আরাফাতহোসেনতন্ময় (@আরাফাতহোসেনতন্ময়)

প্রথম প্রথম সব মানুষের ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞতা, লজ্জা, নিজের উত্তেজনা কে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা ইত্যাদির কারনে এমন টা হতে পারে। চিন্তার কিছু নেই। সময় নিন, তাড়াহুড়া করে মিলিত হবেন না। এই মুহূর্তে আপনার চিকিৎসকের কাছে যাবার প্রয়োজন নেই বলেই মনে হয়। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। আপনার যে সমস্যা, সেটা খুবি স্বাভাবিক। সবার আগে দ্রুত বলতে আপনি কি বোঝান তা বুঝতে হবে । একটি ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও স্বাভাবিক বলা হয় । আপনি তখনি আপনার এ বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাৎ ১-৫ মিনিটে বের হয়ে যাবে । কেবল তখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনার এ সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছে। চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক । অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেন তার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা । মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার । এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই । এই কথাটি বলার কারণ খুব ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে । এখানে একটি থিওরি আছে ।বোঝানোর চেষ্টা করছি । ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যসি ২০ মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে , না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরা মাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় । এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই , আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল , অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়ে গেল । এগুলো হল সমস্যা। সলিউশনে যাই এবার আমরা । একটি ব্যপার স্বাভাবিক । ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক , এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । এটি আপনার অক্ষমতা নয় । এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন - - হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে । - এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে । - একটি পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়ে ধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা । - ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না । - একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে পেনিস কে উত্তেজিত করে বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে । এটি সপ্তাহে একবারের বেশি না করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে ।

একজন ভালো মানের হ্যাকার হতে চাই কি কি প্রয়োজন?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

হ্যাকিং বা হ্যাকার এই শব্দটির সাথে প্রায় আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। আমরা অনেকেই চাই হ্যাকার হতে। ভবিষ্যতে বা এখনি একজন বড় ধরনের কম্পিউটার হ্যাকার হওয়ার শখ বা স্বপ্ন আমাদের মধ্যে অনেকেরই আছে। আবার অনেকে মনে করেন যে হ্যাকার হওয়া অনেক সহজ একটি কাজ। যদি আপনিও তাই মনে করে থাকেন, তবে আপনি সম্পূর্ণ ভুল। আসলে হ্যাকিং জিনিসটা পৃথিবীর সবথেকে কঠিন এবং জটিল কাজগুলোর মধ্যে একটি। আপনি চাইলেই একজন হ্যাকার হতে পারবেন না।


 

একজন পরিপূর্ণ হ্যাকার হতে হলে আপনার দরকার হবে কম্পিউটার, ইন্টারনেট এবং সর্বোপরি প্রযুক্তির বিষয়ে অস্বাভাবিক রকমের জ্ঞান এবং একটি সঠিক গাইডলাইন। হ্যাকার আপনি একদিনে হতে পারবেন না কখনোই। হ্যাকার হতে হলে আপনাকে দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলন করে যেতে হবে। সব ধরনের হ্যাকিং টুলস এবং সফটওয়্যার ইত্যাদি সবকিছু নিয়ে অনেকদিন ধরে ঘাটাঘাটি করতে হবে।


এসবকিছুর পরেও আপনি হ্যাকার হতে পারবেনই এমন কোন নিশ্চয়তাও নেই। আর সবক্ষেত্রে হ্যাকিং জিনিসটি খুব একটা ভাল কাজ নয়। হ্যাকিং এর কারনে আপনি জেলেও যেতে পারেন। তাই হ্যাকিং সম্পর্কিত সব ধরনের কাজ খুবই সাবধানতা এবং গোপনীয়তার সাথে করতে হয়। আপনি যদি সিকিউরিটি এবং গোপনীয়তা আরো শক্তিশালী করার ব্যাপারটি প্রথমেই নিশ্চিত করতে না পারেন, তাহলে আপনার জন্য হ্যাকিং নয়।


আরএই টিউনটি পড়ার পরেই আপনি একজন হ্যাকার হয়ে যেতে পারবেন এমনটা নয়। এই টিউনে শুধুমাত্র এমন কয়েকটি পয়েন্ট এবং কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যেগুলো আপনার সবার প্রথমে দরকার হবে যদি আপনি হ্যাকার হতে চান। তাহলে আর ভূমিকা না করে এবার শুরু করা যাক।


হ্যাকার হতে হলে আপনার প্রথমে জানা উচিৎ হ্যাকার কয় ধরনের আছে পৃথিবীতে। প্রধানত ৩ ধরনের হ্যাকার দেখা যায়।


ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার

গ্রে হ্যাট হ্যাকার


ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার হচ্ছে সেই ধরনের হ্যাকার যারা হ্যাকিং এর মাধ্যমে মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করে। অর্থাৎ হ্যাক করে কোন মানুষের বা কোন প্রতিষ্ঠানের পারসোনাল ডাটা চুরি করা বা টাকা দাবি করা ইত্যাদি।

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার হচ্ছে সে ধরনের হ্যাকার যারা মানুষের ভালোর জন্য হ্যাকিং এর কাজটি করে থাকে। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের হারিয়ে যাওয়া ডাটা পুনরুদ্ধার করা বা হ্যাকিং এর মাধ্যমে কোন সিস্টেম এর সিকিউরিটি চেক করা অর্থাৎ যারা ভালোর জন্য হ্যাক করে তারাই হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার। এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও বলা হয়।

আর গ্রে হ্যাট হ্যাকার হচ্ছে হোয়াইট হ্যাট এবং ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি পর্যায়ের হ্যাকার। অর্থাৎ এরা মাঝে মাঝে ভাও কাজও করে আবার মাঝে মাঝে ক্ষতিও করে।

এবার দেখা যাক, একজন হ্যাকার হতে হলে আপনাকে কি কি জানতে হবে বা কি কি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।


বিঃদ্রঃ এই টিউনটি পড়তে পারেন শুধুমাত্র হ্যাকিং সম্পর্কে কিছু ধারনা পাওয়ার জন্য এবং শুধুমাত্র জানার জন্য। আমি কোনভাবেই হ্যাকিং কে সমর্থন করিনা। এই টিউনটি কোন ধরনের ক্ষতির উদ্দেশ্যে লেখা নয়।



কোডিং সহ এই সম্পর্কিত সবকিছু শিখুন

পৃথিবীতে প্রায় ১০০ টিরও বেশি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ আছে। আর হ্যাকার হতে হলে আপনাকে প্রথমেই কোডিং শিখতে হবে। কোডিং না জানলে আপনি হ্যাকিং এর প্রায় কিছুই পারবেন না। হ্যাকিং এর জন্য আপনাকে অনেকসময় বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম তৈরি করতে হতে পারে বা বিভিন্ন ধরনের ছোট ছোট সফটওয়্যারও তৈরি করতে হতে পারে। আর হ্যাকার হতে হলে আপনাকে সবগুলো কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ না হলে কয়েকটি কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন C, C++, Python ইত্যাদি কয়েকটি কোডিং ল্যাঙ্গুয়েজ বেশ ভালভাবে শিখতে হবে। হ্যাকার হতে হলে কোডিং এর বিষয়ে আপনাকে এক্সপার্ট হতেই হবে। প্রোগ্রামিং শেখার জন্য ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের সহজ সহজ ভিডিও টিউটোরিয়াল আছে যেগুলোর সাহায্য নিয়ে আপনি সহজেই কোডিং শিখতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের কোডিং এর বইও কিনতে পাবেন যেগুলোতে খুব সহজভাবে কোডিং শিখতে পারবেন।


 


উইন্ডোজ বা OSX এর পরিবর্তে লিনাক্স ব্যবহার করুন

আপনি যদি অনেক দিন ধরে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহার করেন এবং যদি অপারেটিং সিস্টেমগুলো নিয়ে ভাল ধারনা রাখেন তাহলে আপনি সম্ভবত ইতোমধ্যেই লিনাক্স এর নাম শুনেছেন এবং অনেকে হয়ত লিনাক্স ব্যবহারও করেছেন। পৃথিবীর ৯৬.৫৫% ওয়েব সার্ভারে লিনাক্স ব্যবহার করা হয়। আপনি বিভিন্ন ফ্লেভারের লিনাক্স পাবেন। যেমন লিনাক্স মিন্ট, উবুন্টু ইত্যাদি। আপনি যেকোনো এক ধরনের লিনাক্স ওএস আপনার পিসিতে ইন্সটল করেই লিনাক্স ব্যবহার করতে পারেন। লিনাক্স ব্যবহার করলে আপনি বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাবেন যেগুলো হ্যাকিং এর জন্য সবথেকে বেশি দরকার। পৃথিবীর ৯৯% হ্যাকাররাই লিনাক্স ব্যবহার করে তাদের প্রাইমারি ওএস হিসেবে।



ওপেনসোর্স সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করুন

ওপেনসোর্স সফটওয়্যার হচ্ছে সেই ধরনের সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামগুলো যেগুলোর ডেভেলপমেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে ঐ কোম্পানিতে কাজ করা কোন কর্মচারী হতে হবেনা। ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের ডেভেলপমেন্ট নিয়ে যে কেউ ইচ্ছা কাজ করতে পারে। আপনার টার্গেট যদি হয় হ্যাকার হওয়া, তাহলে আপনার উচিৎ হবে প্রথমে এই ধরনের ওপেনসোর্স সফটওয়্যারগুলো নিয়ে কাজ করা বা সফটওয়্যারগুলোর বেটা টেস্টার হওয়া। কয়েকটি ওপেনসোর্স প্লাটফর্মের উদাহরণ হল জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্স, জনপ্রিয় ব্লগিং প্লাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেস এবং উপরে বর্ণিত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স। আপনাকে এই সবকিছু এবং আরো অনেক ওপেনসোর্স সফটওয়্যার সম্পর্কে জানতে হবে এবং এগুলো নিয়ে কাজও করতে হবে।



Def Con কনভেনশন ফলো করুন বা সম্ভব হলে অংশ নিন

Def Con কনভেনশন হল একটি হ্যাকারদের ইভেন্ট বা একটি কনফারেন্স যা প্রতিবছর Las Vegas শহরে অনুষ্ঠিত হয়। এই কনভেনশনে পৃথিবীর সবথেকে বড় বড় হ্যাকার, কম্পিউটার এক্সপার্টস এবং সিকিউরিটি এক্সপার্টরা অংশ নেন। এই ইভেন্টে হ্যাকিং এর বিভিন্ন বিষয় এবং টিপস বা টিউটোরিয়াল বা সবার মতামত ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। আপনি যদি হ্যাকার হতে চান তাহলে আপনার উচিৎ হবে প্রত্যেকবছর এই কনভেনশন ফলো করা বা সম্ভব হলে Las Vegas শহরে গিয়ে ফিজিক্যালি এই কনভেনশনে উপস্থিত থাকা। এর ফলে আপনি হ্যাকিং স্কিল সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানতে পারবেন এবং হ্যাকিং বিষয়ে আরো বিভিন্ন ধরনের জ্ঞান লাভ করতে পারবেন।


এই কনভেনশন সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন- এখানে।

বিভিন্ন ধরনের হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন

হ্যাকার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কিভাবে হ্যাক করা হয় তা জানতে হবে। পৃথিবীর সব হ্যাকাররা বিভিন্ন ধরনের ইউনিক উপায় হ্যাকিং করে থাকেন। হ্যাকার হতে হলে আপনাকে সেসব উপায় জানতেই হবে এবং সেসব উপায় নিজে অনুশীলন করতে হবে। হ্যাকিং করার কয়েকটি জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে :


Distributed Denial Service Attack

এই অ্যাটাকটি সাধারনত ব্যবহার করা হয় কোন ওয়েবসাইট হ্যাক করার কাজে বা ওয়েবসাইট ডাউন করার কাজে। কিভাবে এই অ্যাটাকটি কাজ করে তা হচ্ছে, হ্যাকাররা ওয়েবসাইটটিতে বা ওয়েব সার্ভারটিতে বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য ম্যালিশিয়াস কমান্ডস সেন্ড করে। ওয়েব সার্ভারটি এই সব কমান্ড গুলো প্রসেস করতে পারেনা এবং পরিশেষে অফলাইন হয়ে যায় বা ডাউন হয়ে যায়।


এই অ্যাটাক সম্পর্কে বিসস্তারিত জানতে পারবেন- http://corneey.com/wTsl0g


DNS Cache Poisoning

এই হ্যাকিং পদ্ধতিটিকে DNS Spoofing ও বলা হয়ে থাকে। এই পদ্ধতিটি যেভাবে কাজ করে তা হল, হ্যাকাররা আপনার কম্পিউটারটিকে এমনভাবে ট্রিক করে যাতে আপনার কম্পিউটারটি আপনাকে দেখায় যে এটি একটি নির্দিষ্ট নিরাপদ ওয়েবসাইটে কানেক্ট করছে, কিন্তু আসলে তা হ্যাকারের নিজের ওয়েবসাইটে কানেক্ট করে যা আপনি জানতেও পারেন না। এই পদ্ধতিতে হ্যাকাররা আপনার পারসোনাল ডাটা পেয়ে যেতে পারে বা আপনার কম্পিউটারের ওপরও কিছুটা কন্ট্রোল পেয়ে যায়।

 


 

Buffer Overflow Attack

এই পদ্ধতিটির সাহায্যে হ্যাকাররা আপনার সিস্টেম এর উপরে সম্পূর্ণ কন্ট্রোল পেতে পারে। এই কাজটি হ্যাকাররা করে থাকে টেম্পোরারি স্টোরেজ স্পেসের সাহায্যে। আপনি যদি হ্যাকারদের তৈরি করা কোন প্রোগ্রাম ব সফটওয়্যার আপনার সিস্টেমে ইন্সটল করেন তাহলে সেই প্রোগ্রামের সাহায্যে হ্যাকাররা আপনার সিস্টেমের ওপর সম্পূর্ণ কন্ট্রোল পেয়ে যেতে পারে।


শুধুমাত্র এই তিনটি নয়, হ্যাকিং এর আরো হাজার হাজার উপায় আছে। উপরের তিনটি সহ এই সব উপায় আপনি চাইলেই খুব সহজে জানতে পারবেন এমনটা ভাবার কোন কারন নেই। টিউনের প্রথমেই বলেছি হ্যাকিং সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে অনেক দিন/মাস/বছর ধরে চেষ্টা করে যেতে হবে এবং অনুশীলন করতে হবে। হ্যাকার হতে হলে বা হ্যাকিং এর সব পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে ইন্টারনেটে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল ঘাটাঘাটি করতে হবে, ইউটিউবে হ্যাকিং সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের ভিডিও দেখতে হবে, হ্যাকিং সম্পর্কিত বিভিন্ন বই পড়তে হবে। সর্বোপরি এই সম্পর্কে এক্সপার্ট হতে হলে এটা নিয়েই পড়ে থাকতে হবে আপনাকে। কিন্তু, আমার মতে সবকিছু ফেলে এই হ্যাকিং এর কাজে সময় নষ্ট করার কোন যুক্তি নেই। হ্যাকিং নিয়ে রিসার্চ করে আপনি যে সময়টা নষ্ট করবেন, সেটা অন্য একটা ভাল কাজে ব্যবহার করলে আপনারই ভাল হবে। যদি আপনি একজন সাধারন বুদ্ধিমান মানুষ হন, তাহলে হ্যাকিং এর চিন্তাভাবনা থেকে দূরে থাকুন।


  • তথ্যসুত্র- TechTunes



গোপনাংের চুল কাটতে হবে কোন জায়গা থেকে?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
এই নাপাক চুল কাটা শুরু করতে হবে নাভীর নীচ থেকে।লিঙ্গের আশে পাশে,অন্ডকোশে তার চারপাশ।

হোমিওপ্যাথি অথবা এলোপ্যাথি ডাক্তারি বই কিনতে পাওয়া যাবে?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

জ্বী আপনি এই  লিংকে গিয়ে বইয়ের লিস্ট গুলো দেখতে পারেন।


এলোপ্যাথিক বই:

আধুনিক এলোপ্যাথিক চিকিৎসা ডাঃ ডি,ইউ আহমেদ প্রায় ১২০০+ পৃষ্টার এই বইটিতে মোটামুটি সব রোগের চিকিৎসা পাবেন। ঢাকা নীলক্ষেত্রে পাওয়া যাবে।

  • নিয়‌মিত ব্যায়াম ও কা‌য়িক প‌রিশ্রম করতে হবে
  • ধূমপান, মদ্যপান, তামাক এড়িয়ে চলতে হবে
  • প্রচুর পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে
  • রক্তচাপ ও কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে
  • হীনমন্যতা, দুশ্চিন্তা, হতাশা, ভয় ঝে‌ড়ে ফেল‌তে হবে
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে, রাতে ৭-৮ ঘন্টা
  • তরমুজ, বেদানা বা ডালিমের জুস খুবই উপকারী

এগুলো মেনে চলুন। এছাড়া,
এই আর্টিকেল টি পড়ুন।আসা করি সঠিক সমাধান পাবেন।
আগে আপনি সিউর হন।এটাকে সত্যি ই বের হয় নাকি আপনার মনের কল্পনা? যদি সত্যি ই হয়।তবে কয়েকদিন লক্ষ্য করুন।দেখেন ঠিক হয় কি না।যদি ঠিক না হয়, তবে চিকিৎসা নিন।আর যদি মনে হয় এটা এমনি মনের সন্দেহ তবে এটি হয়তো শয়তান আপনাকে ধোকা দিচ্ছে, আল্লাহ কে ভয় করুন,আল্লাহর আজাব সম্পর্কে জানুন।তাহলেই এর থেকে মুক্তি সম্ভব।

ইন্টারনাল লিংক তৈরি?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

 উদাহরণে আসা যাক !  আপনি এইখানে ক্লিক করলেই মুহুর্তের মধ্যে দিয়াদঘন্ত অর্থাঠ আরেকটি ওয়েব পেজ এ চলে যান ।আশা করছি এখন ইন্টারনাল লিংক সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন।


এবার আসুন জেনে নিই, কিভাবে ইন্টারনাল লিংক তৈরি করতে হয়।

খুবই সহজ । আপনি হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে, আমি ও আমার এই পোস্টটির মধ্যে একটি ইন্টারনাল লিংক তৈরি করেছি। এখন আমি কিভাবে সেটি তৈরি করেছি, তা-ই আপনাদের বলব।


প্রথমে আমি Post Editor এর HTML ট্যাবে গিয়েছি।

তারপর, আমি আমার ইন্টারনাল লিংকটির মাধ্যমে আপনাদের যেখানে নিয়ে যেতে চাই সেখানে গিয়েছি। অর্থাৎ নিচের এই লিখাটিতে - "হয়তো পোস্টগুলোও আপনার কাজে লাগতে পারে"।

তারপর লিখাটির আগে ও পরে আমি দুটি HTML code বসিয়েছি। "হয়তো পোস্টগুলোও আপনার কাজে লাগতে পারে" লিখাটির আগে বসিয়েছি <a name="Anything you can type here"> এবং পরে বসিয়েছি </a>

<a name= লিখার পর ইনভার্টেড কমার মধ্যে আপনি যে কোন কিছু লিখতে পারেন কিন্তু আপনাকে লিখাটি মনে রাখতে হবে।

এবার উদাহরণস্বরুপ পুরো লাইনটি দেখুন । <a name="Anything you can type here">হয়তো পোস্টগুলোও আপনার কাজে লাগতে পারে</a>

ব্যাস, আমাদের অর্ধেকটা কাজ শেষ হয়ে গেল। এবার বাকিটা...।

লিংকটি কিন্তু এখনও তৈরি হয়নি। শুধুমাত্র লিংকের গন্তব্যটি নির্ধারণ করলাম। এবার আসুন লিংকটি তৈরি করে ফেলি।


আমার লিংকটি আমি তৈরি করেছিলাম এই শব্দটিতে - "এইখানে ক্লিক"

তাই আমি HTML ট্যাবটি থেকে "এইখানে ক্লিক" শব্দটির আগে লিখেছি <a href="#Anything you can type here"> এবং শব্দটির পরে লিখেছি </a>

বলুন তো, <a href="#Anything you can type here"> এই কোডটির মধ্যে Anything you can type here লিখাটি কোথা থেকে এসেছে? লিখাটি এসেছে উপরের এই কোডটি থেকে <a name="Anything you can type here">হয়তো পোস্টগুলোও আপনার কাজে লাগতে পারে</a> । কারণ আমরা উপরের কোডটিতে ইনভার্টেড কমার মধ্যে লিখাটিই লিখেছিলাম।

# হ্যাশ চিহ্নটি কিন্তু অবশ্যই দিতে হবে।

 সুতরাং পুরো লাইনটি দাড়াঁলো এইভাবে : <a href="#Anything you can type here">এইখানে ক্লিক</a>

ব্যাস আমাদের কাজ এখানেই শেষ। সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন !

পদার্থবিদ্যার ব্যবহৃত ক্যালকুলাস কিভাবে গননা করা হয়?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

এই আর্টিকেল টি পড়ুন।আসা করি পরিপুর্ন ধারনা পেয়ে যাবেন।

পাইলস বা অর্স্ব গ্যাজের চিকিৎসা কি?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
পাইলস রোগে করণীয়: ১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা ২. পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি(প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস) পান করা ৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা ৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো ৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা ৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা ৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা ৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লেকজেটিভ বেশি গ্রহণ না করা ৯. মল ত্যাগে বেশি চাপ না দেওয়া ১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া। পাইলস রোগে গ্রহণীয় কিছু খাবার: শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি। পাইলস রোগে বর্জনীয় কিছু খাবার: খোসাহীন শস্য, গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, কলে ছাঁটা আটা, ময়দা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি।   আর যদি এতে ও না সারে,তবে একজন পায়ুপথ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখান

পুরুষ ও মহিলার শারিরীক পার্থক্য কি?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
শারীরিক দিক থেকেঃ গড়পড়তা অবস্থা হচ্ছে এই যে, পুরুষের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অপেক্ষাকৃত পুষ্ট ও বড় এবং নারীর শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অপেক্ষাকৃত ছোট; পুরুষ অপেক্ষাকৃত উঁচু, নারী অপেক্ষাকৃত খাটো; পুরুষের শরীর শক্ত ও রুক্ষ্ম, নারীর শরীর মোলায়েম ও মসৃণ; পুরুষের কণ্ঠস্বর অপেক্ষাকৃত মোটা ও কর্কশ, নারীর কণ্ঠস্বর অপেক্ষাকৃত চিকন ও মিষ্টি; নারীর শরীরের বৃদ্ধি দ্রুততর, পুরুষের শরীরের বৃদ্ধি বেশি সময় নেয়; এমন কি বলা হয় যে, মেয়ে শিশুর ভ্রূণ পুরুষ শিশুর ভ্রূণের তুলনায় দ্রুততর বৃদ্ধি পায়। পুরুষের শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বৃদ্ধির পরিমাণ ও শারীরিক শক্তির পরিমাণ নারীর তুলনায় বেশি। অনেক রোগ-ব্যাধির মোকাবিলায়ই নারীর প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরুষের প্রতিরোধ ক্ষমতার তুলনায় বেশি। নারী পুরুষের তুলনায় তাড়াতাড়ি বয়ঃপ্রাপ্ত হয় এবং পুরুষের তুলনায় তাড়াতাড়ি সন্তান জন্মদান ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। মেয়ে শিশু ছেলে শিশুর তুলনায় তাড়াতাড়ি কথা বলতে শেখে। গড়ে নারীর মস্তিষ্কের তুলনায় পুরুষের মস্তিষ্ক অপেক্ষাকৃত বড়, কিন্তু গোটা শরীরের সাথে মস্তিষ্কের অনুপাতের দৃষ্টিতে নারীর মস্তিষ্ক পুরুষের মস্তিষ্কের তুলনায় বড়। পুরুষের ফুসফুস নারীর ফুসফুসের তুলনায় বেশি পরিমাণে বাতাস ধারণ করতে সক্ষম, অন্যদিকে নারীর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া পুরুষের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়ার তুলনায় দ্রুততর।

আমার বাড়িতে ইন্টারনেট স্পিড খুব কম।কিভাবে স্পিড বাড়াব?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

এখানে

গিয়ে আর্টিকেল টি পড়ুন।আসা করি সহায়ক হবে।

হিন্দি তেরে নাম সিনেমার ফুল ভিডিও লিংক চাই।?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
http://tech2k18.site/your-requested-video-is-ready-for-download-lets-verify-robots-before-download/ এখানে গিয়ে ডাউনলোড করে নিন।

এলার্জির ঔষধ ছাড়া কিভাবে নির্মূল করতে পারি?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

এলার্জিতে আক্রান্ত হলে অধিকাংশক্ষেত্রে এ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ ও স্টেরয়েড ব্যবহারে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে এলার্জি প্রতিহত করা সম্ভব হয়। এক্ষেত্রে যা করণীয় তা হলো-


  • সর্বদা সূতির পোশাক পরিধান করা।
  • উল ও ফ্লানেলের পোশাক পরিধান করলে তা থেকে এলার্জি সৃষ্টি হয় কিনা সেদিকে খেয়াল রাখা।
  • আসবাবপত্র যেমন তুলো বা ছাবড়াযুক্ত আসবাব, উদ্ভিদ বা প্রাণী সজ্জিত খেলনা, কম্বল, পশমি কাপড়, ভেনেসীয় খড়খড়ি, কার্পেট, জাজিম, পাপোস-এগুলোকে ধুলোমুক্ত রাখা এবং সম্ভব হলে বর্জন করা।
  • এলার্জিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ধুলোবালি থেকে সরিয়ে রাখা।
  • যে সব স্থানে ধুলো জমতে পারে সে-সব স্থান বন্ধ করে দেয়া।
  • যদি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার-এর মতো পরিষ্কারক যন্ত্র থাকে তবে নির্দিষ্ট সময়ে সেগুলোর ফিল্টার পরিবর্তন করা।
  • এলার্জি সৃষ্টি করে এমন ওষুধ পরিহার করা।
  • যে সব খাবারে এলার্জি হয় তা শনাক্ত করা ও বর্জন করা।
  • যখন তখন যে কোনও ফুলের ঘ্রাণ না নেয়া বা তার সংস্পর্শে না যাওয়া।
  • শিশুদের ও এলার্জিগ্রস্ত ব্যক্তিদের লোমশ প্রাণী থেকে দূরে রাখা।
  • বাইরে বেরোলে সর্বদা মাস্ক বা মুখোশ ব্যবহার করা।

ইংরেজী শেখার উপায়?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

নিজের উপায় গুলো প্রয়োগ করতে পারেন।


০১। অনেকে মনে করে থাকেন ইংরেজী খবরের কাগজ পড়লে ইংরেজী শেখা যায়। এটি ভুল ধারনা। কারণ খবরের কাগজের সাথে তিন-চার খানা ডিকশনারী নিয়ে বসতে হয়। যেকোনকিছুই শিখবার সহজ উপায় হলো বিনোদনের মাধ্যমে শেখা। আমি বাংলা খবরের কাগজেই আগ্রহী বেশী।


০২। গ্রামার বই পড়ে আপনি ইংরেজী ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ শিখতে পারবেন। এটা জরুরী বিষয়। তবে আজ-কাল যেসব গ্রামার বই বাজারে পাওয়া যায়! সেগুলোতে সৃজনশীলতার মাখা মাখি। ভয়েস, ন্যারেশন, সেন্টেনস স্ট্রাকচার এসবের বালাই নেই। শুধূ উপরের অংশটি পড়ে নীচের প্রম্নের উত্তর দাও।!!!! এজন্যই আজকালকার ইংরেজী শুনলে হাসি পায়। পুরোনো বই এর দোকানে গিয়ে খুঁজে দেখুন আশির দশকের কোনো গ্রামার বই পান কিনা। কাজে লাগবে।


০৩। ইংলিশ মুভি দেখা হলো সবচাইতে সহজ উপায় ভালো ইংরেজী বলবার জন্য। যারা একটু কাঁচা, তারা সাবটাইটেল সহ দেখবেন। এক্ষেত্রে মুভি সিলেকশানটাই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। আমি কয়েকটি মুবির নাম এখানে উল্লেখ করছি পারলে সংগ্রহ করে দেখা শুরু করে দিন। মুভিগুলোও উপবোগ করতে পারবেন, আবার ইংরেজী শিখবার রাস্তায় অনেকদূর এগিয়ে যাবেন। ‘নটিং হিল’, ‘শার্লক হোমস টিভি সিরিয়াল কালেকশান’ এদুটির কথাই এখন বলছি, কারন দুটি মুভিতেই ব্রিটিশ ইংরেজী ভাষার ব্যাকারণিক ভিত্তিতে ডায়লগ রচিত।

০৪। অনেকে ভাবতে পারেন ব্রিটিশ ইংলিশ তো চলে না! ভাই রে, ভাষাটি আগে সহজ ভাবে শিখে নেন! তারপর ইউ এস চলতি ভাষার দিকে নজর দেন। না হলে, বলতে গিয়ে গুবলেট হয়ে যাবে। ভালো ইংরেজী জানা মানুসের সঙ্গে কথা বলতে গেলে মুচকি হাসির খোরাকে পরিনত হবেন না হলে! ‘দ্যা পাইরেটস অব দ্যা ক্যারিবিয়ান’ মুভি সিকুয়্যাল গুলো দেখুন। বিশেষ করে ফলো করুন ক্যাপটেন জ্যাক স্প্যারো এর ডায়লগ। দেখবেন কিভাবে তিনি ছোট ছোট শব্দের মাধ্যমে অনেক বড় অভিব্যক্তি প্রকাশ করছেন। মনে রাখবেন, কথা বলবার সময় আপনার অভিব্যক্তি আপনার শব্দ ভান্ডরের অভাবকে কিছুটা হলেও ঢেকে দেবে।


০৫। ইউ এস ইংলিশ শিখবার জন্য ‘জেফ ডানাম’ লিখে ইউ টিউবে সার্চ দিন। দেখুন শুনুন!!! অনেক কাজে দেবে। জেফ হচ্ছেন পৃথিবীর কয়েক জনের মধ্যে প্রথম সারির একজন স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান এবং পৃথিবীর সেরা ভেন্ট্রোকুইলষ্ট। উনার শো মানুষ হাজার ডলারে টিকেট কেটে দেখে থাকেন উচ্চমার্গীয় বিনোদনের জন্য। আপনাওে ভালো লাগবে। তবে ইংরেজী ভাষাটা কিছুটা ব্রিটিশ ধাচে শিখে নিতে হবে আগে। তাহলেই আপনি ইউ এস ধাচের ইংরেজী এ্যাকসেন্ট এর সাথে তাল মিলিয়ে লিসনিং এবং লার্নিং টা খুব উপভোগ্য ভাবে চালিয়ে নিতে পারবেন।


  • তথ্যসুত্র- somewhere.net

ফুটবল খেলার লাইভ স্কোর পাওয়া যাবে এরকম কোনো অ্যাপ আছে কি।?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

জ্বী।আপনি খুব সহজেই এখানে এই অ্যাপ্লিকেশান টি ডাউনলোড করে লাইভ খেলার স্কোর দেখতে পারবেন

৬ই জৈষ্ঠ ১৪০৭ - ২০ মে ২০০০ সাল শনিবার ছিল।

এই ধরনের লিংক কোথায় পাবো বা কিভাবে তৈরী করা হয়?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
আপনি প্রথমে  যেকোন ব্রাউজার দ্বারা ফেসবুকে লগিন করুন।তারপর সেই পেজ এ যান তারপর সার্চবারে ক্লিক করুন।দেখবেন সেখানে ১৩-১৫ নাম্বারের কয়েকটি সংখ্যা রয়েছে।সেটা কপি করবেন। তারপর শুধু এটা @[পেজ কোড:] তারপর কমেন্ট করিবেন।দেখবেন সেখানে ক্লিক করলে চলে যাবে আপনার পেজ এ। যদি পেজ কোড বের করতে না পারেন তবে আমাকে মন্তব্যে জানান। আমি বের করে দিব

আজেন্টিনার এগারোজন প্লেয়ারের নাম কী?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
নিম্নলিখিত খেলোয়াড়দের ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ এবং প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।[১৫][১৬] খেলা ও গোল সংখ্যা: ২৯ মে ২০১৮, হাইতি এর বিপক্ষের ম্যাচ পর্যন্ত. # অব. খেলোয়াড় জন্ম তারিখ (বয়স) ম্যাচ গোল ক্লাব ১ গো নাহুয়েল গুজম্যান ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ৩২) ৬ ০ মেক্সিকো টাইগ্রেস ইউএএনএল ১২ গো ফ্রাঙ্কো আরমানি ১৬ অক্টোবর ১৯৮৬ (বয়স ৩১) ০ ০ আর্জেন্টিনা ক্লাব আতলেতিকো রিভার প্লেত ২৩ গো উইলি কাবায়েরো ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৮১ (বয়স ৩৬) ৩ ০ ইংল্যান্ড চেলসি ফুটবল ক্লাব ২ র গ্যাব্রিয়েল মার্কাডো ১৮ মার্চ ১৯৮৭ (বয়স ৩১) ২০ ৩ স্পেন সেভিয়া ফুটবল ক্লাব ৩ র নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো ৩১ আগস্ট ১৯৯২ (বয়স ২৫) ৪ ০ নেদারল্যান্ডস এএফসি আয়াক্স ৪ র ক্রিস্টিয়ান আনসালদি ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৬ (বয়স ৩১) ৫ ১ ইতালি তোরিনো এফ.সি. ৬ র ফেদেরিকো ফ্যাজিও ১৭ মার্চ ১৯৮৭ (বয়স ৩১) ৯ ১ ইতালি এ.এস. রোমা ৮ র মার্কোস আকুনা ২৮ অক্টোবর ১৯৯১ (বয়স ২৬) ১০ ১ পর্তুগাল স্পোর্টিং সি পি ১৬ র মার্কোস রোহো ২০ মার্চ ১৯৯০ (বয়স ২৮) ৫৬ ২ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফুটবল ক্লাব ১৭ র নিকোলাস ওটামেন্ডি ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ (বয়স ৩০) ৫৪ ৪ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব ৫ ম লুকাস বিগলিয়া ৩০ জানুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ৩২) ৫৭ ১ ইতালি এসি মিলান ৭ ম এভার বানেগা ২৯ জুন ১৯৮৮ (বয়স ২৯) ৬২ ৬ স্পেন সেভিয়া ফুটবল ক্লাব ১১ ম আনহেল দি মারিয়া ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮ (বয়স ৩০) ৯৪ ১৯ ফ্রান্স প্যারিস সেন্ট-জার্মেই এফ. সি. ১৩ ম ম্যাক্সিমিলিয়ানো মেজা ১৫ জানুয়ারি ১৯৯২ (বয়স ২৬) ২ ০ আর্জেন্টিনা ক্লাব এথলেটিকো ইন্ডিপেনডিয়েন্ট ১৪ ম হাভিয়ের মাশ্চেরানো ৮ জুন ১৯৮৪ (বয়স ৩৪) ১৪৩ ৩ চীন চায়না হোবেই ফরচুন ১৮ ম এডুয়ার্ডো সালভিও ১৩ জুলাই ১৯৯০ (বয়স ২৭) ৯ ০ পর্তুগাল এস.এল.বেনেফিকা ২০ ম জিওভানি লো সেলসো ৯ এপ্রিল ১৯৯৬ (বয়স ২২) ৫ ০ ফ্রান্স প্যারিস সেন্ট-জার্মেই এফ. সি. ২২ ম ক্রিস্টিয়ান পাভোন ২১ জানুয়ারি ১৯৯৬ (বয়স ২২) ৫ ০ আর্জেন্টিনা বোকা জুনিয়র্স ৯ আ গঞ্জালো ইগুয়াইন ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৭ (বয়স ৩০) ৭১ ৩১ ইতালি জুভেন্টাস ফুটবল ক্লাব ১০ আ লিওনেল মেসি (অধিনায়ক (ফুটবল)) ২৪ জুন ১৯৮৭ (বয়স ৩১) ১২৪ ৬৪ স্পেন ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা ১৯ আ সার্হিও আগুয়েরো ২ জুন ১৯৮৮ (বয়স ৩০) ৮৫ ৩৭ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব ২১ আ পাওলো ডিবালা ১৫ নভেম্বর ১৯৯৩ (বয়স ২৪) ১২ ০ ইতালি জুভেন্টাস ফুটবল ক্লাব
১ ম এ একটি ফুল নিয়ে মেয়েটির হাতে ধরিয়ে দেবে। ২ য় ছেলেটি মেয়েটির প্রথমে হাতে ও পরে কপালে আলতো করে চুমু করবে। ৩য় মেয়েটিকে জরিয়ে ধরবে। তাহলে মেয়েটি বুজতে পারবে ছেলেটি তাকে ভাল বাসে।  
https://www.bissoy.com/811966/ ↑ এই প্রশ্নে আমার উত্তরটি লক্ষ করুন। আসা করি সম্পুর্ন উত্তর পেয়ে যাবেন।
আপনি DT Facebook Recovery Group এ জয়েন হয়ে পোস্ট দিন।তারা বিনামুল্যে আপনার গ্রুপ টি আপনার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অপ্রান চেষ্টা করবেন।

এন্ড্রোয়েড ফোনের দ্বারা গান বানাব কেমনে?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

আপনি Karoke/simule/star maker অ্যাপ দ্বারা করতে পারবেন।


বি.দ্র: অবশ্যই ডাটা কানেকশন লাগবে।

আমেরিকান ১৮৯৯ড্রলার=বাংলাদেশ কত?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
বর্তমান ২৯/৬/২০১৪ অনুযায়ী ১৮৯৯=160476.80টাকা

রুট করার সুবিধা ও অসুবিধা কি?এবং কিভাবে করে?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

রুট কী?

সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক। যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড়, লিনাক্সের জগতে রুট বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায় যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে (অবশ্যই কেবল সেই কম্পিউটার, ডিভাইস বা সার্ভারে!)। রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না (যেগুলো সাধারণত সি ড্রাইভে থাকে)। লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয়। অনেক সময় একে সুপারইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে।

শব্দটি এতোই প্রচলিত হয়ে গেছে যে, রুট ইউজার বলার বদলে সরাসরি রুট বলেই সেই ব্যবহারকারীকে সম্বোধন করা হয়। অর্থাৎ, আপনার লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের আপনি যদি রুট অ্যাক্সেস প্রাপ্ত ব্যবহারকারী হন, তাহলে আপনি রুট।

লিনাক্স এবং অ্যান্ড্রয়েড
অনেকেরই হয়তো খটকা লাগতে শুরু করেছে যে, অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে কথা বলতে এসে লিনাক্সকে টানা হচ্ছে কেন। মূলত, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। যারা কম্পিউটারে লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেছেন, তারা অ্যান্ড্রয়েড রুট করার পর কম্পিউটারের মতোই ফাইল সিস্টেম (রুট পার্টিশন) দেখতে পাবেন অ্যান্ড্রয়েডে, তখন বিষয়টা আরও স্পষ্ট হবে।

অ্যান্ড্রয়েডে রুট অ্যাক্সেস
লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করার পর আপনার যেই পাসওয়ার্ড থাকবে, সেটি ব্যবহার করেই আপনি রুট অ্যাক্সেস পেয়ে যাচ্ছেন। এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটিও তো আপনিই কিনেছেন, তাহলে আপনি কেন রুট অ্যাক্সেস পাচ্ছেন না?

ট্রিকটা এখানেই। আপনি ডিভাইসটি কিনেছেন ঠিকই, কিন্তু আপনি কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমটি ইন্সটল করেননি, তাই না? ডিভাইস প্রস্তুতকারক ডিভাইসটি প্যাকেটজাত করার আগে তাদের কম্পিউটার থেকে লিনাক্স কার্নেলের উপর তৈরি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে দিয়েছে। এখানে বলা বাহুল্য, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল ভিত্তিটা এক হলেও একেক কোম্পানি একেকভাবে একে সাজাতে বা কাস্টোমাইজ করতে পারেন। এই জন্যই সনির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইউজার ইন্টারফেসের সঙ্গে এইচটিসির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্টারফেসের মধ্যে খুব কমই মিল পাওয়া যায়।

যাই হোক, মূল বিষয়ে আসা যাক। আপনার ডিভাইস প্রস্তুতকারক কোম্পানি ইচ্ছে করেই আপনাকে রুট অ্যাক্সেস দেয়নি। এ কথা শুনে কোম্পানির উপর কিছুটা রাগ অনুভূত হলেও সত্য কথা হচ্ছে এই যে, এটি আপনার ডিভাইসের সুরক্ষার জন্যই করা হয়েছে। আসুন জেনে নিই কেন রুট অ্যাক্সেস স্বাভাবিক অবস্থায় দেয়া থাকে না।

কেন রুট করা থাকে না
ডিভাইস প্রস্তুতকারকরা ইচ্ছে করেই ডিভাইস লক করে দিয়ে থাকেন। রুট ফোল্ডার/পার্টিশনে থাকা ফাইলগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর কোনো একটি দুর্ঘটনাবশতঃ মুছে গেলে আপনার পুরো ডিভাইস কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। এছাড়াও ম্যালিশিয়াস বা ক্ষতিকারক প্রোগ্রামও অনেক সময় রুট করা ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। কিন্তু লক থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারী নিজেই রুট অ্যাক্সেস পান না, তাই অন্য প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে।

ডিভাইস লক করা থাকার আরেকটি কারণ হচ্ছে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ও ফাইল। অনেকেই ইন্টারনাল মেমোরি খালি করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করে থাকেন। রুট করা থাকলে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশনগুলোও ট্রান্সফার করে ফেলা যায়। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইল রয়েছে যেগুলো ইন্টারনাল মেমোরির ঠিক যেখানে আছে সেখানেই থাকা আবশ্যক। ব্যবহারকারী যখন ডিভাইস রুট করেন, তখন স্বভাবতঃই অনেক কিছু জেনে তারপর রুট করেন। তখন বলে দেয়াই থাকে যে, কিছু কিছু সিস্টেম অ্যাপস এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করলে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু যদি স্বাভাবিক অবস্থায়ই সেট রুট করা থাকে, তাহলে ব্যবহারকারী না জেনেই সেটের ক্ষতি করতে পারেন।

এমন একটি চিত্র কল্পনা করুন, যেখানে প্রযুক্তি নিয়ে খুব একটা ধারণা রাখেন না এমন একজন ভাবলেন যে তিনি তার ফোনের ইন্টারনাল মেমোরি ফাঁকা করবেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি রুট ফোল্ডারে গিয়ে সবগুলো ফাইল কাট করে এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করে দিলেন। রুট অ্যাক্সেস থাকার কারণে ট্রান্সফারের সময় ডিভাইস তাকে বাধা দেবে না। কিন্তু ট্রান্সফারের মাঝেই ফোনটি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আর ঠিকমতো কাজ করবে না। তখন তিনি দোষ দেবেন কোম্পানির কাঁধে। কিন্তু রুট লক করা থাকলে ব্যবহারকারী রুট ফোল্ডার খুঁজেই পাবেন না।

আশা করছি এবার বুঝতে পারছেন কেন ডিভাইস বাই ডিফল্ট রুট করা থাকে না। কিন্তু ৯০% (কিংবা তারও বেশি) ডিভাইসই রুট করা যায়। যাদের রুট করার একান্ত প্রয়োজন, তাদের রুট করার উপায় রয়েছে। কিছু কিছু কোম্পানি (যেমন সনি) নিজেদের সাইটেই ডিভাইস রুট করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজের প্রণালী দিয়ে রেখেছে। কিন্তু তবুও কোম্পানি নিজেরা রুট করা ডিভাইস বাজারে ছাড়ে না, কারণ বেশিরভাগ ক্রেতাই সাধারণ ক্রেতা হয়ে থাকেন যাদের ডিভাইস রুট করার কোনো প্রয়োজনই নেই।

কেন ডিভাইস রুট করবেন?
ডিভাইস রুট করার কারণ একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। কেউ ডিভাইসের পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বা ইন্টারনাল মেমোরি ফাঁকা করার জন্য রুট করে থাকেন, কেউ ওভারক্লকিং করার মাধ্যমে ডিভাইসের গতি বাড়ানোর জন্য রুট করেন, কেউ স্বাধীনভাবে কাজ করা ডেভেলপারদের তৈরি বিভিন্ন কাস্টম রম ব্যবহার করার জন্য, কেউ বা আবার রুট করার জন্য রুট করে থাকেন। আমি নিজেও প্রথম রুট করেছিলাম কোনো কারণ ছাড়াই। লিনাক্স ব্যবহার করি বলে বিভিন্ন সময় রুট হিসেবে অনেক কাজ করেছি কম্পিউটারে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রুট পারমিশন না থাকায় একটু কেমন যেন লাগছিল। তাই রুট হওয়ার জন্য রুট করেছিলাম।

পরে অবশ্য পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে শুরু করেছি যেগুলো রুট করা ডিভাইস ছাড়া কাজ করে না। তবে সেসব নিয়ে পড়ে কথা হবে। চলুন আগে এক নজর দেখে নিই রুট করার সুবিধা ও অসুবিধা।

রুট করার সুবিধা
পারফরমেন্স বাড়ানোঃবিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা।
ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়।
আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।
কাস্টম ইউআই: আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়।
কাস্টম রম: ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন।
রুট করার অসুবিধা
ওয়ারেন্টি হারানোঃ ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই।
ফোন ব্রিক করাঃ ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক-সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন।
রুট করার পদ্ধতি ও শেষ কথা
এই ছিল রুট নিয়ে যত বকবকানি। রুট নিয়ে বা এর করা-না করা, উপকারিতা-অপকারিতা নিয়ে আরও অনেক কথা বলা যায়, কিন্তু এগুলোই হচ্ছে বেসিক কথা। আশা করছি এতটুকু পড়েই আপনারা বেশ স্পষ্ট একটি ধারণা পেয়েছেন ডিভাইস কেন রুট করা হয়, এর সুবিধা-অসুবিধা ইত্যাদি। এখন অনেকেই তাদের ডিভাইস রুট করতে চাইবেন। তাদের জন্য বলছি, একেক ডিভাইস রুট করার পদ্ধতি একেক রকম। স্যামসাং গ্যালাক্সি ওয়াই রুট করার পদ্ধতির সঙ্গে এইচটিসি ওয়ান এক্স রুট করার পদ্ধতির কোনো মিল নেই। এইচটিসি কেন, গ্যালাক্সি ওয়াই-এর সঙ্গে স্যামসাং-এরই অন্য কোনো সেট রুট করার পদ্ধতি এক নয়।

এছাড়াও একই ডিভাইস রুট করার একাধিক পদ্ধতিও রয়েছে। আবার একটি পদ্ধতি দিয়ে একাধিক ডিভাইস রুট করা যায়। রুটের বিষয়টি এতোটাই জটিল ও বিস্তৃত যে, রাতারাতিই এ নিয়ে সব লিখে ফেলা যায় না। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে, নিজেদের হাতে সেট না থাকলে রুট করার পদ্ধতি নিয়ে টিউটোরিয়াল লেখাও যায় না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিভিন্ন সময় আমাদের হাতে আসা ও পরিচিতদের ডিভাইস রুট করার পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন সময় পোস্ট প্রকাশ করবো। আর যদি বিশেষ কোনো ডিভাইস নিয়ে রুট করার টিউটোরিয়ালের জন্য একাধিক অনুরোধ আসে, তাহলে আমরা এক্সডিএ থেকে অনুবাদ করে টিউটোরিয়াল দেবো। বলা বাহুল্য, এক্সডিএ অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক সবচেয়ে বড় ফোরাম যেখানে অ্যান্ড্রয়েডসহ বিভিন্ন সিনিয়র রম ডেভেলপারদের সম্মেলন ঘটে।

ভাই বিপদে আছে তাড়িতাড়ি উওর দিন?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
পড়াশুনা নির্ভর করে আপনার পরিবার এবং আপনার মেধার উপর।আপনি আপনার আব্বা আম্মাকে বুঝান পড়া লেখা করে যদি আমি এমুক হই তাহলে তোমাদের আর কাজ করা লাগবে না।যদি আপনি ভালো স্টুডেন্ট না হন।তবে ১০ এ একটু ভালো রেজাল্ট করে, অন্যান্য ব্যাবসায় ঢুকে পড়ুন।আসা করি সফল হবেন।

আমার হাত পা অনেক চিকন আমি কী করতে পারি বলবেন?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস দুধ আর এক চামুচ মধু খাবেন।  **সকালে খালি পেটে অন্তত দুই গ্লাস পানি সকাল ৯-30 টার মধ্যে যে কোন নাস্তা সেরে নিন। **খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান ৪-৫ বার খাবেন। রাতে অন্তত ৭-৮ ঘন্টা ঘুমাবেন। সম্ভব হলে দুপুরে খাওয়ার পর ১ ঘন্টা ঘুমাবেন **খাবারে রুচির জন্য সকালে খালি পেটে ১-২ চামচ নিমের রস অথবা কখনো চিরতার পানি খান মাঝে মাঝে অর্জুনের ছাল ভিজিয়ে খাবেন। অর্জুন গ্যাস্ট্রিক, বদ হজম এর জন্যও ভাল কাজ করে। নিম, চিরতা, অর্জুন এই ৩টিই ক্ষুধা বৃদ্ধি করে এবং রুচি বাড়ায়। ** ক্যলরি যুক্ত খাবার বেশি খেতে পারেন পাউরুটি জুস,  ** সাথে সিরাপ সিনকারা খান 6 চা চামুচ করে দিন দুইবার একমাস। টিপস গুলো অনুসরণ করুন ফলাফল পাবেন

মোবাইলে এমবি খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
আপনি প্লে স্টোর থেকে Net Guard অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। তারপর যেগুলোতে শুধু এম্বি যায় সেগুলো কে মার্ক করে দিন। আসা করি আগের থেকে কম কাটিবে।

কোমোরের মাংস কমানো কি কোন ব্যায়াম আছে?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন

– প্রথমে দুই পা সামনের দিকে ছড়িয়ে মেঝেতে বসুন। এরপর দু পায়ের পাতা, কোমর এবং কোমরের পেছনের অংশের উপর ভর দিয়ে কোমর থেকে দেহের উপরের অংশ পেছনের দিকে হেলিয়ে নিন।

– এবার দুহাত একসাথে করে রেখে দেহের উপরের অংশ একবার ডানে নিয়ে হাত মাটিতে ছোঁয়ান। আবার একইভাবে বামে ছোঁয়ান।

– এই ডান-বাম করার ব্যাপারটি দ্রুত করে করবেন। তবে প্রথমে খুব বেশিবার করবেন না, যতোটা পারবেন ততোটাই করুন। ধীরে ধীরে এর মাত্রা এবং গতি দুটিই বাড়িয়ে দেবেন। খুব দ্রুত ফলাফল পেয়ে যাবেন।

– আরও ভালো ফলাফলের জন্য পায়ের পাতা মেঝে না রেখে পা দুটো একটু উপরে তুলে নিয়ে শুধুমাত্র কোমর ও কোমরের পেছনের অংশে ভর দিয়ে ব্যায়ামটি করে নিতে পারেন।

– প্রথম দিকে প্রতিদিন ২-৫ মিনিট এই ব্যায়াম করুন, এরপর দেহ সয়ে এলে ব্যায়ামের সময় বাড়িয়ে নিন।


ব্যায়ামের পজিশন ভালো করে বুঝতে নিচের ছবিটি দেখে নিন -


image


মনে রাখুন ছোট্ট কিছু বিষয়


– ব্যায়ামের পাশাপাশি খাবারের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে এই ব্যায়াম করলে ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়।

– চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার এবং পানীয় দূরে রাখুন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন একেবারে।

– সকালে মাত্র ১০ মিনিটের জগিং বা সাইকেল চালানোর অভ্যাস অনেক দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করতে পারে। যদি পারেন এই অভ্যাসটিও রপ্ত করে ফেলুন।

– প্রচুর পরিমাণে পানি পানের অভ্যাস করুন। এবং উপরের ব্যায়ামটি প্রতিদিন করুন।

লালশাক,পুই শাক,মিস্টি আলু,কুমড়া।

এদের গুনাগুন জানতে/এতে আপনার শরীর কি বৃদ্ধি সাধন হবে তা জানতে ক্লিক করুন এখানে

Infinix hot 6 pro ফোনটি কেমন হবে?

আরাফাতহোসেনতন্ময়
Jun 29, 2018-এ উত্তর দিয়েছেন
চার্জের ক্ষেত্রে মোবাইল টি বেশি ভালো হবে না।আর ক্যামেরা ও বেশি ভালো না। তবে ফোনে অ্যাপ্লিকেশান বেশি ইন্সটল করলে হ্যাং হতে পারে। নিচে বিস্তারিত:   infinix hot 6Pro Full Technical Specifications General Device Type Smartphone Model Infinix Hot 6 Pro Announced April, 2018 Released May, 2018 Status Available on Shopping stores from June Network 2G Network Yes 3G Network Yes 4G Network Yes SIM Type  Nano + Nano SIM Count Dual SIM Design Type Plastic Dimensions 154.4 x 72.2 x 7.8 mm Weight 145g Protection Yes Colours Sandstone Black, Magic Gold, Bordeaux Red, City Blue Display Display Type HD+ IPS LCD capacitive touchscreen Size 6-inch Resolution 720 x 1440 pixels Colors 16M colors Pixel Density 282ppi Screen-To-Body Ratio 76.1% Touch Screen Yes Protection Yes Features Multi-touch, Scratch Resistant Secondary Display No Camera Primary 13MP + 2MP Image Yes Video Yes Features Autofocus  Continuous shooting  Digital zoom  Exposure compensation  Face detection  Geotagging  HDR  ISO settings  Panorama  Scene mode  Self-timer  Touch focus  White balance settings Flash Yes, LED Secondary 5MP Software Operating System Android 8.1 Oreo User Interface (UI) XOS 3.0 Hummingbird Java Support Yes Skype Yes Whatsapp Yes Facebook Yes Youtube Yes Hardware Chipset (SoC) Qualcomm Snapdragon 425 CPU Quad-core 1.4GHz GPU Adreno 308 RAM (Memory) 3GB Internal Storage 32GB Card Slot Yes, up to 128GB Sensors  Fingerprint (Rear)  Accelerometer  Proximity  Ambient Light  – Controls Touchscreen, Lock Button, and Volume Key Connectivity Bluetooth Yes Infrared No Wi-Fi Yes Wi-fi Hotspot Yes USB Type Yes, microUSB GPS Yes, with A-GPS NFC – HDMI – Facial Identification No Wireless Charging No Battery Battery Type Li-Ion Battery Capacity 4000mAh Placement Non-removable Fast Charging Yes Standby – Talk Time – Music Play – Media Audio Playback Yes, MP3, AAC, AAC+, eAAC+, WMA, MIDI, WAV, AC3, FLAC Video Playback Yes, 3GP, Mp4, MPEG4, H.263, H.264 player Video Out – FM Radio – Alert Types Vibration, Ringtones Ring Tones MP3, WAV Loudspeaker Yes Handsfree  Yes Other Features – MP3/WAV/eAAC+/FlAC player – Active noise cancellation with dedicated mic – DivX/Xvid/MP4/H.265 player – Photo/video editor – Document viewer

Loading...