ইমরানহুসাইনpb এর সম্পর্কে
Students & admission candidates.
যোগ্যতা ও হাইলাইট
- এ/তে Science নিয়ে পড়াশুনা করছেন 2005-0
পুরুষ
অবিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 83.48k বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 6 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 4.74k বার
দিয়েছেন 98 টি উত্তর দেখা হয়েছে 78.74k বার
1 টি ব্লগ
5 টি মন্তব্য

আপনার সমস্যাটা কতদিন? যদি ফোট গুলো আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে তাহলে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।কিন্তু যদি বড় হতে না থাকে তাহলে চিন্তা করার দরকার নেই।কিছুদিন ঢিলে-ঢাালা পোশাক পরিধান করতে থাকুন,কোন টেলকম পাউডার অথবা হামদর্দের কুলজম রাতে লাগাবেন।ইনশাহ আল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে।

আর পারলে আমায় ইমেলই করুন "[email protected] "এ আমি ্জজমন ডাক্টারের সাথে আপনাকে যোগাযোগ করিয়ে দিবো।তাহলে সরাসরি বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে পারবেন।

যদি গোসল ফরজ হয় তাহলে অবশ্যই ৩ ফরজ আদায় করে গোসল করতে হবে।আর যদি গোসল ফরজ না হয় তাহলে আপনার ইচ্ছা।করতেও পারেন নাও পারেন।তবে সবচেয়ে ভালো হয়,আপনি যদি গোসল করার আগে ওযু করে নেন।এতে গোসল ফরজ হলে ফরজও আদায় হয়ে যাবে নাহলে ওযুর সওয়াবটাও পাবেন।এতে শরীরের সগিরা গুনাহ সমূহ মাফ হয়ে যাবে।এছাড়াও যদি এই ওযুর পরে গোসল করার সময় ওযু ভঙ্গের কোন কারণ না ঘে তাহলে আপনি এএই ওযু দিয়েই নামজও পড়তে পারবেন।

জি।হস্তমৈথুনের মাধ্যমে বীর্যপাত করলে গোসল ফরজ হয়ে যায়। বীর্য হলো: গাড়-সাদা পানি যা যৌন-উত্তেজনাসহ ঠিকরে বের হয়, যারপর শরীর অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। বীর্য গন্ধে অনেকটা পঁচা ডিমের মতো। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ হয়েছে : ( وَإِن كُنتُمۡ جُنُبٗا فَٱطَّهَّرُوا..) (আর যদি তোমরা অপবিত্র থাক, তবে ভালোভাবে পবিত্র হও) [ সূরা আল মায়েদা:৬] আলী রাযি. বলেছেন, ‘তুমি যদি সজোরে পানি নির্গত করো, তবে গোসল করো।’ (আবু দাউদ) হাদীসে আরও এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘পানি তো পানির জন্য’(বর্ণনায় মুসলিম) অর্থাৎ বীর্যপাত হলে গোসল ফরজ হবে’। সুতরাং যদি কেউ হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত ঘটায় তাহলে তার উপর গোসল ফরজ হয়ে যায়।তাকে পবিত্র হতে অবশ্যই ফরজ গোসল করতে হবে।কিন্তু যদি বীর্যপাত না হয় শুধু "মযি" বা "বীর্যরস" বের হয় তাহলে শুধু ওযু করলেই হবে। ‘আলী (রাঃ) বর্ণনা করেছেন তিনি বলেনঃ আমার অধিক মযী বের হত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা আমার স্ত্রী হবার কারনে আমি একজনকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালাম। তিনি প্রশ্ন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উযূ কর এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেল। (সহীহ বুখারি-২৬৯) সুুতরাং সবেগে বীর্যপাত ঘটলে গোসল ফরজ হয়ে যায়।তাই হস্তমৈথুন করলে ফরজ গোসল করে পবিত্র হতে হয়। ফরজ গোসলের নিয়ম অনুযায়ি যদি আপনি ফরজ গোসল না করেন তাহলে যদি সারা জীবন সমুদ্রেরও পানির মধ্যে ডুব দিতে থাকেন তবুও আপনি পবিত্র হবেন না।কারণ,সেটা নিয়ম মাফিক হয় নাই। ফরজ গোসলের নিয়ম:- ফরজ গোসলের ফরজ ৩ টি- ১.গড়-গড়াইয়া কুলি করা। ২.নকের নরম স্থানে পানি পৌঁছানো। ৩.সমস্ত শরীর ভালোভাবে ধোয়া। অর্থ্যাৎ প্রথমে গড়-গড়াইয়া ৩বার কুলি করতে হবে।এরপর হাতে পানি নিয়ে ওযুর মতো নাকে ৩ বার পানি দিতে হবে, মানে নাক দিয়ে কিছুটা পানি টেনে তুলতে হবে এরপর তা ছেড়ে দিতে হবে।এরপর সমস্ত শরীর ভালোভাবে ধুতে হবে,মানে এমন ভাবে গোসল করতে হবে যাতে শরীরের বাহ্যিক কোন অংশই যেন ১ চুল পরিমাণও শুকনা না থাকে।নাহলে ফরজ গোসল সম্পন্ন হবে না। এই ৩ টার মধ্যে কোন একটাও যদি ছুটে যায় বা পরিপূর্ণ ভাবে পালন করা না হয়,তাহলে পবিত্র হবে না।সবচেয়ে ভালো।হয় গোসলের আগে নামাজের মতো ওযু করে নেওয়া।তবে ওযু শেষে পা ধুতে হবে একটু দূরে।অর্থ্যাৎ যেখানে বসে ওযু করেছেন সেখান থেকে ১ হাত বা ২-৩ কদম দূরে পা ধুতে হবে। এছাড়াও গোসলের কিছু ওয়াজিবও আছে যেমন:-বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে পানি নিয়ে ওযু শুরু করা,গোসলের সসময়ডান পাশে ৩ বার পানি ঢালা এরপর বামপাশে ৩ বার,বীর্য বা নাপাকিটা ভালো করে ধুয়ে নেওয়া এরপর হাত মাটিতে ঘসে ধোয়া।

জি।হস্তমৈথুনের মাধ্যমে বীর্যপাত করলে গোসল ফরজ হয়ে যায়। বীর্য হলো: গাড়-সাদা পানি যা যৌন-উত্তেজনাসহ ঠিকরে বের হয়, যারপর শরীর অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। বীর্য গন্ধে অনেকটা পঁচা ডিমের মতো। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ হয়েছে : ( وَإِن كُنتُمۡ جُنُبٗا فَٱطَّهَّرُوا..) (আর যদি তোমরা অপবিত্র থাক, তবে ভালোভাবে পবিত্র হও) [ সূরা আল মায়েদা:৬] আলী রাযি. বলেছেন, ‘তুমি যদি সজোরে পানি নির্গত করো, তবে গোসল করো।’ (আবু দাউদ) হাদীসে আরও এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘পানি তো পানির জন্য’(বর্ণনায় মুসলিম) অর্থাৎ বীর্যপাত হলে গোসল ফরজ হবে’। সুতরাং যদি কেউ হস্তমৈথুন করে বীর্যপাত ঘটায় তাহলে তার উপর গোসল ফরজ হয়ে যায়।তাকে পবিত্র হতে অবশ্যই ফরজ গোসল করতে হবে।কিন্তু যদি বীর্যপাত না হয় শুধু "মযি" বা "বীর্যরস" বের হয় তাহলে শুধু ওযু করলেই হবে। ‘আলী (রাঃ) বর্ণনা করেছেন তিনি বলেনঃ আমার অধিক মযী বের হত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা আমার স্ত্রী হবার কারনে আমি একজনকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালাম। তিনি প্রশ্ন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উযূ কর এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেল। (সহীহ বুখারি-২৬৯) সুুতরাং সবেগে বীর্যপাত ঘটলে গোসল ফরজ হয়ে যায়।তাই হস্তমৈথুন করলে ফরজ গোসল করে পবিত্র হতে হয়। ফরজ গোসলের নিয়ম অনুযায়ি যদি আপনি ফরজ গোসল না করেন তাহলে যদি সারা জীবন সমুদ্রেরও পানির মধ্যে ডুব দিতে থাকেন তবুও আপনি পবিত্র হবেন না।কারণ,সেটা নিয়ম মাফিক হয় নাই। ফরজ গোসলের নিয়ম:- ফরজ গোসলের ফরজ ৩ টি- ১.গড়-গড়াইয়া কুলি করা। ২.নকের নরম স্থানে পানি পৌঁছানো। ৩.সমস্ত শরীর ভালোভাবে ধোয়া। অর্থ্যাৎ প্রথমে গড়-গড়াইয়া ৩বার কুলি করতে হবে।এরপর হাতে পানি নিয়ে ওযুর মতো নাকে ৩ বার পানি দিতে হবে, মানে নাক দিয়ে কিছুটা পানি টেনে তুলতে হবে এরপর তা ছেড়ে দিতে হবে।এরপর সমস্ত শরীর ভালোভাবে ধুতে হবে,মানে এমন ভাবে গোসল করতে হবে যাতে শরীরের বাহ্যিক কোন অংশই যেন ১ চুল পরিমাণও শুকনা না থাকে।নাহলে ফরজ গোসল সম্পন্ন হবে না। এই ৩ টার মধ্যে কোন একটাও যদি ছুটে যায় বা পরিপূর্ণ ভাবে পালন করা না হয়,তাহলে পবিত্র হবে না।সবচেয়ে ভালো।হয় গোসলের আগে নামাজের মতো ওযু করে নেওয়া।তবে ওযু শেষে পা ধুতে হবে একটু দূরে।অর্থ্যাৎ যেখানে বসে ওযু করেছেন সেখান থেকে ১ হাত বা ২-৩ কদম দূরে পা ধুতে হবে।যদি এই ওযুর পরে গোসল করার সময় ওযু ভঙ্গের কোন কারণ না ঘটে তাহলে আপনি এই ওযু দিয়েই নামাজও পড়তে পারবেন।

এছাড়াও গোসলের কিছু ওয়াজিবও আছে যেমন:-বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে পানি নিয়ে ওযু শুরু করা,গোসলের সসময়ডান পাশে ৩ বার পানি ঢালা এরপর বামপাশে ৩ বার,বীর্য বা নাপাকিটা ভালো করে ধুয়ে নেওয়া এরপর হাত মাটিতে ঘসে ধোয়া।

ফ্রীতে ডায়মন্ড পাওয়ার কোন রাস্তা নেই।ডায়মন্ড নিতে হলে আপনাকে টাকা দিয়ে সেটা কিনতে হবে।নেটে বা বিভিন্ন ভিডিওতে যে হ্যাক করে ডায়মন্ড নেওয়ার ট্রিকস দেখানো হয় সেটা বেশির ভাগ সময়ই কাজ করে না আর ২/১ টা করলেও সেটা  অবৈধ।হ্যাক করে ডায়মন্ড নিলে তা ২/১ দিনের বেশি টিকে না।এমনকি এসব (হ্যাক) করলে আপনার ফোন সহ আইডি ব্যান হওয়ার সম্ভবনা আছে।

প্রসাবের সাথে অথবা আগে বা পরে সাদা চুনের পানির মতো বা বীর্যের মতো বের হওয়াটাকে ধাতুদৌর্বল্য বা ধাতুক্ষয় বলে। এটা হওয়ার প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করা, অতিরিক্ত বীর্য উৎপন্ন হওয়া।এছাড়াও প্রস্টেট গ্ল্যান্ড, মনোজ্ঞ রোগের ফলে এটা হয়ে থাকে। আপনি বয়সটা এবং হস্তমৈথুন করেন কিনা বললে ভালো হতো। হস্তমৈথুনের ফলে পেনিসের শিরা ও টিস্যুর উপর প্রচুর চাপ পরে,এতে শিরাগুলো ছিঁড়েও যায় এবং ঢিলে হয়ে যায়।এতে মূত্রনালি দিয়ে হালকা চাপে ও মূত্রের বেগে হালকা বীর্য বেরিয়ে আসে। তাই আপনারর যদি হস্তমৈথুনের অভ্যাস থেকে থাকে, তাহলে এটা ১০০% ত্যাগ করুন। এছাড়াও আপনি যখন যৌন চিন্তা করেন বা উত্তেজক (পর্ণ বা অশ্লিল গল্প) দেখেন,তখন আপনার যৌনতা উত্তেজিত হয়ে যায়।তখন শুক্রাশয় থেকে বীর্য এসে মূত্রনালিতে আটকে থাকে এবং যখন আপনি মূত্র ত্যাগ করেন তখন সেটা বের হয়।মূল কথা হলো বীর্য পাতলা হয়ে গেলে এটা হয়। চিন্তার কিছু নেই,সকালে বাসিপেটে ১/ চামচ মধু + কালোজিরা খাবেন সাথে ২-৩ কোয়া কাঁচা রসুন খাবেন।রসুন বীর্য গাঢ় করবে,শুক্রাণু বৃদ্ধি, স্বৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হার্টের রোগ দূর করবে এছাড়াও আরও অনেক উপকার করবে। মাঠে বা রাস্তার ধারে একধরনের গাছ হয়,সেটাকে শতমূল বলে।গাছে নীল বা লাল রং এর মাইকের মতো দেখতে ফুল ধরে।এর ফল পাকলে দেখতে কালো এবং কলই ডালের মতো (গাছে যখন কলই ধরে)।এই গাছটা সাবধানে শিকড়সহ উপড়িয়ে ফেলবেন,শিকড় মুলার মতো দেখতে কিন্তু ছোট ছোট।এই শিকড় সকাল আর রাতে খাবেন। বেনেতির দোকান থেকে শিমুলমূল চূর্ণ ১০০ গ্রাম কিনবেন, এটা রাতে ১ চামচ দুধ বা পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন। এভাবে কয়েক সপ্তাহ খান ইনশাহ আল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে। আর হস্তমৈথুন,পর্ণ,অশ্লিল গল্প পুরোপুরিভাবে ত্যাগ করুন।

আর কিছু জানতে চান?

১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ৭ জন মিলে " বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠিত হয়"।প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদ মীর কাশেম আলি।

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের জনশক্তিদের মান অনুযায়ি ৪ টা ধাপ আছে,প্রথমে সমর্থক,তারপর কর্মী,তারপর সাথী, তারপর সদস্য। সংগঠনের ৩ নং ধারায় বর্ণিত আছে, "যে সব ছাত্র ইসলামি জীবন বিধান কপ সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত, তাদেরকে এ সংগঠনের অধিনে সংঘবদ্ধ করা"। তো আপনি যদি ৩ নং ধারা পালন করেন তাহলে সংগঠনের আপনি সমর্থক হিসেবে বিবেচিত হবেন।তবে অবশ্যই অফিশিয়ালি সমর্থক ফরম পূরণ করতে হয়। এর পর সংগঠনের সিলেবাস কর্তৃক কর্মী সিলেবাসের কুরআন ও হাদিসের নির্দৃষ্ট খন্ড এবং সিলেবাস কর্তৃক ১১ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন করেন তাহলে উর্ধতন দায়িত্বশিলের নিকট একটি কন্টাক্ট (পরিক্ষা) দিয়ে কর্মী শপথ নিতে হবে। এরপর ৯নং ধারা-"যদি কোন শিক্ষার্থী সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতন ভাবে একমত হন,ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্ব সমূহ পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগগঠনের সাথী হতে পারবেন"। ধারা -১০:সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেদনপত্র পূরণ করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতি অথবা তার কোন স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে জমা দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি সে আবেদনপত্র মন্জুর করে নেবেন"। যদি আপনি ৯ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সিলেবাসে বর্ণিত নির্ধারিত কুরআন,হাদিস এবং ৩০টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যায়ন করেন, তাহলে স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সাথী কন্টাক্ট দেওয়ার জন্য আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিয়ে কন্টাক্ট দিতে হবে।কন্টাকে উত্তীর্ণ হলে আপনি সাথী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং আপনার আবেদন পত্র কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে যাবে।সভাপতি মন্জুর করলে, কিছুদিন পর আবার আপনাকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির কাছে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাক্টে উত্তীর্ণ হলে আপনাকে সাথী শপথ দেওয়া হবে। এরপর ৪ নং ধারা, "একজন শিক্ষার্থী যদি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যেকে তার জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে পূর্ণ ঐক্যমত পোষণ করেন ও তা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেন,এ সংগঠনের সংবিধানকে সম্পূর্ণররূপে মেনে চলে,তার জীবনে ইসলাম নির্ধারিত ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ যথাযথভাবে পালন করেন,কবিরা গুণাহসমূহ থেকে দূরে থাকেন এবং সংগঠনের লক্ষ্য ও কর্মসূচির বিপরীত কোন সংগঠনের সঙ্গে কোন সম্পর্ক না রাখেন,তাহলে তিনি এই সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করেতে পারেন"। ধারা-৫: সদস্য পদ লাভে ইচ্ছুক কোন কর্মী (সাথী) কেন্দ্রীয় সভাপতি হতে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথ ভাবে পূরণ করে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত পন্থায় কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি তা মন্জুর করবেন এবং তার সদস্য পদের শপথ নেওয়ার ব্যাবস্থা করবেন।মন্জুর করলে তার কারণ কার্যকরী পরিষদের নিকট ব্যাখ্যা করতে বাধ্য থাকবেন"। যদি কোন সাথী ৪ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সংগঠনের সিলেবাস কর্তৃক কুরআন, হাদিসের অংশ এবং ৮৪ টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যয়ন করবে তাহলে তিনি স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সদস্য আবেদনপত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে।

ডায়েরি লেখার বয়স ৩ মাস হলে,আবার প্রশ্ন পত্রের জন্য কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র আসবে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নগুলো লিখে দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে কেন্দ্রে পাঠাতে হবে।এরপর এর ১ মাস পরে লিখিত কন্টাক হবে।উত্তীর্ণ হলে কয়েক ঘন্টা পরে শপথ কন্টাক্ট দিতে হবে।উত্তীর্ণ হলে পরের দিন চূড়ান্ত শপথ হবে।এতে উত্তীর্ণ হলে।আপনি শপথ অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন।শপথ অনুষ্ঠানে অফিস সম্পাদক একটু বাছাই করবে।বাছাইয়ে আপনি টিকে গেলে মুরতারাম কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দেওয়ারর জন্য উপস্থিত হবেন।তিনি চাইলে কাউকে প্রশ্ন করতে পারেন।যদি উত্তর না দিতে পারেন, তাহলে আপনি বাদ পরতে পরেন।এরপর কেন্দ্রীয় সভাপতি শপথ দিবেন।

এটার কোন ধরা বাধা প্রশ্ন নাই।সিলেবাসের মধ্যে থেকে মেহমানের যেটা ইচ্ছা আপনাকে ধরতে পারে।আপনি সিলেবাস কম্প্লিট করে যাবেন।ইনশাহ আল্লাহ সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন।

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের ধারা-৯:-"যদি কোন শিক্ষার্থী সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতন ভাবে একমত হন,ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্ব সমূহ পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগগঠনের সাথী হতে পারবেন"। ধারা -১০:সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেদনপত্র পূরণ করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতি অথবা তার কোন স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে জমা দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি সে আবেদনপত্র মন্জুর করে নেবেন"। যদি আপনি ৯ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সিলেবাসে বর্ণিত নির্ধারিত কুরআন,হাদিস এবং ৩০টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যায়ন করেন, তাহলে স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সাথী কন্টাক্ট দেওয়ার জন্য আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিয়ে কন্টাক্ট দিতে হবে।কন্টাকে উত্তীর্ণ হলে আপনি সাথী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং আপনার আবেদন পত্র কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে যাবে।সভাপতি মন্জুর করলে, কিছুদিন পর আবার আপনাকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির কাছে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাক্টে উত্তীর্ণ হলে আপনাকে সাথী শপথ দেওয়া হবে।

অশ্যই:-১.সহীহ কুরআন তেলাওয়াত জানতে হবে। ২.জামায়াতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হবে। ৩.মাদক থেকে মুক্ত হতে হবে।

 ৪.সকল প্রকার অনৈসলামিক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। 

৫.কবীরা গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে হবে।

 ৬.ছাত্র হতে হবে। 

এছাড়াও আরও শর্ত আছে,যা সংবিধানের ধারার মধ্যে নিহিত আছে।

পর্ব:১
"নিশ্চয় আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন বা জীবন ব্যাবস্থা ইসলাম।"
(সূরা আলে ইমরান-১৯)
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যাবস্থা। ইসলাম সকল যুগের সকল মানুষের পথনির্দেশক। ইসলামে সাদা-কালো,রাজা-প্রজা,ধনী-গরীব সকল মানুষই সমান।ইসলাম সকল মানুষই সমান।ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার জন্য আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন।হযরত আদম (আ) থেকে সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) পর্যন্ত অসংখ্য নবী-রাসূল পরবর্তী পর্যায়ে সাহাবী-আজমাঈন,তাবেঈন-তাবে তাবেঈন,আওলিয়ায়ে কিরাম ও ইসলামী চিন্তাবিদগণ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ইসলামের গোড়াপত্তন করেন।
★যুগে যুগে ইসলামি আন্দোলন :-
হযরত নূহ (আ) আল্লাহর প্রত্যাদেশ প্রাপ্ত ছিলেন তিনি সুদীর্ঘ সাড়ে নয়শ বছর তার জাতির কাছে দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছিলেন।তার আহ্বানে অল্প সংখক লোক ঈমান আনে।হযরত ইব্রাহীম (আ) এর সম্প্রদায় ও রাজা নমরূদ ছিল মূর্তিপূজক। এমনি পরিবেশ পরিস্থিতিতে হযরত ইব্রাহীম (আ) নবুওয়াত লাভ করেন এবং তার জাতির লোক জনকে তাওহীদ অনুসরণের আহ্বান জানান।হযরত ইয়াকুব (আ) এর বংশধর বনি ইসরাইল জাতি কয়েক শতাব্দী যাবৎ চরম  লাঞ্ছিত ও শোষিত হয়ে আসছিল।হযরত মূসা (আ) তাওরাত কিতাবসহ প্রেরিত হয়ে নবুওয়তের দায়িত্ব পালন করেন এবং বনি ইসরাইল জাতিকে ফিরাউনের নির্যাতন থেকে মুক্ত করেন।হযরত দাউদ (আ) যাবুর কিতাবের অমিয় বাণী উম্মতের মাঝে প্রচার করেন।ইন্জিল কিতাব ঈসা (আ) এর উপর নাজিল হয় এবং তিনি এই কিতাবের আলোকে সমাজ গঠনে আত্মনিয়োগ করেন।
★ইসলামের সূচনা:-
ইসলামের সূচনা যখন থেকে ইসলামী আন্দোলনের  সূচনাও ঠিক তখনই।হযরত আদম (আ) থেকে মানব সভ্যতার শুরু এবং প্রথম নবী ও প্রথম মানব আদম (আ) থেকেই ইসলামের সূচনা হয়।কাজেই মানব জাতির ইতিহাস যত প্রাচিন ইসলামী আন্দোলনেরর ইতিহাসও ততোটা প্রাচীন।
★বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর ইসলামি আন্দোলন:-
রাসূল (সা) এর পায়গাম ছিল দুনিয়ারয় এক বিরাট বিপ্লব ও সংষ্কারমূলক আন্দোলন। উল্লেখ্য রাসূল (সা) জন্ম থেলে শুরু করে তার পুরো জীবনটাই অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়।বাল্যকাল থেকেই তার মধ্যে সমাজ সংষ্কারের উদ্দীপনা ছিল।এ কারণে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি "হিলফুল ফুযুল" নামক সমাজ সেবা সংঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
★রাসূল (সা) এর আন্দোলনের  চার পর্যায়:-
১ম পর্যায়:অতি গোপনে দাওয়াত।
২য় পর্যায়:নবুওয়াতের প্রকাশ্য ঘোষণা।
৩য় পর্যায়:রাসূল (সা) এবং তার সাহাবাদের ওপর যুলুম-নির্যাতন।
৪র্থ পর্যায়:মদিনায় হিজরত,মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা,ব্যাপকহারে জনগণের ইসলাম গ্রহণ ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে অগ্রাভিজান।


কত মানের রেজিষ্টর দিবো.?

ইমরানহুসাইনpb
Sep 15, 09:26 AM

আমি একটি ডিভাইস বানাতে চাই,"water level indicator ".এটা বাসার ছাদে থাকা পানির ট্যাংকে পানির পরিমাণ নির্ণয় করা যায়।পার্স গুলো হলো:-

১.5 টি  LED বাল্ব (ছোট)।

২.9v ব্যাটারি।

৩.100 ওহমস রেজিষ্টর ৫টি।

৪.কিছু তার

ভিডিওতে এটা বানাতে ওরা 9v ব্যাবহার করেছে।কিন্তু আমার কাছে কোন 9v ট্রান্সফরমার নাই। 6v ট্রান্সফরমার আছে।এই সার্কিটে 6v দিলে কম আলো হয়,তাহলে 6 v এর জন্য এখানে আমি কত মানের রেজিষ্টর ব্যাবহার করবো?

দয়া করে জানাবেন


এটা কত ভোল্টের ট্রান্সফরমার?

ইমরানহুসাইনpb
Aug 10, 03:45 PM


দয়া করে লোকেশন,রোড বলুন?

ইমরানহুসাইনpb
Dec 19, 06:56 PM
আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, লোকেশন-২,পীরগন্জ মাজার,মতিঝিল।এটার সঠিক লোকেশনটা কোথায়.?।কলেজটাতে মিরপুর থেকে কিভাবে, এবং টেকনিক্যাল মোড় থেকে কিভাবে যেতে হবে।দয়া করে একটু জানাবেন। 
আমার উত্তর দেওয়ার পরে যদি প্রশ্ন কর্তা কিছু জিজ্ঞেসস করে তাহলে আমি মন্তব্য করতে পারছি না এবল কোন সতর্কও করতে পারছি না।করতে গেলে আপনার ইমেইল যাচাই করুন এমন লেখা আসে কিন্তু  কিন্তু  যাচাই কারার জন্য কোন কোড আসে না।
একটি সার্কিটে 220k রোধ (রেজিট্যেন্স) দেওয়া আছে।এটা দিয়ে ৬০ ওয়াট (লাল আলো হয়) বাল্ব জ্বলে।ওখানে যে কোন ওয়াটের এনার্জি বাল্ব লাগালে জ্বলছে না।দয়া করে বলুন ১৫/২২/৩০ ইত্যাদি ওয়াটের এনার্জি বাল্বের জন্য কত মানের রোধ (রেজিট্যেন্স) ব্যাবহার করবো.?