملا متقبلا

« হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে উপকারী ইলম, উত্তম রিযক এবং কবুল হওয়া আমল প্রার্থনা করি।»(বর্ণনায় ইবনে মাজাহ)

আয়েশা রাযি. বলেন, «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম তাকবীর দিয়ে নামাজ শুরু করতেন। সূরা ফাতিহা পড়তেন। যখন তিনি রুকুতে যেতেন মাথা উপরের দিকেও রাখতেন না আবার একেবারে সোজাও করতেন না, বরং এ দুয়ের মাঝামাঝি পর্যায়ে রাখতেন। যখন তিনি রুকু থেকে উঠতেন সোজা হয়ে না দাঁড়িয়ে সিজদায় যেতেন না। আর যখন তিনি সিজদা থেকে উঠতেন তখন সোজা হয়ে না বসে দ্বিতীয় সিজদায় যেতেন না। তিনি প্রতি দু রাকাত পরপর আত্তাহিয়াতু পড়তেন। তিনি বাম পা বিছিয়ে দিতেন ও ডান পা দাঁড় করিয়ে রাখতেন। তিনি শয়তানের ন্যায় উপবেসন থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিতেন। আর হিংস্রপ্রাণী যেভাবে দু বাহু জমিনে বিছিয়ে রাখে সেভাবে মুসল্লী ব্যক্তির দু বাহু জমিনে বিছিয়ে রাখতে বারণ করতেন। আর তিনি সালামের মাধ্যমে নামাজ শেষ করতেন।»(বর্ণনায় মুসলিম)

শয়তানের ন্যায় উপবেসন করার অর্থ হলো নিতম্বের ওপর বসে দু পা সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা এবং দু হাত মাটিতে রাখা ঠিক কুকুরের বসার মতো।

মাসায়েল

মুসল্লীদের মধ্যে কেউ কেউ এমনও আছেন যারা তাশাহ্হুদের সময় ও দুই সিজদার মধ্যখানে ওপরে বর্ণিত পদ্ধতিতে বসলে খুব ব্যথা অনুভব করেন। যদি অবস্থা এমন হয় তাহলে যেভাবে বসলে কষ্ট হয় না, সেভাবেই বসতে পারবে; কেননা কষ্টকর অবস্থা সহজতার আগমন ঘটায়।

নামাজের আকার-প্রকৃতিতে নারী ও পুরুষ সমান। তবে হানাফী মাযহাব অনুযায়ী কিছু বিষয়ে নারীর নামাজ পুরুষের নামাজ থেকে ভিন্ন।

আপনার একাউন্ট এর নিরাপত্তা কঠোর করতে বলছে। 

একাউন্ট হ্যাক হয়নি।   

জানতে চাই৷?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

বীর্য পাতলা আর গাঢ় দিয়ে বাচ্চা হওয়া না হওয়ার সাধ নাই। 

বীর্য পাতলা হলে আপনার দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যাবে।    

বীর্য যতই গাঢ় হোক না কেন যদি বীর্যে শুক্রানু না থাকে তাহলে বাচ্চা হবে না। 

হস্তমৈথুনের অভ্যাস ছেড়ে দেন নতুবা যৌন জীবন অশুখি হবেন।   

Asus এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ২ জন 

১. স্যামসন হু

২. এস.ওয়াই এইসএসইউ বা হু 

স্যামসন হু

সিও-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

সহ-সিইও এসওয়াইয়ের সহযোগিতায় কাজ করে, এএসএসএসের জন্য পণ্য কৌশল এবং কর্পোরেট অপারেশন পরিচালনা করে স্যামসন হু dri  এইচএসইউ।  তার অপারেশন দক্ষতা, অসাধারণ ব্যবসায়িক অন্তর্দৃষ্টি এবং কৌশলগত দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি আরও দক্ষ পণ্য এবং প্রক্রিয়াগুলির দিকে পরিচালিত করছে।

মিঃ হু আই সিস্টেম বিজনেস ইউনিটের ভিপি, ট্যাবলেট বিজনেস ইউনিটের ভিপি, মোবাইল কমিউনিকেশন প্রোডাক্টের ভিপি, এবং সিওওর দায়িত্ব নেওয়ার আগে মাদারবোর্ড ওডিএম বিজনেস ইউনিটের সহকারী সহ-সভাপতি হিসাবে তাঁর এএসএস কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।  কো-সিইও হওয়ার আগে তিনি গ্লোবাল কাস্টমার সার্ভিসের ভিপি এবং পার্সোনাল কম্পিউটার বিজনেস ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

২০০ 2006 সালে, মিঃ হু বিপ্লবী আসুস আইসি পিসির পণ্য পরিকল্পনা এবং ব্যবসায়ের পরিচালনা পরিচালনায় সহায়তা করেছিলেন, একটি নেটবুক সংবেদন যা বিশ্বব্যাপী মোবাইল কম্পিউটিংয়ের সূচনার সূত্রপাত করেছিল।  ২০১১ সালে, তিনি উদ্ভাবনী এএসএস ট্রান্সফর্মার প্যাডের বিকাশ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, যা আজ সম্পূর্ণ ইনডু -1 পিসি হিসাবে পরিচিত ডিভাইসের সম্পূর্ণ নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছে।  ট্রান্সফর্মার প্যাড প্রকাশের পর বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করে মিঃ হু ২০১২ সালে গুগলের সাথে নেক্সাস 7 তৈরি করার জন্য একটি অভিনব অংশীদারত্বের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা বিশ্বজুড়ে শীর্ষে বিক্রির ট্যাবলেট হিসাবে পরিণত হয়েছিল।

মিঃ হু ব্যবসায়ের এবং বাজারের অন্তর্দৃষ্টিগুলির সাথে কার্যকরভাবে উচ্চ-মানের পণ্য এবং পরিষেবাগুলি সরবরাহ করে যাতে ভোক্তাদের পরিবর্তিত দাবির জবাব দেয় operations  আসুস দ্বারা বিকাশিত কিছু উদ্ভাবনী পণ্য তৈরিতে সহায়তার পাশাপাশি তিনি এএসএসএস গ্রাহক সেবা দলগুলির সফল রূপান্তরকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।  এই চ্যালেঞ্জিং উদ্যোগটি বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে, সবার জন্য সর্বব্যাপী, বুদ্ধিমান, হৃদয়গ্রাহী এবং আনন্দময় স্মার্ট জীবন তৈরি করার মিশনে পৌঁছে দিয়ে ASUS ব্র্যান্ডকে আরও জোরদার করেছে।

মিঃ হু ন্যাশনাল চেং কুং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাতক, জাতীয় চিয়াও তুং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর এবং তাইওয়ানের জাতীয় চেঙ্গচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক্সিকিউটিভ এমবিএ অর্জন করেছেন।

 

S.Y.  এইচএসইউ

সিও-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

S.Y.  এইচএসইউ কো-সিইও স্যামসন হুয়ের সহযোগিতায় কাজ করে প্রযুক্তিগত কৌশল এবং গবেষণা ও উন্নয়ন পরিচালনা করে।  তাঁর বিস্তৃত প্রযুক্তিগত দক্ষতা ASUS এ নতুন প্রজন্মের স্মার্ট প্রযুক্তির অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তুলছে।

মিঃ হু 1993 সালে এআইএস সিস্টেমস বিজনেস ইউনিটের ভাইস প্রেসিডেন্ট, নোটবুক বিজনেস ইউনিটের ভিপি, সিওও এবং পার্সোনাল কম্পিউটার বিজনেস ইউনিটের ভিপি হিসাবে দায়িত্ব পালন করার আগে মাদারবোর্ড বিজনেস ইউনিটের সিনিয়র ম্যানেজার হিসাবে আসুস-এ যোগদান করেছিলেন।

মিঃ হু এর নির্দেশনায় মাদারবোর্ড আরএন্ডডি টিম একাধিক বিপ্লবী সাফল্য অর্জন করেছে যা ASUS কে একটি শিল্প-শীর্ষস্থানীয় এবং বিশ্বখ্যাত খ্যাতিমান মাদারবোর্ড ব্র্যান্ড হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করেছিল।  তিনি আই পিসি প্রকল্পের জন্য আর অ্যান্ড ডি দলের পাশাপাশি আরএসডি জেনবুক তৈরিকারী আর অ্যান্ড ডি দলকেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা বিশ্বের পাতলা, হালকা এবং সবচেয়ে শক্তিশালী নোটবুকের সাথে সৌন্দর্য এবং পারফরম্যান্সের সীমাটি ঠেলে দিয়েছে।  জেনবুকের প্রকাশটি সম্পূর্ণ নতুন বিভাগের ল্যাপটপ তৈরি করেছে যা আজ আল্ট্রাবুক হিসাবে পরিচিত।  সাম্প্রতিককালে, মিঃ হু এর নেতৃত্বে আর অ্যান্ড ডি দলগুলি ASUS ট্রান্সফর্মার, জেনওয়াচ এবং ASUS স্ক্রিনপ্যাডের মতো শীর্ষস্থানীয় সমাধানগুলি তৈরি করেছে, যা নতুন অ্যাপ্লিকেশন সম্ভাবনার খোলার সময় নোটবুক ফর্ম ফ্যাক্টারে বিপ্লব ঘটিয়েছে।

অ্যাসুড ডিজাইনের চিন্তাভাবনা দর্শন গড়ে তোলার পাশাপাশি অবিশ্বাস্য ব্র্যান্ডের প্রতিশ্রুতি সন্ধানে এএসএসের সাথে চলার জন্য প্রযুক্তিগত বাধাগুলি কাটিয়ে উঠতে তার দলগুলিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পাশাপাশি, মিঃ হু টেকসইতার দৃ strong় সমর্থনকারী।  তিনি টেকসই প্রযুক্তির বিকাশকে ঘিরে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবকে একটি ইতিবাচক প্রবণতা হিসাবে দেখেন এবং কাঁচামাল সংগ্রহের সূচনা করে তিনি ASUS সরবরাহের চেইন জুড়ে কঠোর মান গ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করেছেন।

মিঃ হু ন্যাশনাল তাইওয়ান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন, তাইওয়ানের ন্যাশনাল চেঙ্গচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক্সিকিউটিভ এমবিএ এবং ন্যাশনাল তাইওয়ান / ফুদান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি যৌথ ইএমবিএ করেছেন।

ডাঃ লিসা টি. সু এএমডি সভাপতি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, তিনি ২০১৪ সালের অক্টোবরের পর থেকে এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং এটি এএমডি পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে, জুলাই ২০১৪ থেকে অক্টোবর ২০১৪ পর্যন্ত তিনি এএমডির ব্যবসায়িক ইউনিট, বিক্রয়, বৈশ্বিক কার্যক্রম এবং অবকাঠামো সক্ষমকরণ দলকে পণ্য কৌশল এবং বাস্তবায়নের সমস্ত দিকগুলির জন্য দায়ী একক বাজার-মুখী সংস্থায় সংহত করার জন্য দায়ী প্রধান অপারেটিং অফিসার ছিলেন। ডঃ সু ২০১২ জানুয়ারিতে এএমডিতে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জেনারেল ম্যানেজার, গ্লোবাল বিজনেস ইউনিট হিসাবে যোগদান করেছিলেন এবং এএমডি পণ্য ও সমাধানগুলির শেষ থেকে শেষের ব্যবসায়িক চালনার জন্য দায়বদ্ধ ছিলেন।

এএমডিতে যোগদানের পূর্বে ডঃ সু প্রবীণ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জেনারেল ম্যানেজার, ফ্রাইস্কেল সেমিকন্ডাক্টর, ইনক। (একটি সেমিকন্ডাক্টর উত্পাদনকারী সংস্থা) এর নেটওয়ার্কিং এবং মাল্টিমিডিয়া হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং সংস্থার এমবেডেড যোগাযোগ এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য বৈশ্বিক কৌশল, বিপণন ও প্রকৌশল জন্য দায়ী ছিলেন। প্রসেসর ব্যবসা। ডাঃ সু 2007 সালে ফ্রিস্কলে প্রধান প্রযুক্তি অফিসার হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি কোম্পানির প্রযুক্তি রোডম্যাপ এবং গবেষণা এবং উন্নয়ন প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

ডঃ সু আইবিএম-এর সিলিকন প্রযুক্তি, যৌথ বিকাশ জোট এবং অর্ধপরিবাহী আর এর কৌশলগত দিকনির্দেশনার জন্য দায়ী সেমিকন্ডাক্টর গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের সহ-সভাপতি সহ বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ব্যবসায় নেতৃত্বের পদগুলিতে আইবিএম-এর আগের 13 বছর অতিবাহিত করেছিলেন।

হিন্দু ধর্মে কত সংখ্যক দেব-দেবী আছে?

নায়েব
Apr 25, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

বেদ অনুযায়ী,   হিন্দু ধর্মে দেব-দেবীর সংখ্যা ৩৩ কোটি। হিন্দুদের প্রধান তিনজন দেবতা হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব।

এই ভাবে পাঠ করা যাবে.?

নায়েব
Apr 24, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

বিসমিল্লাহ অর্থ শুরু করছি। 

 আস্তাগফিরুল্লাহ অর্থ- আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। মানুষ যখন অশ্লীল কিছু দেখবে বা যেকোন ধরনের পাপ করবে, তখন সে ক্ষমার জন্য আস্তাগফিরুল্লাহ বলবে। যেমননটি রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম করতেন।

অতএব আস্তাগফিরুল্লাহ এর আগে বিসমিল্লাহ না বলাই ভাল । 

পাকা মিষ্টি ও টক মিষ্টি জাতীয় ফলমুল, ধান, ছোলা, পাকা মরিচ, কাউন, গম ইত্যাদি। বর্তমানে বাজারেও প্যাকেটজাত খাবার কিনতে পাওয়া যায়।

হযরত বেলাল (রাঃ) ইসলামের ইতিহাসে প্রথম আযান প্রদান করেন। তার আযানের ধ্বনি শুনে মদীনাবাসী একত্র হয়ে মসজিদ-এ-নববীতে আসেন সালাত আদায় করার জন্য। তিনিই প্রথম হেরাম শরীফ-এর উপরে উঠে মক্কাবাসীকে আযান শোনান।

ফজরের আজানের বাড়তি বাক্য ‘আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম’ সম্পর্কে জানা যায় যে একদিন ফজরের সময় হজরত বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু আজান দিতে আসলেন, তখন তাকে বলা হলো, প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুমে আছেন। তখন হজরত বেলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করলেন-‘আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম। অর্থাৎ ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম।’ হজরত সাঈদ ইবনে মুসায়্যিব বলেছেন, ‘পরে ফজরের আজানের সঙ্গে এ বাক্যটি শমিল করে দেয়া হয়।’ 

ফজরের আজান সর্ব প্রথম সৌদিআরবের মদিনা থেকে শুরু হয়, আর প্রথম ফজরের আজান দেন হযরত বেলাল (রাঃ)।  

আপনি যদি রোজা রাখেন তাহলে ছোলা রাতে ভিজিয়ে সেহরির সময় যখন উঠবেন তখন ব্রাশ করে খেয়ে নিবেন। 

ইসুবগুলের ভুশি রাতে ভিজিয়ে না রেখে তখনি আধা গ্লাস পানি দিয়ে খেয়ে নিবেন।  ছোলা খাওয়ার পর।   

মনে হচ্ছে আপনি এডমিন বা মডারেটরে নাই। 

গ্রুপ সেটিংস টা ঠিক করুন।    

সব ব্যাংকেই এখন মোটামুটি স্টুডেন্ট একাউন্ট খোলা যায়। যে ব্যাংকে খুলতে চান সেই ব্যাংকের ওয়েবসাইটে গেলেই সবকিছু জানতে পারবেন। স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে জন্মনিবন্ধন এবং স্টুডেন্ট আইডি কার্ড প্রয়োজন হবে।বর্তমানে ডাচ বাংলার স্টুডেন্ট একাউন্ট জনপ্রিয়।তবে আপনি এবি ব্যাংকে খুলতে পারবেন।এবি ব্যাংকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দেওয়া হয়।যার মাধ্যমে ডলারে কেনাকাটা করা যায়।তবে ডুয়েল কারেন্সি ব্যবহার করতে পাসপোর্ট থাকা লাগবে।   

জওয়ারিশ জালীনূস এর কাজ কি?

নায়েব
Apr 23, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

জওয়ারিশ জালীনূস সুগন্ধবালা, বড় এলাচ দানা, জটামাংসী, পিপুল, তজ, মোটা বচ, শুষ্ক আদা, দারচিনি, নাগরমুা, গোলমরিচ ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে প্রস্তুত। ইহা পাকস্থলীর দুর্বলতা, লিভারের দুর্বলতা, পেট ফাঁপা, বায়ুজনিত হৃদকম্প, অর্শ ও মূত্রাশয়ের দুর্বলতায় বিশেষ উপকারী। এ ওষুধটি বিশ্ব বিখ্যাত গ্রীক চিকিৎসা বিজ্ঞানী হাকীম জালীনূস (গ্যালেন) কর্তৃক আবিষ্কৃত ফর্মূলা অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়। ইহা পাকস্থলীর গঠন ও তার স্তর চতুষ্টয়ে শক্তি সঞ্চার করে পাকস্থলীর স্বাভাবিক ক্রিয়া বহাল রাখে। পাকস্থলীর গ্রন্থিসমূহের অসাড় অবস্থা বা নিষ্ক্রিয়তা দূর করে ভূক্ত দ্রব্য হজমের জন্য পাচক রসের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, ক্ষুধা বৃদ্ধি করে ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। অন্ত্রনালীর স্বাভাবিক ক্রিয়া নিশ্চিত করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পাথর গঠনকারী উপাদানসমূহ গলিয়ে দেয়। ইহা কোমর ব্যথা, কফ ও কাশি দূর করে।

জওয়ারিশ কমূনী এর কাজ কি?

নায়েব
Apr 23, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

জওয়ারিশ কমূনী জিরা, সুদ্দাব, শুষ্ক আদা, গোলমরিচ, জৈন, তেজপাতা, পুদিনা ইত্যাদির সমন্বয়ে প্রস্তুত। ইহা পাকস্থলীর অম্লতা, হিক্কা, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অন্ডকোষে পানি জমা ও হার্নিয়ার চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকরী। জওয়ারিশ কমূনী পাকস্থলীর পেশীমন্ডলীর গতি সংশোধন করে, পাচক রস বৃদ্ধি করে, হজমের গোলযোগ ও অতিরিক্ত ক্ষুধা দূর করে, অন্ত্রনালীর স্বাভাবিক গতি বৃদ্ধি করে কোষ্ঠকাঠিন্যের অভ্যাস দূর করে, পাকস্থলী ও অন্ত্রনালীর বিকৃত রস বের করে দেয় এবং বিকৃত রসের ফলে সৃষ্ট তাপাধিক্য বা জ্বর হ্রাস করে।

জওয়ারিশ যরঊনী এর দাম কত?

নায়েব
Apr 23, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

প্লাস্টিক কন্টেইনারে ১০০ গ্রাম।

মূল্য: ১০০ গ্রাম ২৩০.০০ টাকা

মাজুন আরদে খোরমা এর দাম কত?

নায়েব
Apr 23, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

:১০০ গ্রাম ১৩০.০০ টাকা। 

পকেট রাউটার কেমন হবে?

নায়েব
Apr 23, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

নেটের স্পিড বাড়ানোর জন্য রাউটার বা পকেট রাউটার ব্যাবহার করা যায়, এটা মোবাইলের চেয়ে বেশী গতি দিতে পারে। অনেক ভালোই আমিও ব্যাবহার করেছিলাম।   

আর মোবাইল,কম্পিউটার,ল্যাপটপেও ব্যাবহার করা যায় এই পকেট রাউটার ।   

আগে ভিডিও আপলোড করতে থাকুন যদি ওয়াচ টাইম ও সাবসক্রাইব পুর্ন হয় তাহলে ইউটিউব মনিটাইজেশন অন করে দিবে তখন গুগল এডসেন্স যোগ করবেন । 

ধন্যবাদ  

কী কী তফাৎ আছে War এবং Battleএর মধ্যে?

নায়েব
Apr 23, 2020-এ উত্তর দিয়েছেন

War হচ্ছে একটি ক্লানের সাথে আরেকটি ক্লানের মধ্যে যুদ্ধ। War জিতলে লাভ হচ্ছে ক্লানের লেভেল + র্যাংক বাড়ে।   

এবং  Battle হচ্ছে একটি ভিলেজের সাথে যুদ্ধ ।  Battle জিতলে একজনের ই স্টার+ লুট পাওয়া যায়।   

 

হাঁপানি বা অ্যাজমা একটি ফুসফুসজনিত রোগ। এর ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। হাঁপানি অনেক সময় তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। ফুসফুসে বায়ু প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হলেই হাঁপানির আক্রমণ ঘটতে পারে। অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। এটা সাধারণত এলার্জি, বায়ু দূষণ, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, আবেগ, আবহাওয়া,  খাদ্য ও নির্দিষ্ট ওষুধের  কারণেও হতে পারে। এখন প্রকৃতিতে যেহেতু ধুলাবালির পরিমাণ বেশি তাই হাঁপানি রোগীদের একটু সাবধানে থাকতে হবে। কারণ হাঁপানি রোগীদের জন্য ধুলোবালি অত্যন্ত ক্ষতিকর। অ্যাজমা বা হাঁপানির অনেক চিকিৎসা রয়েছে। তবে এখন আপনি চাইলে খুব সহজে ওষুধ ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে পরিত্রাণ পেতে পারেন হাঁপানির হাত থেকে।

আদা : আদা হাঁপানিসহ বিভিন্ন রোগের জন্য একটি সুপরিচিত প্রাকৃতিক চিকিৎসা। গবেষকদের মতে, আদা শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে এবং শ্বাসনালী সংকোচন রোধে সাহায্য করে। এক কাপ ফুটন্ত পানির মধ্যে মেথি, আদার রস ও মধু দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে হবে।

রোজ সকালে ও সন্ধ্যায় এই মিশ্রণটি পান করলে সমাধান পাওয়া যাবে। এছাড়া আপনি কাঁচা আদা লবণ দিয়ে মিশিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

কফি : কফি হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত গরম কফি পান করলে শ্বাসনালী পরিষ্কার হবে। কিন্তু দিনে তিন কাপের বেশি ব্ল্যাক কফি খাওয়া উচিত না।

যদিও হাঁপানির নিয়মিত চিকিৎসা হিসেবে কফি ব্যবহার করা উচিত না।

সরিষার তেল : যখনই দেখবেন অ্যাজমা বা হাঁপানির আক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে তখনি একটি বাটি মধ্যে একটু কর্পূর এবং সরিষার তেল নিয়ে গরম করুন। এরপর আলতো করে বুকে এবং পিঠে ম্যাসেজ করতে হবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত উপসর্গ প্রশমিত হয় ততোক্ষণ ম্যাসেজ করতে হবে। এর ফলে শ্বাসনালীর প্যাসেজ পরিষ্কার এবং স্বাভাবিক শ্বাস ফিরে পেতে সাহায্য করবে। ঘরোয়া উপায়ে হাঁপানি প্রতিকারের এটি খুবই কার্যকরি পদ্ধতি।

রসুন :  রসুন হাঁপানি প্রতিরোধে প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে কাজ করে। হাঁপানির একটি বিকল্প চিকিৎসা হিসাবে রসুন ব্যবহার করা যেতে পারে। তাই অ্যাজমা রোগীদের বেশি করে রসুন খাওয়া উচিত।

ডুমুর : ডুমুর কফ ড্রেন এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা উপশমে সাহায্য করে। তিনটি শুকনো ডুমুর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে একটি পাত্রে সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে খালি পেটে সে ডুমুর ভিজানো পানি এবং ডুমুর খেয়ে নিতে পারেন। কয়েক মাস বাড়িতেই এ চিকিৎসা চালিয়ে গেলে অবশ্যই ফল পাবেন।

যদি কনডম ব্যাবহার না করে থাকেন তাহলে এরকম ভয় থাকে। 

 আপনার গার্লফ্রেন্ড কে ৭২ ঘন্টার মধ্যে পিল খাইয়ে দিলে কোন টেনশন থাকবে না। 

সহীহ বুখারী ও মুসলিম শরীফ এর সবগুলো হাদিস বিশুদ্ধ বাংলায় নিচের লিঙ্কে পাবেন

এখানে সহীহ বুখারী  ও  এখানে সহীহ মুসলিম 

Loading...