user-avatar

আলআমিনভাই

◯ আলআমিনভাই

ইলেকট্রনকে স্থানচ্যুত করতে যে চাপ প্রয়োগ করাহয় তাকে ভোল্টেজ বলে। বা বৈদ্যুতিক চাপকে ভোল্টেজে বলে।

ইলেকট্রন প্রবাহের হারকে অ্যাম্পিয়ার বলে। অ্যাম্পিয়ার হচ্ছে কারেন্টের একক।


ভোল্টেজে হচ্ছে বৈদ্যুতিক চাপ।
কারেন্ট হচ্ছে ইলেকট্রনের প্রবাহ।
এর জন্য আপনাকে ফুলওয়েভ ব্রিজ রেক্টিফায়ার সার্কিট তৈরি করে এর পজিটিভ ও নেগেটিভ আউটপুট চিহ্নিত করে ১৬ ভোল্ট ১০০ মাইক্রোফ্যারাড একটি (পোলারিটি ঠিক রেখে) ক্যাপাসিটর সংযোগ করে দিলে ফিউর ডিসি পাবেন ইনশাআল্লাহ। 
ফেজ এবং নিউট্রাল শব্দটি এসি বিদ্যুৎ এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করাহয়। প্রথমেই বলেনিচ্ছি ফেজ নিউট্রাল সঙ্গাইত করতে পারছি না। আর্থিং শব্দটি এসেছে আর্থ থেকে। আর্থ মানে পৃথিবী । পৃথিবীর সাথে কোনো পরিবাহির মাধ্যমে কোন ডিভাইসকে সংযোগ করে দেয়া বা জুরে দেয়াকে আর্থিং বলে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে ট্রান্সফর্মার বা জেনারেটর থেকে আসা যে পরিবাহীতে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ বা ফ্রিকোয়েন্সি আছে তাই ফেজ আবার যার মধ্যে ফ্রিকোয়েন্সি থাকেনা তা নিউট্রাল।

বেশি, বেশি পানি পান করুন, এমতাবস্থায় ইসব গুলের 

ভূষি, গ্লুকোজ সহ খাবার স্যালাইন খাবেন যত দিন না
ঠিত হয়। সঠিক মাত্রায় পুষ্টিকর খাবার খান।

সমস্যার কোনো পরিবর্তন না বুঝলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আমার জানামতে এক সেমিষ্টারে ৪ বিষয়ে রেফার্ড আসলে ড্রপ হবে। যেমন ৪র্থ সেমিষ্টারে ৩টা আর ৫ম তে একটা মোট ৪ টা এমন না। ৪র্থ তে ৪ টা বা ৫ম এ ৪ টা এমন হলে ড্রপ হবে।

আপনি এই উত্তরটি দেখুন। আশাকরি আর কোনো টেনশন করবেন না।

বাংলা দেশের বৈদ্যুতিক ফ্রিকোয়েন্সি (HZ) ৫০। সুতরাং এটা আপনি সরাসরি ব্যাবহার করতে পারবেন না। এর জন্য আপনাকে VFI ব্যাবহার করতে হবে। এবং এর অপারেশন জানতে হবে।
এ নিয়ে ঘাবরাবেন না। সৃ‌ষ্টিকর্তা যার যতটুকু দরকার ততটুকুই দিয়েছেন/দেন। লিঙ্গ বড় হলেই বেশি মজা পাওয়া যাবে এমনটি না। বেশি বড় পুরুষাঙ্গ হলে সহবাসে মেয়েদের কষ্ট হয়। আমার জানামতে মেয়েদে লিঙ্গের গভীরতা ২.৫" -- ৩" হয়। এক কথায় বুঝেনিন পুরুষাঙ্গ নিয় আপনার কোনো চিন্তার কারন নেই। 

খারাপ বলা যায়না আবার ভাল বলা যায়না। কারন সব কিছু সবার থাসে ম্যাচ করেনা। অনেকেই এটা ব্যাবহার করে আরাম পাচ্ছে আবার অনেকের কাছে এটা বাজে।

যারা ব্যবহার করে আরাম পাচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকেই এরচেয়ে ভাল ব্রেন্ড ব্যাবহার করে আরাম পাচ্ছে না। আবার অনেকেই এরচেয়ে লো ব্রেন্ড ব্যবহর করে আরাম পাচ্ছে কিন্তু এটা ব্যাবহার করে আরাম পাচ্ছে না।
সুতরাং সরাসরি ভাল বা খারাপ বলা যাবেনা।
আলফালাফা হোমিওপ্যাথিক ঔষধ। হোমিওপ্যাথিক ঔষধের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। সুতরাং আপনার আলফালাফা খাওয়াটাই ভাল হবে বলে আমার মনেহয়। (চিকিৎসকের পরামর্শ ছারা কোনো ঔষধ সেবন বা ব্যবহার করা উচিৎ না)
আট ভোল্ট বা র্বোচ্চ বার ভোল্ট (কম হলেই ভাল হয়)। অ্যাম্পিয়ার আপনি ইচ্ছে মত নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে যত বেশি অ্যাম্পিয়ার এর ব্যাটিং হবে তত বেশি সময় নিবে চার্জ হতে।
আমার জনা মতে রোল নং, রেজিস্টেশন নং এবং সেশন ঠিক থাকলে তেমন কোনো সমস্যা হয়না।
ওভার চার্জ হলে সমস্যা। খেয়াল রাখবেন যেন অতিরিক্ত গরম না হয়।
আমরা জানি,  ১ বছর = ১২ মাস। সুতরাং ১০ বছর = ১২×১০ = ১২০ মাস। ৬০০০০০ টাকা জমা করতে প্রতি মাসে জমা করতে হবে ৬০০০০০÷১২০ = ৫০০০ টাকা।
করা যাবে তবে সময় একটু বেশি লাগতে পারে। সবচেয়ে ভাল হয় ১৮ ভোল্টের ট্রান্সফার দ্বারা চার্জ করলে।
এই লেখার বাম পাশে একটি বর্গাকার চিহ্ন রয়েছে তাতে ক্লিক করে ওকে করে দিলে আপনাকে ইমেলে জানানো হবে। অন্যথায় জানানো হবেনা।
কালিয়াচাপরা (পুলেরঘাট) বাজার কিশোরগঞ্জ। পুলেরঘাট বাজারের দক্ষিণ দিকে রাস্তার পশ্চিমে সিঙ্গাপুর "ট্রেনিং সেন্টার"নামে একটি ট্রেনিং সেন্টার আছে। ট্রেইনার "কাজল স্যার" নামে পরিচিত।
আপনার নিকটস্থ টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে (টিটিসি) যোগাযোগ করুন। অথবা ইলেকট্রিক্যাল টেকনেশিয়ানের সাথে যোগাযোগ করুন।
কানেক্টর। এর সঠিক দাম জানা নেই তবে ২০/২৫ টাকার বেশি বহে বলে আশা করছি না।
বাড়তে পারে তবে সেটা খুবি সীমিত সময়ের জন্য তারপর তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%।
৪০০ ভোল্টের ০.৫ মাইক্রো ফ্যারাডের ক্যাপাসিটর পাওয়াযায় কিনা দেখুন। যদি পান তাহলে প্যারালালে কানেকশন করে দিন।
এটা ঠিক করতে চাইলে ভাল মানের নতুন তার দ্বারা রিওয়াইন্ডিং (পূনরায় কয়েল পেচাতে হবে) করতে হবে। সেটা হয়তো আপনি করতে পারবেন না, আর করলেও সে অনেক ঝামেলার বিষয়।
একটি সাধারণ রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ প্রতি ঘন্টায় প্রায় প্রায় ২০০/২৫০ ওয়াট নিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে এরচেয়ে কিছুটা বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন স্টাবিলাইজার নিলেই হয়। আপনি উল্লেখ করেছেন ৬০০ ভোল্ট অ্যাম্পিয়ার মানে ৬০০+ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন স্টাবিলাইজার। সুতরাং এটাতেই চলবে।
সেটা ১১০০০ হতে পারে ৬০০০ হতে পারে। তবে ইনপুট, আউটপুট ও পাওয়ার বিবেচনা করে ট্রান্সফরমার সেট করা হয়।

এখানে খালি বা ভরা (জুতা সহ) পা বড় বিষয় না। বড় বিষয় হচ্ছে আপনার শরীরে কোনোভাবে আর্থিং বা নিউট্রল টর সংস্পর্শ আছে কিনা। যদি থাকে তবে তা প্রাণনাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

বলতে পারেন আর্থিং কোনটা?
আর্থ হচ্ছে পৃথিবী আর্থ হইতেই আর্থিং। আর এর প্রধান উপাদান মাটি। সুুুুতরাং মাটিতে (ভিজে মাটি) খালি পায়ে দারিয়ে ঐ কাজটি করলে প্রাণনাশের সম্ভবনা আছে।
বিঃদ্রঃ কোনো অবস্থাতেই এই কাজটি করা উচিৎ হবেনা।
বমর্তমানে পি.এফ.আই তৈরির সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে ক্যাপাসিটর ব্যাংকিং। এর জন্য শুধু সঠিক ক্ষমতা সম্পন্ন ক্যাপাসিটর প্রয়োজন। এছাড়া সমল মটর পদ্ধতি (সিনক্রোনাস মটর) ব্যাবহার করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক ক্ষমমতা সম্পন্ন সমল মটর।
জেনারেটর ভোল্টেজ উৎপাদন করে। ভোল্টেজ হচ্ছে বৈদ্যুতিক চাপ। (মানে যা ইলেকট্রনকে স্থানচ্যুত করতে এর উপর চাপ প্রয়োগ করে।) যখনি পরিবাহীর মাধ্যমে সোর্সের (জেনারেটরের) সাথে লোড সংযোগ করা হয় তখনি ইকেকট্রন চলাচলের রাস্থা পায় এবং চলতে থাকে।
যথেষ্ট বিপদ জনক। (স্থান কাল পাত্র বেধে।)
৪০ বা ৬০ ওয়াট নিতে পারেন।
আয়রনের (তাতালের) বিট (তাতালের মাথা) পরিবর্তন করুন। আর সল্ডারিং (ঝালাই) করার সময় রজন লাগিয়ে নিন। এতে কাজ না হলে লিড (রাং) পরিবর্তন করুন।