জুনায়েতইসলামশিপন এর সম্পর্কে
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
অবিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 6.37M বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 3 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 260 বার
দিয়েছেন 5.06k টি উত্তর দেখা হয়েছে 6.37M বার
0 টি ব্লগ
1 টি মন্তব্য

আপনার পেনড্রাইভটি যদি ওয়ারেন্টির নীতিমালা অনুসরণ করে নষ্ট না হয়। যেমনঃ পেনড্রাইভের গায়ে লেখা সিরিয়াল নাম্বার মুছে/নষ্ট হয়ে যাওয়া,  ভেঙে যাওয়া, পুড়ে যাওয়া প্রভৃতি এগুলো ব্যতিত এমনি থেকেই নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আপনি পেনড্রাইভ ওয়ারেন্টি সুবিধা পাবেন।   আপনি যে দোকান থেকে পেনড্রাইভ কিনেছিলেন সেই দোকান না থাকলেও, যে কোম্পানির পেনড্রাইভ সেই  কোম্পানির পেনড্রাইভ পাওয়া যায় এমন যে কোন দোকানে অথবা ওই কোম্পানির প্রতিনিধির কাছ থেকে পেনড্রাইভ পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। 

আপনার বলাই একটি বাক্য আপনার মন চাচ্ছে ছয় বছর গ্যাপ দিয়ে হলোও ডিপ্লোমা করতে। আমি মোটেও এই কথাটাকে সমর্থন করছি না এবং আপনার জীবন থেকে জীবনের ছয় টি বছর বৃথা/ পিছিয়ে দেয়ার মত পরামর্শ দিব না। মানুষ ধীরে ধীরে সাফল্যের দিকে আগায় আর চাইলেও খুব দ্রুত আগাতে পারে না আর সেখানে আপনি  এতো সহজেই অকারণেই পিছিয়ে যাবেন  এটা কেমন কথা...??  আপনি যদি মনে করেন এখন আপনি ডিপ্লোমা পাশ করে  ইঞ্জিনিয়ার হয়ে যাবেন এবং জীবনের ভালো পজিশনে পৌছাতে পারবেন তাহলে অবশ্যই ভুল ভাবছেন। আপনি যদি ইঞ্জিনিয়াই হবেন তবে কেন সেটা এসএসসি পরীক্ষার পরে  সিদ্ধান্ত নেননি, এই সময় আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নয় এখন ডিপ্লোমা করা মানে হল একটা বোকামো / ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া।  আপনার পুরো উদ্ধৃতি শুনে মনে হচ্ছে আপনার ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ার হবেন এমনটা নয় বরং আপনার এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হবে সেজন্য ডিপ্লোমায় যেতে চাচ্ছেন এটাই প্রকাশ পাচ্ছে। এটা কোন সঠিক সমাধান নয় ভাই, আপনি যদি এইচএসসি পরীক্ষায় খারাপ করেন অথবা ফেল করেন আপনার জন্য সুযোগ রয়েছে পুনরায় এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া আর আমি আপনাকে এই কাজটি করার জন্য সদা পরামর্শ প্রদান করছি৷ তবে একটা কথা যেটা আপনাকে মনঃক্ষুণ্ণ করতে পারে সেটা হল নিজের জীবনের ডিসিশন কখনোই অন্যর উপর নির্ভর করে নেবেন না অন্যর কথার ভিত্তিতেই মনস্থির করবেন না। আপনাকে যারা  উত্তর দিচ্ছে বা যে উপদেশ দিচ্ছে সে হয়তো তার জীবনের অভিজ্ঞতা ও অনেক জ্ঞানের স্তর থেকে দিচ্ছে কিন্তু আপনার ভালোলাগা/স্বপ্ন/ইচ্ছা-অনিচ্ছা আপনার পরিবারের  পরিস্থিতি ইত্যাদি বিবেচনা করছে না কেননা আপনার পছন্দ অপছন্দ পরিস্থিতি কখনোই অন্য কেউ বুঝতে পারবে না। সুতরাং আপনি অন্যদের থেকে পরামর্শ নিবেন না, তাদের থেকে জানুন, প্রশ্ন করুন কিন্তু কারো কথাতেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিবেন না। অন্যর উপদেশটি নিজের জীবনের সাথে মিলেয়ে খুব ভালকরে ভাবুন নিজের ভবিষ্যতের কথা কল্পনা করুন, তারপর মনস্থির করে সিদ্ধান্ত নিন।

আমাদের রিলেশনের বয়স ২ বছর।কিছুদিন হলো আমার জিএফ অন্য একটা ছেলের সাথে ফোনে কথা বলতো।আমি জানতে পারলে ব্রেকাপ করি,।তারপর সে অনেক কান্নাকাটি করে এবং মাফ চাই। আর বলে সে আমাকে রিয়েল লাভ করে।আর ঐ ছেলেটার সাথে শুধু টাইমপাস করছে।কারন আমি আমার জিএফ এর সাথে কিছুদিন কথা বলতাম না ঝগড়া হয়েছিল তাই।আর আমি তাকে সেই রিলেশন শুরু থেকেই মাঝে মাঝে মানুসিক আঘাত করে যেতাম এটা আমার ভুল ছিল। কিন্তু সে আমার হাত কখনো ছাড়ে নাই। ভালবাসা পুরোটাই ছিল আমার ভিতরে ও বিদ্যামান।।আমাদের বিয়ের ও কথা ছিল সে নিজেই বিয়ের কথা বলতো। তো আমি তাকে বলছিলাম তুমি ভুল করছো তো তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না তুমি আমাকে মাফ করো।তারপর সেইদিন সে বিষ খায় এখন হাসপাতালে আছে এবং অচেতন অবস্থায় আমার নাম ধরে ডাকছে।আমি এখন কি করবো?তাকে বোঝায় রিলেশন অফ রাখবো নাকি বিয়ে করবো।?

জুনায়েতইসলামশিপন
Sep 9, 12:53 PM

সবকিছু মিলিয়ে আমি বলব আপনি তাকে ভুলে যান।

ভাই একটা কথা মানুষ তার অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে কিন্তু স্বভাব নয়। যার মাঝে নিজের জীবনের মূল্য বোধগম্য নেই এবং এত সহজ একটা বিষয় আত্মহত্যার মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন সে ভবিষ্যতে পথ চলায় অনেক কঠিন যুদ্ধের সময় কি করবে..? ভাগ্যিস আপনার বিয়ে হয়েছিল না,  যদি বিয়ে হয়ে যেত আর তারপরেই এসব ঘটত তখন পরিস্থিতি টা কোথায় যেতো একটু ভেবে দেখুন তো ? 

এটা না হয় মেনে নেওয়া যায় যে সে ভুল করে অন্য একটা ছেলের সাথে রিলেশনসিপে জড়িত হয়েছিল এবং এটা ক্ষমার যোগ্য অপরাধ, ভবিষ্যতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাবে না এটা কিন্তু একদমই বলা যায় না, তবে এই পরকীয়ার উপর ভিত্তি করে এসব বলি নাই। এ রকম দুর্বল ও বোকা  নারীর সাথে জীবনসঙ্গী করা আমি সমর্থন করি না সে যতই মাকে ভালোবাসুক আর ভালোবাসায় অন্ধ হোক। 

তবে এই মুহূর্তেই তাকে এই সিদ্ধান্তটি জানানোর ঠিক হবে কিনা তার পরিস্থিতি বিবেচনা করুন এবং তার সুস্থ হওয়া, পরিস্থিতি সমন্বয়, পরিবার বর্গ সবাইকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সবকিছু  বুঝিয়ে বলুন। 


 একটা কথা যেটা আপনাকে মনঃক্ষুণ্ণ করতে পারে সেটা হল নিজের জীবনের ডিসিশন কখনোই অন্যর উপর নির্ভর করে নেবেন না অন্যর কথার ভিত্তিতেই মনস্থির করবেন না। আপনাকে যারা  উত্তর দিচ্ছে বা যে উপদেশ দিচ্ছে সে হয়তো তার জীবনের অভিজ্ঞতা ও অনেক জ্ঞানের স্তর থেকে দিচ্ছে কিন্তু আপনার ভালোলাগা ও পরিস্থিতি বিবেচনা করছে না কেননা আপনার পছন্দ অপছন্দ পরিস্থিতি কখনোই অন্য কেউ বুঝতে পারবে না।

যদিও সম্ভাবনা খুবই কম তবে বীর্যরসে কিছুসংখ্যক স্পাম থাকে আর তা দিয়ে কনসেপ্ট সম্ভব।

কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান এবং কোথায় থেকে পড়বেন এর উপর নির্ভর করে যে আপনার কত টাকা খরচ হবে।

সরকারি কলেজে পড়লে প্রতিমাসে অল্পকিছু বেতন এবং ছয় মাস অন্তর অন্তর সেমিস্টার ফি ব্যতীত তেমন কোন খরচ হবে না। 

প্রাইভেট কলেজে পড়লে সে ক্ষেত্রে মাসিক বেতন একটু বেশী হয় এছাড়াও সরকারি কলেজ সেমিস্টার ফি বই-পুস্তক কেনাসহ সহ আপনিও যেখানে থাকবেন বাসস্থান খরচ ও মেস বিল ও ব্যক্তিগত খরচ নদীর উপর নির্ভর করে। 

কলেজে ভর্তি হতে কি কি কাগজপত্র লাগবে এখানে কোন ধরনের কলেজ সেটা উল্লেখ করলেই সুনির্দিষ্ট করে বলা যেত।
টেকনিক্যাল কলেজ / জেনারেল লাইন ও ডিপ্লোমা কলেজ সমূহে ভর্তির জন্য নিম্নে বর্ণিত কাগজপত্রসমূহ প্রয়োজন হয়
১। আপনি যদি ওই কলেজে অনলাইনে আবেদন করে চান্স পেয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে সেই ডকুমেন্টের একটি কপি
২। এসএসসি পাশের মার্কশীট অথবা সার্টিফিকেট এর মূল কপি
৩।  যে প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি পাস করেছেন সেই স্কুলের প্রশংসা/ ছাড়পত্র
৪। নিজের তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি ( ট্রান্সলেট ছবিও করে রাখবেন কেননা কিছুদিন পর আইডি কার্ড তৈরি করার জন্য লাগবে)
* এছাড়াও নিচের প্রয়োজন বা যেকোনো মুহূর্তে যদি কর্তৃপক্ষ চাই সেজন্য পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি এবং নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন এর ফটোকপি সাথে রাখবেন।

কি কি সমস্যা থাকলে সেনাবাহিনীর চাকরি হয় না, এ প্রসঙ্গে বলার পূর্বে আপনাকে অবগত করে রাখতে চাই যে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ দেয়া হয় এবং নিয়োগে উল্লেখিত যোগ্যতা থাকলে তবেই আবেদন করা যায়। যেমন সৈনিক পদে আবেদন করার জন্য আপনাকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ 3.00 পেতে হবে এবং অবিবাহিত হতে হবে, উচ্চতা কমপক্ষে 5 ফিট 6 ইঞ্চি থাকতে হবে, বুকের মাপ 32 ইঞ্চি হতে হবে ইত্যাদি।
ধরে নিলাম যে সার্কুলার অনুযায়ী সকল শর্ত আছে এমতাবস্থায় কি কি সমস্যার কারণে সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
( সাধারণত যে সমস্যার কারণে বেশি বাদ যায় সেগুলো উল্লেখ করা হলো)
১।  দুই হাটু একসাথে মিশে যাওয়াঃ সোজা হয়ে দাঁড়ানোর পর আপনার দুই পায়ের গোড়ালি এক জায়গায় করলে এমতাবস্থায় যদি দুই হাটু এর মাঝে ফাঁকা না থাকে সেক্ষেত্রে আপনাকে বাদ দেওয়া হবে।
২। কালার ব্লাইন্ড অথবা আপনার দৃষ্টি শক্তির কোন সমস্যা থাকলে।
৩। উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন অতিরিক্ত কম অথবা অতিরিক্ত বেশি থাকলে
৪। অন্ডকোষে  কোন প্রকার অস্বাভাবিকতার লক্ষণ গেলে বাদ দেয়া হয়
৫। আপনার শরীরে এমন কোন কাটা দাগ যা স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য অসঙ্গত বিশেষ করে যারা প্রেম ভালোবাসায় ছেকা খাওয়ার পর অথবা গার্ল ফ্রেন্ড বয় ফ্রেন্ড কে নিয়ে শরীরে চামড়া কেটে নাম লেখে এমন চিহ্ন পেলে বাদ দেয়া হয়।
৬। নাকে পলিপাস থাকলেও বাদ দেওয়া হয়
৭। দাঁতভাঙ্গা অথবা দাঁত নেই বা দাঁতের যে কোন প্রকার সমস্যা থাকলে ডাক্তার কর্তৃক অযোগ্য মনে করলে বাদ দেয়া হবে।
৮। প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর পিতা-মাতা যদি রাষ্ট্রদ্রোহী কোন কাজে জড়িত ছিল বা জড়িত থাকলে বাদ দেয়া হয়
৯। লিখিত পরীক্ষায় ও ভাইবা পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর না পেলে/ যথেষ্ট ভালো নম্বর না পেলে অন্যান্য শারীরিক যোগ্যতা থাকলেও সবকিছু মিলিয়ে যারা বেশি নম্বর পাবে এবং ঐদিন যতগুলো লোকের ভ্যাকেন্সি থাকবে তত গুলো প্রার্থীকেই নিয়োগ দেয়া হবে, এই বিবেচনায় অনেক  প্রার্থী মেডিকেল ফিট হওয়ার পরেও পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়ার কারণে বাদ হয়ে যায়,  এছাড়াও অনেক সময় একদিনে অধিক সংখ্যক ফিট লোক হওয়ার কারণে সবথেকে বেশি ফিট যারা তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আপনার পাসপোর্টের সাথে যদি অন্য সকল

 

তথ্যাদির জন্ম তারিখ মিল থাকে তাহলে কোনো সমস্যা হবে না, তবে ভবিষ্যৎ এ আপনার বয়স ৫০+ অতিক্রম করলে তখন অনেক দেশে শ্রমিক ভিসা পাবেন না।

 

 

হ্যাঁ,  বিয়ে করা যাবে।  নিজের ভাগিনী কে বিবাহ করা হারাম।  খালাতো বোনের মেয়েকে বিবাহ করা জায়েজ  আছে।

নিচের স্টেপ গুলো অনুসরন করে আপনার সেটিং ঠিক

করে নিন


(1) image


(2)image


(3)image


অতঃপর <> Setting <> apps <> এ গিয়ে

image

ঈসা (আঃ) কি মৃত্যুবরণ করেছেন?

জুনায়েতইসলামশিপন
Aug 14, 10:08 PM

jjjkkkk hgvv jjjjghh.

জুনায়েতইসলামশিপন
Jun 3, 01:30 AM

ghujkkjhgh.   jkkk.  kkkkk..